সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্যের ব্যবহারে আরও দায়িত্বশীল হতে করনীয় এবং বর্জনীয়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্যের ব্যবহারে আরও দায়িত্বশীল হতে করনীয় এবং বর্জনীয়

1920 1080 আব্দুল্লাহ আল মাদানি

মানব সভ্যতার ইতিহাসে যুগান্তকারী উদ্ভাবন সমূহ গোটা সভ্যতার গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছে। আধুনিক তথা বর্তমান এই যুগের গতিপথ নির্ধারণকারি একটি উদ্ভাবন হচ্ছে ইন্টারনেট এবং তথ্য প্রযুক্তি। একটু দেরিতে হলেও ইন্টারনেট এবং তথ্য প্রযুক্তির গুরুত্ব এখন আমরা সবাই উপলব্ধি করতে পারছি। সমাজে ইন্টারনেটের প্রচুর অপব্যবহার সত্ত্বেও এর কার্যকারিতা অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমান সময়ে পারস্পরিক যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের সকল খবরের উৎস হিসেবেও আমরা ইন্টারনেটের সাহায্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো (ফেইসবুক, ইউটিউব, টুইটার ইত্যাদি) ব্যাবহার করে থাকি। পাশাপাশি পৃথিবীর প্রায় সকল জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেল তাদের নিজ নিজ অনলাইন সংস্করণ চালু করেছে মানুষকে সহজে খবর পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে।

 

ইন্টারনেট পূর্ব যুগে সমাজের সচেতন শিক্ষিত মানুষ মাত্রই সাম্প্রতিক তথ্য ও খবরাখবরের বিষয়ে জাতীয় দৈনিক অথবা জাতীয় টেলিভিশনের উপর নির্ভরশীল থাকতেন। জাতীয় টেলিভিশন বা পত্রিকাগুলো বছরের পর বছর ধরে তাদের বিশ্বস্ততা ধরে রাখত। দায়বদ্ধতার পরিধি ছিল প্রশস্ত। কোন ভুল খবর ছাপা হলে তারা তার সম্পূর্ণ দায়ভার স্বীকার করতো এবং প্রয়োজনে ভুক্তভোগীরা আদালতেও যেতে পারতেন। বিবেকবান মানুষরা কখনই বেনামি লিফলেট, নাম না জানা বিবিধ দৈনিক কিংবা সাপ্তাহিক পত্রিকা বা বাজারের প্রচলিত গুজবে কান দিতেন না। তখনকার পুরো সমাজ এভাবেই অভ্যস্ত ছিল।

 

আধুনিক বর্তমান সভ্যতার প্রধান নিয়ামক ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ। এই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ সমাজের সকল স্তরেই প্রকাশমান। এমনকি সংবাদের প্রকাশেও। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো একটি অভাবনীয় সুযোগ হাযির করেছে মানুষের সামনে। একটি অ্যাকাউন্ট খুলে খুব সহজেই সবাই যার যার নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং বিশ্বের নানান প্রান্তের মানুষ তা নিমেষেই দেখতেও পারে। এর ফলে দেখা যাচ্ছে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক বা ইউটিউব অ্যাকাউন্ট আছে আবার আমারও আছে, আপনারও আছে আর আমাদের গ্রামের চায়ের দোকানদার মকবুলেরও আছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এখানে মন গড়া যা ইচ্ছা তা চাইলেই যেমন লেখা বা বলা যায় তেমনি কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই যে কোন ধরনের স্থিরচিত্র কিংবা ভিডিও-চিত্র তৈরি বা সম্পাদনা করে তা প্রচার করা সম্ভব হয়। আর এতে করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর বড় একটা জায়গা তৈরি হয়।   

 

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, চিত্তাকর্ষক লেখা, ছবি বা ভিডিও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে অর্থ উপার্জন করা। এই পদ্ধতিটিকে “মনিটাইজিং” বলা হয়। আর এরই সুযোগ নিয়ে অসাধু লোকজন সত্যকে আড়াল করে মানহীন বানোয়াট তথ্য, ছবি ও ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে। এইসব মানহীন কন্টেন্টের দর্শক স্রোতা বৃদ্ধির জন্য তারা চটকদার শিরোনাম ব্যবহার করে। এমনকি দর্শকদের আকৃষ্ট করতে অশ্লীল শিরোনাম ও চিত্র ব্যবহার করতেও দ্বিধাবোধ করে না তারা। ‘না দেখলে মিস’, ‘লাইক না দিয়ে যাবেন না’, ‘এ কি করলেন অমুক ব্যক্তি’ ইত্যাদি কৌতূহল উদ্দীপক শিরোনাম ব্যবহার করা হয়। সমসাময়িক ঘটনার সাথে মিল রেখে মিথ্যা ছবি বা ভিডিও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যেমন: অতীতে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনার কিংবা কোন সিনেমার স্থিরচিত্র বা ভিডিও ব্যবহার করে উসকানি মূলক সংবাদ উপস্থাপন করা। আবার ধর্মকাতর দর্শককে তার অনুভূতির ফাঁদে (ইমোশনাল ব্লাকমেইল) ফেলতে আবেগ-ঘন ধর্ম বাণী ব্যাকগ্রাউন্ডে দিয়ে অলৌকিক ঘটনা বা জীনের কারসাজী দাবি করে মনগড়া ধারাভাষ্য সহকারে ছবি বা ভিডিও বানানো হয়। এই ধরনের চটকদার ও কৌতূহল উদ্দীপক শিরোনাম কে বলা হয় ‘ক্লিকবেইট’। ইংরেজি বেইট শব্দের শাব্দিক অর্থ হল ‘টোপ’। এভাবে দর্শক স্রোতাদের টোপে ফেলে বোকা বানিয়ে সমাজে গুজব ছড়িয়ে বিভেদ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অর্থ বাগিয়ে নিচ্ছে একদল অসাধু মানুষ।    

 

অথচ পবিত্র ইসলাম ধর্মেও তথ্য যাচাই বাছাই এর ক্ষেত্রে প্রচণ্ড গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সুরা হুজরাতের ছয় নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে: “ওহে যারা ঈমান এনেছো! যদি কোনো সত্য-ত্যাগী কোনো খবর নিয়ে তোমাদের কাছে আসে তখন তোমরা যাচাই করে দেখবে, পাছে অজান্তে তোমরা কোন লোকদলকে আঘাত করে বস, আর পরক্ষণেই দুঃখ কর তোমরা যা করেছ সেজন্য। “এ ছাড়াও মুসলিম শরীফের হাদিসে এসেছে: হাফস বিন আসিম (রা: ) থেকে বৰ্নিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা:) এরশাদ করেন: “কোন মানুষ মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে সে যা কিছু শোনে (যাচাই ছাড়া হুবহু ) তাই বর্ণনা করে”।   

 

উপরোল্লিখিত বিষয়গুলো আমরা কমবেশি জানা স্বত্তেও প্রায়শই বিভ্রান্তিতে পরে যাই এবং আমাদের নৈমিত্তিক আলাপ আলোচনার পাশাপাশি দাপ্তরিক সভা এমনকি জনসমক্ষে বক্তব্য দেয়ার ক্ষেত্রেও, ফেইসবুক ইউটিউবের বেনামি সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্তকে রেফারেন্স দিয়ে ফেলি। যা আপাতদৃষ্টিতে দোষের কিছু মনে না হলেও এ থেকে বিভিন্ন সময় প্রাণ হরণকারী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অতীতে এধরণের গুজবের কারণে ধর্মীয় দাঙ্গা পর্যন্ত সৃষ্টি হয়েছে। যার উদাহরণস্বরূপ ২০১৯ সালের শুরুতে বাংলাদেশে ‘সেতু নির্মাণে মানব শিশু বলী’ সংক্রান্ত গুজবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৮ জন মানুষ মারা যায়। এই ঘটনার জের ধরে এক বিধবা নারী বিনা দোষে গণপিটুনিতে নিহত হলে এই গুজবের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। একটি দেশের ৭৩ শতাংশ মানুষ শিক্ষিত দাবি করার পরেও এই ধরনের গুজব সারা দেশে প্রকট ভাবে ছড়িয়ে পড়া অত্যন্ত আশংকাজনক। এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেজন্য সকল ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সনাক্ত করতে এবং তা পরিহার করতে একটি সামাজিক সচেতনতা আন্দোলন তৈরি করা এখন অপরিহার্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

 

জীবন যাপনের ক্ষেত্রে যেমন স্বাস্থ্যবিধি রয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে আপনার পারিপার্শ্বিকতা থেকে আপনি তথ্য কিভাবে আহরণ করবেন এরও একটি বিধি রয়েছে। একে বলা হয় ‘ইনফরমেশন হাইজিন’। সম্প্রতি করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রচুর ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিশেষজ্ঞরা ইনফরমেশন হাইজিন সংক্রান্ত কিছু পরামর্শ দেন, যেগুলো মেনে চললে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পরা রোধ করা যেতে পারে: 

 

আপনি আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ সর্বদা বজায় রাখতে চান এবং নিঃসন্দেহে তাদের ভাল চান, তাই নতুন কোন তথ্য যখন আপনি পান – সেটা ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক বা টুইটার যেখানেই হোক না কেন – আপনি তাদের কাছে সেই তথ্য পৌঁছে দিতে চান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন ভুল তথ্য ছড়ানো বন্ধ করতে সর্বপ্রথম এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন কিছু আপনার বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আগে অবশ্যই আরেকবার চিন্তা করুন। আপনার যদি কোন সন্দেহ থাকে, তাহলে ওই বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন।  

 

কোন ছবি, ভিডিও বা তথ্য আরেকজনের কাছে পাঠানোর আগে তথ্যগুলোর উৎস যাচাই করার চেষ্টা করুন। উৎস যদি হয়ে থাকে ‘বন্ধু’, ‘আত্মীয়’, ‘সহকর্মী’ বা ‘সহকর্মীর আত্মীয়’-র মত কেউ, তাহলে অবশ্যই সেই তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। ফেসবুক, ইউটিউব কিংবা টুইটারে প্রায় সকল জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক দৈনিক পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যে কোন খবরের উৎস হিসেবে তারা অধিক নির্ভরযোগ্য। এমন নয় যে এই সকল প্রতিষ্ঠানই সবসময় শতভাগ সঠিক তথ্য দিতে পারে, তবে অন্তত সমাজের অন্যান্য সকল উৎস থেকে, বাছ-বিচারহীন ইউটিউব ভিডিও, ফেসবুক পেইজ বা হোয়াটসঅ্যাপের চেয়ে নির্ভরযোগ্য। যেহেতু এই সময়ে যে কোন তথ্য লাভ করা খুবই সহজ, এর বিনিময়ে ন্যূনতম উৎস যাচাই করার প্রচেষ্টা করাটা দায়িত্বের মাঝে পরে।

   

শুধুই একটা স্থিরচিত্র অথবা খুচরা ভিডিও ক্লিপ কখনই কোন তথ্য যাচাই এর জন্য প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট নয়। বাইরে থেকে দেখে বিভ্রান্ত হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ কর্তৃপক্ষের কারো হ্যাক করা অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট বা যেকোনো প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে পোস্ট দেয়া খুবই সম্ভব। সেই সব পোস্ট দেখে মনে হতে পারে যে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকেই এসেছে তথ্যগুলো। স্ক্রিনশট নিয়ে তা পরিবর্তন (এডিট) করে অথবা ভিডিও সম্পাদনা করে এমনভাবে প্রকাশ করা যায় যা দেখে মনে হয় যে তথ্য বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকেই এসেছে। এ রকম ক্ষেত্রে পরিচিত এবং ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট ও ওয়েবসাইটের তথ্যের সাথে মিলিয়ে দেখুন। সেসব জায়গায় যদি সহজে তথ্যগুলো খুঁজে না পান, তাহলে সম্ভবত এগুলো ভুল। আর পোস্ট, ভিডিও বা লিঙ্ক দেখেই যদি আপনার ভরসা না হয়, তাহলে ভরসা না করাই নিরাপদ। অনেক সময় এমন কিছু তথ্যাবলি দেখা যায় যেখানে তথ্যগুলো ভুল এবং সঠিকের মিশ্রণ। এমন উপদেশের তালিকা আপনাকে পাঠানো হলে, তখন অনেক সময় আপনি সবগুলো তথ্যই বিশ্বাস করতে চাইবেন কারণ তালিকার কয়েকটি তথ্য যে সঠিক, সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত। কিন্তু অনেক সময়ই কয়েকটি সঠিক তথ্যের সাথে ভুল তথ্য যোগ করে ছড়িয়ে দেয়া হয়। 

কোন তথ্য ‘ঠিক হতেও তো পারে’ মনে করে সেগুলো আরেকজনকে পাঠাবেন না। এ রকম ক্ষেত্রে আপনি কারো ভালো করার মানসিকতা নিয়ে তথ্য দিয়ে হয়তো আপনি গুঁজব রটনায় ভূমিকা রাখছেন এবং তাকে ক্ষতির সম্মুখীন করছেন। 

 

যেসব পোস্ট আমাদের আবেগ প্রবণ, উত্তেজিত, আতঙ্কিত, চিন্তিত অথবা উৎফুল্ল করে তোলে, সে রকম পোস্ট ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অনলাইনে ভুল তথ্য আলাদা করতে সাংবাদিকদের সাহায্য করা প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ড্রাফটের ক্লেয়ার ওয়ার্ডল বলেন, “বিভ্রান্তিকর তথ্যকে টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় ভিত্তি মানুষের মধ্যকার ভয়। “তিনি বলেন, “নিজেদের কাছের মানুষকে সব সময় সাহায্য করতে চায় মানুষ, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। তাই ‘ভাইরাস প্রতিরোধ করার টিপস’ বা ‘এই ওষুধগুলো খান’ জাতীয় পোস্ট সহজে ভাইরাল হয়। কারণ মানুষ যেভাবে পারে কাছের মানুষকে সাহায্য করতে চায়। “অনলাইনে ভুল তথ্য আলাদা করতে দেশের বেশ কিছু প্ল্যাটফরম নিরলস কাজ করে চলেছে। এদের মধ্যে যাচাই ডট অর্গ (jachai.org) অন্যতম। 

 

আপনি যখন একটি পোস্ট শেয়ার করেন, তখন সেটি শেয়ার করার পেছনে যুক্তিটি কী থাকে? পোস্টের তথ্যগুলোর সত্যতার ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত বলে শেয়ার করছেন, নাকি আপনি শুধুমাত্র তথ্যগুলোকে সমর্থন করছেন? অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা গোত্রীয় পক্ষপাতিত্বের কারণে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হয়ে থাকে। ডেমোসের সেন্টার ফর দ্য অ্যানালিসিস অব সোশ্যাল মিডিয়ার গবেষণা পরিচালক কার্ল মিলার মনে করেন, আমাদের মধ্যে বিদ্যমান ধ্যান-ধারণার প্রতিফলন যেসব পোস্টে আসে, সেসব পোস্টই আমরা সাধারণত পরিচিত জনদের মাঝে শেয়ার করে থাকি। 

ফেইসবুক, ইউটিউব হোক আর বাস্তব জীবনেই হোক, তথ্য গ্রহণ এবং প্রদান উভয় ক্ষেত্রেই সচেতন না হলে ব্যক্তি থেকে সমাজ, রাষ্ট্র থেকে বিশ্ব, সর্বত্রই বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পরতে পারে। তাই আসুন সচেতন হই, তথ্য আদান প্রদানে সতর্ক থাকি।   

 

সংকলনেঃ আব্দুল্লাহ আল মাদানি

বিবিএলটি ৫ম ব্যাচের একজন গ্র্যাজুয়েট,

সৌদি আরব এর উনাইজাহ, আল ক্বাসিম থেকে।

আব্দুল্লাহ আল মাদানি

বিবিএলটি ৫ম ব্যাচের একজন গ্র্যাজুয়েট

All stories by:আব্দুল্লাহ আল মাদানি

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

আব্দুল্লাহ আল মাদানি

বিবিএলটি ৫ম ব্যাচের একজন গ্র্যাজুয়েট

All stories by:আব্দুল্লাহ আল মাদানি
Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.