Opinion

Are changing skills the new future for the youth?

1280 720 Roshni Shamim

There are certain things you only experience when you step into the corporate world for the first time; daunting interviews, unexpected questions and a reality check on your actual qualifications are just a few that sit at the top of my mind. While most of these one can prepare for, thanks to the world of the internet, many remain hidden, waiting to spring on you just as you’re trying to recall if Einstein’s law was actually E quals MC2 or not.

A similar situation struck out with me, minus the recall on fundamental physics. It began with my supervisor asking me if I was aware of what is known as the 21st century skills. Completely unaware of the term, I admitted it was the first time I was hearing of it. He then proceeded to enlighten me on the subject of what we can better identify as a more modern set of skills which are desired by companies today.

Similar to the new era of digitalization we are experiencing today, the outlook on what defines a competitive skill set on the market has also changed to thus welcome a fresh new era. Today, companies identify individuals that hold what is known as the 21st century skills. Previously, the expectation behind skills was more generic, foundational, and segmented. The traditional skill set therefore included competencies which included holding a robust grip on technical knowledge integrated with an aspect of acute emotional intelligence. Fresh into the corporate world, I also clung naively to this mindset until it was very recently given an updated makeover.

I mentioned earlier the importance of data and the role it plays today for companies worldwide. Essentially, 21st century skills emerge from the same pivotal outlook linked to increasing data. Globalization today has instigated a workforce that should aptly acquire skills which are applicable for practical usage anywhere in the world. 21st century skills encompass the same spectrum.

While technical skills were the priority before, creativity in various streams of written, verbal, and logical skills are now emphasized much more by firms. Innovation thinking therefore requires an individual holding 21st century skills to excel in five key aspects.

  • CREATIVITY: Individuals are required to perceive beyond what is visible to the eye. Therefore, one has to immerse into a creative cognition that enables a more well-rounded approach for every situation.    
  • COMMUNICATION: Today, communication is morphed to expression, process sharing, and interpretation of the goals exchanged within a company’s departments.
  • TEAMWORK: 21st century skills require less individualistic traits in the company and encouragement for a more collective outlook on co working together.
  • CRITICAL THINKING: The ability of an individual to assess a problem, analyze all aspects of it, and to then provide the best solution to tackle it.
  • PROBLEM SOLVING: Inter-linked to critical thinking, problem solving skills should essentially prepare the individual for not only recognizing the problem, but also providing comprehensive solutions to work toward it.

I am glad to state that I thankfully passed that interview, despite my expired subscription on the updated version on the youth’s skill set. As I am nearing toward the end of this post, I am beginning to comprehend the changing stream of expectations from the industry for the youth today. Innovation thinking is becoming an ingrained part of skill cultivation, and accessible tools for tapping into this field can benefit the likes of us greatly. By understanding the concept behind 21st century skills as well as learning it, it thus becomes impossible to ignore the significance that this qualification potentially holds for us. The world is changing, and the only way to keep up with the pace is to stay a step ahead of it.

 

ভালো থাকুন!

1920 1280 মুতাসিম বিল্লাহ

আপনার প্রিয় কোন জিনিষ যদি আপনার অজান্তেই হারিয়ে যায় কেমন লাগে আপনার? হারিয়ে যাওয়া যদি বেশি হয়ে যায় তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন প্রিয় সেই জিনিষটি যদি ভালো না থাকে তবেই বয়া কেমন লাগে আপনার?

আচ্ছা মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় কিছু কি আমাদের আছে? সম্পর্কের সীমারেখা যদি মুছেও ফেলি তবুও এই মানুষের অস্তিত্ব ছাড়া আর কিইবা আছে আমাদের?

গত কয়েক বছর ধরেই হতাশা এবং তার জের ধরে আত্মহত্যা আমাদের তরুণদের জন্য এক বিশাল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় জীবনের কাছে আত্মসমর্পণ করা অনেকগুলো খবর আমাদের কপালে চিন্তার ভাজ ফেলেছে।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি বেশ কিছু আত্মহত্যার কথা জানি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আলোড়িত হয়েছি কয়েক বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের আফরা আনিকা মৈত্রীর আত্মহত্যার খবরে। মৈত্রী আমার খুবই পছন্দের, কাছের ছোট বোন। বিওয়াইএলসিতেই পড়ানোর সুবাদে ওর সাথে পরিচয় হয়েছিল, পরে একসাথে কাজও করেছিলাম। এই ঘটনার কিছু আগে পরেই আমার পরিচিত আরেকজনের ছোটভাই কে সকালে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। এই ঘটনা দুটি আমার ভিতর থেকে এমন ভাবেই নাড়া দিয়েছিল আমি অনেকটা সময় বাকরুদ্ধ অবস্থায় ছিলাম। অনেক হিসাব মিলছিল না।

আচ্ছা মানুষ আত্মহত্যা কেন করে? শুধু কি মানসিক ভাবে দুর্বল মানুষজনই আত্মহত্যা করে? কিভাবে এই প্রাণগুলোকে বাঁচানো জায়? এই প্রশ্নগুলো আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আমার আসে পাশের মানুষ মাত্রই কিছুটা জানে আমি কখনোই এই মরে যেতে ইচ্ছা হয়, মাঝে মধ্যে ভাবি মরে যাবো ধরণের কথা শুনতে কতটা বিব্রত বোধ করি।

মানুষের আত্মহত্যার অনেক ধরণের কারণ থাকতে পারে। সে কারণগুলো কে মোটা দাগে ২টি ভাগে ভাগ করা যায়।

১। কারো কাছ থেকে অবহেলা পাওয়া ও অনুসুচনায় ভোগা

২। নিজের অস্তিত্বের সংকটে পড়ে যাওয়া

অনেকটা কাছাকাছি হলেও আত্মহত্যার সবগুলো ঘটনাকে এই দুই ভাগে মোটামোটি ফেলা যায়। এই দুটি গণ্ডীর মধ্যে থেকেই আত্মহত্যার ব্যাপারে চিন্তা করা মানুষ ও আমাদের করনীয় কিছু বলার প্রয়াস করছি।

অধিকাংশ আত্মহত্যার ঘটনাগুলো দেখলে জানা যায় যে আত্মহত্যাকারী মানুষটি তার কাছের কোন মানুষ থেকে বেশ ভালো ধরণের অবহেলার শিকার। এ ক্ষেত্রে হতে পারে তাদের চাওয়া পাওয়ার মিল হয় নি। অথবা এমনও অনেক সময় হয় কেউ কাউকে নিদারুণ কষ্ট দিয়ে ফেলেছে, অপরাধবোধ থেকে অনেকেই আত্মহত্যার পথে পা বাড়ায়। যে কষ্ট পাওয়া বা অপরাধ বোধ হয়ত সামান্য কিছু আলোচনার মাধ্যমেই মীমাংসা করা যেত।

হতাশ মানুষের সাথে কথা বলার অভিজ্ঞতা আমার দীর্ঘদিনের। সব ক্ষেত্রেই যে কথাটি আমাকে সবচেয়ে বেশি শুনতে হয় তা হল, আপনার কি মনে হয় আমি ইচ্ছা করে এমন করছি কিংবা আপনার বেলায় হলে বুঝতেন কি কষ্ট এমন অনুভূতির জায়গায়। তাদের আমি যেটা সব সময়ই বলি তা হল কেউ কখনোই সজ্ঞানে নিজেকে কষ্ট দেয় না। উল্টা মানুষ যখন যুক্তি থেকে আবেগের দিকে অনেক বেশি ভারি হয়ে যায় তখন আসলে মানুষ সজ্ঞানে থাকেই না। তাই নিজেকে কষ্ট দেয়। এবং দ্বিতীয় কথাটির সাথে মিল রেখে যেটা বলি তা হল আমি ঐ জায়গা তে নেই দেখেই আমি আসলে বের হওয়ার পথটা দেখতে পাচ্ছি। যেমন কেউ যদি একটা গোলক ধাঁধার মধ্যে থাকে সে তখন সেখান থেকে বের হতে পারে না, কারণ সে সামনের রাস্তাটা দেখতে পায় না। কিন্তু বাইরে যারা থাকে তারা একটু উপর থেকে দেখতে পারে বলেই তারা জানে যে বের হওয়ার রাস্তা আসলে কোনদিকে। এতে যে ধাঁধায় হারিয়ে গেছে তাকে অবহেলার করার অথবা বাইরে দাঁড়িয়ে পথ বলে দেয়া লোকটাকে অবজ্ঞা করার কিছু নেই।

মনে রাখা দরকার যে কেউ যদি আত্মহত্যার কোন কারণ হিসেবে যুক্তি দেখায় তখন তাকে আবেগ দিয়ে বুঝাতে হয় অপরদিকে যদি কারণ হিসেবে আবেগ দেখায় তাহলে তাকে যুক্তি দেখাতে হয়। এটাই এই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার এক মাত্র উপায়। তাতে মাঝে মাঝে অন্যকে নির্দয় কিংবা উপদেশ দেয়া সহজ ধরণের মানুষ মনে হতে পারে, কিন্তু উপায় এটাই।

এবার আপনারা যারা আপনাদের হতাশা থেকে বের হওয়ার জন্য সম্ভাব্য উপায় হিসেবে আত্মহত্যাকে দেখতে পাচ্ছেন তারা একটু মন দিয়ে পড়তে পারেন।

এমন যদি হয় আপনি অপরাধবোধে ভুগছেন, কিংবা কেউ আপনাকে অবহেলা কষ্ট দিয়েছে তাহলে আপনার জন্য একটা সহজ উপায় আছে যা অন্তত মরে যাওয়া থেকে সব দিক থেকেই উত্তম।

Adaptive Leadershipর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে কনভারসেশন বা আলোচনা করা। এই আলোচনা করাকে আমরা ৪টি ভাগে ভাগ করতে পারি, তার মধ্যে একটি হল Courageous Conversation. এ ধরণের আলোচনাকে Courageous বলা হয় কারণ এই ধরণের আলোচনার জন্য অনেক সাহস প্রয়োজন হয়। দরকার পড়ে নিজের আমিত্বকে একটু ছেড়ে দেয়ার। কিন্তু এটা অনেকটাই জাদুকরী একটা ব্যপার। এ ধরণের আলোচনা অনেক ধরণের সমস্যা সমাধান করে দিতে পারে দেখেই হয়ত আমাদের সমাজে এ ধরণের আলোচনার সংখ্যা খুব কম।

এ ধরণের আলোচনার জন্য দুই পক্ষকেই এক সাথে দাঁড়াতে হয়। যেখানে আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করার পাশাপাশি আমাদের অবস্থানের কারণে আরেকজনের যে ক্ষতি হচ্ছে সেটা মেনে নেই। ব্যাস, এটুকুই। এখানে আমরা ওপর পক্ষ কে বলতে শিখি যে দেখে আমি জানি আমি যা করছি তাতে তোমার এই ক্ষতি টা হচ্ছে কিন্তু আসলে আমি কাজ টা করছি এই কারণে, এখানে যে লাভটা আছে টা হল এই। এতে যা হয় তা হল ওপরপক্ষের প্রতি এক ধরণের সহমর্মিতা প্রকাশ পায়। পৃথিবীতে আপনি এগিয়ে যেতে চাইলে আপনাকে অনেক সময়ই আরেকজনকে পিছনে ফেলে আসতে হবে। খুব কম সুযোগই আপনি পাবেন যেখানে সবাই এক সাথেই এগিয়ে যাওয়া যায়। তো অন্যের এই ক্ষতিটুকু স্বীকার করতে সমস্যাটা কোথায়? অনেক সময় আপনার হয়ত কিছু করার নেই, তাহলে দোষ কোথায় এটা মেনে নিতে, বলতে যে আপনি সহমর্মি এই ক্ষতির জন্য।

যার সাথে অন্যায় করেছেন, যাকে কষ্ট দিয়েছেন তার সাথে একবার বসুন, বলুন কেন আপনি বাধ্য কিংবা অনেক সময় সাময়িক ক্ষতি উপেক্ষা করলে যে সুন্দর ভবিষ্য পাওয়া যায়। এ ধরণের আলোচনা মূলত হয় হৃদয়ের সাথে। যেখানে দুই পক্ষই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকেন আলোচনায় জেতার জন্য নয় বরং আলোচনায় সফল হতে যেন ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়। চেষ্টা করে দেখুন নিজে এধরনের আলোচনা করতে এবং অপরদিকে কেউ যদি আপনার সাথে কথা বলতে চায় তাকেও একটু সুযোগ করে দিন। নিজের মনের ভেতর থেকেই অনেক সাহস পাবেন, হালকা লাগবে। কষ্ট কতটা কমবে আমার জানা নেই তবে আর মরে যেতে ইচ্ছা করবে না এতটুকু নিশ্চিন্তেই বলা যায়।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে নিজের অস্তিত্বের সংকটে ভুগতে থাকা কে দায়ী করা যায়। সত্যি বলতে আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা এ সংকট তৈরিতে বেশ তপর। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে অন্য মানুষের কথিত সাফল্য অপরদিকে নিজের আকাঙ্ক্ষিত পর্যায় পৌঁছাতে না পারা এই সংকটের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি করা, চাকরীর বাজারে গুণের চেয়ে রূপের, অনেক সময় প্রতিভার চেয়ে ফলাফলের কদর বেশি হওয়া এই সংকটের আগুনে জ্বালানির মত কাজ করে। সহজ ভাষায় নিজের সঠিক মূল্যায়ন না হলেই আমরা ভাবতে থাকি আমাদের সব শেষ।

মানুষের জীবন অনেকটা পর্দায় অভিনয় করা একজন শিল্পীর মত। একজন শিল্পী যেমন তার জীবনে অনেক ধরণের চরিত্রে অভিনয় করে বাস্তবেও কিন্তু তাই হয়। কিন্তু যত ভালো শিল্পীই হোক না কেন কেউ কিন্তু সবগুলো চরিত্রে একদম শতভাগ সেরা অভিনয় করতে পারে না। আমাদের পছন্দের নায়ক নায়িকাদের দিকে তাকালেই কিন্তু এর খুব ভালো উদাহরণ পাওয়া যায়। একজন নেতিবাচক চরিত্রের অভিনেতা যদি ভালবাসায় পরিপূর্ণ একজন প্রেমিকের ভূমিকায় অভিনয় করে তখন সেটি তার জন্য ঝুঁকির বিষয়, এবং সে যদি সেই ভূমিকাটি যথার্থভাবে চিত্রায়ন করতে না পারে তা কিন্তু তাকে তার নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করার জন্য অযোগ্য করে তুলে না।

এই যদি হয় অবস্থা তবে কেন সাধারণ জীবনে হাজারো চরিত্রে অভিনয় করা আমরা আমাদের কোন একটি ভূমিকা ঠিক ভাবে চিত্রায়ন না হলেই জীবন শেষ ভেবে বসে থাকি? ছাত্র হিসেবে আপনি বাজে হতে পারেন, তবে তা কেন একজন দায়িত্ববান সন্তান হিসেবে আপনাকে অযোগ্য করে তুলবে? একজন অসফল প্রেমিক অথবা একজন স্থূলকায় কর্মচারী হিসেবে কেন আপনি একজন আদর্শ বোন কিংবা সাহায্যকারী বন্ধু হতে পারেন না?

জীবনে কোন মানুষই নিজের সর্ব ক্ষেত্রে সমান সফল হতে পারে না, আবার একবার অথবা হাজার বার ব্যর্থ হওয়াটাও তেমনি ভাবে কোন সফল হতে না পারার প্রমাণ হতে পারে না। চেষ্টা এবং আগ্রহ আপনাকে যেকোনো পর্যায় থেকেই আপনার কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। সব মানুষের জন্য সফলতার মাপকাঠি সমান নয়। এর কোন জাগতিক নিয়ম নেই। আপনার কাছে সম্পদ হতে পারে সফলতা আরেকজনের কাছে খ্যাতি, আবার অন্যজনের কাছে ভালবাসা। যদি তাই হয় তবে তুলনা করারই বা প্রয়োজন কি?

যখনই কোন বিষয়ে নিজের অস্তিত্বের সংকটে ভুগতে থাকবেন, চেষ্টা করুন আপনি কোন দিক থেকে ভালো সেই দিক গুলো খুঁজে বের করতে, যদি না পান তাহলে দেখুন কোন বিষয় ভালো করাটা আপনার জন্য সহজ। নিজেকে বলতে শিখুন যে পৃথিবীর সব কিছু আপনাকে পারতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আপনি আপনার মত। আপনি যা পারেন তা চেষ্টা করেন এমন ভাবে করতে যে এর চেয়ে ভালভাবে আর সম্ভবই না। প্রতিযোগিতাটা রাখার চেষ্টা করুন নিজের সাথে। এতে জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস সবই বাড়বে।

সর্বোপরি, আপনার আসে পাশের মানুষজনকে ভালো রাখার চেষ্টা করুন, দেখবেন তারাও আপনাকে ভালো রাখার চেষ্টা করবে। নিজেকে, নিজের পরিবার প্রিয়জনকে সময় দিন, যারা আপনাকে মূল্যায়ন করে না, তাচ্ছিল্য করে তাদের থেকে কিছুটা দূরত্বও রাখতে পারেন।

মনে রাখবেন, ভালো রাখার জন্য ভালো থাকা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের তরুণরা মনে করে বর্তমান শিক্ষা কারিকুলামের সংশোধন প্রয়োজন

1000 668 Sherazoom Monira Hasib

একটি দেশ গড়ার জন্য ও এর উন্নয়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সে দেশের তরুণ সমাজ। তাদের মতামত কে অগ্রাহ্য করে দেশের সামগ্রিক উন্নতি সম্ভব নয়। ২৭, ২৮, ও ২৯ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পঞ্চম ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট কে সামনে রেখে ইয়ুথ ম্যাটার্স সার্ভে’র মাধ্যমে বিওয়াইএলসি জানতে চেষ্টা করেছিল, দেশের উন্নয়নে তরুণদের ভাবনাগুলো। তারা স্বাধীনভাবে সেখানে তাদের মতামত জানায় এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক তরুণ মতামত প্রকাশ করে উন্নত দেশ গড়তে সবার আগে প্রয়োজন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কারিকুলামের সংশোধন প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ছয়টি শিক্ষা কমিশন গঠন হয়েছে এবং মোট দুটি শিক্ষা নীতি প্রণীত হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে গঠিত ছয়টি কমিশনে মধ্যে বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন (ড. কুদরত-ই-খুদা) রিপোর্ট ১৯৭৪ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আর শিক্ষা নীতি দুটি প্রণীত হয় ২০০০ সালে ও ২০১০ সালে। সর্বশেষ প্রণীত শিক্ষা নীতি ২০১০ অনুযায়ী, সবার শিক্ষার জন্য সমান সুযোগ থাকতে হবে। সেখানে প্রতিটি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সমানভাবে সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়ার কথা বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। যে কারনে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তরুণদের মাঝে যে ধরনের প্রত্যাশা আছে তা অনেকাংশেই পূরণ হয়নি।

শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমনা পরিস্থিতি বুঝতে হলে, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। এই পর্যায় টা হচ্ছে যে কারো শিক্ষা গ্রহনের মূল ভিত্তি। অথচ প্রাথমিক পর্যায়েই অনেকগুলো ধারা রয়েছে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে। যেমন, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, ‘ইংলিশ ভার্সন’, মাদ্রাসা ইত্যাদি। যে কারনে শিশুদের মধ্যেই শিক্ষার তারতম্য হচ্ছে। আর এর ফলাফলস্বরূপ সবার মেধার বিকাশ সমানভাবে হচ্ছে না। বাংলা মাধ্যমের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই শুধুমাত্র ফলাফলমুখী। অর্থাৎ, এখানে জ্ঞান অর্জনের চেয়ে সবাই একটি ভালো ফলাফলের ব্যপারেই বেশি আগ্রহী। আর তার ফলশ্রুতিতে শিক্ষার মূল  উদ্দেশ্য অনেক ক্ষেত্রেই ব্যহত হচ্ছে। এটা বুঝানোর জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের কথা বলা যেতে পারে। প্রতি বছর অনেক বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ ফলাফল অর্জন করলেও ভর্তি পরীক্ষায় তারা ভালো করতে পারছে না। যদিও সেই একই সিলেবাস থেকে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে, কিন্তু সেখানে শিক্ষার্থীরা ভালো করতে পারছে না।

কেন তরুণরা কারিকুলাম পরিবর্তন করার কথা বলছে?

একইভাবে যে সকল তরুণ ইয়ুথ ম্যাটার্স সার্ভেতে অংশ নিয়েছে, তারা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করার পরেও তাদের চাকরি পেতে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা মৌলিক বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেছে তাদের সমস্যা বেশি হচ্ছে। তারা জানিয়েছে যথেষ্ট ভালো ফলাফল থাকার পরেও তাদেরকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ডাকা হচ্ছে না। আবার অপেক্ষাকৃত খারাপ ফলাফল নিয়েও কেউ কেউ ভালো কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। এর পিছনে তরুণরা দায়ী করছে বাংলাদেশের শিক্ষা পদ্ধতির বিভিন্ন পর্যায়ের কারিকুলাম কে। কেননা তারা স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সকল বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে তার সাথে চাকরি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার সাথে মিল থাকছে না।

এর পিছনে প্রধান কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কারিকুলাম  অনেক আগের এবং বর্তমান সময়ের সাথে সাথে তা পরিবর্তন করা হয় নি। কিন্তু একই সাথে চাকরির বাজারে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন চাকরির জন্য একাডেমিক পড়াশোনার বাইরেও অনেক কিছু জানা থাকা জরুরি যা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে না। দুঃখজনক হলেও সত্যি বেশিরভাগ শিক্ষার্থী চাকরির জন্য দরকারি বিষয়গুলোর সাথে পরিচিত থাকে না এবং অনেকটাই মুখস্থ নির্ভর পড়াশোনায় অভ্যস্থ। শুধুমাত্র চাকরির আবেদন করতে গেলেই তারা অনুধাবন করতে পারে যে তাদের একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে অনেক কিছু জানা প্রয়োজন। এছাড়াও অন্যান্য স্তরের কারিকুলাম নিয়েও তরুণরা চিন্তিত। তারা মনে করে শুধু মাত্র বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কারিকুলাম পরিবর্তন করেই সামগ্রিক ফলাফল অর্জন করা সম্ভব নয়। বরং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই সব কিছুতে গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করা উচিত।

কারিকুলামে কি ধরনের পরিবর্তন আনা যেতে পারে?

কারিকুলাম পরিবর্তনের একটি বড় অংশ হতে পারে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল করে তোলার উপযোগী করে কারিকুলাম প্রণয়ন। যদিও মাধ্যমিক পর্যায়ে এখন সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে, সেটাকে আরও বেশি উন্নত করা প্রয়োজন। একই সাথে শিক্ষকদের জন্যও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে যেন শিক্ষার্থীরা সজবোধ্যভাবে সব কিছু শিখতে পারে। পরিবর্তন টা সেখান থেকে শুরু হলে খুব সহজেই অন্যান্য পর্যায়েও শিক্ষার মানের পরিবর্তন অবশ্যাম্ভাবী।

আর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের জন্য বাংলাদেশের বর্তমান চাকরির অবস্থা ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং ভবিষ্যতে কি ধরনের চাহিদা থাকতে পারে তার উপর ভিত্তি করে কারিকুলামে পরিবর্তন আনা যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে শিক্ষার্থীদের লিডারশিপ, পাবলিক স্পিকিং, কমিউনিকেশন ইত্যাদি বিষয়ের উপরে সঠিক প্রশিক্ষন তাদেরকে চাকরি থেকে শুরু করে সব ব্যাপারেই সহযোগিতা করতে পারে। এছাড়াও যে সকল বিষয় পড়ানো হচ্ছে সেগুলোর প্রয়োগের ব্যাপারেও বাস্তব প্রশিক্ষন জরুরি।

 

তরুণদের মতে বাংলাদেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জ বেকারত্ব-এ সমস্যার প্রতিকার কি?

1000 525 Sherazoom Monira Hasib

যদি জিজ্ঞেস করা হয় বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কোনটি, নিশ্চিতভাবেই প্রত্যেকের উত্তর ভিন্ন হবে। কিন্তু তরুণরা কি ভাবছে দেশ নিয়ে আর তাদের কাছে কোন জিনিসটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে? এসব ভাবনা জানতে বিওয়াইএলসি আয়োজন করেছিল ইয়ুথ ম্যাটার্স সার্ভে। সেখানে তরুণদের কাছ থেকে যে উত্তরগুলো পাওয়া গিয়েছে তা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাদের মতে বাংলাদেশের সামনে এখন অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বেকারত্ব সমস্যা। তথ্য ও পরিসংখ্যান একই কথা বলছে, অর্থাৎ বাংলাদেশের একটা বিশাল জনগোষ্ঠী তাদের উপযুক্ত কাজ পাচ্ছে না। পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বেকারত্বের হারের দিক থেকে বাংলাদেশ তৃতীয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৩৩ শতাংশ জনগোষ্ঠী হচ্ছে তরুণ। আর তাদের একটা বড় অংশই তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে না। আর এ ব্যাপারে ভয়াবহ তথ্যটি হচ্ছে, শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩০%। অর্থাৎ উচ্চতর পড়াশোনা শেষ করার পরেও মিলছে না কাজের সুযোগ বরং তাদের মাঝেই বেকারত্বের হার বেশি। এর পিছনের কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের প্রধান কারণ হচ্ছে শুধুমাত্র ফলাফল কেন্দ্রিক চিন্তা ভাবনা। আর যে কারনে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত অসংখ্য শিক্ষার্থী থাকলেও তাদের মধ্যে মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে যথেষ্ট ধারণা থাকে না। একই সাথে অনেকেই বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করে আসলেও তার প্রয়োগ সম্পর্কে যথাযত জ্ঞানের অভাব রয়ে যায়। আবার কিছু ক্ষেত্রে একাডেমিক পড়াশোনার খুব বেশি দরকার না হলেও নির্দিষ্ট দক্ষতার প্রয়োজন হয়। আর এক্ষেত্রেই বেশিরভাগ তরুণ পিছিয়ে পড়ে। দেখা গেল কারো একডামিক ফলাফল অনেক ভালো কিন্তু যে ন্যূনতম দক্ষতার প্রয়োজন তা তাদের নেই। এসব ব্যাপারে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মন্তব্য হলো, তাদের অনেক দক্ষ কর্মীর অভাব রয়েছে কিন্তু সে অনুযায়ী তারা দক্ষ লোকবল পাচ্ছেন না। অর্থাৎ চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এবং চাকরি প্রত্যাশীদের মধ্যে একটা ‘গ্যাপ’ থেকে যায়। তবে এর পরেও চাকরির নতুন ক্ষেত্র যে খুব বেশি তা নয়। যে পরিমাণ তরুণ প্রতি বছর গ্রাজুয়েশন করে বের হচ্ছে সে পরিমাণ কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে না। সাউথ এশিয়ান নেটয়ার্ক ফর ইকোনোমিক মডেলিং এর রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান এখন যথেষ্ট ভালো হলেও, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি।

এ সমস্যা থেকে উত্তোরনের ব্যাপারে তরুণদের মধ্যে বেশ কিছু মতামত রয়েছে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী মনে করে তাদের আসলে দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যাপারে কিছু করার নেই। কেননা, বাংলাদেশের বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কারিকুলাম আছে তা বেশ পুরাতন আর যুগোপোগী নয়। আর সে কারিকুলামের বাইরে কিছু করার চেষ্টা অনেক শিক্ষার্থীর মাঝেই থাকে না। কিন্তু একডেমিক পড়াশোনা শেষ করার পর তারা বুঝতে পারে শুধু গতানুগতিক নিয়মে শিক্ষাজীবন শেষ করে আসলে কর্মজীবনে ভালো করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে মোলিক বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণার সুযোগ খুব ই কম। আবার চাকরি ক্ষেত্রে মৌলিক বিষয়ের চেয়ে ব্যবহারিক বা কর্মমুখী শিক্ষা বেশি প্রয়োজনীয়। এই উভয়মুখী সমস্যার কারনে বেকারত্বের হার কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

এ সমস্যা থেকে উত্তোরনের উপায় কি?

বেকারত্বের এই সমস্যা থেকে উত্তোরনের জন্য বেশ কিছু নেয়া পদক্ষেপ জরুরি যার অন্যতম হচ্ছে কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উন্নতি করা। একই সাথে তরুণদের জন্য এমন কিছু কিছু দক্ষতা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যাতে করে তারা নতুন কাজগুলোর জন্য উপযুক্ত হয়ে গড়ে উঠতে পারে। চাকরিদাতা ও চাকরি প্রত্যাশীদের মাঝের এই গ্যাপ দূর করার জন্য বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার (বিওয়াইএলসি) দীর্ঘ ১০ বছর ধরে কাজ করছে। যেখানে ৫ টি ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিভিন্ন মাধ্যম ও বয়সের তরুণদের নেতৃত্ব প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এখানে থাকে বিভিন্ন সেশন যেখানে তরুণদের ‘সফট স্কিলস’ বৃদ্ধির উপর জোর দেয়া হয়। এরকম আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তরুণদের জন্য কাজ করছে কিন্তু তা সবার জন্য যথেষ্ট নয়। আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তরুণরা সরকারের পক্ষ থেকেও বেশি কিছু পদক্ষেপ আশা করে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আরও বেশি সরকারি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি তাদের প্রত্যাশা হলো শিক্ষাব্যবস্থার বা কারিকুলামের উন্নতি সাধন করা।

তরুণদের এ সকল প্রত্যাশা ও বক্তব্যগুলো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে ২৭, ২৮, ২৯ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিওয়াইএলসির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চম ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট। যেখানে তরুণদের নেতৃত্ব প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের প্রত্যাশা ও মতামত অনুযায়ী তৈরি হবে ‘ইয়ুথ ম্যনিফেস্টো’।

বিওয়াইএলসি প্রোগ্রাম ইন্টারভিউ-তে অংশগ্রহনের জন্য কি কি জানা জরুরী?

960 640 Sherazoom Monira Hasib

বিভিন্ন সময়ে আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে একটা সাধারণ জিজ্ঞাসার সম্মুখীন হয় আর তা হচ্ছে, বিওয়াইএলসি’র কোনও প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করার জন্য কিভাবে নিজেকে ইন্টারভিউ-এর জন্য প্রস্তুত করতে হবে। ইন্টারভিউতে আমরা আসলে নির্দিষ্ট কিছু বিষয় জানতে চাই যার একটা বড় অংশ জুড়েই থাকে লিডারশিপ সম্পর্কিত বিভিন্ন জিজ্ঞাসা। যদিও প্রোগ্রাম ভেদে ইন্টারভিউ-তে প্রশ্নের ধরন ভিন্ন হয়ে থাকে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা কাছাকাছি ধরনের। আজকে আমি আলোচনা করব এমনই কিছু সাধারণ বিষয় যা আপনাকে বিওয়াইএলসি প্রোগ্রাম ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে।

কি ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়?

নিজের সম্পর্কে বলুনঃ সর্ব প্রথম যে বিষয় টা আমরা আবেদনকারীদের কাছ থেকে জানতে চাই তা হচ্ছে তার কি ধরনের অভিজ্ঞতা আছে নেতৃত্ব বিষয়ক। এখানে মনে রাখতে হবে, এই প্রশ্নের উত্তরে কোনও ব্যক্তিগত তথ্য আশা করা হচ্ছে না। বরং, আমরা জানতে চাচ্ছি আপনি নিজের সম্পর্কে কি ভাবেন এবং কি ধরনের ধারণা আছে বিভিন্ন বিষয়ে। এছাড়াও আপনি কি ধরনের কাজ করছেন এখন এবং আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা। তাছাড়াও আপনি কোন বিষয়গুলোতে নিজেকে দক্ষ মনে করেন এবং কোন কোন বিষয়ে আপনার নিজেকে দুর্বল মনে হয় সেগুলো সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হতে পারে।

আবেদনের কারণঃ এই ধাপে জানতে চাওয়া হয় আপনি কেন আমাদের প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে চান? এখানে আপনি গুছিয়ে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করুন আপনি এই প্রোগ্রাম থেকে কি প্রত্যাশা করছেন বা এই প্রোগ্রাম আপনার পরবর্তি জীবনে কিভাবে প্রভাব রাখবে। বা এর উত্তরে আপনি এটাও বলতে পারেন আপনি লিডারশিপ শিখে কিভাবে তা প্রাত্যহিক জীবনে কাজে লাগাবেন।

নেতৃত্ব বিষয়ক উদ্যোগঃ আপনি কি নেতৃত্ব বিষয়ক কোনও উদ্যোগ কখনও নিয়েছেন? বা নিজে নেতৃত্ব দিয়ে কোনও বাস্তব সমস্যা সমাধান করেছেন? এই প্রশ্নটির মাধ্যমে জানতে চাওয়া হচ্ছে আপনার নেতৃত্ব বিষয়ক পূর্ব অভিজ্ঞতা। আমরা সব সময়ই প্রাধান্য দেই সে সকল আবেদনকারীকে যাদের কিছু না কিছু নেতৃত্ব চর্চার অভিজ্ঞতা আছে। যদি আপনার কোনও ছোট অভিজ্ঞতাও থেকে থাকে, তা ইন্টারভিউতে শেয়ার করুন।

প্রোগ্রামটি সম্পর্কে জ্ঞানঃ আপনি যে প্রোগ্রামটিতে আবেদন করেছেন সেটি সম্পর্কে কি জানেন? এই প্রশ্নটি অবধারিতভাবেই জিজ্ঞাসা করা হয়, কেননা আমরা নিশ্চিত হতে চাই যে আপনি যে প্রোগ্রামটি করতে চান তা সম্পর্কে অল্প বিস্তর ধারণা রাখেন। আর সে জন্য আমার পরামর্শ হচ্ছে, আপনি যে প্রোগ্রামেই আবেদন করেন না কেন, সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করুন। সে জন্য আপনি আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন যেখানে সবগুলো প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত দেয়া আছে।

ইন্টারভিউতে ভালো করার ব্যাপারে কিছু টিপস

ইন্টারভিউতে ভালো করার জন্য আপনার উচিত কিছু জিনিস খেয়াল রাখা। এখানে তেমন কিছু ব্যাপার আমি উল্লেখ করেছি।

প্রাসঙ্গিক উত্তর দিনঃ আপনাকে যে প্রশ্নটি করা হয়েছে সেটির সঠিক উত্তর দিন ও প্রাসঙ্গিক উত্তর দিন। অপ্রাসঙ্গিক উত্তর দিলে তা প্রোগ্রামটিতে আপনার অংশগ্রহণের সুযোগ নষ্ট করতে পারে। ধরুন আপনার কোনও একটা নেতৃত্ব বিষয়ক কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাহলে ঠিক সে ধরনের উত্তরই দিন।

সময় সম্পর্কে সচেতন থাকুনঃ আপনাকে যে সময়টা দেয়া হয়েছে ইন্টারভিউ এর জন্য, চেষ্টা করুন তার কিছুটা আগেই পৌঁছে যেতে, যা আপনাকে মানসিক প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করবে।

উত্তর দিন সততার সাথেঃ কোন প্রশ্নের জন্য অসত্য তথ্য ব্যবহার করবেন না। বরং, সত্য তথ্য ব্যবহার করলে আপনার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

উপরোল্লিখিত ব্যপারগুলো অনুসরণ করলে আপনার জন্য ইন্টারভিউতে ভালো করা সহজ হবে বলে আশা করা যায়। আপনার অন্য কোনও জিজ্ঞাসার জন্য নিচে কমেন্ট করুন।

Do our schools adequately prepare us for the future?

888 556 Sampreeti Raya

As I prepare to graduate and arguably enter the ‘real’ world, I can’t help asking myself, “Am I prepared to enter the hyper competitive world with the skills I currently have?” I know after 12 years studying at an English medium school, four years at a public university, and passing all levels of academic certification successfully, I am expected to say ‘yes’. I should technically feel confident about my preparedness, yet I feel unsure. Completing an internship at Bangladesh Youth Leadership Center recently helped me realise that I lacked a few significant skills and abilities required in the workplace which never got the deserved focus while at school and university.

WE WERE NOT TAUGHT HOW TO LEARN

Throughout our time at school, we are taught how to acquire good grades and ace our exams. But, I feel we are not encouraged to learn in order to expand our horizons. Our society, education system, and parents have pushed us to run after things that give us instant rewards such as high grades and discouraged us from investing in areas that help us grow as curious human beings. A pervasive culture of rote memorisation has resulted in generations who are not critical or creative thinkers. The lack of passion to learn has broader implications in our society and the country. For example, according to a new study by the World Bank, unemployment in Bangladesh is more than 10%. In 2017, there were 260,000 jobless youth, however, employers have indicated they can’t find suitable candidates with right skills. Despite graduating with the right academic degrees employees are not equipped with the right creative thinking, problem solving, and communication skills, that are necessary for graduates to succeed in the job market. Unless we encourage our students to love learning and develop the ability to learn new things, instead of running after grades, it is very possible that we wouldn’t be able to move forward towards a better society.

FAILURE WAS NOT AN OPTION

The social norm we have come to accept is that we are rewarded when we succeed and penalised when we fail. In most educational institutions students’ achievements are celebrated and failures condemned. As a result, failure is associated with embarrassment, shame, and guilt and dealing with it becomes an added challenge that students don’t know handle. With rising expectations from society to compete and be better than others, most students are incapable of dealing with failure and rejection, resorting to antisocial behavior such as cheating, or in extreme cases taking their own lives. Rejection and failure are the most important learning tools as they reveal various truths about us that assist in handling future situations. Incidents of failures throughout our academic careers should be revered and examined as learning moments so that students are not scared of failing but use them as lessons to grow and develop.

MENTAL HEALTH WAS NOT A PRIORITY

The importance of physical health is often emphasised throughout our lives, but our mental wellbeing is often overlooked. According to WHO-AIMS in 2006, mental health expenditure from the government’s health ministry of Bangladesh is less than 0.5% of the total healthcare expenditure. This statistic clearly indicates what a low priority mental health is in Bangladesh. In schools, things like depression, stress, anxiety, and emotions are almost never discussed with students even though many young people suffer from these. A social stigma regarding these issues persist in our society which discourages a lot of individuals from seeking help. From my own experiences many in my generation face these problems yet do not seek help because of the fear or shame of being laughed at. Educational institutions have the potential to change that by creating safe environments where students are encouraged to openly talk about issues of mental health.

Our education system, despite teaching us immensely throughout the course of our lives, ignores a few important aspects of our development. If our education system does not reform, it runs the risk of being outdated in the face of the changing dynamics of the modern world. I hope the our government and education institutions start to bring focus on the above mentioned issues so that we, the country’s youth, can have the opportunity to learn, grow and build a better Bangladesh.

This article was first published in “The Daily Star” on July 12, 2018

কম সিজিপিএ নিয়ে যে ৭ টি উপায়ে ভাল ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব

1280 836 Sherazoom Monira Hasib

প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় অনেক স্বপ্ন ও সে স্বপ্ন পূরণের প্রত্যাশা নিয়ে। সবার মনেই থাকে ভাল কিছু করে পরিবার তথা দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা। দুঃখজনকভাবে আমরা দেখতে পাই সবার পক্ষে খুব ভালো ফলাফল করা সম্ভব হয় না। চার থেকে পাঁচ বছর পড়াশোনা করার পরে যখন কারো ফলাফল খারাপ থাকে, সেটা আসলেই হতাশাজনক।

কিন্তু আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, জীবন এখানেই থেমে থাকবে না। এক ই ব্যাচে কারো ফলাফল খুব ভালো হবে আর কারো একটু খারাপ হবে এমন টা খুব ই স্বাভাবিক। তাই ফলাফল যা আছে, সেটা নিয়ে কিভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায় আমাদেরকে সেটা ভাবতে হবে। তাই চলুন আজকে জানার চেষ্টা করি কিভাবে প্রত্যাশিত ফলাফল না থাকলেও ভাল ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা যায়।

নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করুন

আপনি যখন ফাইনাল ইয়ার বা শেষের দিকের সেমিস্টারে আছেন, তখন ই আপনি ধারণা করতে পারবেন আপনার সিজিপিএ আসলে কেমন হতে পারে। তাই আপনার উচিত হবে তখন থেকেই অন্যান্য দক্ষতা নিয়ে কাজ শুরু করা। সেটা হতে পারে আপনার ইংরেজী দক্ষতা, কথা বলার দক্ষতা, বিভিন্ন সফটওয়্যারে কাজ করতে পারার দক্ষতা ইত্যাদি।

ধরা যাক, আপনি ইংরেজীতে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন, সে ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে প্রতিদিন কিছু সময় লার্নিং এর জন্য বরাদ্দ করা। অবশ্যই ভাল একটা প্রস্তুতির পর আপনার উচিত হবে দক্ষতা কতটুকু বৃদ্ধি পেল সেটা জানার জন্য সে সম্পর্কিত কোন একটি পরীক্ষা দেয়া। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, আপনি IELTS পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আর সেখানে যদি আপনার ভালো একটা স্কোর থাকে, নিশ্চিত থাকেন তা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যথেষ্ঠ গুরুত্ব পাবে। এমন কি আপনি খুব ভালো ভালো কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন।

প্রতিষ্ঠিত কোন কোম্পানি তে ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দিন

একটি ভালো জব পাওয়ার জন্য এটি হচ্ছে সব চেয়ে কার্যকরী পন্থা। এমন কি, আপনার যদি খুব ভাল সিজিপিএ থাকে, তবুও আপনার উচিত হবে ইন্টার্ন হিসেবে কোথাও কাজ শুরু করা। এ ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে, আপনি সহজে ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পাবেন। তারা আপনাকে কাজ করার সুযোগ এই জন্য দিবে কারন এন্ট্রি লেভেলের কাজের জন্য খুব বেশি স্কিলস দরকার হয় না। হয়তো আপনি সেখান থেকে টাকা আয় করতে পারবেন না, তবে এর চেয়েও বেশি কিছু পাবেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সুবিধা টি পাবেন সেটি হচ্ছে কাজ সম্পর্কে জানার সুযোগ। আর যখন আপনি কোন কাজে দক্ষ, যে কোন প্রতিষ্ঠানে এক ই ধরণের কাজে আপনাকেই তারা প্রাধান্য দিবে। এমন কি এক ই জব পজিশনে, যার ফলাফল ভালো তার চেয়েও আপনার গুরুত্ব বেশি থাকবে কারন আপনি সে কাজ টা কিভাবে করতে হয় তা আগে থেকেই জানেন।

যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করুন

বর্তমান সময়ে যখন ই আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে এ জব এ এপ্লাই করছেন, সবার প্রথমেই তারা যে দক্ষতা আপনার কাছ থেকে প্রত্যাশা করবে তা হচ্ছে যোগাযোগ দক্ষতা। প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাভেদে যোগাযোগ দক্ষতা মানে এমন টা নয় যে শুধুমাত্র কথা বলতে পারার দক্ষতা। এখানে অনেক গুলো বিষয় জড়িত। আপনাকে এক ই সাথে একজন মনোযোগী শ্রোতা, একজন ভাল বক্তা ও কাউকে কনভিন্স করার মত দক্ষতা থাকতে হবে। সর্বোপরি, কারো সাথে যোগাযোগের জন্য যা যা প্রয়োজন সব ই জানতে হবে। আর এ জন্য আপনার উচিত হবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই সে সব ব্যাপারে চর্চা করা।

নতুন প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করুন

বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাতে তাদের বিভিন্ন রকমের কাজের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়। আর তাই প্রতিষ্ঠানগুলো এমন কাউকে নিয়োগ দিতে চায় যার নতুন প্রযুক্তিগুলো সম্পর্কে অনেক ভালো ধারণা আছে। এর জন্য প্রথমেই আপনাকে যেটা করতে হবে তা হচ্ছে, আপনি যে ধরণের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চান তাদের সম্পর্কে ভাল করে খোঁজ নিন। তাদের কি ধরণের প্রযুক্তিগত সহায়তা দরকার তার উপরে ভিত্তি করে আপনার নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করুন। সেটা যে কোন নতুন প্রযুক্তি ই হতে পারে। চেষ্টা করুন যেন আপনার দক্ষতা গতানুগতিক ধারার চেয়ে বাইরে কিছু হয়। সেটার সাথে নতুন যে কোন প্রযুক্তির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়ার মত যোগ্যতা থাকতে হবে।

সুন্দর কভার লেটার তৈরি করুন

জব এপ্লাই এর ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে শুধু রিজিউমে দিয়েই আপনি জব টা পেয়ে যাবেন এই ধারণা সত্যি নয়। ভাল একটি রিজিউমে শুধু আপনার এতদিনের অর্জন গুলো ই নিয়োগদাতার সামনে তুলে ধরবে। কিত্নু জবটার জন্য আপনি ই কেন সব চেয়ে যোগ্য ব্যাক্তি তা বুঝানোর জন্য খুব ই ভালো মানের একটি কভার লেটার প্রয়োজন।

সেখানে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করুন আপনার দক্ষতা কিভাবে উক্ত জবের জন্য সহায়তা করবে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, প্রতিটি জবের জন্য আপনাকে আলাদা করে কভাল লেটার লিখতে হবে। কখনও এক ই কভার লেটার একাধিক জায়গায় পাঠাবেন না। কেননা তাতে করে ইন্টারভিউ বোর্ড এ আপনার ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে। চেষ্টা করবেন আপনি যে জবটাতে এপ্লাই করছেন তার সাথে মিল রেখে আপনার কভার লেটার টা তৈরি করতে।

গতানুগতিক ধারণার বাইরে কিছু করুন

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা প্রায় সবাই এক ই ধরণের জবের জন্য এপ্লাই করছি। আর তাতে করে একটি জব পোষ্টের বিপরীতে অনেক বেশি পরিমান প্রতিযোগী থাকে। কিন্তু আপনি খুব সহজেই একটি জব পেতে পারেন যদি একটু ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করেন। এমন কিছু কাজ আছে যেখান আপনার ফলাফল এর চেয়ে দক্ষতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, আপনি যদি সেলস এ কাজ করতে চান, সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান টি গুরুত্ব দিবে আপনার বিক্রি করার মত কেমন দক্ষতা আছে সেটার উপরে। তারা জানতে চাইবে আপনি মানুষ কে কনভিন্স করতে পারেন কিনা। অর্থাৎ কোন পণ্য ক্রয় করার জন্য ক্রেতাকে উৎসাহিত করা। তারা মূলত জানতে চায় তাদের জন্য কি পরিমাণ বিক্রি করতে পারবেন বা কি পরিমাণ লভ্যাংশ এনে দিতে পারবেন তারা সেটা জানতে চাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে আপনার ফলাফল তেমন একটু ভূমিকা রাখবে না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে যারা বিক্রয় কর্মী নিয়োগ করে থাকে এবং তারা ফলাফলের চেয়ে দক্ষতার ব্যাপারে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। উল্লেখযোগ্য এমন কিছু প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিভিন্ন রিয়েলএস্টেট কোম্পানি, বিভিন্ন ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং এই রকম আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এই সকল ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই আপনার দক্ষতা দিয়ে ভালো করার সুযোগ পাবেন যা অন্য কোথাও সম্ভব নয়।

নিজেকে ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুত রাখুন

আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখতে পাই, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা জবে এপ্লাই করার পরে সেটা সম্পর্কে ভুলে যাই বা সেটার জন্য কোন রকমের প্রস্তুতি রাখি না। এতে করে দেখা যায় আমরা হয়তো কোন জব ইন্টারভিউ এর জন্য ডাক পেয়ে গেলাম যেটার জন্য আমাদের আসলে কোন প্রস্তুতি নাই। আর আপনি যদি আগে থেকেই ভালো করে প্রস্তুতি রাখেন, খুব সহজেই ইন্টারভিউ তে ভালো করতে পারবেন যা আপনাকে কম সিজিপিএ নিয়েও ভালো একটি জবে ঢুকার সুযোগ করে দিবে।

হয়তো আপনি ভাবছেন যে কিভাবে ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুতি নিবেন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি বিওয়াইএলসি এর OPD বা অফিস অব প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট তে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে আপনি একটি ইন্টারভিউ এর জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সহ সেখানে কিভাবে নেগোসিয়েশন করতে হয় সেটাও জানতে পারবেন।

আরেকটা উল্লেখযোগ্য ব্যাপার যা আপনাকে মনে রাখতে হবে তা হচ্ছে, আপনার ফলাফল কেন খারাপ সেটা অবধারিতভাবেই আপনার নিয়োগকর্তারা জানতে চাইবে। আর আপনার উচিত হবে সেটার জন্য খুব ভালো একটি উত্তর প্রস্তুত করে রাখা। এ ক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো হয় যদি আপনি সত্যিকারের কারন টা ই সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে বলেন।
এটা সত্যি যে কম সিজিপিএ নিয়ে জব পাওয়া যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু যখন আপনি উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন ও তা পর্যালোচনা করে নিজেকে প্রস্তুত করবেন, ভালো একটি জব পাওয়া আপনার জন্য অনেকটা ই সহজ হয়ে যাবে।

যে ৫ টি কারনে ভালো চাকরি পেতে সিজিপিএ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ

1280 850 Sherazoom Monira Hasib

বর্তমানে বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের বড় একটি অংশের মধ্যে প্রচলিত ধারণা হচ্ছে, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সিজিপিএ খুব বেশি গুরুত্ব বহন করে না। এই ধারনার কারনে, অনেকেই পড়াশোনায় খুব বেশি মনোযোগ দিতে আগ্রহী হয় না। ফলাফল স্বরূপ অনেকেই প্রত্যাশিত সিজিপিএ বা ফলাফল অর্জন করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় তারা ক্রমাগত বিভিন্ন চাকরিতে এপ্লাই করে যাচ্ছে কিন্তু কোথাও তাকে ডাকা হচ্ছে না। এতে করে অনেক বেশি হতাশা কাজ করে এবং অনেকেই নিজের উপরে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। কখনও কখনও হয়তো আর প্রত্যাশিত চাকরি পাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না।

আপনি যদি সিজিপি এর ব্যাপারে এক ই রকম ধারণা পোষণ করে থাকেন, বলা যায় যে আপনি ই রকম বিপদে পড়তে পারেন। আজকে আমরা আলোচনা করব প্রত্যাশিত ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সিজিপিএ কেন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চলুন দেখি আসি ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ কারন যা থেকে আপনি ধারণা পাবেন কেন একাডেমিক লাইফের শুরু থেকেই সিজিপিএ এর ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী।

১. শুরুর ধারণা
যখন আপনি কেবল পাশ করে বেরিয়েছেন, কোন বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা আপনার না থাকার ই বেশি সম্ভাবনা। তাই আপনার রিজিউমে তে কোন অভিজ্ঞতা যোগ করার সুযোগ থাকে না। আপনি হয়তো অনেক কাজেই পারদর্শী, কিন্তু একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট হিসেবে আপনার রিজিউমে তে শুধু সিজিপিএ টা ই অনেক বেশি প্রাধান্য পাবে। আপনি হয়তো অন্যান্য দক্ষতা আপনার চাকরির আবেদনে যোগ করতে পারেন কিন্তু আপনার চাকরিদাতা প্রথমেই যে জিনিস টি লক্ষ্য করবে তা হচ্ছে আপনার ফলাফল। আর সেখানে যদি খুব ভাল কিছু না থাকে, ইন্টারভিউ বোর্ড এ আপনার ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

২. দায়িত্বশীলতা
যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা চাকরির জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে, তারা কোন দায়িত্বশীল লোককেই নির্বাচন করতে চায়। কিন্তু চাকরিদাতার আলাদা করে সুযোগ থাকে না এই ব্যাপারে পরীক্ষা নেয়ার। সেক্ষেত্রে তাদের কাছে একটি পথ ই খোলা আছে আর তা হলো আপনার রিজিউমে পরীক্ষা করা।

তাঁরা দেখবে আপনি শিক্ষাজীবনে কতটুকু দায়িত্বশীল ছিলেন। আর এ জন্য সবার প্রথমে তারা দেখবে আপনার ফলাফল কেমন। যখন আপনার ফলাফল অন্যদের চেয়ে ভাল, তখন ধরে নেয়া হয় যে আপনি শিক্ষা জীবনে আপনার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন বলেই আপনার ফলাফল ভাল। অর্থাৎ আপনি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে জানেন ও আপনার উপরে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। তাই আপনার উচিত এখন থেকেই আপনার সিজিপিএ এর ব্যাপারে সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়া।

৩. মেধা যাচাই
হতে পারে আপনার মেধা অন্য সব চাকরি প্রত্যাশীদের চেয়ে বেশি। কিন্তু আপনাকে সেটা প্রমাণ করে দেখাতে হবে। সেটা তখন ই সম্ভব যখন আপনি ইন্টারভিউ বোর্ড এ ডাক পেয়েছেন। খারাপ ফলাফল নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ড এ ডাক পাওয়া বেশ কঠিন। চাকরিদাতা মেধা যাচাইয়ের জন্য অবশ্যই আপনার ফলাফল কে গুরুত্ব দিবে। তাই আপানার অন্যান্য মেধা থাকা সত্ত্বেও আপনি সেটা দেখানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। আর ভালো সিজিপিএ এটাও প্রমাণ করে যে আপনি পড়াশোনায় ভাল ছিলেন অর্থাৎ মেধাবী ছিলেন। যদিও আপাতদৃষ্টিতে এটা অন্যায় মনে হয়, কিন্তু চাকরিদাতার কাছে এ ছাড়া আর তেমন কোন পথ খোলা নেই আপনার মেধা যাচাই করার।

৪. বিষয়ভিত্তিক পারদর্শিতা
যদি আপনি নির্দিষ্ট কোন দক্ষতা নির্ভর চাকরিতে আবেদন করেন, তখন সেই বিষয়ে আপনার ফলাফল অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। ধরা যাক, আপনি একটি বিপণন প্রতিষ্ঠানে বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে তাতে আবেদন করেছেন। এখন উক্ত প্রতিষ্ঠান খুঁজে দেখবে বিপণন সম্পর্কিত বিষয়ে কার ফলাফল সব চেয়ে ভাল। তারা ধরে নিবে যার ফলাফল ভাল, সে সেই বিষয় নিয়ে ভাল করে পড়াশোনা করেছে। অর্থাৎ সে বিষয়ে তার জ্ঞান অন্যদের চেয়ে গভীর।

তাই আপনি যদি প্রত্যাশা করেন যে ভবিষ্যতে আপনার বিষয় সম্পর্কিত কোন চাকরি করবেন, তাহলে এখন থেকেই সে সকল বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া শুরু করেন। আর তাতে করে আপনার সিজিপিএ ও অনেক ভাল হবে এটা নিশ্চিত।

৫. চাপ সহনশীলতা
আপনার ফলাফল অনেক ভাল মানে এটা বুঝায় যে আপনি অনেক বেশি চাপ নিয়ে কাজ করতে জানেন। যখন আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন, আপনাকে অনেক ধরনের কাজ দেয়া হবে। কখনও কখনও আপনার অ্যাসাইনমেন্ট থাকবে। বিভিন্ন সময়ে মিড বা সেমিস্টার ফাইনাল কিংবা ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা থাকবে এবং এই রকম আরও অনেক । যদি আপনার সিজিপিএ খুব ভালো রাখতে চান, এই সবগুলো কাজ আপনাকে সঠিক সময়ে করতে হবে।

আর তাই আপনার চাকরিদাতা খুঁজার চেষ্টা করেন এমন কাউকে, যে এই রকম অসংখ্য দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করে এসেছে। কারন একটি অফিসেও আপনাকে এক ই রকম ভাবে অনেক ধরণের কাজ করতে দেয়া হবে বা আপনি চাপে থাকতে পারেন। আর তাই আপনার চাকরিদাতা আপনার সিজিপিএ টা কে ব্যাবহার করবে চাপ সহ্য করার মানদণ্ড হিসেবে।

উপরের আলোচনা থেকে এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে আমরা ফলাফল নিয়ে যেভাবে ভাবি, ব্যাপার টা অনেক ক্ষেত্রেই সে রকম নয়। খারাপ ফলাফল নিয়ে কেউ কেউ হয়তো অনেক কিছু করে ফেলতে পারে, তাই বলে সব ক্ষেত্রে তা সম্ভব না ও হতে পারে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় সিজিপিএ ক্যারিয়ারের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা আপনাকে আর সবার চাইতে এগিয়ে রাখবে।

‘নিউ ইয়ার রেজোল্যুশন’ এ যোগ হোক নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস

940 627 Jamia Rahman Khan Tisa

অবসরে আপনি কি করতে পছন্দ করেন? এই প্রশ্নটি করা হলে বেশিরভাগ লোকই যে উত্তরটা দেন তা হলো ‘বই পড়তে ভালোবাসি’। কিন্তু আদৌ আমরা কতজন সত্যি সত্যি বই পড়ি? চাইলে এই ছোট্ট কুইজটির মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন আপনি কতটা বইপাগল?

বই পড়াটা আসলে অনেকটা অভ্যাসের মতন। একবার যদি বইয়ের প্রতি ভালোবাসা খুঁজে পান তবেই বুঝবেন বইয়ের নেশা যে কতটা প্রকট হতে পারে।
সত্যি বলতে কি আমাদের সবারই নিয়মিত বই পড়া উচিত। এখনতো মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে ‘কেন’? আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু কারণ যার জন্য আপনার নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

১. বই পড়া বাড়ায় লেখার দক্ষতা
ভালো লেখক হওয়ার প্রথম শর্তই হলো বেশি বেশি পড়া। আপনি যত ভালো পাঠক হতে পারবেন, ততই ভালো লেখক হবেন। নিয়মিত বই পড়লে বাক্যের গঠন, শব্দের নিয়ে খেলা করার ব্যাপারগুলো আয়ত্ত্বে চলে আসবে। তখন নিজের লেখায়ও সেটা প্রয়োগ করতে পারবেন। সুতরাং লেখার হাত ভালো করতে চাইলে অবশ্যই পড়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আইইএলটিএস পরীক্ষায় রিডিং ও রাইটিং সেকশনে ভালো করতে চাইলে সপ্তাহে অন্তত একটি ইংরেজি বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

২. মানসিক চাপ কমায়

এটা গবেষণার দ্বারা প্রমাণিত যে বইপড়া মানসিক চাপ কমায়। ইউনিভার্সিটি অফ সাসেক্সের এক গবেষণায় দেখা যায় যে মানসিক চাপ সামলে ওঠার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হলো বই পড়া। টেলিগ্রাফ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয় যে, কোনো ব্যক্তি  বইয়ের পাতা উল্টানো শুরুর করার  ছয় মিনিটের মধ্যেই মানসিক চাপ কমতে শুরু করে।

৩.স্মরণশক্তি বাড়ায়
নিয়মিত বই পড়লে স্মরণ শক্তি তো বাড়বেই পাশাপাশি কমবে আলঝেইমার কিংবা ডিমেনশিয়ার মত রোগের ঝুঁকিও। নিউরোলজি’ সাময়িকীতে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। ওখানে বলা হয়, দীর্ঘ সময়ের বই পড়ার অভিজ্ঞতা বৃদ্ধ বয়সে মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। ‘নিউরোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখানো হয় যে যারা অনেক সময় ধরে বই পড়েন তাদের স্মৃতিশক্তি দীর্ঘদিন শক্তিশালী থাকে।   ২৯৪ জন ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছিলো।  মৃত্যুকালে তাদের গড় বয়স ছিল ৮৯। গবেষণায় দেখা গেছে , তাদের মধ্যে যারা অনেক বছর ধরে বই পড়া ধরে রেখেছিলেন, তাদের স্মৃতিশক্তি হারানোর হার যারা বই কম পড়েছেন তাদের থেকে কম।

৪.মনোযোগ বাড়ায়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে আজ পৃথিবী অনেকটাই আমাদের হাতের মুঠোয়। সহজেই। আমরা এখন একসাথে অনেক ধরণের কাজ করে থাকি যেমন ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ,  ইনস্টাগ্রাম, ইমেইল সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা একইসময়ে সক্রিয় থাকি। এতে করে একজায়গায়  আমাদের জন্য মনোযোগ ধরে রাখাটা কঠিন হয়ে যায়।

আপনি যখন বই পড়েন তখন আপনার মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট গল্পে বা আবহের মাঝে আবদ্ধ থাকে।

আপনি যখন বই পড়েন তখন আপনার মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট গল্পে বা আবহের মাঝে আবদ্ধ থাকে। এতে করে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে। সময় করে বই পড়তে না পারলে যে সময়টুকু কোথাও আসা যাওয়ার পথে ব্যয় করছেন সেই সময়টাতেই বই পড়তে পারেন। অফিসে যাওয়ার আগের সময়টাতে ১৫/২০ মিনিটের বই পড়া অফিসের কাজে আপনার মনোযোগ বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।  বিশ্বাস না হলে শুরু করেই দেখুন না!

৫. শব্দ ভাণ্ডার বৃদ্ধি
শব্দ ভাণ্ডার বাড়াতে বই পড়ার বিকল্প আর কিছুই নেই। আপনি যে ভাষায় শব্দ ভাণ্ডার বাড়াতে চান, বেশি বেশি সেই ভাষার বই পড়ুন। পরিবর্তনটা নিজেই টের পাবেন।

৬. ভালো ঘুম
ঘুমাতে যাওয়ার আগে সোশ্যাল মিডিয়া সহ সমস্ত প্রযুক্তি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে কিছু ক্ষণের জন্য বইয়ের জগতে হারিয়ে যান, দেখবেন কি প্রশান্তির একটা ঘুম আপনি পাচ্ছেন। তবে হ্যাঁ, বইটয় যেন থ্রিলার কিংবা ক্রাইম ফিকশন না হয়।

৭. বই বাড়ায় সৃজনশীলতা
সৃজনশীলতা বাড়াতে বইয়ের জুড়ি নেই। একটি বই পড়ার সময় বহু দৃশ্য আমরা মনে মনে কল্পনা করি,  বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ আমাদের বিশ্লেষণ করতে হয়। এতে করে  আমাদের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পায়, বাড়ে সৃজনী ক্ষমতা।

তবে আর দেরি কেন? বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন আজ থেকেই। ‘নিউ ইয়ার রেজোল্যুশন’ এ যোগ হোক নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। জানেনই তো। মনের জানালাগুলো খুলে দিতে বইয়ের কোনো জুড়ি নেই !

তথ্যসূত্র: হাফপোস্ট এবং লাইফহ্যাক

ফিচার ইমেজ সোর্সঃ pelex.com

Artificial Intelligence is REAL!

1920 1280 Monirul Haque

I assume that you’ve heard of Sophia, the humanoid robot. Some of you might have seen social media memes about it, particularly following the mega ICT event, Digital World 2017, or watched video coverages on YouTube and online news channels. I came to know about this extraordinary creation by David Hanson from the ‘Tonight Show with Jimmy Fallon’ on YouTube. Sophia was the guest in one of his episodes and, even though I am a regular viewer of this entertaining talk show, I was left amazed by this particular show having realized that the much discussed topic, Artificial Intelligence (AI), has advanced to create a functioning smart humanoid robot.

Sophia uses a computer program that is similar to ELIZA. The computer program ‘ELIZA’ was created at Massachusetts Institute of Technology (MIT) in 1964. It is similar to ChatBot that was introduced by Facebook. Eliza simulated conversation by using a ‘pattern matching’ and substitution methodology that gave users an illusion of understanding on the part of the program.

As you now know about the mechanism behind the “Celebrity Humanoid robot Sophia”, what do you think about the attention it is getting? In my perspective, some group of people overstated its ability. According to the scientific community, Sophia is often presented in a way that theatrically overstates its level of general intelligence. Whereas Hanson, the creator, designed Sophia to be a suitable companion for the elderly at nursing homes, or to help crowds at large events or parks. But her most impressive feature is in her ability to express feelings topped with the witty sense of humor. Once in an interview, Sophia, primarily a machine, said, “My AI is designed around human values like wisdom, kindness, and compassion.”

So what makes Sophia marketable? The right answer would be the social skill generated by its core program. It must be noted that science and technology are taking longer strides to development than they had before. However, in the process of keeping pace with the technological advancements, we must be sure to integrate our morals and values with the aim to make the world a better place.

The core concept behind Sophia is AI. From SIRI of iPhone to self-driving cars, from Smart TV to Google map, AI is in full action! To be clear, AI is the big umbrella that encompasses terms like machine learning and deep learning. The benefits of AI surpasses the unimaginable risk. AI can have a huge contribution in the field of education, healthcare, security and development of a country. For instance, the modern education system needs to ensure an active learning environment that is both enjoyable and interactive. AI execution can help to create a personalized learning environment to match the varying capacities of students. By analyzing learner information, AI can generate groups particularly suited to a certain task, or groups that balance one learner’s weaknesses with another learner’s strengths. Moreover, Virtual Reality (VR)-assisted learning allows for educational support in authentic environments and extends the boundaries of the classroom. Realistic immersion in virtual environments can provide learners with a richer understanding of the material. Using gamification in learning system can motivate learners and help improve retention while making the learning experience fun.

When it comes to business and economy, leaders, CEO, and managers can make smarter decisions with the results and statistics generated using AI. Tracking growth, problem, and market research data with the power of AI technology.

Even though AI has significant threats, they are near to nil if used for the betterment of the human race.  In the context of Bangladesh, AI can bring concrete growth and prosperity. It is going to dictate the quality of life in the near future. From changing our lifestyle to better advanced healthcare system, AI will contribute to every major part of our life. According to the local newspaper, The Daily Star, ‘Some 47.6 million or 30 percent of the total 158.5 million people in Bangladesh are young (10-24 years), and it will be between 10 and 19 percent by 2050’. This means that Bangladesh needs to invest urgently in the human capital of its young people if it wants to reap the benefits of a large demographic dividend. Hence, for this majority to be competent in the future, young people should update their skills in technology so that they can adapt to the rapid transformations made by AI.

As a part of the young population of my country and an avid reader of science fiction, the prospects of AI in Digital Bangladesh excites me. It further rejuvenates my interest to think that I will be able to experience such a revolution.

Until then, like Spock (from Star Trek) would say, may the world “Live long and prosper”.

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.