Posts Tagged :

Jamia Rahman Khan Tisa

ক্যাম্পেইন রেড; কুসংস্কারের বিরুদ্ধে অভিনব প্রচারণা

5184 3456 Jamia Rahman Khan Tisa

পিরিয়ড বা মাসিক শব্দটি নিয়ে খুব একটা খোলামেলাভাবে কথা বলতে আমরা অস্বস্তিবোধ করি। অথচ আর দশটা শারীরবৃত্তীয় ব্যাপারের মতই এটা ঘটে প্রাকৃতিক নিয়মে। একজন নারীর প্রজনন স্বাস্থ্যের সুস্থতা জড়িয়ে আছে মাসিক (ঋতুস্রাব)সময়কালীন যত্নের সাথে। এই সময়টুকুর অবহেলা ডেকে আনতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকি। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাসিক একটি উপেক্ষিত বিষয় এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ‘গোপন’ বা ‘লজ্জাজনক’। এ নিয়ে মানুষের বিশেষ করে নারীদের মাঝে রয়েছে অসংখ্য কুসংস্কার আর ভুল ধারণা।  এই ভুল ধারণা আর না বলা কথাগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরতে এবং সর্বস্তরে বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া  কিশোর-কিশোরীদেরদের মাঝে  সচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে কাজ করছে ক্যাম্পেইন রেড। কথা বলেছিলাম ক্যাম্পেইন রেড টিম এর একজন সদস্য সৈয়দা ফারজানা আহমেদের সাথে। read more

রেজিউমিতে যে ৮ টি ভুল কখনোই নয়

1024 500 Jamia Rahman Khan Tisa

রেজিউমি । চাকুরিদাতার সামনে নিজেকে উপস্থাপনের প্রথম ধাপ। এই ধাপটি উতরে যাওয়াটা কিছুটা কঠিন। কেনোনা নিয়োগকর্তারা বহু যাচাই বাছাইয়ের পর তাদের পছন্দসই রেজিউমির মালিককেই ইন্টারভিউয়ে ডাকে। সুতরাং রেজিউমিতে কোনো ভুল থাকা কখনোই কাম্য নয়। কিন্তু ছোটোখাটো কিছু ভুল আমরা রেজিউমি লিখতে গিয়ে প্রায়ই করে ফেলি। ছোটোখাটো মনে হলেও সেই ভুল কিন্তু মারাত্মক। একটুখানি সচেতন হলেই এইসব ভুল কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। রেজিউমি বানাতে যেয়ে আমরা যেসব ভুল অহরহই করে থাকি সেগুলো নিয়েই সাজানো হয়েছে এই আর্টিকেলটি।

টাইপিং এবং ব্যাকরণগত ভুল
এটি সবচেয়ে কমন ভুল। প্রায় সবারই হয়ে থাকে। রেজিউমিতে একটা টাইপিং মিসটেক আপনার রেজিউমিটি না পড়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয় অনেকাংশে। ব্যাকরণগত ভুল আপনার সম্পর্কে নিয়োগকর্তারর মনে খুব বাজে একটা ধারণা তৈরি করে। অনেকসময় দেখা যায় তিনি বিরক্ত হয়ে রেজিউমিটি পুরোপুরি পড়েনই না। অথচ কয়েকটা রিভিশন কিন্তু আপনাকে এই ভুলটি থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।

ডেডলাইনের আগের দিন রেজিউমি বানানো
এই কাজটি কখনোই করা উচিত নয়। কেননা তাড়াহুড়াতে যেমন অনেক ছোটোখাটো ভুল আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় তেমনি রেজিউমিটি সঠিক না হবার সম্ভাবনা ও খুব বেশি। একটু সময় হাতে নিয়ে কাজটি করলে অনেক সমস্যার হাত থেকে বেঁচে যাওয়া যায়। বারবার রিভিশন দেওয়ারও সুযোগ থাকে।

অনির্দিষ্ট ভাবে কিছু লেখা
আমরা বেশিরভাগক্ষেত্রেই অনির্দিষ্ট ভাবে বিভিন্ন তথ্য দেই। এতে করে নিয়োগদাতা আপনার সম্পর্কে একটা আবছা ধারণা পান। এক্ষেত্রে যাই লিখুননা কেনো তা নির্দিষ্টভাবে লেখার চেষ্টা করুন। যেমন : “আগে আমি এনজিও তে কাজ করেছি।” এটা না লিখে এনজিওতে আপনি কি কাজ করেছেন সেটা লিখুন। এতে করে আপনার কাজ এবং দক্ষতা সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া পাওয়া যাবে।

একই রেজিউমি সব জায়গায় চালিয়ে দেওয়া
এই ভুলটা সবচেয়ে বেশি করা হয়। যে পদে আবেদন করছেন তার চাহিদা অনুযায়ী রেজিউমি সাজান। আপনি কেনো সেই পদের যোগ্য তা রেজিউমিতে তুলে ধরুন। মনে রাখবেন সব জব অফারে একই ধরণের যোগ্যতা যেহেতু চাওয়া হয়না তাই একই রেজিউমিও সব আবেদনের জন্য উপযুক্ত নয়।

গৎবাঁধা অবজেক্টিভ
এটাও একধরণের ভুলই বটে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা যে পদে আবেদন করছি তার সাথে জব অবজেক্টিভের কোনো মিল থাকেনা। অবজেক্টিভ লেখার সময় কৌশলী হোন। ঠিক কি ধরণের কাজ করতে চান তা লিখুন। খুব নির্দিষ্ট করে এমন ভাবে অবজেক্টিভ লিখুন যেনো তা যে পদে আবেদন করছেন তার সাথে সংগতিপূর্ণ হয়।

মিথ্যা তথ্য দেওয়া
অনেকে নিয়োগকর্তার মনোযোগ আকর্ষণের জন্য অনেক স্কিল বা অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে লেখেন।
এই কাজটিকে শুধু ভুল বললে ভুল হবে। এটা অন্যায়। এধরণের কাজ থেকে বিরত থাকুন। তথ্য প্রদানের বেলায় সৎ থাকুন।

ইনফরমাল ইমেইল অ্যাড্রেস
এটাও একটা কমন দৃশ্য। অবুঝ বালিকা, ছোটা ডন কিংবা দুঃখবিলাসী এই ধরণের নাম যেন আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসে না থাকে। এটা যেমন হাস্যকর তেমনি ইনফরমাল বটে। নিয়োগকর্তার মনে আপনার সম্পর্কে বাজে ইম্প্রেশন তৈরী করতে আপনার একটি ইনফরমাল ইমেইল অ্যাড্রেস কম যথেষ্ট নয়। নিজের নাম দিয়ে প্রফেশনাল ইমেইল আইডি খুলুন।

বিশ্বস্ত কিংবা গোপন কোনো তথ্য রেজিউমিতে দেওয়া
দেখা গেলো আপনি আপনার দক্ষতা তুলে ধরার জন্য পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের কোনো গোপন বা বিশ্বস্ত তথ্য রেজিউমিতে লিখলেন। এতে করে কিন্তু আপনার খারাপ ইমেজই ফুটে উঠছে। এই কাজটিও পরিহার করুন।

ছবিসূত্রঃ Diverse-Edge-Recruting

কর্মজীবনে প্রবেশের আগে যে ১০টি বিষয় আপনার জানা উচিত

1200 800 Jamia Rahman Khan Tisa

পড়াশোনা প্রায় শেষের পথে।কিছুদিনের পরেই কর্মজীবনে প্রবেশ করবেন? আসুন জেনে নিই এমন কিছু বিষয় যা জানা থাকলে কর্মক্ষেত্রে আপনি হবেন সবার চেয়ে একটু ভিন্ন আর নিজেকেও মানিয়ে নিতে পারবেন সহজে।

দায়িত্ব নিতে শেখা
দায়িত্ব নিতে শেখাটা কর্মজীবনে প্রবেশের আগে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। দায়িত্ব নিতে জানলে এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করতে জানলে বসের নজরে তো আসবেনই অফিসেও বাড়বে সুনাম।

কমফোর্ট জোনকে না বলুন
কর্মজীবনে ঢোকার পর এমন অনেক পরিস্থিতির মুখোমুখিই হতে হবে যাতে আপনি অভ্যস্ত নন। কমফোর্ট জোন থেকে বের হওয়ার অভ্যাস তাই গড়ে তুলুন এখন থেকেই।

নিজেকে প্রকাশ করতে জানা এবং নেটওয়ার্কিং
কর্মজীবনে আসলে আপনি নিজে একধরণের পণ্য। আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতাই আপনার মান নির্ধারণ করবে। তাই নিজেকে ঠিকঠাকভাবে প্রকাশ করতে জানাটাও পারতে হবে। আর হ্যাঁ। নেটওয়ার্কিং এর দক্ষতা না থাকলে পিছিয়ে পড়বেন সবার থেকে।

সমালোচনা গ্রহণ
অনেক সময় আমরা সমালোচনাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারিনা। সমালোচনাকে ইতিবাচক ভাবে নিন। শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন।

সময়ের সঠিক ব্যবহার
সময়ের ব্যাপারে হতে হবে সচেতন। সময়ের কাজ সময়ে না করতে পারলে প্রতিযোগিতার এই যুগে চাকরি বাঁচিয়ে রাখাটা খুব কঠিন।

সমস্যা সমাধান এবং বিশ্লেষণধর্মী ভাবনা
আজকাল চাকুরিদাতারা এমন কাউকে খোঁজেন যিনি সমস্যা সমাধানের খুঁজে বের করতে পারেন এবং বিশ্লেষণধর্মী ভাবনায় দক্ষ। এই দক্ষতা বাড়াতে চাইলে বাড়াতে হবে পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতা।

টিমওয়ার্ক
টিমওয়ার্ক ছাড়া আজকাল কর্মজীবন ভাবাই যায়না। দলগত ভাবে কাজ করার মত মানসিকতা থাকতে হবে।

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সততা
কাজের জায়গায় সততা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে আপনি কখনোই সেখানকার পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারবেন না। আর এই গুণগুলো আপনাকে অনুপ্রেরণা দেবে এগিয়ে যাওয়ার।

চাপের মধ্যেও কাজ করতে জানা
সবসময় যে রিল্যাক্সিং মুডে কাজ করতে পারবেন তা তো আর নয়। কখনো কখনো কাজের চাপও থাকবে, এর সাথে যোগ হতে পারে মানসিক চাপ। এই সব কিছুর মাঝেই কাজকে এগিয়ে নেওয়া জানতে হবে।

নিজের উপর বিনিয়োগ
নিজেকে কোন বিষয়ে দক্ষ করে তোলার জন্য আপনি যে বিনিয়োগ করবেন তা একসময় বহুগুণ হয়ে ফিরে আসবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভাষা শেখা, কোডিং এর মতো দক্ষতাগুলো অর্জন করে নিন কর্মজীবনে প্রবেশের আগে আগেই।

ছবিসূত্রঃ Stanford Technology Ventures Program

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.