Professional Development

Ensuring bias-free decisions

852 583 Tashfia Shamim

Existing reward systems often honor spontaneity and experience. Yet, we continue to make bad decisions with terrifying consequences. 

What if someone told you instead that it is wiser to take your time for your next big decision? 

Humans are emotional beings equipped with cognitive biases inherent in how we think. A bias is a strong preconceived notion about something that allows us to quickly make sense out of a situation, even when we do not have complete knowledge about all alternatives. 

The mother of all biases that permeate subjective thinking is overconfidence. 

Here are some research-backed recommendations on how to prevent bias from leading you to a suboptimal solution in your next decision:

  1. Use decision analysis tools

Decision analysis tools guide us toward more logical conclusions. These procedures require us to quantify and place a value on each alternative in a decision. Afterwards, we specify probabilities associated with different outcomes from these options using statistical methods to determine the optimal choice. 

  1. Acquire expertise

Expertise and experience are not the same. 

Relying on life experience for decision-making can promote passive learning. Judgment skills cannot be transferred from one environment to another without the risk of misremembering feedback on the efficacy of past decisions. To overcome this, we need to understand the various ways in which bias can influence us individually, in groups, and be proactive in learning. 

  1. De-bias your judgment

De-biasing takes time and must be conducted regularly. The process is divided into unfreezing, changing, and refreezing practices and habits. The first stage requires explicit unfreezing of ingrained thought processes and habits. In the ‘change’ stage,  we can consider alternatives to our habits, decisions, and preconceptions by playing our own devil’s advocate. The ‘refreeze’ stage involves assessing decisions made after completing the last two stages through regular self-check-ups to ensure that they reflect the positive change. 

  1. Reason analogically

Reasoning analogically is a process where we try to implement a level of abstraction in our deductions from multiple scenarios so that this overarching understanding can be applied in more than one specific situation. Learning general principles for handling a certain negotiation, for example, gives us the flexibility to know when it is appropriate to apply that principle. 

  1. Take an outsider’s view

Overconfidence in groups and as individuals can lead to uninformed optimism towards a deadline or an idea that is unrealistic. It is recommended to play the outsider sometimes and to invite outsiders to share their perspectives too. Outsides could be colleagues from different departments or close friends that you trust with your private matters. 

  1. Understand biases in others

When we can understand the biases that pervade our own decisions, we can use the same underlying concepts to identify biases in others. To do this, managers often conduct correlation and regression analyses between the external decision-maker in question and a sample that is identified as a viable comparison group. 

  1. Push for wiser and more ethical decisions

Many cost-ineffective systems still exist in the world today, and it can seem like an overwhelming task to prescribe a solution to bigger problems. However, making small changes in how common organizational decisions are made can inspire wiser and more ethical decisions. The change can be as simple as removing the requirements pertaining to age group or gender and being open to hiring neurodivergent persons for a job opening.

To further understand and improve your thought processes against bias, enroll in our free course on Critical Thinking for Professional Success.  

References:

Bazerman, M. and Moore, D., 2013. Judgment In Managerial Decision Making, 8th Edition. 8th ed. New Caledonia: Courier Westford, Inc.

MasterClass Staff. 2021. How to Identify Cognitive Bias: 12 Examples of Cognitive Bias.

যে ৭টি উপায়ে কর্মক্ষেত্রে স্ট্রেস কমাতে পারেন খুব সহজেই

1000 668 Sherazoom Monira Hasib

কর্মক্ষেত্রে স্ট্রেস অন্যতম একটি সমস্যা। যখন আপনি স্ট্রেসে থাকবেন, স্বাভাবিক কাজগুলো অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হবে, যার কারনে অফিসে আপনার সামগ্রিক পারফরম্যান্স খারাপ হয়ে যেতে পারে এবং চাকরিতে আপনার উন্নতি বাধাগ্রস্থ হতে পারে। অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না ঠিক কিভাবে এই সমস্যা কাটিয়ে উঠা যায়। এর সমাধান কিন্তু খুব বেশি কঠিন নয়। আপনাকে শুধু কিছু ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে, আর মনে রাখতে হবে কাজের ব্যাপারে স্ট্রেস নেয়া কোনও সমাধান নয়। চলুন দেখে নেয়া যাক কিছু উপায় যা কাজের ক্ষেত্রে স্ট্রেস থেকে আপনাকে দূরে রাখবে।

১. কেন স্ট্রেস হচ্ছে তা খুঁজে বের করুন

কাজের ক্ষেত্রে স্ট্রেস হোক আর অন্য কোনও ক্ষেত্রে হোক, সবার আগে এর পিছনের কারনটা খুঁজে বের করা জরুরি।  বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় খুব ছোট ছোট ব্যাপার থেকে স্ট্রেস এর উতপত্তি। যেমন, আপনি হয়তো অফিসের কাজগুলো প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে পারছেন না আর তাই স্ট্রেস হয়ে যাচ্ছে। আবার এমন হতে পারে রাতে আপনার ভালো ঘুম হয়নি তাই সকালে অফিসে অনেক স্ট্রেস হচ্ছে কিন্তু আপনি হয়তো দায়ী করছেন অফিসের কাজের চাপকে। তাই কারণগুলো আগে খুঁজে বের করুন আর তারপরে এর সমস্যার ব্যাপারে মনোযোগ দিন।

২. রুটিন তৈরি করে কাজ করুন

প্রায় প্রত্যেকেরই একটা সাধারণ সমস্যা রয়েছে আর তা হলো, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারা।  কখনও কি ভেবে দেখেছেন কেন এই ব্যাপারটা হয়ে থাকে? এর পিছনে প্রধানত যে কারনটা দায়ী তা হচ্ছে, আমরা কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই রুটিন মেনে চলি না। যে কোনও কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার প্রধান উপায় হচ্ছে কাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকা করে ফেলা। এর সুবিধা হচ্ছে, যখনই একটি করে কাজ শেষ হবে, আপনি অনেক বেশি আনন্দ পাবেন। এতে করে পরের কাজটা আপনি পূর্ণ উদ্যোমে শুরু করতে পারবেন। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে সে রুটিনে যেন সময়ের ব্যাপারটা ভালো করে মানা হয়। এমনভাবে রুটিনটা করুন যাতে করে বিশ্রামের কিছু সময় পান। এই অভ্যাসটা একবার করে ফেলতে পারলে আপনার কাজগুলো নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে।

৩. আপনার সুপারভাইজরের সাথে কথা বলুন

আপনি হয়তো অতিরিক্ত স্ট্রেসের কারনে কোনও কাজই করতে পারছেন না। ব্যপারটা যদি এমন হয়ে থাকে যে কাজের চাপ অনেক বেশি আর আপনি সময়ের মধ্যে সব শেষ করতে পারছেন না, সুপারভাইজরের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলুন। তাঁকে বুঝিয়ে বলুন কোন ব্যাপারগুলোতে আপনার সমস্যা হচ্ছে। বেশিরভাগ মানুষ দিনের পর দিন স্ট্রেস নিয়েই কাজ করে আর তা আরও খারাপ ফলাফল বয়ে আনে। শুরুতেই যদি আপনি এ ব্যাপারে সতর্ক না হোন তা আপনার কাজের মূল্যায়নে অনেক প্রভাব  ফেলবে। তাই স্ট্রেস থেকে মুক্তি পেতে হলে অবশ্যই সেটা নিয়ে আপনাকে কথা বলতে হবে। চেষ্টা করুন নির্দিষ্ট একটা তালিকা করে ফেলতে যেখানে আপনি উল্লেখ করতে পারবেন ঠিক কোন বিষয়গুলো নিয়ে আপনার স্ট্রেস হচ্ছে। আরও ভালো হয় যদি আপনার কোনও সাজেশন থাকে আপনার সুপারভাইজরের কাছে যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করবে।

৪. নিজেকে অর্গানাইজড রাখুন

স্ট্রেস অনেকটাই মনের সাথে যুক্ত। আপনার মন যদি ফুরফুরে থাকে, স্বাভাবিকভাবেই স্ট্রেস থেকে আপনি মুক্ত থাকতে পারবেন। আর মনকে ফুরফুরে রাখতে নিজেকে গুছিয়ে রাখার কোনও বিকল্প নেই। খেয়াল রাখুন যেন আপনার ডেস্ক সব সময় ই সুন্দর করে গুছানো থাকে। ব্যাপারটা যদি এমন হয় যে অনেক কাগজ এবং অফিসের আনুষঙ্গিক জিনিস টেবিলে পড়ে আছে, আপনার কাজে মন দিতে সমস্যা হবে। দিনের শুরুতেই আপনার ডেস্ক কে ভালোভাবে গুছিয়ে নিন যেন তাতে কোনও জিনিস এলোমেলোভাবে না পরে থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ছোট ছোট টুল ব্যবহার করতে পারেন যা আপনাকে অরগানাইজড থাকতে সাহায্য করবে। কাজের লিস্ট তৈরি করার জন্য স্টিকি নোট ব্যাবহার করতে পারেন। যদি একটু ভিন্নতা আনতে চান, চেষ্টা করুন বিভিন্ন রঙয়ের স্টিকি নোট ব্যবহার করতে। ভিন্ন ভিন্ন কালারের কম্বিনেশন কাজের জায়গাটাকে একটি চমৎকার সাজ এনে দিবে যা নিঃসন্দেহে আপনার পছন্দ হবে।

৫. মাল্টিটাস্কিং থেকে দূরে থাকুন

বেশিরভাগ মানুষের স্ট্রেস শুরু হয় কাজ সঠিক সময়ে শেষ না করতে পারা থেকে। আর এর পিছনে অন্যতম কারন হচ্ছে একই সাথে অনেক গুলো কাজ করার চেষ্টা করা। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে একসাথে দুইটা বা তিনটা কাজ করতে পারলে সেগুলো দ্রুত শেষ হবে। বাস্তবিকভাবে সেটা আসলে সম্ভব নয়। একসাথে একটার বেশি কাজ করতে গেলে আসলে কোনও কাজই পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে করা হয় না। টাইম ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের মাত্র ২.৫% মানুষ মাল্টিটাস্কিং করতে সক্ষম যা খুবই নগণ্য সংখ্যক। অর্থাৎ সব মানুষের এই ক্ষমতা নেই। কারন মানুষের ব্রেইন একসাথে দুটো কাজ করতে সক্ষম নয়। আর এর প্রেক্ষিতে সবগুলো কাজেই কিছু কিছু ভুল থেকে যায়। সেই একই কাজ আবার করতে হয় ভুলগুলো শোধরানোর জন্য। অথচ আপনি যদি কাজগুলো সময় অনুযায়ী ভাগ করে নিতেন, ব্যাপার টা অনেক সহজ হয়ে যেত। একটা করে কাজ শেষ হতো এবং আপনি মানসিক প্রশান্তি লাভ করতেন। তাই মাল্টিটাস্কিং থেকে সব সময় ই দূরে থাকার চেষ্টা করুন।

৬. পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার

অফিস স্পেসে বেশিরভাগ মানুষ সবচেয়ে বেশি যে ব্যাপারটা অবহেলা করে তা হচ্ছে, পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার। অথচ সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ না করলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যেতে পারে। একই সাথে সঠিক খাবার গ্রহণ না করলে তা আপনাকে অলস করে দিতে পারে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি, টেক জায়ান্ট গুগল তাদের কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর খাবারের ব্যবস্থা রাখে। আর এটা করার কারন হলো তারা জানে কর্মীদের কর্মক্ষম রাখতে হলে তাদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার প্রয়োজন। আপনার অফিসে হয়তো সে রকম ব্যবস্থা না থাকতে পারে, কিন্তু চাইলেই কিন্তু আপনি স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা নিজেই করে নিতে পারেন। এতে করে শরীর কর্মক্ষম থাকবে আর কাজের প্রতিও মনোযোগ থাকবে। আর আপনার মেজাজও নিয়ন্ত্রণে থাকবে যা স্ট্রেস থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে। আর এর পাশাপাশি যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করুন।

৭. পরিমিত বিশ্রাম

একটানা লম্বা সময় কাজ করলে আপনি অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে যাবেন আর নিজেকে অবসাদগ্রস্ত মনে হবে। অনেকেরই একটা ভুল ধারণা আছে যে একটানা কাজ করলে সেটা দ্রুত শেষ হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, লম্বা সময় ধরে এক ই কাজ করতে গেলে খুব দ্রুতই তাতে বিরক্তি চলে আসবে। আর তাতে করে কাজটি যে ঠিকভাবে সম্পন্ন হবে না তা নিশ্চিত। তাই কাজের মাঝখানে অবশ্যই বিশ্রাম নিতে হবে। সে জন্য খুব বেশি সময়ের দরকার নাই। সম্ভব হলে প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ড এর একটি ব্রেক নিতে পারেন। অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী সময় হয়তো একটু বেশিও লাগতে পারে। আর সে ২০ সেকেন্ড সময়ের মাঝে আপনি হালকা ব্যায়াম করতে পারেন বা চোখ বন্ধ করে চোখকে কিছুক্ষন বিশ্রাম দিতে পারেন। যে কোন কাজ সঠিক সময়ে শেষ করতে চাইলে আসলে এর বিকল্প নেই।

মনে রাখতে হবে কাজে স্ট্রেস থাকে মানে সেখানে আপনার পারফরম্যান্স নিশ্চিতভাবেই খারাপ হবে। তাই এ ব্যাপারে যত দ্রুত সচেতন হওয়া যায় ততই ভালো।

 

Are we prepared to face a volatile job market?

643 364 Towhid Khan and Sanjida Chowdhury

The global economic outlook of Bangladesh looks positive due to its high GDP growth rate, political stability, and geopolitical support. Yet even after having a booming economy, millions of youth are struggling with unemployment. According to the World Bank’s 2017 statistics, unemployment rate in our neighbouring countries such as India and China were 3.5 percent and 4.05 percent, respectively, whereas in Bangladesh, it was 11.4 percent. This alarming percentage deserves immediate attention from the government and private sector. It is time we dig deep into this perennial problem and look for solutions to the challenges responsible for creating a jobless generation.

Before opting for solutions, one must understand that the issue is not simply that of creating jobs for young people, but to mobilise their skills in support of sustainable solutions. According to global youth chapter of the UN Sustainable Development Solutions Network, youth across the world are struggling with capacity building, communication, fund raising, and scaling of their efforts. Employers are looking for people with complex and adaptive thinking abilities who can cope with a multifaceted, volatile, and unpredictable job environment. In a modern labour market, youth are expected to recognise the interconnectedness of business communities. The breach between what is taught in class and what skills the recruiters are looking for points out the gaps to work upon. Bangladesh, having a large number of unemployed youth, is struggling with additional challenges as well. The absence of quality education and skilled labour force have been identified as the auxiliary causes of this predicament. In a roundtable discussion jointly organised by The Daily Star and Bangladesh Youth Leadership Center, a number of renowned CEOs of reputed companies had pointed out that the most common factor behind unemployment in Bangladesh is the existing skill gap between employers’ demands and employees’ capabilities. Ironically, while there are so many people looking for suitable jobs, employers lament the scarcity of skilled graduates who can foresee the future leadership trends.

Reflecting the changes in the environment, competencies that will be most valuable to the future leaders appear to be changing. The essential qualities that future leadership entails are adaptability, creativity, ability to think strategically, and openness to ambiguity. Different leadership organisations are working relentlessly to equip graduates with these qualities. A number of institutions have introduced leadership programmes to fill the analytical void by equipping our youth with critical thinking, problem solving, and communication skills. Students learn to think critically about leadership through participating in the experiential learning model of the training programmes. By practicing community services, participants translate their learning into action and complete the curriculum. To enhance the job search abilities of the youth, a number of professional organisations help graduates learn professional skills and place them in different organisations. Understanding the global perspective, prospective organisations prepare eligible workforce who are adjustable to adverse work environment and flexible to team management.

With the aim of having a better society, some Bangladeshi youth have brought solutions to different social challenges. Innovators like Osama Bin Noor, Co-founder of Youth Opportunities, Ayman Sadiq, Founder of 10 Minute School and Zaiba Tahyya, Founder and CEO of Female Empowerment Movement, have proved that leadership is a collective development process spread through networks of people. They experimented with new approaches and combined diverse ideas for implementation. Their aim for collective development not only made them competent enough to fight social odds but also rewarded them with prestigious recognitions.

Compared to the social challenges, only a small number of Bangladeshi innovators have found solutions through democratising leadership. However, it is certainly not enough. We still are limited to organising roundtables, identifying the skill gaps and discussing the discrepancies whereas by 2018 we should already have youth engagement in the policy making process. Our country having already attained the prerequisites to be a developing one, requires policy efforts to equip youth with leadership skills and create scopes for placement at different organisations.

Depending completely on some institution to curb unemployment is not an ideal option. If a student wants to secure a suitable job right after graduation, an interdisciplinary knowledge over business, economics, corporate strategy, and technology is a must. Only a bachelor’s degree in one concentrated curriculum does not make him proficient to cope with the volatile working environment. Along with regular studies, one should opt for online tutorials and professional courses to mitigate the skill gaps prevalent in the 21st Century. A graduate, efficient in data management, design thinking, scrum skills, case solving, blog writing will always remain one step ahead from his less informed contemporaries. Using technological advances, different international universities are offering free courses to students across the globe. These courses are designed to help them learn more than what the textbooks can offer. Labour market in the 21st Century highly recommends students to participate in online and offline skills development courses and be aware of the demands of the future job market.

কিভাবে নিজের একাডেমিক বিষয়ের বাইরে গিয়ে ক্যারিয়ার গড়া যায়?

640 372 Sherazoom Monira Hasib

ক্যারিয়ার গড়ার জন্য কি একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ? অনেকের মধ্যে একটা মিথ প্রচলিত আছে আর সেটা হচ্ছে, যে বিষয়ে পড়াশোনা করেছি সে বিষয়ে ক্যারিয়ার না গড়লে আমরা ভালো করতে পারব না। এটা সত্যি যে যার যার একাডেমিক বিষয় সম্পর্কিত ক্যারিয়ার গড়তে পারলে খুব ই ভালো, কারন সে বিষয়ে অনেক গভীর জ্ঞান থাকার সম্ভাবনা আছে।

কিন্তু পৃথিবীতে এমন অনেক উদাহরণ আছে যেখানে মানুষ ক্যারিয়ার গড়ছে যা তার একাডেমিক বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় কিন্তু খুব দ্রুত সফলতাও পাচ্ছে। এর পিছনে কারন হচ্ছে, একাডেমিক বিষয় ছাড়াও যদি কারো অন্যান্য দক্ষতা থাকে, সে সেটা খুব ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারে। তবে হুট করে কোন কিছু করা উচিত হবে না। এর জন্য কিছু কিছু ধাপে এগোতে হবে।

চলুন দেখে আসি কি কি ধাপ অনুসরণ করে একাডেমিক বিষয়ের সম্পূর্ণ বাইরে গিয়েও ক্যারিয়ার গড়া যায়।

আপনার পছন্দের জায়গা খুঁজে বের করুনঃ একাডেমিক বিষয়ের বাইরে ক্যারিয়ার গড়তে সবার আগে যেটা প্রয়োজন তা হচ্ছে নিজের পছন্দের বিষয় খুঁজে বের করা। আপনি হয়তো একাডেমিক বিষয় উপভোগ করেন না কিন্তু এমন কোনও বিষয় আছে যেটাতে আপনি ঘন্টার পর ঘন্টা সময় ব্যয় করতে পারেন। আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে সে রকম কিছু। আবশ্যই এমন কিছু পছন্দ করুন যেটাতে আপনি সহজে আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, আপনি প্রায় ই বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজ করে থাকেন। হতে পারে সেটা আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ইভেন্ট বা পারিবারিক কোন প্রোগ্রাম। তার মানে আপনি একজন ভালো অর্গানাইজার।

সুতরাং আপনি বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম এ সহজেই কাজ শুরু করতে পারেন। তাছাড়াও বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসের জন্যও এমন মানবসম্পদ প্রয়োজন যারা সহজেই বিভিন্ন ইভেন্ট এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তদারকি করতে পারে। এমনকি নিজে নিজে শুরু করতে পারেন একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম। ঠিক এক ই কথা অন্যান্য দক্ষতার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

নেটওয়ার্কিং বাড়ানঃ একাডেমিক বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন আর অন্য কোন বিষয় নিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন, আপনার খুব ভালো নেটওয়ার্কিং থাকা জরুরি। হতে পারে আপনি খুব ভালো কোড করতে জানেন আর তাই আপনি কোন স্বনামধন্য সফটওয়্যার ফার্ম এ কাজ করতে চান। সেটার জন্য এখন থেকেই বিভিন্ন কোম্পানির সাথে যোগাযোগ শুরু করে দিন। যদি সম্ভব হয় তাদের বিভিন্ন সফটওয়্যার এর ত্রুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন এবং কোনও খুঁত থাকলে তাদের কে জানান। এতে করে তারা ধারণা করতে পারবে আপনি আসলে কোন ধরনের কোড বা প্রোগ্রামিং করতে জানেন।

নেটওয়ার্কিং করার জন্য সব চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাব এ যোগ দেয়া। সেখানে আপনি খুব সহজে আপনার ক্যাম্পাস এর সিনিয়র, যারা খুব ভালো জায়গায় কাজ করছে, তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন। তাদের কে আপনার পছন্দের বিষয় সম্পর্কে জানান এবং আপনি কিভাবে সেখানে কাজ করতে পারেন তা নিয়ে আলোচনা করুন। এতে করে পড়াশোনা শেষ করার আগেই আপনার কাজের ক্ষেত্র তৈরি থাকবে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকুরির বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণঃ আপনি যে বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী, ঠিক সে বিষয় টা নিয়ে যে ধরনের চাকরির বিজ্ঞাপন পাবেন সেগুলো একটু ভালো করে বিশ্লেষন করুন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখতে পাবেন দক্ষতা থাকলে একাডেমিক বিষয় শিথিলযোগ্য। অর্থাৎ সরাসরি আপনার কোনও ডিগ্রি না থাকলেও সেখানে কাজ করার সুযোগ আছে। একটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন তারা বাড়তি কিছু যোগ্যতা চাচ্ছে যা হয়তো সবার নেই। আর ঠিক এখানেই আপনার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সে সকল বিষয় নিয়ে জানা শুরু করে দিন। এখনকার যুগে নতুন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা মোটেও কঠিন কিছু না। অনেক ফ্রি রিসোর্স রয়েছে যেখানে আপনি খুব সহজেই কঠিন কঠিন বিষয়গুলো আয়ত্ত করে ফেলতে পারবেন।

বিভিন্ন প্রফেশনাল ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করুনঃ যেহুতু আপনি সরাসরি আপনার একাডেমিক বিষয়ে কোনও কিছু করতে আগ্রহী নন, তাই অন্যান্য বিষয়ে ক্যারিয়ার সম্পর্কিত জ্ঞানের জন্য বিভিন্ন প্রফেশনাল ওয়ার্কশপ এ যোগ দিতে পারেন। আর এ ক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো হয় যদি আপনি বিওয়াইএলসি’র অফিস অফ প্রফেশনাল ডেভেলাপমেন্ট (ওপিডি) এর দুই দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপ এ অংশগ্রহণ করেন।

এখানে সিভি রাইটিং থেকে শুরু করে কিভাবে ইন্টারভিউ ফেস করবেন, নেগোশিয়েট করবেন ইত্যাদি জানতে পারবেন। এছাড়াও থাকবে ডেমো ইন্টারভিউ সেশন, যেখান থেকে আপনি ধারণা নিতে পারবেন কিভাবে ইন্টারভিউ এর প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ওপিডি ছাড়াও আরও অন্যান্যা ওয়ার্কশপে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী অংশগ্রহণ করতে পারেন যা আপনার জ্ঞানের পরিধি নিঃসন্দেহে অনেক বাড়াবে।

শুরু করে দিন নিজের উদ্যোগঃ যে বিষয়ে ই পড়াশোনা করেন না কেন, চাকরি ই করতে হবে ব্যাপার টা এমন নয়। বরং আপনার হাত ধরেই সৃষ্টি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থান। নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে। একাডেমিক বিষয়ের বাইরে যদি আপনার এমন কোন আইডিয়া থাকে যেখানে অনেক সামনে এগোনো সম্ভব, সেটা নিয়েই শুরু হতে পারে আপনার উদ্যোক্তা জীবন।

তবে চেষ্টা করতে হবে এমন কিছু নিয়ে উদ্যোগ নেয়া যেটা আর সবার চেয়ে আলাদা। তবে আর আপনার চাকরি করার কোন প্রয়োজন হবে না।

উপোরক্ত বিষয়গুলো ভালোভাবে অনুসরণ করে এখন থেকেই শুরু করুন আপনার স্বপ্নযাত্রা।

রেজিউমিতে যে ৮ টি ভুল কখনোই নয়

1024 500 Jamia Rahman Khan Tisa

রেজিউমি । চাকুরিদাতার সামনে নিজেকে উপস্থাপনের প্রথম ধাপ। এই ধাপটি উতরে যাওয়াটা কিছুটা কঠিন। কেনোনা নিয়োগকর্তারা বহু যাচাই বাছাইয়ের পর তাদের পছন্দসই রেজিউমির মালিককেই ইন্টারভিউয়ে ডাকে। সুতরাং রেজিউমিতে কোনো ভুল থাকা কখনোই কাম্য নয়। কিন্তু ছোটোখাটো কিছু ভুল আমরা রেজিউমি লিখতে গিয়ে প্রায়ই করে ফেলি। ছোটোখাটো মনে হলেও সেই ভুল কিন্তু মারাত্মক। একটুখানি সচেতন হলেই এইসব ভুল কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। রেজিউমি বানাতে যেয়ে আমরা যেসব ভুল অহরহই করে থাকি সেগুলো নিয়েই সাজানো হয়েছে এই আর্টিকেলটি।

টাইপিং এবং ব্যাকরণগত ভুল
এটি সবচেয়ে কমন ভুল। প্রায় সবারই হয়ে থাকে। রেজিউমিতে একটা টাইপিং মিসটেক আপনার রেজিউমিটি না পড়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয় অনেকাংশে। ব্যাকরণগত ভুল আপনার সম্পর্কে নিয়োগকর্তারর মনে খুব বাজে একটা ধারণা তৈরি করে। অনেকসময় দেখা যায় তিনি বিরক্ত হয়ে রেজিউমিটি পুরোপুরি পড়েনই না। অথচ কয়েকটা রিভিশন কিন্তু আপনাকে এই ভুলটি থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।

ডেডলাইনের আগের দিন রেজিউমি বানানো
এই কাজটি কখনোই করা উচিত নয়। কেননা তাড়াহুড়াতে যেমন অনেক ছোটোখাটো ভুল আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় তেমনি রেজিউমিটি সঠিক না হবার সম্ভাবনা ও খুব বেশি। একটু সময় হাতে নিয়ে কাজটি করলে অনেক সমস্যার হাত থেকে বেঁচে যাওয়া যায়। বারবার রিভিশন দেওয়ারও সুযোগ থাকে।

অনির্দিষ্ট ভাবে কিছু লেখা
আমরা বেশিরভাগক্ষেত্রেই অনির্দিষ্ট ভাবে বিভিন্ন তথ্য দেই। এতে করে নিয়োগদাতা আপনার সম্পর্কে একটা আবছা ধারণা পান। এক্ষেত্রে যাই লিখুননা কেনো তা নির্দিষ্টভাবে লেখার চেষ্টা করুন। যেমন : “আগে আমি এনজিও তে কাজ করেছি।” এটা না লিখে এনজিওতে আপনি কি কাজ করেছেন সেটা লিখুন। এতে করে আপনার কাজ এবং দক্ষতা সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া পাওয়া যাবে।

একই রেজিউমি সব জায়গায় চালিয়ে দেওয়া
এই ভুলটা সবচেয়ে বেশি করা হয়। যে পদে আবেদন করছেন তার চাহিদা অনুযায়ী রেজিউমি সাজান। আপনি কেনো সেই পদের যোগ্য তা রেজিউমিতে তুলে ধরুন। মনে রাখবেন সব জব অফারে একই ধরণের যোগ্যতা যেহেতু চাওয়া হয়না তাই একই রেজিউমিও সব আবেদনের জন্য উপযুক্ত নয়।

গৎবাঁধা অবজেক্টিভ
এটাও একধরণের ভুলই বটে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা যে পদে আবেদন করছি তার সাথে জব অবজেক্টিভের কোনো মিল থাকেনা। অবজেক্টিভ লেখার সময় কৌশলী হোন। ঠিক কি ধরণের কাজ করতে চান তা লিখুন। খুব নির্দিষ্ট করে এমন ভাবে অবজেক্টিভ লিখুন যেনো তা যে পদে আবেদন করছেন তার সাথে সংগতিপূর্ণ হয়।

মিথ্যা তথ্য দেওয়া
অনেকে নিয়োগকর্তার মনোযোগ আকর্ষণের জন্য অনেক স্কিল বা অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে লেখেন।
এই কাজটিকে শুধু ভুল বললে ভুল হবে। এটা অন্যায়। এধরণের কাজ থেকে বিরত থাকুন। তথ্য প্রদানের বেলায় সৎ থাকুন।

ইনফরমাল ইমেইল অ্যাড্রেস
এটাও একটা কমন দৃশ্য। অবুঝ বালিকা, ছোটা ডন কিংবা দুঃখবিলাসী এই ধরণের নাম যেন আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসে না থাকে। এটা যেমন হাস্যকর তেমনি ইনফরমাল বটে। নিয়োগকর্তার মনে আপনার সম্পর্কে বাজে ইম্প্রেশন তৈরী করতে আপনার একটি ইনফরমাল ইমেইল অ্যাড্রেস কম যথেষ্ট নয়। নিজের নাম দিয়ে প্রফেশনাল ইমেইল আইডি খুলুন।

বিশ্বস্ত কিংবা গোপন কোনো তথ্য রেজিউমিতে দেওয়া
দেখা গেলো আপনি আপনার দক্ষতা তুলে ধরার জন্য পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের কোনো গোপন বা বিশ্বস্ত তথ্য রেজিউমিতে লিখলেন। এতে করে কিন্তু আপনার খারাপ ইমেজই ফুটে উঠছে। এই কাজটিও পরিহার করুন।

ছবিসূত্রঃ Diverse-Edge-Recruting

কর্মজীবনে প্রবেশের আগে যে ১০টি বিষয় আপনার জানা উচিত

1200 800 Jamia Rahman Khan Tisa

পড়াশোনা প্রায় শেষের পথে।কিছুদিনের পরেই কর্মজীবনে প্রবেশ করবেন? আসুন জেনে নিই এমন কিছু বিষয় যা জানা থাকলে কর্মক্ষেত্রে আপনি হবেন সবার চেয়ে একটু ভিন্ন আর নিজেকেও মানিয়ে নিতে পারবেন সহজে।

দায়িত্ব নিতে শেখা
দায়িত্ব নিতে শেখাটা কর্মজীবনে প্রবেশের আগে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। দায়িত্ব নিতে জানলে এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করতে জানলে বসের নজরে তো আসবেনই অফিসেও বাড়বে সুনাম।

কমফোর্ট জোনকে না বলুন
কর্মজীবনে ঢোকার পর এমন অনেক পরিস্থিতির মুখোমুখিই হতে হবে যাতে আপনি অভ্যস্ত নন। কমফোর্ট জোন থেকে বের হওয়ার অভ্যাস তাই গড়ে তুলুন এখন থেকেই।

নিজেকে প্রকাশ করতে জানা এবং নেটওয়ার্কিং
কর্মজীবনে আসলে আপনি নিজে একধরণের পণ্য। আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতাই আপনার মান নির্ধারণ করবে। তাই নিজেকে ঠিকঠাকভাবে প্রকাশ করতে জানাটাও পারতে হবে। আর হ্যাঁ। নেটওয়ার্কিং এর দক্ষতা না থাকলে পিছিয়ে পড়বেন সবার থেকে।

সমালোচনা গ্রহণ
অনেক সময় আমরা সমালোচনাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারিনা। সমালোচনাকে ইতিবাচক ভাবে নিন। শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন।

সময়ের সঠিক ব্যবহার
সময়ের ব্যাপারে হতে হবে সচেতন। সময়ের কাজ সময়ে না করতে পারলে প্রতিযোগিতার এই যুগে চাকরি বাঁচিয়ে রাখাটা খুব কঠিন।

সমস্যা সমাধান এবং বিশ্লেষণধর্মী ভাবনা
আজকাল চাকুরিদাতারা এমন কাউকে খোঁজেন যিনি সমস্যা সমাধানের খুঁজে বের করতে পারেন এবং বিশ্লেষণধর্মী ভাবনায় দক্ষ। এই দক্ষতা বাড়াতে চাইলে বাড়াতে হবে পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতা।

টিমওয়ার্ক
টিমওয়ার্ক ছাড়া আজকাল কর্মজীবন ভাবাই যায়না। দলগত ভাবে কাজ করার মত মানসিকতা থাকতে হবে।

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সততা
কাজের জায়গায় সততা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে আপনি কখনোই সেখানকার পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারবেন না। আর এই গুণগুলো আপনাকে অনুপ্রেরণা দেবে এগিয়ে যাওয়ার।

চাপের মধ্যেও কাজ করতে জানা
সবসময় যে রিল্যাক্সিং মুডে কাজ করতে পারবেন তা তো আর নয়। কখনো কখনো কাজের চাপও থাকবে, এর সাথে যোগ হতে পারে মানসিক চাপ। এই সব কিছুর মাঝেই কাজকে এগিয়ে নেওয়া জানতে হবে।

নিজের উপর বিনিয়োগ
নিজেকে কোন বিষয়ে দক্ষ করে তোলার জন্য আপনি যে বিনিয়োগ করবেন তা একসময় বহুগুণ হয়ে ফিরে আসবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভাষা শেখা, কোডিং এর মতো দক্ষতাগুলো অর্জন করে নিন কর্মজীবনে প্রবেশের আগে আগেই।

ছবিসূত্রঃ Stanford Technology Ventures Program

Expert’s Insights: An Interview with Arif Ainul Suman

3791 2464 Saanjaana Rahman

Arif Ainul Suman is the Executive Director, Corporate Banking, Standard Chartered Bank. A topper in his batch from IBA, Mr. Suman passionately pursued his career with leading multi-national financial institutions past 18-years in the arena of providing financing solutions and risk management for leading local corporate clientele. Besides providing Working Capital Solutions and Trade Finance Structuring, he has substantial experience in Specialized Financing and Advisory. He is considered a pioneer in power sector having been involved in raising financing for approximately 20% of country’s private sector generation capacity.

read more

5 Ways Attending A Career Fair Can Change Your Life

4860 3240 Numaya Eum Illma

A career fair is not just a daylong event where you get to meet face to face with the potential employers, it is also a learning experience for you. Visiting a career fair is a step in the right direction. Takeaways from a career fair can be used to make a lasting effect in your life. Let’s have a look at how attending a career fair can be a life changing experience for you. read more

যে ৬টি কারণে আপনার অবশ্যই ক্যারিয়ার ফেয়ারে যাওয়া উচিৎ

4332 2888 Jamia Rahman Khan Tisa

ক্যারিয়ার সচেতন তরুণ তরুণীদের জন্য ক্যারিয়ার ফেয়ার একটি দারুণ প্ল্যাটফর্ম। এখানে যেমন চাকুরি বা ইন্টার্নশিপ লাভের সুযোগ থাকে তেমনি পাওয়া যায় ক্যারিয়ার সম্পর্কিত অনেক দিকনির্দেশনা। অনেক সময় আমরা মনে করি যে ছাত্রাবস্থায় কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথমবর্ষে ক্যারিয়ার ফেয়ারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ধারণাটি একেবারেই সঠিক নয়। কেননা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনটি থেকেই। ক্যারিয়ার প্ল্যানিং সম্পর্কে ভালো গাইডলাইন পেতে চাইলে অবশ্যই ক্যারিয়ার ফেয়ারে আপনাকে যেতে হবে। আসুন জেনে নিই কিছু কারণ যে জন্য আপনার অবশ্যই ক্যারিয়ার ফেয়ারে যাওয়া উচিত। read more

Kickstart Your Designing Career

4000 2666 Jubair Islam

It is always difficult to determine what you are going to do next when you are just graduating. It could be more difficult if you are planning to switch from another academic discipline. During my undergrad, I was an engineer in the making. I enjoyed studying science but was more fascinated by creative designing. However, the stereotype of a starving designer haunted me whenever I thought about a future that way, and I did not want to starve. read more

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.