Talking to children about sexual abuse

6000 4000 Shaveena Anam

Tariq* was repeatedly molested by an uncle over three years since he was five. The uncle used to bribe him with chocolate and ask him nicely to not tell anyone about their “playtime”. As a child not understanding what happened to him, Tariq never spoke about it to anyone, but became a very distant and antisocial child, prone to sudden tantrums and angry outbursts. When he was 16, in midst of an argument, he finally broke down and told his mother about it. Mortified about such allegations against her cousin, his mother told him he must have misunderstood and asked him not to mention this to anyone. Now in his 20s, Tariq still sees his uncle at family functions who jokes around with him, as if nothing ever happened.

I learned of Tariq’s story not from him but from his tearful older sister who learned about the incident by chance. She is worried about how Tariq has extremely low self-esteem and has isolated himself from his family. She said the matter was never brought up again and their parents never acknowledged it happened. She is full of resentment against her parents but doesn’t have the courage to confront them or talk to her brother about it.

Tariq’s story illustrates three things about us as a society:

One, we don’t respect the agency and experiences of children. When they challenge us with something distressing, we try to convince them, and ourselves, that they either imagined it or are lying. And whatever the case may be, they will forget about it over time.

Two, we are so uncomfortable about talking about issues related to sex and abuse that we are willing to push them under the rug and ignore them out of fear—fear of dealing with the truth and fear of what other people might say. In this case, it was particularly difficult for their mother to deal with the idea that her son had been molested, and by a man no less.

Three, we are so in denial of the idea that those close to us can also engage in abusive behaviour, that we are completely unwilling to confront the crime so as to not create rifts in the family or attract undue attention.

But we need to get over ourselves. Enough newspapers reports and anecdotal evidence has shown us that sexual abuse of children is rampant across all strata of society, but our silence around the issue is deafening.

Children who experience sexual abuse tend to keep silent about their experiences because of feelings of guilt, shame, and confusion. Stigma around the issue and examples of muzzling conversations set by adults also discourage children from expressing their feelings out of fear of not being believed. It is this shroud of secrecy and denial that we need to shake ourselves out of, and one way of doing that is by openly communicating with children about it.

The positive impact of this open communication is demonstrated by the work of a student-led project called Nishu (Nirapod Shoishober Uddeshe) initiated by a group called Ground Zero. In December 2016, Ground Zero won the BYLC Youth Leadership Prize, a grant of BDT 750,000 from Bangladesh Youth Leadership Center (BYLC) with support from UKAID. With help from other child rights groups, including Breaking the Silence, they created a child-friendly module for students reading between classes three and five, that disseminated accessible information on the threat of sexual abuse.

A baseline survey with 480 students from five different schools found that around 70 percent of the children were not aware that they had private parts, which were not supposed to be touched by anyone else. They held sessions with 1,200 students from various schools and, through the use of cartoons, poems and posters, were able to make them aware of their personal space and private parts, which are forbidden to others, understand how to differentiate between appropriate and inappropriate touching, and what to do if someone did anything that made them uncomfortable.

Ground Zero’s main intention was to reach children with the right information before they experienced sexual abuse. Through their intervention, they found that many children had experienced abuse at home by people they trust, but hadn’t spoken about it either because they couldn’t comprehend what was happening to them, or couldn’t articulate their feelings of discomfort. Having someone speak openly to them about it helped them to understand their experience and speak to their parents. Several parents called the group afterwards, admitting shock that this had happened to their children right under their noses. In one instance, where a girl was being molested by her father, the child spoke to her mother after attending one of these workshops. Upon learning this, the mother moved away with the child and filed a police report. Ground Zero’s initiative demonstrates that an act as simple as speaking to children on their level can have a far-reaching impact on their lives.

A lot needs to be done to address child sexual abuse. We need to find out the root causes of why it happens, we need to establish better processes for legal recourse and punishing perpetrators, and we need better counselling services for those who experience abuse and trauma. But these sorts of initiatives are often left for government services, hospitals, or NGOs to manage. A small but effective measure that each of us can take at home is to create channels for open communication and talk to the children in our lives about it. It doesn’t have to be an uncomfortable, detailed, explicit discussion, but enough so that they are aware, able to protect themselves, and seek help if something happens. Hopefully then, we will have all played an active part in creating a society where no child has to suffer in silence as Tariq did.

*Names have been changed to protect identity

Shaveena Anam is Deputy Manager, Communication at Bangladesh Youth Leadership Centre.


This article was originally published in the local newspaper, The Daily Star, on December 8, 2017.

রেজিউমিতে যে ৮ টি ভুল কখনোই নয়

1024 500 bylc_blog_admin

রেজিউমি । চাকুরিদাতার সামনে নিজেকে উপস্থাপনের প্রথম ধাপ। এই ধাপটি উতরে যাওয়াটা কিছুটা কঠিন। কেনোনা নিয়োগকর্তারা বহু যাচাই বাছাইয়ের পর তাদের পছন্দসই রেজিউমির মালিককেই ইন্টারভিউয়ে ডাকে। সুতরাং রেজিউমিতে কোনো ভুল থাকা কখনোই কাম্য নয়। কিন্তু ছোটোখাটো কিছু ভুল আমরা রেজিউমি লিখতে গিয়ে প্রায়ই করে ফেলি। ছোটোখাটো মনে হলেও সেই ভুল কিন্তু মারাত্মক। একটুখানি সচেতন হলেই এইসব ভুল কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। রেজিউমি বানাতে যেয়ে আমরা যেসব ভুল অহরহই করে থাকি সেগুলো নিয়েই সাজানো হয়েছে এই আর্টিকেলটি।

টাইপিং এবং ব্যাকরণগত ভুল
এটি সবচেয়ে কমন ভুল। প্রায় সবারই হয়ে থাকে। রেজিউমিতে একটা টাইপিং মিসটেক আপনার রেজিউমিটি না পড়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয় অনেকাংশে। ব্যাকরণগত ভুল আপনার সম্পর্কে নিয়োগকর্তারর মনে খুব বাজে একটা ধারণা তৈরি করে। অনেকসময় দেখা যায় তিনি বিরক্ত হয়ে রেজিউমিটি পুরোপুরি পড়েনই না। অথচ কয়েকটা রিভিশন কিন্তু আপনাকে এই ভুলটি থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।

ডেডলাইনের আগের দিন রেজিউমি বানানো
এই কাজটি কখনোই করা উচিত নয়। কেননা তাড়াহুড়াতে যেমন অনেক ছোটোখাটো ভুল আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় তেমনি রেজিউমিটি সঠিক না হবার সম্ভাবনা ও খুব বেশি। একটু সময় হাতে নিয়ে কাজটি করলে অনেক সমস্যার হাত থেকে বেঁচে যাওয়া যায়। বারবার রিভিশন দেওয়ারও সুযোগ থাকে।

অনির্দিষ্ট ভাবে কিছু লেখা
আমরা বেশিরভাগক্ষেত্রেই অনির্দিষ্ট ভাবে বিভিন্ন তথ্য দেই। এতে করে নিয়োগদাতা আপনার সম্পর্কে একটা আবছা ধারণা পান। এক্ষেত্রে যাই লিখুননা কেনো তা নির্দিষ্টভাবে লেখার চেষ্টা করুন। যেমন : “আগে আমি এনজিও তে কাজ করেছি।” এটা না লিখে এনজিওতে আপনি কি কাজ করেছেন সেটা লিখুন। এতে করে আপনার কাজ এবং দক্ষতা সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া পাওয়া যাবে।

একই রেজিউমি সব জায়গায় চালিয়ে দেওয়া
এই ভুলটা সবচেয়ে বেশি করা হয়। যে পদে আবেদন করছেন তার চাহিদা অনুযায়ী রেজিউমি সাজান। আপনি কেনো সেই পদের যোগ্য তা রেজিউমিতে তুলে ধরুন। মনে রাখবেন সব জব অফারে একই ধরণের যোগ্যতা যেহেতু চাওয়া হয়না তাই একই রেজিউমিও সব আবেদনের জন্য উপযুক্ত নয়।

গৎবাঁধা অবজেক্টিভ
এটাও একধরণের ভুলই বটে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা যে পদে আবেদন করছি তার সাথে জব অবজেক্টিভের কোনো মিল থাকেনা। অবজেক্টিভ লেখার সময় কৌশলী হোন। ঠিক কি ধরণের কাজ করতে চান তা লিখুন। খুব নির্দিষ্ট করে এমন ভাবে অবজেক্টিভ লিখুন যেনো তা যে পদে আবেদন করছেন তার সাথে সংগতিপূর্ণ হয়।

মিথ্যা তথ্য দেওয়া
অনেকে নিয়োগকর্তার মনোযোগ আকর্ষণের জন্য অনেক স্কিল বা অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে লেখেন।
এই কাজটিকে শুধু ভুল বললে ভুল হবে। এটা অন্যায়। এধরণের কাজ থেকে বিরত থাকুন। তথ্য প্রদানের বেলায় সৎ থাকুন।

ইনফরমাল ইমেইল অ্যাড্রেস
এটাও একটা কমন দৃশ্য। অবুঝ বালিকা, ছোটা ডন কিংবা দুঃখবিলাসী এই ধরণের নাম যেন আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসে না থাকে। এটা যেমন হাস্যকর তেমনি ইনফরমাল বটে। নিয়োগকর্তার মনে আপনার সম্পর্কে বাজে ইম্প্রেশন তৈরী করতে আপনার একটি ইনফরমাল ইমেইল অ্যাড্রেস কম যথেষ্ট নয়। নিজের নাম দিয়ে প্রফেশনাল ইমেইল আইডি খুলুন।

বিশ্বস্ত কিংবা গোপন কোনো তথ্য রেজিউমিতে দেওয়া
দেখা গেলো আপনি আপনার দক্ষতা তুলে ধরার জন্য পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের কোনো গোপন বা বিশ্বস্ত তথ্য রেজিউমিতে লিখলেন। এতে করে কিন্তু আপনার খারাপ ইমেজই ফুটে উঠছে। এই কাজটিও পরিহার করুন।

ছবিসূত্রঃ Diverse-Edge-Recruting

কর্মজীবনে প্রবেশের আগে যে ১০টি বিষয় আপনার জানা উচিত

1200 800 bylc_blog_admin

পড়াশোনা প্রায় শেষের পথে।কিছুদিনের পরেই কর্মজীবনে প্রবেশ করবেন? আসুন জেনে নিই এমন কিছু বিষয় যা জানা থাকলে কর্মক্ষেত্রে আপনি হবেন সবার চেয়ে একটু ভিন্ন আর নিজেকেও মানিয়ে নিতে পারবেন সহজে।

দায়িত্ব নিতে শেখা
দায়িত্ব নিতে শেখাটা কর্মজীবনে প্রবেশের আগে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। দায়িত্ব নিতে জানলে এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করতে জানলে বসের নজরে তো আসবেনই অফিসেও বাড়বে সুনাম।

কমফোর্ট জোনকে না বলুন
কর্মজীবনে ঢোকার পর এমন অনেক পরিস্থিতির মুখোমুখিই হতে হবে যাতে আপনি অভ্যস্ত নন। কমফোর্ট জোন থেকে বের হওয়ার অভ্যাস তাই গড়ে তুলুন এখন থেকেই।

নিজেকে প্রকাশ করতে জানা এবং নেটওয়ার্কিং
কর্মজীবনে আসলে আপনি নিজে একধরণের পণ্য। আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতাই আপনার মান নির্ধারণ করবে। তাই নিজেকে ঠিকঠাকভাবে প্রকাশ করতে জানাটাও পারতে হবে। আর হ্যাঁ। নেটওয়ার্কিং এর দক্ষতা না থাকলে পিছিয়ে পড়বেন সবার থেকে।

সমালোচনা গ্রহণ
অনেক সময় আমরা সমালোচনাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারিনা। সমালোচনাকে ইতিবাচক ভাবে নিন। শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন।

সময়ের সঠিক ব্যবহার
সময়ের ব্যাপারে হতে হবে সচেতন। সময়ের কাজ সময়ে না করতে পারলে প্রতিযোগিতার এই যুগে চাকরি বাঁচিয়ে রাখাটা খুব কঠিন।

সমস্যা সমাধান এবং বিশ্লেষণধর্মী ভাবনা
আজকাল চাকুরিদাতারা এমন কাউকে খোঁজেন যিনি সমস্যা সমাধানের খুঁজে বের করতে পারেন এবং বিশ্লেষণধর্মী ভাবনায় দক্ষ। এই দক্ষতা বাড়াতে চাইলে বাড়াতে হবে পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতা।

টিমওয়ার্ক ছাড়া আজকাল কর্মজীবন ভাবাই যায়না। দলগত ভাবে কাজ করার মত মানসিকতা থাকতে হবে।

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সততা
কাজের জায়গায় সততা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে আপনি কখনোই সেখানকার পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারবেন না। আর এই গুণগুলো আপনাকে অনুপ্রেরণা দেবে এগিয়ে যাওয়ার।

চাপের মধ্যেও কাজ করতে জানা
সবসময় যে রিল্যাক্সিং মুডে কাজ করতে পারবেন তা তো আর নয়। কখনো কখনো কাজের চাপও থাকবে, এর সাথে যোগ হতে পারে মানসিক চাপ। এই সব কিছুর মাঝেই কাজকে এগিয়ে নেওয়া জানতে হবে।

নিজের উপর বিনিয়োগ
নিজেকে কোন বিষয়ে দক্ষ করে তোলার জন্য আপনি যে বিনিয়োগ করবেন তা একসময় বহুগুণ হয়ে ফিরে আসবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভাষা শেখা, কোডিং এর মতো দক্ষতাগুলো অর্জন করে নিন কর্মজীবনে প্রবেশের আগে আগেই।

ছবিসূত্রঃ Stanford Technology Ventures Program

টিমওয়ার্ক; কেন এবং কিভাবে

1086 724 bylc_blog_admin


‘তোমরা তো একটা টিম এ কাজ করছো। টিমওয়ার্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ  একটা ব্যাপার। টিমে কেউ যদি কোন ভুল করেও ফেলে সেটার জন্য তাকে হেয় করোনা, বরং তাকে শিখতে সাহায্য করো। লাভটা পুরো টিমেরই হবে।” আমাদের ডেমো প্রেজেন্টেশনের সময় একথাটাই বলেছিলেন বেসরকারি বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপীর চিফ অ্যাডভার্টাইজিং অফিসার অরূপ স্যান্যাল। কিছুদিন আগে ইউএনডিপি আয়োজিত একটা আইডিয়া ইনোভেশন কম্পিটিশনে আমি ফাইনালিস্ট হই। সেই সুবাদেই ইউএনডিপি থেকে আমাদের জন্য একটি ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা করা হয় যেখানে আমরা প্রজেক্ট প্ল্যানিং এবং তা প্রেজেন্টেশন সম্পর্কে হাতে কলমে শেখার সুযোগ পাই।


ওয়ার্কশপের প্রথম দিনেই আমাদের ৬টি টিম এ ভাগ করে দেওয়া হয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপারটি হল আমি এমন একটা টিমে পড়লাম যেখানে আমরা কেউ কাউকে আগে থেকে চিনিনা এবং আমাদের সবার ব্যাকগ্রাউন্ড আলাদা। তারপর আরেকদফা অবাক করে দিয়ে জানানো হলো যে এই টিমেই আমাদের একটা আইডিয়া বের করতে হবে, প্রজেক্ট ডিজাইন করতে হবে এবং বিচারকদের সামনে প্রেজেন্টেশনও দিতে হবে। এর জন্য আমরা সময় পাবো দুদিনের ও কম। প্রথমদিকে আমরা কিছুটা ঘাবড়ে গেলেও পরে সব ঠিকঠাক মত সামলে নিতে পেরেছিলাম এবং বিচারক ও দর্শক জরিপে আমাদের টিম “জাগরণ” জিতে নিয়েছিলো ১ম রানার্সআপের পুরস্কার। পুরস্কার জিতে নেওয়ার বাইরে আমি সবথেকে দারুণ যে জিনিসটি আমি পেয়েছি তা হলো আমার টিম। অরূপ স্যান্যালের কথাটা আমাদের খুব কাজে লেগেছিলো।পুরস্কার না পেলেও আমার কোন আফসোস থাকতো না। কারণ আমার টিম আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।

এই লেখাটাতে আমি আমার টিমওয়ার্কের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে চাই। আজকাল পড়াশোনা, চাকুরি, প্রকল্প বাস্তবায়ন সহ সব ক্ষেত্রেই টিমওয়ার্ক লাগে। অনেক সময় দলের মানুষগুলো আমাদের আগে থেকেই পরিচিত থাকে আবার অনেক সময় থাকেনা। কিন্তু সঠিক টিমওয়ার্ক আপনার কাজকে দিতে পারে নতুন মাত্রা।আসুন প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক কেন টিমওয়ার্ক প্রয়োজন।

সমস্যার সমাধান পেতে
সমস্যা সমাধান করতে টিমওয়ার্কের বিকল্প নেই। একা সমস্যার সমাধান খুঁজতে গেলে আটকে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। সবাই মিলে সমস্যা সমাধান খুঁজলে সহজেই সমাধানে আসা যায়।

২.নতুন ধারণার জন্ম দেয়
একটি দলে নানা ধরণের মানুষ থাকে এবং তাদের চিন্তাভাবনায় থাকে ভিন্নতা। ফলে জন্ম নেয় নতুন নতুন ধারণা।

টিমওয়ার্কে বাড়ে মনোবল
আপনি যখন দলগতভাবে কাজ করবেন খুব স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে আর একা মনে হবেনা। দৃঢ় হবে মনোবল আর বাড়বে আত্মবিশ্বাস।

শেখার সুযোগ
দলের প্রতিটি সদস্যের কাছ থেকেই কিছু না কিছু  শেখার আছে। যদি আপনার গ্রহণ করার মানসিকতা থাকে তবে টিমওয়ার্ক আপনার জন্য হতে পারে শেখার দারুণ মাধ্যম।

এতো গেলো টিমওয়ার্ক কেন দরকার সে কথা। এবার আসুন জেনে নিই কিছু বিষয় যা টিমওয়ার্কের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টিমওয়ার্কের সময় এই বিষয়গুলো মেনে চলাটা খুবই জরুরি।

সঠিক নেতৃত্বচর্চা
নেতৃত্বচর্চা মানে এই নয় যে আপনি নিজেই দলটির সর্বেসর্বা হয়ে উঠবেন। বরং সকলের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করণ এবং মতামত প্রদানের মাধ্যমেই নেতৃত্বের চর্চা করা হয়।

২.গ্রহণ করার মানসিকতা
অন্যের মতামত, দৃষ্টিভঙ্গিকে গ্রহণ করার  মানসিকতা থাকতে হবে। গ্রহণ করার মানসিকতা থাকলে সমস্যাকে ভিন্ন আঙ্গিকে দেখা যায়, আর অন্যদের কাছ থেকে শেখাও যায়।

বৈচিত্র্য একটি কার্যকরী দলের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত।  দলের সদস্যদের চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে ভিন্নতা থাকলে নতুন নতুন ধারণা আসে, আসে ভিন্ন মতামত। আর টিমওয়ার্কের সময় বৈচিত্র্যকে সম্মান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কার্যকরী যোগাযোগ
দলের মধ্যে কার্যকরী যোগাযোগ থাকতে হবে। তা না হলে টিমওয়ার্ক করতে গেলে নানা ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকসময় দেখা যায় সদস্যদের মধ্যকার যোগাযোগ কার্যকরী না হওয়ায় দলটি ভেঙ্গে যায়।

সম্মিলিত উদ্দেশ্য
দলের সকলের সম্মিলিত উদ্দেশ্য এক হতে হবে। তবেই সেই লক্ষ্য সাধনে সবাই এক হয়ে কাজ করা যাবে।

দ্বন্দ্ব পরিচালনা
টিমওয়ার্কে দ্বন্দ্ব তৈরি হবে এটাই স্বাভাবিক। কখনো কখনো বরং এটা ভালো। ধারণার বিপরীত দিকগুলো উঠে আসে। তবে দ্বন্দ্ব যদি আগ্রাসী আকার ধারণ করে তা ক্ষতিকর। তাই সঠিকভাবে দ্বন্দ্ব পরিচালনা করাও জানতে হবে।

পারস্পরিক বিশ্বাস এবং দায়বদ্ধতা
সদস্যদের মাঝে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং দায়বদ্ধতা থাকতে হবে।

সৃজনশীলতা এবং মতামতের স্বাধীনতা
সদস্যদের সৃজনশীলতা ও স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে। টিমওয়ার্কের এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ দিক।

কাউকে হেয় করা যাবেনা
সবার সমান দক্ষতা থাকবে তেমনটা নয়। কিংবা সাবধানতা সত্ত্বেও ভুল হতেই পারে। এজন্য কাউকে ছোট করা যাবেনা। বরং তাকে তার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে হবে।

আমি, স্বপ্নের পথ যাত্রী

3600 2400 Mutasim Billah

যে স্বপ্নের মধ্যে সীমানা থাকে তাকে কি স্বপ্ন বলা যাবে? সে যাত্রাকে কি স্বপ্ন যাত্রা বলা যাবে যার কিনা শেষ আছে? শেষই যদি হবে তবে তা আর স্বপ্ন কেন?

ছোট বেলা থেকেই আমাদেরকে স্বপ্ন দেখানো হয়। বড় হয়ে আমাদের অর্জন কি হবে কিংবা কি হওয়া উচিত তা নিয়ে। সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদেরকে অনেক কিছুই বলা হয়, যেটি বলা হয় না তা হল নিজেকে চেনার কথা। অথচ যে স্বপ্ন দেখে যাচ্ছি তা পূরণ করতে হলে সবার প্রথম নিজেকেই যে চিনতে হবে সে উপলব্ধিটুকুই আমাদের নেই।
আমার নিজেকে জানার যাত্রাটি শুরু হয় ২০১০ সালে যখন আমি বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার নামে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নেতৃত্ব শেখা শিখতে আসি। ওখানে গিয়ে দেখলাম একটা রুমের মধ্যে আরো ৪২ জন শিক্ষার্থী আমার মত একই রঙের টি শার্ট গায়ে বসে আছে। তাদের সাথে বসে আমার অনুভুতি হল যে এখানে দেশ সেরা স্কুল, কলেজ এবং মাদরাসা থেকে অসাধারণ সব মানুষজন বসে আছে। তাদের সাথে টিকে থাকার লড়াইটা আমার জন্য খুব কঠিন হবে। যতই দিন যাচ্ছে আমি অবাক হয়ে দেখলাম যে সবাই কত কিছু জানে আর একেক জন জীবনের দৌড়ে আমার থেকে কত এগিয়ে।
ঐ প্রোগ্রামেই উপলব্ধি করতে পারলাম যে আমিও পারি নিজের জীবন পরিবর্তনে অবদান রাখতে, যে অবদান হয়ত বদলে দিতে পারে আরো দশ জনের জীবন। বদলে দিতে পারে বাংলাদেশ।
তখন থেকেই চিন্তা হতে থাকে যে, সবাই যদি নিজের ভাল চায়, অন্যের ভাল চায়, সর্বোপরি দেশের ভাল চায় তাহলে সমস্যাটা কোথায়? কেন আমাদের সেই স্বপ্নের বাংলাদেশের দিকে আমরা এগিয়ে যাই না?
ধীরে ধীরে জেনে গেলাম, যে বাংলাদেশ কে নিয়ে স্বপ্ন আমাদের এক হলেও সেই সেই স্বপ্নকে আমরা শিক্ষা মাধ্যমের নামে তিনটি ভাগে ভাগ করে রেখেছি। যে মাধ্যমে থেকে আমরা একে অপরের ব্যপারে না জেনে হয়ত লালন করছি অনেক ভুল ধারনা। যার ফলশ্রুতিতে হয়ত তাদের মূল্যবোধকে সম্মান জানাতে পারছি না। বুঝতে পারছি না তাদের অবদানকে যা তারা দেশের জন্য করে যাচ্ছে।
আমাদের অভিযোগের কোন শেষ নেই। নানা রকম সমস্যায় জর্জরিত আমরা। কিন্তু কখনো হয়ত অনুভবই করি না যে আমাদের সমস্যার জন্য অনেকাংশে আমি নিজেরাই দায়ী। সেখানে তা সমাধানের জন্য আরেকজনের দিকে তাকিয়ে থাকলে এগিয়ে যাবো না কখনই।
সমস্যার জন্য দায়ী করে আমরা সবসময় বলি আমাদের দেশে সঠিক নেতৃত্ব নেই। নেতৃত্ব নিয়ে যখনই কথা হয় আমরা কিছু সুমহান গুনাবলির কথা বলি। কিন্তু বলি না যে আমাদের জায়গা থেকে আমরা কি করতে পারতাম। না বলার কারনটা, হয়তো আমাদের মাঝে সে বিশ্বাসই নেই যে আমরাও পারি।
সেই অনুভুতি থেকেই আমার পথ চলা শুরু। এরপর থেকে যতবার থেমে গিয়েছি, বারবার নিজেকে শুনিয়েছি ‘আমি পারি’।
বিওয়াইএলসির ঐ প্রোগ্রামেই আমি শিখেছিলাম কিভাবে মানুষের সামনে দাড়িয়ে কথা বলতে হয়। কিভাবে নিজের বক্তব্যটি কার্যকর ভাবে তুলে ধরা যায় মানুষের সামনে। এরপর থেকে যখনই সুযোগ পেয়েছি কথা বলেছি মানুষের সামনে। চর্চা করেছি, নিজের কথা বলার দক্ষতা কে বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।
দীর্ঘ ৪ মাস পর যখন ঐ প্রশিক্ষণ শেষ হল তখন মনে হল এবার আমার পালা। যা শিখেছি তা কাজে লাগাতে হবে। আমিও এবার মানুষকে স্বপ্ন দেখাব। যারা আমার মতই আটকে আছে নিজের জীবনের গন্ডিতে তাদেরকে দেখাব কিভাবে তারাও পারে তাদের স্বপ্নকে সীমাহীন দিগন্তে ছড়িয়ে দিতে।
এর পাশাপাশি একটা চিন্তা ছিল। আমি যে সুযোগ পেয়েছি তা সবাই পায় না, আর অনেকেই পেয়ে কাজে লাগায় না। ঐ সময়টাতে যারা সুযোগ পায় না তাদের জন্য খুব বেশি কিছু করার না থাকলেও সুযোগ ছিল যারা সুযোগ পায় তারা যেন তা কাজে লাগাতে পারে তাতে সাহায্য করা। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই শুরু করলাম নেতৃত্ব পড়ানো। বাংলাদেশের ভিন্ন আর্থ সামাজিক অবস্থান থেকে উঠে আসা তরুণপ্রাণদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক অবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি নিজের ও অন্যদের মাঝে নেতৃত্বের গুনাবলি ছড়িয়ে দেয়াই উদ্দেশ্য। শুরু করলাম বিওয়াইএলসি’রই ১ মাসের প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম দিয়ে।
সেই প্রোগ্রামে আমার অনেক অভিজ্ঞতা হয়, পরিচয় হয় অনেকগুলো সুন্দর মানুষের সাথে। যাদের সাথে এখনো আমার যোগাযোগ আছে, যাদের কাছ থেকে এখনো অনেক কিছুই শিখি। সেখানে কারো জীবনে কোন সামান্য অবদান রেখেও যে তাদের জীবন বদলে দেয়া যায় সেটা নিজের চোখেই দেখতে পেয়েছিলাম।
২০১২ সালে ওই প্রোগ্রামের শেষে বিওয়াইএলসি’র সকল গ্র্যাজুয়েটদের নিয়ে গঠিত এলামনাই বিওয়াইএলসি গ্র্যাজুয়েট নেটওয়ার্ক – বিজিএন’র পরিচালনা কমিটির নির্বাচন। মাদরাসা মাধ্যম থেকে নিজে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচনে দাঁড়ালাম। সেদিন হেরে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওই নির্বাচনটা আমাকে অনেক চিন্তার খোঁড়াক দিল। আসলেই যদি ভাল কিছু করতে চাই তবে কি একটি পদ খুব বেশি দরকার? নির্বাচনে জিততে পারি নি, তবে কি আমাকে দিয়ে হবে না?
বুঝতে পেরেছিলাম যে, যদি তীব্র ইচ্ছা থাকে তবে ঐ সব ছাড়াও এগিয়ে যাওয়া যায়, অন্যদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়াও যায়। তখন থেকেই চেষ্টা করেছি নিজেকে গড়ে তোলার। ২০১৪ সালে যখন আবার বিজিএন এর নির্বাচন হয় তখন আমি প্রতিনিধিত্ব করি বিজিএন প্রেসিডেন্ট এর পদটির জন্য। জানি না কোথা থেকে পেয়েছিলাম ঐ সাহস, তবে ঠিকই দায়িত্ব পেয়েছিলাম দেশ সেরা প্রায় ২৫০০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে গঠিত বিজিএন’র প্রধান হিসেবে কাজ করার। নিজেকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা পূরণ হল। তবে যুদ্ধ মাত্র শুরু। এত বড় দায়িত্ব পালনের কোন যোগ্যতা তখনও আমার হয়ে উঠে নি। নিজেকে গড়ে তোলার আসল কাজটা এবার যে করতেই হবে। যে কাজটা আজ অবধি করে যাচ্ছি। কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাইনি কোনদিন শুধুমাত্র নিজেকে প্রমাণ দিতে চেয়েছি যে ‘আমি পারি’। আমি জানি আমি কোন জায়গা থেকে নিজেকে কোথায় নিয়ে এসেছি এবং কোথায় নিয়ে যেতে চাই।
প্রতিদিন নিজের জন্য নতুন নতুন লক্ষ্য ঠিক করেছি। কারো সাথে প্রতিযোগিতা ছিল না, যা ছিল তা নিজের সাথেই।
আমাকে যারা জীবনে বড় হতে শিখিয়েছেন আমি সব সময় তাদের মত হতে চেয়েছি। হতে চেয়েছি নিঃস্বার্থ, হতে চেয়েছি এমন একজন মানুষ যাকে যে কেউ তার উপকারে খুঁজে পায়। একটি একটি করে ধাপ এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।
এই পথ চলার মধ্যেও আমাকে পিছন থেকে টেনে ধরার মত অনেক কিছুই ছিল। ব্যক্তিগত জীবনে হেরে যাওয়া, মানুষের অনুৎসাহিত করার মত কথা। অনেক কিছু।
২০১৫ সালে আমি দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচন করেছিলাম বিজিএন’র সভাপতি পদের জন্য। আগের ১ বছর নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করেছিলাম প্রতিষ্ঠানটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার, চেষ্টা ছিল একে যেন হাজারো তরুণের স্বপ্ন পূরণের প্লাটফর্ম হিসেবে তৈরি করতে পারি। কিন্তু নির্বাচনে আমি হেরে গিয়েছিলাম। বিশাল ব্যবধানে। তখন যতটা না কষ্ট পেয়েছিলাম তার চেয়ে বেশি শিক্ষা, উপলব্ধি হয়েছিল। আমি অনেকটাই নিশ্চিত ছিলাম আমি জিতে যাবো। এখন আমি বুঝি, ঐ ধরনাটার কারণে আমি ভুলে গিয়েছিলাম আমাকে অনেক শিখতে হবে।
এরপর জীবনে আরো বেশ কিছু সুযোগ আমি পেয়েছি, পেয়েছি অনেক সম্মান। কিন্তু কখনো নিজের অতীত ভুলে যাই নি, নিজের শেখার আগ্রহকে দমে যেতে দেই নি কখনো। মনে হয়নি আমার জীবনের লক্ষ্য পূরণ হয়ে গেছে। কারন আমি জানি আমার স্বপ্নের কোন সীমানা নেই। আমাকে যেতে হবে অনেক দূর।
অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমার অর্জন কি? আমি কখনো তাদের উত্তর দেই না। হাসি। কারন আমি জানি এবং বিশ্বাস করি যে আমার কাজই তাদের সে প্রশ্নের উত্তর। তবে যখন নিজের অজান্তে নিজের মনে এমন প্রশ্নের উদ্ভব হয় তখন নিজেকে বলি, কেউ যখন বলে আমার জন্য তার জীবনে সে স্বপ্ন দেখতে শিখেছে সেটি কি অর্জন নয়? যখন শত মানুষের সামনে দাড়িয়ে কথা বলার সুযোগ হয়েছে এবং সে কথায় কারো জীবন পরিবর্তন হয়েছে, তা কি সফলতা নয়?
আমি এখনো কাজ করে যাচ্ছি, স্বপ্নের কাজ। পরিবর্তনের পথে হেঁটে চলছি আমি, স্বপ্নের পথ যাত্রী।

Reasons why you can’t…

4000 2667 Aryan Kabir

This writing will not be uplifting, nor will it teach you to be the greatest leader the world has seen. However, I can assure you that it will be frank, uncomplicated and notably relatable to our lives.

As millennials, we have always been taught that each and every person is special; that you can achieve greatness if you believe it. This very sentiment is why most people grow up under the false impression that everything will go as they imagine it to be. Society has a strange way of sugar coating things in its attempt to inspire and encourage the youth and that is where it goes wrong.

The consequences of such practices can be seen in many education sectors of the world. A 2015 study shows that a staggering one in four adult students have mental illnesses, ranging from anxiety disorders to depression. This is primarily due to the superficial image we have painted over the years, the over use of censorship and the urge to make everything look simple resulting in low effort put into studies, extra-curricular activities and all other work. That is why when exiting the safe boundaries of their schools and stepping into the real world, these individuals experience a whole new level of competition, that they are unprepared for. The real blow: the realization that they are not the best, that there is and will always be someone better than them. Based on a 2009 survey conducted by the American College Health Association-National College Health Assessment (ACHA-NCHA II), 39 percent of college students will feel hopeless during the school year, 25 percent will feel so depressed they’ll find it hard to function, 47 percent will experience overwhelming anxiety, and 84 percent will feel overwhelmed by all they have to do. These numbers are concerningly high and are reflected in Bangladeshi high school students. As such, we have to realize the models of leadership we have engineered to cater to everyone, will fail. We need to construct models that are not over simplistic and pliable to different people’s different skills, and paces.

A wise man once said being a leader does not mean being the best; it is about remaining consistent, adapting to changes and delivering the best one can provide, while assisting others. This is something these young adults fail at mastering. Those who may have done well in school become discouraged and never truly return to their previous pace while others fail to reach their potential, altogether.

This does not mean that everyone faces these same hardships, as every person is truly different. The message of this dilemma only serves as an advice not to be taken lightly – as leadership in any field of work will test the limits of oneself. The ones who do adapt and learn to accept failure are the ones who truly reach the top. Colonel Sanders, Jack Ma, Steve jobs -they have all failed at one point in their lives but have all been resilient, which ultimately led to their success.

The problem of creating false models for children persists. It is happening now more than ever. Therefore, it is up to us to make the change and be the change; to introduce models which will encourage the youth to strive for betterment and make them aware of the fact that there is always a chance things may not go as planned.

Expert’s Insights: An Interview with Arif Ainul Suman

3791 2464 Saanjaana Rahman

Arif Ainul Suman is the Executive Director, Corporate Banking, Standard Chartered Bank. A topper in his batch from IBA, Mr. Suman passionately pursued his career with leading multi-national financial institutions past 18-years in the arena of providing financing solutions and risk management for leading local corporate clientele. Besides providing Working Capital Solutions and Trade Finance Structuring, he has substantial experience in Specialized Financing and Advisory. He is considered a pioneer in power sector having been involved in raising financing for approximately 20% of country’s private sector generation capacity.

read more

এভরিডে লিডারশীপঃ সাগরের ক্রিয়েটিভ সোসাইটি

1999 1330 bylc_blog_admin

ক্রিয়েটিভ সোসাইটি। নামটার মাঝেই কেমন একটা সৃজনশীলতার আঁচ পাওয়া যায়। তরুণ প্রজন্মকে যোগাযোগ দক্ষতা, উপস্থাপনা  দক্ষতা, নতুন নতুন আইডিয়া উদ্ভাবন ও উদ্বুদ্ধকরণ এবং মানসিক দক্ষতায় দক্ষ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ২০১৪ সালের ০১ লা নভেম্বর  “ক্রিয়েটিভ সোসাইটি”র প্রতিষ্ঠা হয়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে পড়ুয়া তিন বন্ধু আবু সাঈদ আল সাগর, আল-আমিন ইসলাম ও কাজী সানজিদুল ইসলাম শুভর প্রচেষ্টাতেই গড়ে উঠেছিলো এই প্ল্যাটফর্মটি। read more

Everyday Leadership: An Interview with Zainab Syed Ahmed

960 640 Noshin Noorjahan

Zainab Syed Ahmed is a graduate of BYLC’s Youth Leadership Bootcamp, 2015. Soon after the completion of the program, Zainab joined BYLC as an Executive in Curriculum Development team with the goal of inspiring the young generation to become leading change-makers in their fields; thereby, creating a positive change in the society. Since then, she co-instructed in four leadership training programs and facilitated in more than 15 programs including Building Bridges through Leadership Training, Building Bridges through Leadership Training Junior, Youth Leadership Bootcamp, and Art and Practice of Leadership. read more

Remembering Rupa

496 330 Inshirah Azhar

Dear Rupa Khatun Pramanik, read more

Seo wordpress plugin by