Yearly Archives :


When Breath Becomes Air: What Death can Teach us about Leadership

640 640 Fahmida Zaman Ema

On a chilly night in late 2016, I was coming back from my university library at Illinois State University. On my way out, I picked up a book titled When Breath Becomes Air. Published posthumously in early 2016, When Breath Becomes Air was written by a neuroscientist named Paul Kalanithi, a 36-year-old resident in neurosurgery at Stanford University. Just months away from completing his training, Paul was diagnosed with stage four lung cancer. He was a gifted scientist whose research on gene therapy won him his field’s highest research award. Adding to his impressive resume, he earned two degrees in English literature from Stanford University and gave serious consideration to pursing writing as a full-time career. He also held a Master of Arts in the History and Philosophy of Science and Medicine from University of Cambridge.

Much like anything else in his short life, Paul’s writing is brilliant to say the least. As you would see in When Breath Becomes Air, Paul spent his whole brief life searching for meaning in one way or another—through books, writing, medicine, surgery, and science. This short book, therefore, has so many layers of meaning and insights on life and death, patient and doctor, son and father, work and family, faith and reason. There is no shortage of insights in When Breath Becomes Air. Each reader can extrapolate their own set of insights from this reading. Following are some insights I found captivating.

Learning to be comfortable with uncertainties: The most important lesson in Paul’s story is that our future is uncertain. For years, Paul was preparing for a life he was never to live. The decade long medical training was about to end and he was to be a professor of neurosurgery. And once the training was done, he thought he could finally become the husband he promised to be. But, out of nowhere came cancer and Paul had to start living his life instead of postponing it. No part of this journey was easy for him. Future, as we see, is very uncertain. One must learn to be uncomfortable with such uncertainties. We rarely have an exact picture of the path ahead, so we must accept what arises with determined courage.

Compassion and humility: Much of what motivated Paul to pursue neurosurgery was the opportunity to forge relationships with people who were suffering and give him the chance to explore what life offers in meaning and scope. His relentless pursuit of human connection with his patients shows what makes life meaningful: the ability to feel another’s pain (and joy). Everyone fights their own battle. But, what differentiates human beings from any other animal is our ability to feel empathy. Nothing else could remind us of the importance of compassion and humility than facing our own mortality.

There is no small act: The world now is full of so many big problems. From the world-wide refugee crisis to climate change, the problems are too big for us to unravel. As a result, we rightly think that our individual acts do not matter in the grand scheme of things. Nevertheless, that is precisely what makes our individual small acts so significant. Our small kind act can mean the world to someone without us knowing. One may not need power or money to practice this kindness. We are capable of doing it from whichever position we are in. At the end of the book, Paul leaves a message for his daughter who he is not sure will remember him: “When you come to one of the many moments in life when you must give an account of yourself, provide a ledger of what you have been and done and meant to the world, do not, I pray, discount that you filled a dying man’s days with sated joy, a joy unknown to me in all my prior years, a joy that does not hunger for more and more but rests, satisfied. In this time, right now, that is an enormous thing” (p. 199).

Faced with his own mortality just when he was on the verge of making big contributions to the world with his mind and hands, Paul reflected on what it means to lead a meaningful life. He wrote about the process of him transforming from doctor to patient, the struggles he had in his family, the power to talk about death and face it, all these and many others are contoured in such a thoughtful manner. When Breath Becomes Air is not an easy read. It is intense. It is tear-jerking. It is also a necessary read.

মেসি কি তবে নেতৃত্ব চর্চায় ব্যর্থ?

1100 513 Mutasim Billah

নেতৃত্ব শিক্ষার সময় যে প্রশ্নটির মুখোমুখি সবচেয়ে বেশি হতে হয় তা হল অথোরিটি বা ক্ষমতা ছাড়া নেতৃত্ব চর্চা করা সহজ নাকি ক্ষমতা থাকলে নেতৃত্ব চর্চা করা সহজ? এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। স্থান, কাল ও অবস্থা ভেদে এর উত্তর একেক রকম। তবে এর উত্তরের মধ্যে অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান ঠিকই রয়েছে।

বাংলাদেশে আমাদের যে সকল সমস্যা তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সমস্যা তৈরি ও সমাধানের অন্তরায় আমরা নিজেরাই। এবং এ কাজে আমাদের সবচেয়ে প্রচলিত অজুহাত আমার তো এই সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা নেই কিংবা দায়িত্ব যাদের তারা তো কিছু করে না। এই অজুহাত থেকে আমরা চাইলেও অনেক সময় সহজে বের হয়ে আসতে পারি না।

পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ খেলাধুলার আসর চলছে রাশিয়া তে। ফুটবল বিশ্বকাপ। আর কোন খেলার আসর নিয়ে বিশ্বে বিশেষত বাংলাদেশে এরচেয়ে বেশি মাতামাতি হয় কিনা আমার জানা নেই। গত রাতেই অন্যতম পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল বাদ পরেছে দ্বিতীয় পর্ব থেকে। খেলা দেখতে দেখতেই মনে হল আরে এখানেই তো আছে সেই প্রশ্নের খুব সহজ একটা উত্তর।

এবারের বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব থেকেই অনেকটাই অগোছালো দল আর্জেন্টিনা। অনেকটা ধরেই নেয়া গিয়েছিল বেশিদূর যেতে পারবে না সাম্পাওলির দল। বাদও পরেছে। কিন্তু দ্বিতীয় পর্ব থেকে যে বাদ পড়লো সেটি কি আসলেই দল আর্জেন্টিনা? নাকি ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসি?

একটু ভালোভাবে দেখলে দেখা যাবে দল হিসেবে আর্জেন্টিনা তো সেই বাছাই পর্বেই বাদ পরে গিয়েছিল। এতদিন যে টিকে ছিল তা দলের বিশাল বড় ব্যনারের নিচে সেই জাদুকর। যত না বেশি সমর্থক দলের তার থেকে বেশি সমর্থক মেসির। তার জন্যই যেন বিশ্বকাপ জিততে চায় তার সমর্থনের বিশ্ব।

অনেকটা একই অবস্থা সময়ের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। এখানেও দল যেন প্রতিযোগিতায় নাম লেখানোর একটা নিয়ম মাত্র। এই নিয়ম বাদ গেলে খেলতে হত তাদের একারই।

দুজনই আবার দলের অধিনায়ক। তাদের দিকে এমনিতেই এত আলো তার উপর অধিনায়কের ভার যেন মাঠ থেকে এক মুহূর্ত আড়াল হওয়ার সুযোগ নেই তাদের। তারা দুজন যে বর্তমান বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় তাতে কারো সন্দেহের সুযোগ নেই। কিন্তু এই বিশ্বকাপে দলকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে নেতৃত্ব চর্চা করতে হত তাতে তারা ব্যর্থ।

অনেকটাই মেসি কে কেন্দ্র করে এমন ৫টি কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি যা আমাদের নিজেদের নেতৃত্ব চর্চার ক্ষেত্রেও অনেকটাই বাধা।

১। ওয়ার্ক অ্যাট দ্যা সেন্টারঃ

আমরা জানি নেতৃত্ব চর্চা করতে হলে অংশগ্রহণকারী কিংবা জড়িত সকলের সাথে সম্পর্কিত একটি কাজ খুঁজে বের করতে হয় যাকে আমরা ‘ওয়ার্ক অ্যাট দ্যা সেন্টার’ বলি। আমাদের উদ্দেশ্য হওয়ার কথা যে সকলের প্রধান মনোযোগ যেন মাঝের এই কাজটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য হয়। তার জন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাই চেষ্টা করে যায়।

কিন্তু অধিকাংশ সময়ই আমরা যে ভুলটি করি তা হল মাঝখানে ঐ কাজটির বদলে আমরা নিজেরা চলে আসি। তখন জড়িত সকলের মনোযোগ কাজের বদলে ঐ নির্দিষ্ট ব্যক্তি উপরে পরে। তখন না ঐ কাজটি সামনের দিকে আগায়, না আমরা আমাদের সাধ্য মত ঐ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারি।

আর্জেন্টিনা দলটিকে দেখলে বিষয়টা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়। যেখানে দলের সাথে জড়িত সবার মনোযোগের কেন্দ্র বিন্দু হওয়া দরকার ছিল বিশ্বকাপ জেতা এবং সে লক্ষ্যে সবাই এক সাথে কাজ করা। কিন্তু মেসির মত তারকা থাকায় ঐ কাজের বদলে দলের কেন্দ্রবিন্দু সে নিজেই পরিণত হয়েছে। যার কারণে না মেসি তার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে খেলতে পেরেছে না দল তাদের মুল কাজের উপর মনোযোগ দিতে পেরেছে।

২। সমন্বয়হীনতাঃ

একটা দল হিসেবে কোন সমস্যার সমাধান করতে হলে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় ভালো হতে হয়। দলের মধ্যে বিশ্বস্ততা থাকতে হয়, জানতে হয় কে কখন কি ভূমিকা পালন করতে পারে। মেসি দলের কেন্দ্রবিন্দু পরিণত হওয়ায় তার সাথে সখ্যতা না থাকায় দলের মধ্যে সমন্বয়হীনতা কাজ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নাইজেরিয়ার সাথে খেলায় আর্জেন্টিনা দলের সাফল্যের পেছনে মেসি আর বানেগার যে সমন্বয় তা অন্যতম প্রধাণ ভূমিকা পালন করেছে। এমন বিশ্বস্ত সমন্বয় তাদের আগের এবং পরের খেলায় চোখে পরে নি। এখানে যদি দলের কেন্দ্র বিন্দু মেসি না হয়ে বিশ্বকাপ জেতাতেই সবার মনোযোগ থাকত তাহলে যার যার জায়গায় সবাই বিশ্বস্ত ভূমিকা পালন করতে পারতো।

৩। টিম ওয়ার্কঃ

বিশিষ্ট মনস্তত্ত্বিক ডেভিড কান্টর’র ফোর প্লেয়ার মডেলে তিনি বলেছেন দলের মধ্যে সঠিকভাবে নেতৃত্ব চর্চা করতে হলে দলের সবাইকে প্রয়োজন ও সময় সাপেক্ষে চার ধরণের ভূমিকা পালন করতে হয়। দলের মানুষজনকে কখনো বুদ্ধি দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, আবার কখনো অন্যের বুদ্ধির যৌক্তিক বিরোধিতা করতে হয়। পাশাপাশি বুদ্ধি বাস্ত্যবায়নের জন্য কাজ করতে হয় ওপর দিকে কখনো কখনো কোন কাজ না করে দাঁড়িয়ে দেখতে হয় কারণ এতে দূর থেকে দেখা যায় যে কোথায় কিসের ঘাটতি আছে। আর্জেন্টিনা দলে এই মডেলের বাস্তবায়ন ছিল না বললেই চলে। কেউই নিজের নির্ধারিত ভূমিকার বাইরে এসে অন্য কোন ভাবেই দলের কাজকে সামনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে নি।

৪। কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাঃ

একটা দলে যার হাতে ক্ষমতা থাকে তাকে আমরা অথোরিটি বলি, বাংলায় কর্তৃপক্ষ। দলের নেতৃত্ব চর্চা কিংবা সমস্যা সমাধানে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলে এই কর্তৃপক্ষের কাজ হল দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করা, দলকে দিক নির্দেশনা দেয়া এবং বিপদ থেকে রক্ষা করা। যখন সে এই তিন ধরণের কাজ করতে ব্যর্থ হয় তখন দলের কাজও সামনের দিকে আগায় না। আর্জেন্টিনা দলেও তাদের কোচ সাম্পাওলি তার জন্য নির্ধারিত এই তিন ধরণের কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই পুরো দল হিসেবে তারা উঠে দাঁড়াতে পারে নি। দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করা, সাফল্যের জন্য দিক নির্দেশনা দেয়া এবং হেরে বাদ পড়ার মত বিপদের সমাধান তার কাছে ছিল না। কোচ হিসেবে তার কাছে সমাধান না থাকায় এবং সমস্যা সমাধানে তার উপর সকলের অত্যধিক নির্ভরশীলতার কারণে দলের অন্য কেউ কোন ভালো সমাধান নিয়ে দলের জন্য এগিয়ে আসতে পারে নি। সঠিক ভাবে নেতৃত্ব চর্চার জন্য কর্তৃপক্ষের উপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা ক্ষতিকর। এক্ষেত্রে সফল হতে হলে দুটি কঠিন কাজ করতে হবে। কর্তৃপক্ষের যেমন সবাইকে বলতে হবে যে ‘এই কাজ আমাদের সবার, আমার কাছে এই সমস্যার সমাধান নেই এবং আমাদের সবাইকে মিলেই এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে’ তেমনি দলে থাকা বাকিদেরও এগিয়ে আসতে হবে যার যার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আসন্ন অজানা বিপদ থেকে দলকে উদ্ধার করতে।

আর্জেন্টিনা যেমনি ভাবে ভালো দল, তেমনই ভাবে বাংলাদেশও অপার সম্ভাবনার। আপাত দৃষ্টিতে আমরা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও জয়ের স্বপ্ন না দেখলেও এই তরুণরাই বাংলাদেশের বিশ্ব জয়ের নেতৃত্ব দিবে তা অনিবার্য। আর সেই অনিবার্য নেতৃত্বের জন্য তরুণদের কে হতে হবে প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং যোগ্য। নেতৃত্ব চর্চার জন্য তারা যেন সকল বাধা কাটিয়ে উঠে এবং অনুপ্রাণিত হয় সেদিকে দৃষ্টি প্রদান করার প্রয়োজন অত্যধিক। কারণ সফলতা কেউ প্রাপ্য না, সফলতা অর্জন করতে হয়। মেসি পারে নি বিশ্বকাপ অর্জন করতে, কিন্তু বিশ্বাস রাখলে আমাদের তরুণরা পারবে বিশ্ব জয় করতে।

কিভাবে নিজের একাডেমিক বিষয়ের বাইরে গিয়ে ক্যারিয়ার গড়া যায়?

640 372 Sherazoom Monira Hasib

ক্যারিয়ার গড়ার জন্য কি একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ? অনেকের মধ্যে একটা মিথ প্রচলিত আছে আর সেটা হচ্ছে, যে বিষয়ে পড়াশোনা করেছি সে বিষয়ে ক্যারিয়ার না গড়লে আমরা ভালো করতে পারব না। এটা সত্যি যে যার যার একাডেমিক বিষয় সম্পর্কিত ক্যারিয়ার গড়তে পারলে খুব ই ভালো, কারন সে বিষয়ে অনেক গভীর জ্ঞান থাকার সম্ভাবনা আছে।

কিন্তু পৃথিবীতে এমন অনেক উদাহরণ আছে যেখানে মানুষ ক্যারিয়ার গড়ছে যা তার একাডেমিক বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় কিন্তু খুব দ্রুত সফলতাও পাচ্ছে। এর পিছনে কারন হচ্ছে, একাডেমিক বিষয় ছাড়াও যদি কারো অন্যান্য দক্ষতা থাকে, সে সেটা খুব ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারে। তবে হুট করে কোন কিছু করা উচিত হবে না। এর জন্য কিছু কিছু ধাপে এগোতে হবে।

চলুন দেখে আসি কি কি ধাপ অনুসরণ করে একাডেমিক বিষয়ের সম্পূর্ণ বাইরে গিয়েও ক্যারিয়ার গড়া যায়।

আপনার পছন্দের জায়গা খুঁজে বের করুনঃ একাডেমিক বিষয়ের বাইরে ক্যারিয়ার গড়তে সবার আগে যেটা প্রয়োজন তা হচ্ছে নিজের পছন্দের বিষয় খুঁজে বের করা। আপনি হয়তো একাডেমিক বিষয় উপভোগ করেন না কিন্তু এমন কোনও বিষয় আছে যেটাতে আপনি ঘন্টার পর ঘন্টা সময় ব্যয় করতে পারেন। আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে সে রকম কিছু। আবশ্যই এমন কিছু পছন্দ করুন যেটাতে আপনি সহজে আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, আপনি প্রায় ই বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজ করে থাকেন। হতে পারে সেটা আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ইভেন্ট বা পারিবারিক কোন প্রোগ্রাম। তার মানে আপনি একজন ভালো অর্গানাইজার।

সুতরাং আপনি বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম এ সহজেই কাজ শুরু করতে পারেন। তাছাড়াও বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসের জন্যও এমন মানবসম্পদ প্রয়োজন যারা সহজেই বিভিন্ন ইভেন্ট এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তদারকি করতে পারে। এমনকি নিজে নিজে শুরু করতে পারেন একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম। ঠিক এক ই কথা অন্যান্য দক্ষতার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

নেটওয়ার্কিং বাড়ানঃ একাডেমিক বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন আর অন্য কোন বিষয় নিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন, আপনার খুব ভালো নেটওয়ার্কিং থাকা জরুরি। হতে পারে আপনি খুব ভালো কোড করতে জানেন আর তাই আপনি কোন স্বনামধন্য সফটওয়্যার ফার্ম এ কাজ করতে চান। সেটার জন্য এখন থেকেই বিভিন্ন কোম্পানির সাথে যোগাযোগ শুরু করে দিন। যদি সম্ভব হয় তাদের বিভিন্ন সফটওয়্যার এর ত্রুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন এবং কোনও খুঁত থাকলে তাদের কে জানান। এতে করে তারা ধারণা করতে পারবে আপনি আসলে কোন ধরনের কোড বা প্রোগ্রামিং করতে জানেন।

নেটওয়ার্কিং করার জন্য সব চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাব এ যোগ দেয়া। সেখানে আপনি খুব সহজে আপনার ক্যাম্পাস এর সিনিয়র, যারা খুব ভালো জায়গায় কাজ করছে, তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন। তাদের কে আপনার পছন্দের বিষয় সম্পর্কে জানান এবং আপনি কিভাবে সেখানে কাজ করতে পারেন তা নিয়ে আলোচনা করুন। এতে করে পড়াশোনা শেষ করার আগেই আপনার কাজের ক্ষেত্র তৈরি থাকবে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকুরির বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণঃ আপনি যে বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী, ঠিক সে বিষয় টা নিয়ে যে ধরনের চাকরির বিজ্ঞাপন পাবেন সেগুলো একটু ভালো করে বিশ্লেষন করুন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখতে পাবেন দক্ষতা থাকলে একাডেমিক বিষয় শিথিলযোগ্য। অর্থাৎ সরাসরি আপনার কোনও ডিগ্রি না থাকলেও সেখানে কাজ করার সুযোগ আছে। একটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন তারা বাড়তি কিছু যোগ্যতা চাচ্ছে যা হয়তো সবার নেই। আর ঠিক এখানেই আপনার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সে সকল বিষয় নিয়ে জানা শুরু করে দিন। এখনকার যুগে নতুন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা মোটেও কঠিন কিছু না। অনেক ফ্রি রিসোর্স রয়েছে যেখানে আপনি খুব সহজেই কঠিন কঠিন বিষয়গুলো আয়ত্ত করে ফেলতে পারবেন।

বিভিন্ন প্রফেশনাল ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করুনঃ যেহুতু আপনি সরাসরি আপনার একাডেমিক বিষয়ে কোনও কিছু করতে আগ্রহী নন, তাই অন্যান্য বিষয়ে ক্যারিয়ার সম্পর্কিত জ্ঞানের জন্য বিভিন্ন প্রফেশনাল ওয়ার্কশপ এ যোগ দিতে পারেন। আর এ ক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো হয় যদি আপনি বিওয়াইএলসি’র অফিস অফ প্রফেশনাল ডেভেলাপমেন্ট (ওপিডি) এর দুই দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপ এ অংশগ্রহণ করেন।

এখানে সিভি রাইটিং থেকে শুরু করে কিভাবে ইন্টারভিউ ফেস করবেন, নেগোশিয়েট করবেন ইত্যাদি জানতে পারবেন। এছাড়াও থাকবে ডেমো ইন্টারভিউ সেশন, যেখান থেকে আপনি ধারণা নিতে পারবেন কিভাবে ইন্টারভিউ এর প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ওপিডি ছাড়াও আরও অন্যান্যা ওয়ার্কশপে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী অংশগ্রহণ করতে পারেন যা আপনার জ্ঞানের পরিধি নিঃসন্দেহে অনেক বাড়াবে।

শুরু করে দিন নিজের উদ্যোগঃ যে বিষয়ে ই পড়াশোনা করেন না কেন, চাকরি ই করতে হবে ব্যাপার টা এমন নয়। বরং আপনার হাত ধরেই সৃষ্টি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থান। নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে। একাডেমিক বিষয়ের বাইরে যদি আপনার এমন কোন আইডিয়া থাকে যেখানে অনেক সামনে এগোনো সম্ভব, সেটা নিয়েই শুরু হতে পারে আপনার উদ্যোক্তা জীবন।

তবে চেষ্টা করতে হবে এমন কিছু নিয়ে উদ্যোগ নেয়া যেটা আর সবার চেয়ে আলাদা। তবে আর আপনার চাকরি করার কোন প্রয়োজন হবে না।

উপোরক্ত বিষয়গুলো ভালোভাবে অনুসরণ করে এখন থেকেই শুরু করুন আপনার স্বপ্নযাত্রা।

Three Leadership Lessons from Ambassador Leoni Cuelenaere

5184 2184 Fahmida Zaman Ema

Ambassador of the Embassy of the Kingdom of the Netherlands, Leoni Cuelenaere, met with BYLC graduates on June 5, 2018. Ms. Cuelenaere’s time as the Ambassador in Bangladesh, starting in 2015, has contributed to building an excellent relationship between the Netherlands and Bangladesh. Before Bangladesh, Leoni Cuelenaere served as the Ambassador of the Embassy of the Kingdom of the Netherlands to Zimbabwe, Sri Lanka, Yemen, and Rwanda.

During her visit to BYLC, she met with graduates from the recent BBLT program to talk about opportunities and challenges young people face in the countries. Recalling her experiences in Bangladesh, she stated with hope that so much is possible in Bangladesh as its greatest strengths are young people and their energy.

Leoni Cuelenaere also shared a few leadership lessons with the participants from her own decades long public service career.

You are part of a team: Ms. Cuelenaere said to the graduates that always remember, you are not just a boss. You are part of a team. When your team does well, it’s the team’s success. When it doesn’t, take the responsibility for the failure. But, the important part of your job is to work with identify and develop your team member’s strengths.

Listen to others: When you are working and hold a position of power of some sorts, people may not always say it when they disagree with you. It is your responsibility to find ways to listen to what your team members are really thinking. Therefore, you must create a work culture of truly listening to your colleagues.

Learn to take criticism: One of the most important lessons you must learn is to listen to criticism. Allow your team members to criticize you. When you are criticized, go back to yourself and reflect what may have gone wrong. If you are wrong, learn to say sorry. There is no harm in saying sorry.

Ms. Cuelenaere has been an avid supporter of BYLC’s work. She was also excited to learn about the student’s Leadership in Actions projects and how the participants would continue to contribute to their societies while achieving their personal goals.

My Experience of the One Young World 2017 Summit in Colombia

960 720 Fahmida Zaman Ema

For someone who studied politics, 2017 has been anything but a year of hope. With Brexit and the election of Donald J. Trump, it became difficult for most people to trust our fellow human being’s judgments. So, when I was preparing to attend the One Young World Summit 2017 in Bogota Colombia, I was not looking to be optimistic about the world or restoring my faith in humanity.

Much to my surprise, however, the speakers, attending ambassadors, and everyone else I had the fortune to meet in Colombia, did just that. The young ambassadors’ works in health, peace, arts, business, politics, and societies have demonstrated that remarkable things can happen when we take responsibilities for our own societies and communities.

The One Young World Summit is a global gathering where young people and world leaders come together to share innovative solutions for world’s most pressing issues. The overarching theme of One Young World 2017 was reconciliation and the role of young people in propagating peace. The 1300+ participants from 194 countries gathered in Colombia’s capital, Bogota, to discuss the most pressing issues of the world today— global peace, the high and protracted incidence of unemployment, the acute social and economic obstacles faced by women, the environmental impacts of climate change, and the road to climate action.

It also outlined the struggle with disabilities and the burning desire for it to be taken more seriously by society. An overwhelming theme emerged while discussing viable actions for change: the role that entrepreneurship and technology access will play in circumventing these challenges.

I attended the OYW 2017 summit as a Dr. Mohammad Yunus delegate representing Bangladesh. I find it quite impossible to summarize the learnings from this gathering in one article. But, here are three things that made a lasting impact on my mind.

1. Never too young to lead: There is a narrative in our societies that young people are not equipped to lead because…“ well, they are young.” But, the world is currently home to the largest generation of young people in history. With half of the world’s population being under the age of 40, it is the ideas and talents of young people that will drive the success of achieving Sustainable Development Goals by 2030 as well as take us towards an inclusive and peaceful world in the long run. Kofi Annan, Ghanaian diplomat and former seventh Secretary General to the UN, said this in his keynote speech: “You are never too young to lead, act and take charge where you can.” Mr. Anan shared his experiences of peace negotiations and advocated for establishing trust between parties, being fully inclusive, and giving everyone a voice. Proving Mr. Anan’s point, the OYW summit championed young leaders from about the world who are doing more works towards a better world than many of our governments.

2. Business with a social conscience: Social entrepreneurship was another major theme of the One Young World Summit in Bogota. Right now, eight people hold the same amount of capital wealth as the bottom half of the world. This shocking fact shows how we live in a world of growing inequality. Moreover the rising social tensions and the rapidly digitizing global economy that is changing the global economy that is changing the way to live and work. Thus, there needs to be a fundamental change in the way that we conduct ourselves on this planet. Big business needs to set goals that benefit not just the company but the society as well. They need to commit to a more sustainable and equitable world.

Muhammad Yunus, a Nobel Laureate spoke of his social business model and his 3-0 goals to create a society free of poverty, unemployment and carbon emission. Young people are already prioritizing this agenda. For example, One Young World ambassadors working at Deloitte in France are collaborating with local non-profit partners on addressing youth unemployment. And there are so many impactful OYW Ambassador-led initiatives around the world! It’s time for the big business now to support and initiate such programs to fulfill their responsibilities towards societies and communities.

3. Stories matters for peace and reconciliation: The third day of the summit featured young activist whose lives have been destroyed by wars—from Rwanda’s genocide to Colombia’s civil war to Afghanistan’s chronic conflicts. By sharing his story, Rwanda’s Hyppotitle Ntigurirwa showed us peace and reconciliation is possible, no matter what happens. Hyppotitle Ntigurirwa who spoke about his experience during the Rwandan genocide in which 1 million people lost their lives in 100 days. His story was one of survival. From the refugee camps he lived in after the genocide, he went on a journey of peace which led him to forgive his father’s killers.

One of the sessions titled “The Future of Colombia” explores the impact of the 52 years Colombia conflict and brought together young Colombians from different perspectives, including former FARC rebels, former paramilitary members, and kidnapping victims share their experience of the conflict to bring to life the impact of war on young people. The personal stories shared by these participants enabled us, the listeners who may not have any idea about the lasting impact of the war on individuals, to understand and to support the efforts to maintain peace not only in Colombia but also in any war-torn society.

In the closing session of the 2017 One Young World Summit at Simon Bolivar Park in Bogota, Ron Garan, a former Astronaut said we are a common planer with a common goal, common population, and a common destination. With that statement, he encompasses the essence of the summit. Despite the chaos of Brexit and the divisive politics of Donald Trump, there is still scope for hope as long as the ideas and works of young people are being championed. I realized, the gathering of hundreds of exceptional young minds from virtually every sector in Bogota strengthened that hope.

যোগ্য শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন

1944 1296 Sherazoom Monira Hasib

সামগ্রিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা অভাবনীয় উন্নতি করেছি। আর এর সাথে সাথে আমাদের দরকার আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা যাতে করে দেশের উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের অবদান নিশ্চিত করা যায়। আর এ সকল বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্যই বিওয়াইএলসি স্যোশাল এর মাসিক আলোচনা অনুষ্ঠানের এবারের বিষয় ছিল “শিক্ষা ব্যবস্থায় সমস্যা ও তা থেকে উত্তোরনের উপায়”। এটি অনুষ্ঠিত হয় বিওয়াইএলসি হেডকোয়ার্টারে আর সঞ্চালনা করেন বিওয়াইএলসি মার্কেটিং এন্ড আউটরিচ বিভাগের নির্বাহী, আহমেদ সাব্বির।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সফল ৫ জন বিওয়াইএলসি গ্র্যাজুয়েট। আলোচনা থেকে উঠে আসে, সবার আগে যে ব্যাপার টা নিশ্চিত করতে হবে তা হচ্ছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমান সুযোগ সুবিধা। অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা যেন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমান সুযোগ সুবিধা পায়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভেদে এক ই লেভেলের শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সুবিধা পেয়ে থাকে, অর্থাৎ কেউ ভালো সুযোগ পায় তো কেউ অনেক সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হয় যা কখনও কাম্য নয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ধরা যাক, সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাবের সুযোগ সুবিধা অপ্রতুল। যে কারনে তাদের ব্যবহারিক শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। চাইলেও তারা হয়তো বিভিন্ন গবেষণা করতে পারছে না। অন্যান্য বিভাগের ক্ষেত্রেও এই ধরনের সমস্যা দেখা যায়। অথচ এই সময়টা হচ্ছে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সব চেয়ে মূল্যবান সময়। এখানে শিক্ষার্থীরা যে ধরনের জ্ঞান লাভ করবে তার মাধ্যমেই তারা ভবিষ্যৎ গড়বে।
এ ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মঞ্জুরুল হাসান বলেন, “দক্ষতার অভাবে চাকরির সুযোগ না পাওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মাঝে একটা হতাশা কাজ করে।” যে ধরনের গবেষণা বা কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের জ্ঞানের প্রয়োগ ঘটাবে সে জায়গাতেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রিসোর্স এর অভাব রয়েছে। অর্থাৎ এক ই ডিগ্রিধারীদের মধ্যে কেউ ভালো দক্ষতা নিয়ে বের হচ্ছে এবং কারো কারো দক্ষতার ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। ফলে চাকরি পেতে বা নিজের জ্ঞানের প্রয়োগের ক্ষেত্রে তারা পিছিয়ে যাচ্ছে। অনেকেই নিজের প্রচেষ্টায় অন্যান্য বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে তাদের একাডেমিক বিষয়ের বাইরে গিয়ে ক্যারিয়ার গড়ছে যদিও তার সংখ্যা খুব ই নগণ্য। কিন্তু এতে করে শিক্ষার সামগ্রিক উদ্দ্যেশ্য বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
এক ই ভাবে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য সমান সুবিধা নিশ্চিত করা যায় নি। যে কারনে এক ই কারিকুলামে পড়াশোনা করার পরেও তাদের মাঝে একটা “গ্যাপ” থেকে যায়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সব শিক্ষা উপকরন নিশ্চিত করা সম্ভব হয় নি। তারা পর্যাপ্ত শিক্ষক পাচ্ছে না বা অনেক সময় সব বিষয়ের শিক্ষক পাচ্ছে না। অর্থাৎ শিক্ষার মূল ভিত প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। সবার আগে তাই সব পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তাছাড়া বর্তমানে চাকরির যোগ্যতা হিসেবে বিভিন্ন দক্ষতা চাওয়া হয় যা শিক্ষার্থীরা গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থায় লাভ করতে পারে না। বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের বাইরেও আরও অনেক দক্ষতা প্রয়োজন যেগুলো সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খুব বেশি সচেতনতা লক্ষ্য করা যায় না। কিন্তু পরবর্তীতে ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে তারা বাঁধার সম্মুখীন হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে কমিউনিকেশন স্কিল এর কথা। অনেক শিক্ষার্থী জানে না কিভাবে সঠিক পন্থায় কারো সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী তার কমফোর্ট জোনের বাইরে গিয়ে সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে না। এক ই রকম আরও কিছু সফট স্কিলস এর দরকার যা সব ধরনের জব বা উদ্যোক্তা হতে গেলে প্রয়োজন যা শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা যায় না।
আরেকটি ব্যাপার পরিলক্ষনীয় আর তা হচ্ছে, বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীলতা চর্চার অভাব। যদিও বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি চালু আছে, শিক্ষার্থীরা এখনও মুখস্থ বিদ্যার আবর্ত থেকে বের হতে পারছে না। এর পিছনে প্রধান কারন হচ্ছে শুধুমাত্র ফলাফল কেন্দ্রিক চিন্তা ভাবনা। এ ব্যাপারে বিওয়াইএলসি কারিকুলাম বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার ও ইনস্ট্রাক্টর আলমীর আহসান আসীফ বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীদের কে সৃজনশীলতার ব্যাপারে আরও আগ্রহী করে তুলতে হবে। তাদের মাঝে কৌতূহল তৈরি করতে হবে যেন তাদের মাঝে নতুন নতুন বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ে”। এছাড়াও তিনি পরামর্শ দেন অভিভাবকগণ যেন শিক্ষার্থীদের সামনে কোন আইডল সেট করে না দেয়। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে লক্ষ্য করা যায়, তারা শুধুই ফলাফলের ব্যাপারে গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে করে শিক্ষার মূল উদ্দ্যেশ্য নষ্ট হচ্ছে অর্থাৎ জ্ঞান অর্জনের চেয়ে একটি ভালো ফলাফল ই মুখ্য হয়ে উঠছে। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি দক্ষতার ব্যাপারেও সমান গুরুত্ব দেয়া উচিত। আর তা সম্ভব হয় যখন ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতার চর্চা করানো হয়। এ ব্যাপারে জামিয়া রহমান তিসা বলেন, “আমি এমন একটি স্কুলে পড়াশোনা করেছি যেখানে অনেক বেশি সৃজনশীল কাজ করতে হয়েছে। আমার মনে হয় আমাদের কারিকুলাম টা এমন ই হওয়া উচিত”।
দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, শুধু ফলাফলের ব্যাপারে বেশি গুরুত্ব দেয়ার কারনে, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মনে ধীরে ধীরে ধারণা জন্মায় তাদের শুধু একটা ভালো ফলাফল হলেই চলবে। আর এ কারনে তাদের মধ্য থেকে বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ কমে যাচ্ছে।
উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠান থেকে একটা ব্যাপার পরিষ্কার আর তা হচ্ছে, সবার সমন্বিত উদ্যোগ ই শিক্ষার্থীদের কে বর্তমান বিশ্বের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারে। তাছাড়া বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষানীতির সঠিক বাস্তবায়ন ও জরুরি। আলোচনায় বক্তারা এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দেন। অভিভাকদের কে উপলব্ধি করতে হবে কেন শিক্ষার্থীদের উপরে কড়াকড়ি আরোপ না করে তাদের কে সঠিক শিক্ষা ও সৃজনশীল কাজের জন্য আগ্রহী করে তুলতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের কাছ থেকে ভালবাসা ও স্নেহ পেলেই বরং শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হয়ে উঠবে।

Putting Theories into Practice: Leadership Reflection of a Young Researcher

1280 853 Makshudul Alom Mokul Mondal

Business schools are best known to prepare students to excel in the corporate hierarchy. Despite being trained in finance and marketing at the Institute of Business Administration, the leading business school of Bangladesh, I opted to venture into the rather uncharted field of development research. Motivated by my earlier orientation and engagement with the marginalized communities of Bangladesh, it was not a difficult choice given how I wanted my life and work to create values for others, particularly for those who often get forgotten. With immense interest to support government agencies to formulate inclusive policies and strategies, I joined a policy research outfit to contribute to the process of informed policymaking.

I joined The Institute for Policy, Advocacy, and Governance (IPAG), the then lesser known think tank in Bangladesh, as a Research Assistant with very little experience in economic and social research. In spite of being apprehended by the uncertainties and risks of failing, I took the challenge as an opportunity to explore, learn, and excel by not just doing what was required but always going the extra mile. I had the privilege of working directly with the Chairman, a Wharton graduate who has an unwavering penchant for maintaining international standards, and in the process, I got opportunities to put leadership theories into action.
My first challenge was to keep my purpose alive. Unlike sales or finance, research activities do not produce immediate results or impact. And thus, having patience to do things right and staying connected with the purpose was necessary. There were so many depressing days when I questioned my achievement of the day and failed to find any. The only solution was to be connected with my purpose and remind myself how my work would make the country and the world a better place to live.

My second challenge was to minimize theoretical and subject knowledge gap and to come up to speed to make meaningful contributions in policy analysis and recommendations. I was already communicating with experienced scholars and policymakers and I had very little scope for errors and complacency. While there is no shortcut to gaining knowledge, you can expedite the process by reading relentlessly and persistently. When I was struggling, my main source of motivation was my sincere interest and passion for knowledge.
The third challenge was to convey your thoughts and recommendations without alienating the recipient, particularly for a young researcher like me. Communication is key to policy changes because people do not question the message first, they question the messenger. There is no alternative but to establish your credibility so that they listen to your ideas. For that, you need to be an empathetic and compassionate communicator with a firm grasp of the issue at hand who understands and values people’s opinion and humbly puts forward thoughts backed by solid data and research. You will also need allies to help bolster and champion your ideas.

My last biggest challenge was that I didn’t want to work. Yes, I might seem very contradictory but its true. I have seen many people who work to tick off his responsibilities with questionable dedication, commitment, and loyalty to the organization for a month-end salary. This seemed a very narrow and bleak outlook to life. I didn’t want to work but I wanted to live in work. My vision was to create a legacy so that when I would leave others could get benefitted from my work and I might have also be considered as an inspiration for future young researchers who will create and disseminate knowledge for good.

If I am asked about my biggest success as a researcher, I would humbly say that I made small contributions to take IPAG to new heights where IPAG is now ranked among the top 50 leading international development think-tanks in the world published by Think Tanks and Civil Societies Program (TTCSP) at the Lauder Institute, University of Pennsylvania. As a recognition of my contribution, I was promoted as the youngest Fellow at IPAG and entrusted with leadership responsibilities.

Now, when I reflect, I realize how my initial leadership training guided me to achieve what I could. Theories are established out of realities and are often obsolete if not applied. Simple yet powerful precepts of leadership such as ‘knowing the purpose’, ‘being passionate about what we do’ and ‘creating value of others and leaving a noteworthy legacy’ surely guided me and will continue to take me to new heights. As a firm believer of what Tim Cook, CEO of Apple said about ethical leadership ‘leaving things better than you found them’, I hope to practice leadership to create values and make things better for everyone.

Makshudul Alom Mokul Mondal

Makshudul Alom Mokul Mondal, is a young researcher and also the co-founder of Youth Opportunities, one of the leading opportunity discovery platforms for youth across the world. Makshudul is also a Global Shaper at the Dhaka Hub, an initiative of the World Economic Forum (WEF). He is a graduate of BYLC BBLT 5 and was an Instructor of Leadership for several BYLC’s programs.

কম সিজিপিএ নিয়ে যে ৭ টি উপায়ে ভাল ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব

1280 836 Sherazoom Monira Hasib

প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় অনেক স্বপ্ন ও সে স্বপ্ন পূরণের প্রত্যাশা নিয়ে। সবার মনেই থাকে ভাল কিছু করে পরিবার তথা দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা। দুঃখজনকভাবে আমরা দেখতে পাই সবার পক্ষে খুব ভালো ফলাফল করা সম্ভব হয় না। চার থেকে পাঁচ বছর পড়াশোনা করার পরে যখন কারো ফলাফল খারাপ থাকে, সেটা আসলেই হতাশাজনক।

কিন্তু আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, জীবন এখানেই থেমে থাকবে না। এক ই ব্যাচে কারো ফলাফল খুব ভালো হবে আর কারো একটু খারাপ হবে এমন টা খুব ই স্বাভাবিক। তাই ফলাফল যা আছে, সেটা নিয়ে কিভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায় আমাদেরকে সেটা ভাবতে হবে। তাই চলুন আজকে জানার চেষ্টা করি কিভাবে প্রত্যাশিত ফলাফল না থাকলেও ভাল ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা যায়।

নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করুন

আপনি যখন ফাইনাল ইয়ার বা শেষের দিকের সেমিস্টারে আছেন, তখন ই আপনি ধারণা করতে পারবেন আপনার সিজিপিএ আসলে কেমন হতে পারে। তাই আপনার উচিত হবে তখন থেকেই অন্যান্য দক্ষতা নিয়ে কাজ শুরু করা। সেটা হতে পারে আপনার ইংরেজী দক্ষতা, কথা বলার দক্ষতা, বিভিন্ন সফটওয়্যারে কাজ করতে পারার দক্ষতা ইত্যাদি।

ধরা যাক, আপনি ইংরেজীতে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন, সে ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে প্রতিদিন কিছু সময় লার্নিং এর জন্য বরাদ্দ করা। অবশ্যই ভাল একটা প্রস্তুতির পর আপনার উচিত হবে দক্ষতা কতটুকু বৃদ্ধি পেল সেটা জানার জন্য সে সম্পর্কিত কোন একটি পরীক্ষা দেয়া। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, আপনি IELTS পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আর সেখানে যদি আপনার ভালো একটা স্কোর থাকে, নিশ্চিত থাকেন তা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যথেষ্ঠ গুরুত্ব পাবে। এমন কি আপনি খুব ভালো ভালো কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন।

প্রতিষ্ঠিত কোন কোম্পানি তে ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দিন

একটি ভালো জব পাওয়ার জন্য এটি হচ্ছে সব চেয়ে কার্যকরী পন্থা। এমন কি, আপনার যদি খুব ভাল সিজিপিএ থাকে, তবুও আপনার উচিত হবে ইন্টার্ন হিসেবে কোথাও কাজ শুরু করা। এ ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে, আপনি সহজে ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পাবেন। তারা আপনাকে কাজ করার সুযোগ এই জন্য দিবে কারন এন্ট্রি লেভেলের কাজের জন্য খুব বেশি স্কিলস দরকার হয় না। হয়তো আপনি সেখান থেকে টাকা আয় করতে পারবেন না, তবে এর চেয়েও বেশি কিছু পাবেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সুবিধা টি পাবেন সেটি হচ্ছে কাজ সম্পর্কে জানার সুযোগ। আর যখন আপনি কোন কাজে দক্ষ, যে কোন প্রতিষ্ঠানে এক ই ধরণের কাজে আপনাকেই তারা প্রাধান্য দিবে। এমন কি এক ই জব পজিশনে, যার ফলাফল ভালো তার চেয়েও আপনার গুরুত্ব বেশি থাকবে কারন আপনি সে কাজ টা কিভাবে করতে হয় তা আগে থেকেই জানেন।

যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করুন

বর্তমান সময়ে যখন ই আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে এ জব এ এপ্লাই করছেন, সবার প্রথমেই তারা যে দক্ষতা আপনার কাছ থেকে প্রত্যাশা করবে তা হচ্ছে যোগাযোগ দক্ষতা। প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাভেদে যোগাযোগ দক্ষতা মানে এমন টা নয় যে শুধুমাত্র কথা বলতে পারার দক্ষতা। এখানে অনেক গুলো বিষয় জড়িত। আপনাকে এক ই সাথে একজন মনোযোগী শ্রোতা, একজন ভাল বক্তা ও কাউকে কনভিন্স করার মত দক্ষতা থাকতে হবে। সর্বোপরি, কারো সাথে যোগাযোগের জন্য যা যা প্রয়োজন সব ই জানতে হবে। আর এ জন্য আপনার উচিত হবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই সে সব ব্যাপারে চর্চা করা।

নতুন প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করুন

বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাতে তাদের বিভিন্ন রকমের কাজের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়। আর তাই প্রতিষ্ঠানগুলো এমন কাউকে নিয়োগ দিতে চায় যার নতুন প্রযুক্তিগুলো সম্পর্কে অনেক ভালো ধারণা আছে। এর জন্য প্রথমেই আপনাকে যেটা করতে হবে তা হচ্ছে, আপনি যে ধরণের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চান তাদের সম্পর্কে ভাল করে খোঁজ নিন। তাদের কি ধরণের প্রযুক্তিগত সহায়তা দরকার তার উপরে ভিত্তি করে আপনার নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করুন। সেটা যে কোন নতুন প্রযুক্তি ই হতে পারে। চেষ্টা করুন যেন আপনার দক্ষতা গতানুগতিক ধারার চেয়ে বাইরে কিছু হয়। সেটার সাথে নতুন যে কোন প্রযুক্তির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়ার মত যোগ্যতা থাকতে হবে।

সুন্দর কভার লেটার তৈরি করুন

জব এপ্লাই এর ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে শুধু রিজিউমে দিয়েই আপনি জব টা পেয়ে যাবেন এই ধারণা সত্যি নয়। ভাল একটি রিজিউমে শুধু আপনার এতদিনের অর্জন গুলো ই নিয়োগদাতার সামনে তুলে ধরবে। কিত্নু জবটার জন্য আপনি ই কেন সব চেয়ে যোগ্য ব্যাক্তি তা বুঝানোর জন্য খুব ই ভালো মানের একটি কভার লেটার প্রয়োজন।

সেখানে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করুন আপনার দক্ষতা কিভাবে উক্ত জবের জন্য সহায়তা করবে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, প্রতিটি জবের জন্য আপনাকে আলাদা করে কভাল লেটার লিখতে হবে। কখনও এক ই কভার লেটার একাধিক জায়গায় পাঠাবেন না। কেননা তাতে করে ইন্টারভিউ বোর্ড এ আপনার ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে। চেষ্টা করবেন আপনি যে জবটাতে এপ্লাই করছেন তার সাথে মিল রেখে আপনার কভার লেটার টা তৈরি করতে।

গতানুগতিক ধারণার বাইরে কিছু করুন

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা প্রায় সবাই এক ই ধরণের জবের জন্য এপ্লাই করছি। আর তাতে করে একটি জব পোষ্টের বিপরীতে অনেক বেশি পরিমান প্রতিযোগী থাকে। কিন্তু আপনি খুব সহজেই একটি জব পেতে পারেন যদি একটু ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করেন। এমন কিছু কাজ আছে যেখান আপনার ফলাফল এর চেয়ে দক্ষতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, আপনি যদি সেলস এ কাজ করতে চান, সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান টি গুরুত্ব দিবে আপনার বিক্রি করার মত কেমন দক্ষতা আছে সেটার উপরে। তারা জানতে চাইবে আপনি মানুষ কে কনভিন্স করতে পারেন কিনা। অর্থাৎ কোন পণ্য ক্রয় করার জন্য ক্রেতাকে উৎসাহিত করা। তারা মূলত জানতে চায় তাদের জন্য কি পরিমাণ বিক্রি করতে পারবেন বা কি পরিমাণ লভ্যাংশ এনে দিতে পারবেন তারা সেটা জানতে চাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে আপনার ফলাফল তেমন একটু ভূমিকা রাখবে না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে যারা বিক্রয় কর্মী নিয়োগ করে থাকে এবং তারা ফলাফলের চেয়ে দক্ষতার ব্যাপারে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। উল্লেখযোগ্য এমন কিছু প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিভিন্ন রিয়েলএস্টেট কোম্পানি, বিভিন্ন ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং এই রকম আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এই সকল ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই আপনার দক্ষতা দিয়ে ভালো করার সুযোগ পাবেন যা অন্য কোথাও সম্ভব নয়।

নিজেকে ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুত রাখুন

আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখতে পাই, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা জবে এপ্লাই করার পরে সেটা সম্পর্কে ভুলে যাই বা সেটার জন্য কোন রকমের প্রস্তুতি রাখি না। এতে করে দেখা যায় আমরা হয়তো কোন জব ইন্টারভিউ এর জন্য ডাক পেয়ে গেলাম যেটার জন্য আমাদের আসলে কোন প্রস্তুতি নাই। আর আপনি যদি আগে থেকেই ভালো করে প্রস্তুতি রাখেন, খুব সহজেই ইন্টারভিউ তে ভালো করতে পারবেন যা আপনাকে কম সিজিপিএ নিয়েও ভালো একটি জবে ঢুকার সুযোগ করে দিবে।

হয়তো আপনি ভাবছেন যে কিভাবে ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুতি নিবেন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি বিওয়াইএলসি এর OPD বা অফিস অব প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট তে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে আপনি একটি ইন্টারভিউ এর জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সহ সেখানে কিভাবে নেগোসিয়েশন করতে হয় সেটাও জানতে পারবেন।

আরেকটা উল্লেখযোগ্য ব্যাপার যা আপনাকে মনে রাখতে হবে তা হচ্ছে, আপনার ফলাফল কেন খারাপ সেটা অবধারিতভাবেই আপনার নিয়োগকর্তারা জানতে চাইবে। আর আপনার উচিত হবে সেটার জন্য খুব ভালো একটি উত্তর প্রস্তুত করে রাখা। এ ক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো হয় যদি আপনি সত্যিকারের কারন টা ই সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে বলেন।
এটা সত্যি যে কম সিজিপিএ নিয়ে জব পাওয়া যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু যখন আপনি উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন ও তা পর্যালোচনা করে নিজেকে প্রস্তুত করবেন, ভালো একটি জব পাওয়া আপনার জন্য অনেকটা ই সহজ হয়ে যাবে।

যে ৫ টি কারনে ভালো চাকরি পেতে সিজিপিএ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ

1280 850 Sherazoom Monira Hasib

বর্তমানে বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের বড় একটি অংশের মধ্যে প্রচলিত ধারণা হচ্ছে, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সিজিপিএ খুব বেশি গুরুত্ব বহন করে না। এই ধারনার কারনে, অনেকেই পড়াশোনায় খুব বেশি মনোযোগ দিতে আগ্রহী হয় না। ফলাফল স্বরূপ অনেকেই প্রত্যাশিত সিজিপিএ বা ফলাফল অর্জন করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় তারা ক্রমাগত বিভিন্ন চাকরিতে এপ্লাই করে যাচ্ছে কিন্তু কোথাও তাকে ডাকা হচ্ছে না। এতে করে অনেক বেশি হতাশা কাজ করে এবং অনেকেই নিজের উপরে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। কখনও কখনও হয়তো আর প্রত্যাশিত চাকরি পাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না।

আপনি যদি সিজিপি এর ব্যাপারে এক ই রকম ধারণা পোষণ করে থাকেন, বলা যায় যে আপনি ই রকম বিপদে পড়তে পারেন। আজকে আমরা আলোচনা করব প্রত্যাশিত ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সিজিপিএ কেন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চলুন দেখি আসি ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ কারন যা থেকে আপনি ধারণা পাবেন কেন একাডেমিক লাইফের শুরু থেকেই সিজিপিএ এর ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী।

১. শুরুর ধারণা
যখন আপনি কেবল পাশ করে বেরিয়েছেন, কোন বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা আপনার না থাকার ই বেশি সম্ভাবনা। তাই আপনার রিজিউমে তে কোন অভিজ্ঞতা যোগ করার সুযোগ থাকে না। আপনি হয়তো অনেক কাজেই পারদর্শী, কিন্তু একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট হিসেবে আপনার রিজিউমে তে শুধু সিজিপিএ টা ই অনেক বেশি প্রাধান্য পাবে। আপনি হয়তো অন্যান্য দক্ষতা আপনার চাকরির আবেদনে যোগ করতে পারেন কিন্তু আপনার চাকরিদাতা প্রথমেই যে জিনিস টি লক্ষ্য করবে তা হচ্ছে আপনার ফলাফল। আর সেখানে যদি খুব ভাল কিছু না থাকে, ইন্টারভিউ বোর্ড এ আপনার ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

২. দায়িত্বশীলতা
যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা চাকরির জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে, তারা কোন দায়িত্বশীল লোককেই নির্বাচন করতে চায়। কিন্তু চাকরিদাতার আলাদা করে সুযোগ থাকে না এই ব্যাপারে পরীক্ষা নেয়ার। সেক্ষেত্রে তাদের কাছে একটি পথ ই খোলা আছে আর তা হলো আপনার রিজিউমে পরীক্ষা করা।

তাঁরা দেখবে আপনি শিক্ষাজীবনে কতটুকু দায়িত্বশীল ছিলেন। আর এ জন্য সবার প্রথমে তারা দেখবে আপনার ফলাফল কেমন। যখন আপনার ফলাফল অন্যদের চেয়ে ভাল, তখন ধরে নেয়া হয় যে আপনি শিক্ষা জীবনে আপনার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন বলেই আপনার ফলাফল ভাল। অর্থাৎ আপনি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে জানেন ও আপনার উপরে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। তাই আপনার উচিত এখন থেকেই আপনার সিজিপিএ এর ব্যাপারে সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়া।

৩. মেধা যাচাই
হতে পারে আপনার মেধা অন্য সব চাকরি প্রত্যাশীদের চেয়ে বেশি। কিন্তু আপনাকে সেটা প্রমাণ করে দেখাতে হবে। সেটা তখন ই সম্ভব যখন আপনি ইন্টারভিউ বোর্ড এ ডাক পেয়েছেন। খারাপ ফলাফল নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ড এ ডাক পাওয়া বেশ কঠিন। চাকরিদাতা মেধা যাচাইয়ের জন্য অবশ্যই আপনার ফলাফল কে গুরুত্ব দিবে। তাই আপানার অন্যান্য মেধা থাকা সত্ত্বেও আপনি সেটা দেখানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। আর ভালো সিজিপিএ এটাও প্রমাণ করে যে আপনি পড়াশোনায় ভাল ছিলেন অর্থাৎ মেধাবী ছিলেন। যদিও আপাতদৃষ্টিতে এটা অন্যায় মনে হয়, কিন্তু চাকরিদাতার কাছে এ ছাড়া আর তেমন কোন পথ খোলা নেই আপনার মেধা যাচাই করার।

৪. বিষয়ভিত্তিক পারদর্শিতা
যদি আপনি নির্দিষ্ট কোন দক্ষতা নির্ভর চাকরিতে আবেদন করেন, তখন সেই বিষয়ে আপনার ফলাফল অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। ধরা যাক, আপনি একটি বিপণন প্রতিষ্ঠানে বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে তাতে আবেদন করেছেন। এখন উক্ত প্রতিষ্ঠান খুঁজে দেখবে বিপণন সম্পর্কিত বিষয়ে কার ফলাফল সব চেয়ে ভাল। তারা ধরে নিবে যার ফলাফল ভাল, সে সেই বিষয় নিয়ে ভাল করে পড়াশোনা করেছে। অর্থাৎ সে বিষয়ে তার জ্ঞান অন্যদের চেয়ে গভীর।

তাই আপনি যদি প্রত্যাশা করেন যে ভবিষ্যতে আপনার বিষয় সম্পর্কিত কোন চাকরি করবেন, তাহলে এখন থেকেই সে সকল বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া শুরু করেন। আর তাতে করে আপনার সিজিপিএ ও অনেক ভাল হবে এটা নিশ্চিত।

৫. চাপ সহনশীলতা
আপনার ফলাফল অনেক ভাল মানে এটা বুঝায় যে আপনি অনেক বেশি চাপ নিয়ে কাজ করতে জানেন। যখন আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন, আপনাকে অনেক ধরনের কাজ দেয়া হবে। কখনও কখনও আপনার অ্যাসাইনমেন্ট থাকবে। বিভিন্ন সময়ে মিড বা সেমিস্টার ফাইনাল কিংবা ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা থাকবে এবং এই রকম আরও অনেক । যদি আপনার সিজিপিএ খুব ভালো রাখতে চান, এই সবগুলো কাজ আপনাকে সঠিক সময়ে করতে হবে।

আর তাই আপনার চাকরিদাতা খুঁজার চেষ্টা করেন এমন কাউকে, যে এই রকম অসংখ্য দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করে এসেছে। কারন একটি অফিসেও আপনাকে এক ই রকম ভাবে অনেক ধরণের কাজ করতে দেয়া হবে বা আপনি চাপে থাকতে পারেন। আর তাই আপনার চাকরিদাতা আপনার সিজিপিএ টা কে ব্যাবহার করবে চাপ সহ্য করার মানদণ্ড হিসেবে।

উপরের আলোচনা থেকে এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে আমরা ফলাফল নিয়ে যেভাবে ভাবি, ব্যাপার টা অনেক ক্ষেত্রেই সে রকম নয়। খারাপ ফলাফল নিয়ে কেউ কেউ হয়তো অনেক কিছু করে ফেলতে পারে, তাই বলে সব ক্ষেত্রে তা সম্ভব না ও হতে পারে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় সিজিপিএ ক্যারিয়ারের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা আপনাকে আর সবার চাইতে এগিয়ে রাখবে।

‘নিউ ইয়ার রেজোল্যুশন’ এ যোগ হোক নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস

940 627 Jamia Rahman Khan Tisa

অবসরে আপনি কি করতে পছন্দ করেন? এই প্রশ্নটি করা হলে বেশিরভাগ লোকই যে উত্তরটা দেন তা হলো ‘বই পড়তে ভালোবাসি’। কিন্তু আদৌ আমরা কতজন সত্যি সত্যি বই পড়ি? চাইলে এই ছোট্ট কুইজটির মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন আপনি কতটা বইপাগল?

বই পড়াটা আসলে অনেকটা অভ্যাসের মতন। একবার যদি বইয়ের প্রতি ভালোবাসা খুঁজে পান তবেই বুঝবেন বইয়ের নেশা যে কতটা প্রকট হতে পারে।
সত্যি বলতে কি আমাদের সবারই নিয়মিত বই পড়া উচিত। এখনতো মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে ‘কেন’? আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু কারণ যার জন্য আপনার নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

১. বই পড়া বাড়ায় লেখার দক্ষতা
ভালো লেখক হওয়ার প্রথম শর্তই হলো বেশি বেশি পড়া। আপনি যত ভালো পাঠক হতে পারবেন, ততই ভালো লেখক হবেন। নিয়মিত বই পড়লে বাক্যের গঠন, শব্দের নিয়ে খেলা করার ব্যাপারগুলো আয়ত্ত্বে চলে আসবে। তখন নিজের লেখায়ও সেটা প্রয়োগ করতে পারবেন। সুতরাং লেখার হাত ভালো করতে চাইলে অবশ্যই পড়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আইইএলটিএস পরীক্ষায় রিডিং ও রাইটিং সেকশনে ভালো করতে চাইলে সপ্তাহে অন্তত একটি ইংরেজি বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

২. মানসিক চাপ কমায়

এটা গবেষণার দ্বারা প্রমাণিত যে বইপড়া মানসিক চাপ কমায়। ইউনিভার্সিটি অফ সাসেক্সের এক গবেষণায় দেখা যায় যে মানসিক চাপ সামলে ওঠার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হলো বই পড়া। টেলিগ্রাফ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয় যে, কোনো ব্যক্তি  বইয়ের পাতা উল্টানো শুরুর করার  ছয় মিনিটের মধ্যেই মানসিক চাপ কমতে শুরু করে।

৩.স্মরণশক্তি বাড়ায়
নিয়মিত বই পড়লে স্মরণ শক্তি তো বাড়বেই পাশাপাশি কমবে আলঝেইমার কিংবা ডিমেনশিয়ার মত রোগের ঝুঁকিও। নিউরোলজি’ সাময়িকীতে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। ওখানে বলা হয়, দীর্ঘ সময়ের বই পড়ার অভিজ্ঞতা বৃদ্ধ বয়সে মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। ‘নিউরোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখানো হয় যে যারা অনেক সময় ধরে বই পড়েন তাদের স্মৃতিশক্তি দীর্ঘদিন শক্তিশালী থাকে।   ২৯৪ জন ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছিলো।  মৃত্যুকালে তাদের গড় বয়স ছিল ৮৯। গবেষণায় দেখা গেছে , তাদের মধ্যে যারা অনেক বছর ধরে বই পড়া ধরে রেখেছিলেন, তাদের স্মৃতিশক্তি হারানোর হার যারা বই কম পড়েছেন তাদের থেকে কম।

৪.মনোযোগ বাড়ায়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে আজ পৃথিবী অনেকটাই আমাদের হাতের মুঠোয়। সহজেই। আমরা এখন একসাথে অনেক ধরণের কাজ করে থাকি যেমন ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ,  ইনস্টাগ্রাম, ইমেইল সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা একইসময়ে সক্রিয় থাকি। এতে করে একজায়গায়  আমাদের জন্য মনোযোগ ধরে রাখাটা কঠিন হয়ে যায়।

আপনি যখন বই পড়েন তখন আপনার মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট গল্পে বা আবহের মাঝে আবদ্ধ থাকে।

আপনি যখন বই পড়েন তখন আপনার মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট গল্পে বা আবহের মাঝে আবদ্ধ থাকে। এতে করে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে। সময় করে বই পড়তে না পারলে যে সময়টুকু কোথাও আসা যাওয়ার পথে ব্যয় করছেন সেই সময়টাতেই বই পড়তে পারেন। অফিসে যাওয়ার আগের সময়টাতে ১৫/২০ মিনিটের বই পড়া অফিসের কাজে আপনার মনোযোগ বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।  বিশ্বাস না হলে শুরু করেই দেখুন না!

৫. শব্দ ভাণ্ডার বৃদ্ধি
শব্দ ভাণ্ডার বাড়াতে বই পড়ার বিকল্প আর কিছুই নেই। আপনি যে ভাষায় শব্দ ভাণ্ডার বাড়াতে চান, বেশি বেশি সেই ভাষার বই পড়ুন। পরিবর্তনটা নিজেই টের পাবেন।

৬. ভালো ঘুম
ঘুমাতে যাওয়ার আগে সোশ্যাল মিডিয়া সহ সমস্ত প্রযুক্তি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে কিছু ক্ষণের জন্য বইয়ের জগতে হারিয়ে যান, দেখবেন কি প্রশান্তির একটা ঘুম আপনি পাচ্ছেন। তবে হ্যাঁ, বইটয় যেন থ্রিলার কিংবা ক্রাইম ফিকশন না হয়।

৭. বই বাড়ায় সৃজনশীলতা
সৃজনশীলতা বাড়াতে বইয়ের জুড়ি নেই। একটি বই পড়ার সময় বহু দৃশ্য আমরা মনে মনে কল্পনা করি,  বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ আমাদের বিশ্লেষণ করতে হয়। এতে করে  আমাদের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পায়, বাড়ে সৃজনী ক্ষমতা।

তবে আর দেরি কেন? বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন আজ থেকেই। ‘নিউ ইয়ার রেজোল্যুশন’ এ যোগ হোক নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। জানেনই তো। মনের জানালাগুলো খুলে দিতে বইয়ের কোনো জুড়ি নেই !

তথ্যসূত্র: হাফপোস্ট এবং লাইফহ্যাক

ফিচার ইমেজ সোর্সঃ

Seo wordpress plugin by