On Leadership

When Breath Becomes Air: What Death can Teach us about Leadership

640 640 Fahmida Zaman Ema

On a chilly night in late 2016, I was coming back from my university library at Illinois State University. On my way out, I picked up a book titled When Breath Becomes Air. Published posthumously in early 2016, When Breath Becomes Air was written by a neuroscientist named Paul Kalanithi, a 36-year-old resident in neurosurgery at Stanford University. Just months away from completing his training, Paul was diagnosed with stage four lung cancer. He was a gifted scientist whose research on gene therapy won him his field’s highest research award. Adding to his impressive resume, he earned two degrees in English literature from Stanford University and gave serious consideration to pursing writing as a full-time career. He also held a Master of Arts in the History and Philosophy of Science and Medicine from University of Cambridge.

Much like anything else in his short life, Paul’s writing is brilliant to say the least. As you would see in When Breath Becomes Air, Paul spent his whole brief life searching for meaning in one way or another—through books, writing, medicine, surgery, and science. This short book, therefore, has so many layers of meaning and insights on life and death, patient and doctor, son and father, work and family, faith and reason. There is no shortage of insights in When Breath Becomes Air. Each reader can extrapolate their own set of insights from this reading. Following are some insights I found captivating.

Learning to be comfortable with uncertainties: The most important lesson in Paul’s story is that our future is uncertain. For years, Paul was preparing for a life he was never to live. The decade long medical training was about to end and he was to be a professor of neurosurgery. And once the training was done, he thought he could finally become the husband he promised to be. But, out of nowhere came cancer and Paul had to start living his life instead of postponing it. No part of this journey was easy for him. Future, as we see, is very uncertain. One must learn to be uncomfortable with such uncertainties. We rarely have an exact picture of the path ahead, so we must accept what arises with determined courage.

Compassion and humility: Much of what motivated Paul to pursue neurosurgery was the opportunity to forge relationships with people who were suffering and give him the chance to explore what life offers in meaning and scope. His relentless pursuit of human connection with his patients shows what makes life meaningful: the ability to feel another’s pain (and joy). Everyone fights their own battle. But, what differentiates human beings from any other animal is our ability to feel empathy. Nothing else could remind us of the importance of compassion and humility than facing our own mortality.

There is no small act: The world now is full of so many big problems. From the world-wide refugee crisis to climate change, the problems are too big for us to unravel. As a result, we rightly think that our individual acts do not matter in the grand scheme of things. Nevertheless, that is precisely what makes our individual small acts so significant. Our small kind act can mean the world to someone without us knowing. One may not need power or money to practice this kindness. We are capable of doing it from whichever position we are in. At the end of the book, Paul leaves a message for his daughter who he is not sure will remember him: “When you come to one of the many moments in life when you must give an account of yourself, provide a ledger of what you have been and done and meant to the world, do not, I pray, discount that you filled a dying man’s days with sated joy, a joy unknown to me in all my prior years, a joy that does not hunger for more and more but rests, satisfied. In this time, right now, that is an enormous thing” (p. 199).

Faced with his own mortality just when he was on the verge of making big contributions to the world with his mind and hands, Paul reflected on what it means to lead a meaningful life. He wrote about the process of him transforming from doctor to patient, the struggles he had in his family, the power to talk about death and face it, all these and many others are contoured in such a thoughtful manner. When Breath Becomes Air is not an easy read. It is intense. It is tear-jerking. It is also a necessary read.

মেসি কি তবে নেতৃত্ব চর্চায় ব্যর্থ?

1100 513 Mutasim Billah

নেতৃত্ব শিক্ষার সময় যে প্রশ্নটির মুখোমুখি সবচেয়ে বেশি হতে হয় তা হল অথোরিটি বা ক্ষমতা ছাড়া নেতৃত্ব চর্চা করা সহজ নাকি ক্ষমতা থাকলে নেতৃত্ব চর্চা করা সহজ? এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। স্থান, কাল ও অবস্থা ভেদে এর উত্তর একেক রকম। তবে এর উত্তরের মধ্যে অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান ঠিকই রয়েছে।

বাংলাদেশে আমাদের যে সকল সমস্যা তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সমস্যা তৈরি ও সমাধানের অন্তরায় আমরা নিজেরাই। এবং এ কাজে আমাদের সবচেয়ে প্রচলিত অজুহাত আমার তো এই সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা নেই কিংবা দায়িত্ব যাদের তারা তো কিছু করে না। এই অজুহাত থেকে আমরা চাইলেও অনেক সময় সহজে বের হয়ে আসতে পারি না।

পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ খেলাধুলার আসর চলছে রাশিয়া তে। ফুটবল বিশ্বকাপ। আর কোন খেলার আসর নিয়ে বিশ্বে বিশেষত বাংলাদেশে এরচেয়ে বেশি মাতামাতি হয় কিনা আমার জানা নেই। গত রাতেই অন্যতম পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল বাদ পরেছে দ্বিতীয় পর্ব থেকে। খেলা দেখতে দেখতেই মনে হল আরে এখানেই তো আছে সেই প্রশ্নের খুব সহজ একটা উত্তর।

এবারের বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব থেকেই অনেকটাই অগোছালো দল আর্জেন্টিনা। অনেকটা ধরেই নেয়া গিয়েছিল বেশিদূর যেতে পারবে না সাম্পাওলির দল। বাদও পরেছে। কিন্তু দ্বিতীয় পর্ব থেকে যে বাদ পড়লো সেটি কি আসলেই দল আর্জেন্টিনা? নাকি ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসি?

একটু ভালোভাবে দেখলে দেখা যাবে দল হিসেবে আর্জেন্টিনা তো সেই বাছাই পর্বেই বাদ পরে গিয়েছিল। এতদিন যে টিকে ছিল তা দলের বিশাল বড় ব্যনারের নিচে সেই জাদুকর। যত না বেশি সমর্থক দলের তার থেকে বেশি সমর্থক মেসির। তার জন্যই যেন বিশ্বকাপ জিততে চায় তার সমর্থনের বিশ্ব।

অনেকটা একই অবস্থা সময়ের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। এখানেও দল যেন প্রতিযোগিতায় নাম লেখানোর একটা নিয়ম মাত্র। এই নিয়ম বাদ গেলে খেলতে হত তাদের একারই।

দুজনই আবার দলের অধিনায়ক। তাদের দিকে এমনিতেই এত আলো তার উপর অধিনায়কের ভার যেন মাঠ থেকে এক মুহূর্ত আড়াল হওয়ার সুযোগ নেই তাদের। তারা দুজন যে বর্তমান বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় তাতে কারো সন্দেহের সুযোগ নেই। কিন্তু এই বিশ্বকাপে দলকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে নেতৃত্ব চর্চা করতে হত তাতে তারা ব্যর্থ।

অনেকটাই মেসি কে কেন্দ্র করে এমন ৫টি কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি যা আমাদের নিজেদের নেতৃত্ব চর্চার ক্ষেত্রেও অনেকটাই বাধা।

১। ওয়ার্ক অ্যাট দ্যা সেন্টারঃ

আমরা জানি নেতৃত্ব চর্চা করতে হলে অংশগ্রহণকারী কিংবা জড়িত সকলের সাথে সম্পর্কিত একটি কাজ খুঁজে বের করতে হয় যাকে আমরা ‘ওয়ার্ক অ্যাট দ্যা সেন্টার’ বলি। আমাদের উদ্দেশ্য হওয়ার কথা যে সকলের প্রধান মনোযোগ যেন মাঝের এই কাজটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য হয়। তার জন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাই চেষ্টা করে যায়।

কিন্তু অধিকাংশ সময়ই আমরা যে ভুলটি করি তা হল মাঝখানে ঐ কাজটির বদলে আমরা নিজেরা চলে আসি। তখন জড়িত সকলের মনোযোগ কাজের বদলে ঐ নির্দিষ্ট ব্যক্তি উপরে পরে। তখন না ঐ কাজটি সামনের দিকে আগায়, না আমরা আমাদের সাধ্য মত ঐ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারি।

আর্জেন্টিনা দলটিকে দেখলে বিষয়টা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়। যেখানে দলের সাথে জড়িত সবার মনোযোগের কেন্দ্র বিন্দু হওয়া দরকার ছিল বিশ্বকাপ জেতা এবং সে লক্ষ্যে সবাই এক সাথে কাজ করা। কিন্তু মেসির মত তারকা থাকায় ঐ কাজের বদলে দলের কেন্দ্রবিন্দু সে নিজেই পরিণত হয়েছে। যার কারণে না মেসি তার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে খেলতে পেরেছে না দল তাদের মুল কাজের উপর মনোযোগ দিতে পেরেছে।

২। সমন্বয়হীনতাঃ

একটা দল হিসেবে কোন সমস্যার সমাধান করতে হলে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় ভালো হতে হয়। দলের মধ্যে বিশ্বস্ততা থাকতে হয়, জানতে হয় কে কখন কি ভূমিকা পালন করতে পারে। মেসি দলের কেন্দ্রবিন্দু পরিণত হওয়ায় তার সাথে সখ্যতা না থাকায় দলের মধ্যে সমন্বয়হীনতা কাজ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নাইজেরিয়ার সাথে খেলায় আর্জেন্টিনা দলের সাফল্যের পেছনে মেসি আর বানেগার যে সমন্বয় তা অন্যতম প্রধাণ ভূমিকা পালন করেছে। এমন বিশ্বস্ত সমন্বয় তাদের আগের এবং পরের খেলায় চোখে পরে নি। এখানে যদি দলের কেন্দ্র বিন্দু মেসি না হয়ে বিশ্বকাপ জেতাতেই সবার মনোযোগ থাকত তাহলে যার যার জায়গায় সবাই বিশ্বস্ত ভূমিকা পালন করতে পারতো।

৩। টিম ওয়ার্কঃ

বিশিষ্ট মনস্তত্ত্বিক ডেভিড কান্টর’র ফোর প্লেয়ার মডেলে তিনি বলেছেন দলের মধ্যে সঠিকভাবে নেতৃত্ব চর্চা করতে হলে দলের সবাইকে প্রয়োজন ও সময় সাপেক্ষে চার ধরণের ভূমিকা পালন করতে হয়। দলের মানুষজনকে কখনো বুদ্ধি দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, আবার কখনো অন্যের বুদ্ধির যৌক্তিক বিরোধিতা করতে হয়। পাশাপাশি বুদ্ধি বাস্ত্যবায়নের জন্য কাজ করতে হয় ওপর দিকে কখনো কখনো কোন কাজ না করে দাঁড়িয়ে দেখতে হয় কারণ এতে দূর থেকে দেখা যায় যে কোথায় কিসের ঘাটতি আছে। আর্জেন্টিনা দলে এই মডেলের বাস্তবায়ন ছিল না বললেই চলে। কেউই নিজের নির্ধারিত ভূমিকার বাইরে এসে অন্য কোন ভাবেই দলের কাজকে সামনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে নি।

৪। কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাঃ

একটা দলে যার হাতে ক্ষমতা থাকে তাকে আমরা অথোরিটি বলি, বাংলায় কর্তৃপক্ষ। দলের নেতৃত্ব চর্চা কিংবা সমস্যা সমাধানে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলে এই কর্তৃপক্ষের কাজ হল দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করা, দলকে দিক নির্দেশনা দেয়া এবং বিপদ থেকে রক্ষা করা। যখন সে এই তিন ধরণের কাজ করতে ব্যর্থ হয় তখন দলের কাজও সামনের দিকে আগায় না। আর্জেন্টিনা দলেও তাদের কোচ সাম্পাওলি তার জন্য নির্ধারিত এই তিন ধরণের কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই পুরো দল হিসেবে তারা উঠে দাঁড়াতে পারে নি। দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করা, সাফল্যের জন্য দিক নির্দেশনা দেয়া এবং হেরে বাদ পড়ার মত বিপদের সমাধান তার কাছে ছিল না। কোচ হিসেবে তার কাছে সমাধান না থাকায় এবং সমস্যা সমাধানে তার উপর সকলের অত্যধিক নির্ভরশীলতার কারণে দলের অন্য কেউ কোন ভালো সমাধান নিয়ে দলের জন্য এগিয়ে আসতে পারে নি। সঠিক ভাবে নেতৃত্ব চর্চার জন্য কর্তৃপক্ষের উপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা ক্ষতিকর। এক্ষেত্রে সফল হতে হলে দুটি কঠিন কাজ করতে হবে। কর্তৃপক্ষের যেমন সবাইকে বলতে হবে যে ‘এই কাজ আমাদের সবার, আমার কাছে এই সমস্যার সমাধান নেই এবং আমাদের সবাইকে মিলেই এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে’ তেমনি দলে থাকা বাকিদেরও এগিয়ে আসতে হবে যার যার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আসন্ন অজানা বিপদ থেকে দলকে উদ্ধার করতে।

আর্জেন্টিনা যেমনি ভাবে ভালো দল, তেমনই ভাবে বাংলাদেশও অপার সম্ভাবনার। আপাত দৃষ্টিতে আমরা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও জয়ের স্বপ্ন না দেখলেও এই তরুণরাই বাংলাদেশের বিশ্ব জয়ের নেতৃত্ব দিবে তা অনিবার্য। আর সেই অনিবার্য নেতৃত্বের জন্য তরুণদের কে হতে হবে প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং যোগ্য। নেতৃত্ব চর্চার জন্য তারা যেন সকল বাধা কাটিয়ে উঠে এবং অনুপ্রাণিত হয় সেদিকে দৃষ্টি প্রদান করার প্রয়োজন অত্যধিক। কারণ সফলতা কেউ প্রাপ্য না, সফলতা অর্জন করতে হয়। মেসি পারে নি বিশ্বকাপ অর্জন করতে, কিন্তু বিশ্বাস রাখলে আমাদের তরুণরা পারবে বিশ্ব জয় করতে।

Three Leadership Lessons from Ambassador Leoni Cuelenaere

5184 2184 Fahmida Zaman Ema

Ambassador of the Embassy of the Kingdom of the Netherlands, Leoni Cuelenaere, met with BYLC graduates on June 5, 2018. Ms. Cuelenaere’s time as the Ambassador in Bangladesh, starting in 2015, has contributed to building an excellent relationship between the Netherlands and Bangladesh. Before Bangladesh, Leoni Cuelenaere served as the Ambassador of the Embassy of the Kingdom of the Netherlands to Zimbabwe, Sri Lanka, Yemen, and Rwanda.

During her visit to BYLC, she met with graduates from the recent BBLT program to talk about opportunities and challenges young people face in the countries. Recalling her experiences in Bangladesh, she stated with hope that so much is possible in Bangladesh as its greatest strengths are young people and their energy.

Leoni Cuelenaere also shared a few leadership lessons with the participants from her own decades long public service career.

You are part of a team: Ms. Cuelenaere said to the graduates that always remember, you are not just a boss. You are part of a team. When your team does well, it’s the team’s success. When it doesn’t, take the responsibility for the failure. But, the important part of your job is to work with identify and develop your team member’s strengths.

Listen to others: When you are working and hold a position of power of some sorts, people may not always say it when they disagree with you. It is your responsibility to find ways to listen to what your team members are really thinking. Therefore, you must create a work culture of truly listening to your colleagues.

Learn to take criticism: One of the most important lessons you must learn is to listen to criticism. Allow your team members to criticize you. When you are criticized, go back to yourself and reflect what may have gone wrong. If you are wrong, learn to say sorry. There is no harm in saying sorry.

Ms. Cuelenaere has been an avid supporter of BYLC’s work. She was also excited to learn about the student’s Leadership in Actions projects and how the participants would continue to contribute to their societies while achieving their personal goals.

টিমওয়ার্ক; কেন এবং কিভাবে

1086 724 Jamia Rahman Khan Tisa

‘তোমরা তো একটা টিম এ কাজ করছো। টিমওয়ার্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ  একটা ব্যাপার। টিমে কেউ যদি কোন ভুল করেও ফেলে সেটার জন্য তাকে হেয় করোনা, বরং তাকে শিখতে সাহায্য করো। লাভটা পুরো টিমেরই হবে।” আমাদের ডেমো প্রেজেন্টেশনের সময় একথাটাই বলেছিলেন বেসরকারি বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপীর চিফ অ্যাডভার্টাইজিং অফিসার অরূপ স্যান্যাল। কিছুদিন আগে ইউএনডিপি আয়োজিত একটা আইডিয়া ইনোভেশন কম্পিটিশনে আমি ফাইনালিস্ট হই। সেই সুবাদেই ইউএনডিপি থেকে আমাদের জন্য একটি ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা করা হয় যেখানে আমরা প্রজেক্ট প্ল্যানিং এবং তা প্রেজেন্টেশন সম্পর্কে হাতে কলমে শেখার সুযোগ পাই। read more

BYLC Talks: Insights from Mikael Hemniti Winther

2803 1887 Lamiya Jabbar

This week I met the Danish Ambassador to Bangladesh. Dressed in a sharp dark blue suit and black shirt he looked rather sharp. But his physical appearance is accompanied with a contrasting relaxed demeanor fitting of a young musician. But he is a musician, it turns out. Mikael Hemniti Winther, in addition to his role as the Danish Ambassador to Bangladesh, is also a guitarist who jams with local musicians wherever he is posted and has even played at the Jazz Blues Festival in Dhaka. Just as his hobbies set him apart, his professional accomplishments set him apart as well. His career journey spans from teaching at Copenhagen University to holding top positions at the Ministry of Foreign Affairs in Denmark to being posted as Deputy Head of Mission in Vietnam to becoming the Ambassador to Thailand, Iraq, and Bangladesh. read more

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.