Programs and Projects

Do young graduates of Chattogram have enough opportunities in terms of education, extracurricular activities and career?

2016 1512 Maliha Shamsun

BYLC Chattogram organized its first BYLC Social on August 2, 2018, which discussed the question, “Do young graduates of Chattogram have enough opportunities in terms of education, extracurricular activities and career?”. The discussion was followed by music over tea and snacks.

Before the discussion took full form, a key problem that was identified uniformly by all was that irrespective of the number of opportunities available, young people don’t utilize the existing opportunities. The issue that graduate Abdullah Al Kaisar, co-founder of notable youth organizations like Team Chittagong and Traffic Chittagong, pointed out, “the core problem lies within institutions where they cannot understand the nature of the rapid change, which is why they are reluctant take new initiatives.  Youth also fail to utilize the opportunities they get on their way. This happens because even if they are given the exposure of attending programs or meeting resourceful people, they tend to move away from the purpose of their work. Because to them, “network” has a wrong connotation, they think networking is getting connected with high-profile people in Facebook, chatting and spending time online without being productive.”

Towhid Khan, Manager of BYLC Office of Professional Development (OPD), added, “the youth themselves don’t know what they are capable of doing. They have built their own barrier where they limit themselves from exploring; from knowing what they can get if they explored a totally different field. This leads them to limit themselves.”

Murshedul Alam, pioneer of Campaign Red, feels that culture also has to play a strong role in this matter. In comparison to Dhaka, due to geographical location, climate and the variation in lifestyle, there is less diversity. Another factor is where people fall behind and miss out on opportunities due to family barriers. Samsia Sifat, Assistant Manager of Operations, BYLC Chattogram, expressed concern that this protective nature of families causes the young people of Chattogram to be less confident.

When discussing solutions, the graduates along with the BYLC team concluded that young people must adopt three habits- appreciation, commitment and preparation. As our Assistant Manager of OPD, Arnab Saha mentioned, “Each of us has a role to play. The road towards success is not easy. In this journey of creating ourselves we should not give up. Rather create ourselves every day in a different way by building networks, and using our access to information”.

কোটা নিয়ে ভাবনার পাশাপাশি তরুণদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট নিয়েও ভাবতে হবে

1920 1280 Sherazoom Monira Hasib

দেশের তরুণ সমাজ এ মুহূর্তে কিছু অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন দাবি আদায়ের জন্য তরুণরা কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহিংসতার পথও বেছে নিচ্ছে। যাতে করে সামগ্রিকভাবে একটা বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়েছে। এসব ব্যাপার নিয়ে তরুণরা কি ভাবছে তা নিয়েই ১২ জুলাই, ২০১৮ তে-বিওয়াইএলসি হেডকোয়ার্টারে অনুষ্ঠিত হয় নিয়মিত আয়োজন ‘বিওয়াইএলসি স্যোশাল’। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিওয়াইএলসি মার্কেটিং এন্ড আউটরিচ বিভাগের নির্বাহী সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইএলসি’র চারজন গ্র্যাজুয়েট।

প্রসঙ্গত, কোটা ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭২ সালের পর থেকে। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের তথা তাদের পরিবারের উন্নয়নের জন্য কোটা ব্যবস্থা প্রচলন করা হয়। তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে কোটার পরিমাণ কখনও হ্রাস আবার কখনও বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ কোটা ব্যবস্থাতে সংযোজন করা হয় মুক্তিযোদ্ধাদের তৃতীয় প্রজন্মের জন্যও কোটা ব্যবস্থা বহাল থাকবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তরুণদের থেকে দাবি আসে যে, কোটা ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে। তখন সরকারিভাবে এ ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু এর মধ্যেই কিছু তরুণ আবারো আন্দোলন করতে থাকে যাতে কিছু অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এসব ব্যাপার নিয়ে তরুণরা কি ভাবছে আমরা জানতে চেয়েছিলাম তাদের কাছে।

প্রথমেই তরুণরা এ ব্যপারে একমত পোষণ করে যে কোটা একেবারে বাতিল করা  উচিত হবে না। বরং যৌক্তিকভাবে কোটার পরিমাণ হ্রাস করা যেতে পারে। শুরুতেই ঢাকা ট্রিবিউন পত্রিকার সাংবাদিক, মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, “যে কোনও আন্দোলনের সময়ই আমরা একটা দ্বন্ধে থাকি যে আন্দোলনটা আসলে কে পরিচালনা করছে বা কে করবে। যেকোন আন্দোলনের দায়িত্ব এমন কারো হাতে তুলে দেয়া উচিত নয় যে নিরপেক্ষভাবে দাবি উত্থাপন করতে পারে না। যে ব্যাপারটা কোটার দাবি আদায়ের আন্দোলনে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।”

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সব সময়ই পরিলক্ষিত হয়, যে কোনও আন্দোলন থেকেই কেউ না কেউ সুবিধা আদায় করতে চায়। আর তাতে করে অনেক সময়ই মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। তাই তরুণদের উচিত, যে কোন দাবি উত্থাপনের সময় খেয়াল রাখা যেন কেউ তাদের ভুল পথে পরিচালিত করতে না পারে। একই সাথে কর্তৃপক্ষের উচিত হবে তরুণদের কথা এবং তরুণরা দেশ নিয়ে কি ভাবছে তা শোনার চেষ্টা করা।

কোটা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী তাসনিম মোস্তাকিম বলেন, আমাদের আসলে বুঝতে হবে কোটা ব্যবস্থা কি ধরনের সুবিধা দিতে পারছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদাহরণ দিয়ে বলেন, সেখানে এখনও পর্যন্ত কালোদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়। এর পিছনে কারন হচ্ছে, এক দুই জেনারেশনে আসলে কোনও একটা জাতি বা গোষ্ঠীর খুব বেশি সামাজিক পরিবর্তন হয় না। সে কারনে আমাদের ভাবতে হবে আসলে কোটা ব্যবস্থার কি ধরনের পরিবর্তন হওয়া উচিত। তবে একই সাথে তিনি এটাও বলেন যে, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট চিন্তা করেই আসলে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তাসনিমের বক্তব্য অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষকে ভেবে দেখতে হবে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী আসলে ঠিক কি ধরনের সংস্কার দরকার। সরাসরি কোটা বাতিল করে দেয়া কখনও সুষ্ঠু সমাধান নিয়ে আসবে না। কর্তৃপক্ষকে তরুণদের এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী দুই পক্ষের কথা ভেবেই একটা সুষ্ঠু সমাধান নিয়ে চিন্তা করতে হবে। বিশেষ করে সরকারী চাকরিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব অবশ্যই নিশ্চিত করা দরকার। পাশাপাশি আমাদেরকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাই এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত হবে না যাতে করে তাদের অসম্মান করা হয়। তাদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

গত দুই তিন বছরে দেখা গেছে, যে কোনও ন্যায্য দাবি আদায়ে তরুণরা আন্দোলন করছে। বিশেষ করে শাহবাগে তরুণদের গণজাগরণ আমাদেরকে ইঙ্গিত দেয় যে তরুণরা দেশ নিয়ে ভাবছে। সাম্প্রতিক সময়ে কোটা আন্দোলন করতে গিয়ে তরুণদের মধ্যে অনেক বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং সে সূত্র ধরে বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা আমরা দেখতে পাই। এ ব্যাপারে তরুণদেরকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। তরুণদের উন্নয়নের স্বার্থেই তাদেরকে একসাথে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চিন্তা না করলে সামগ্রিক  উন্নয়ন কখনও সম্ভব হবে না।

“ফাল্গুনী দেব বলেন, কর্তৃপক্ষ কে বুঝতে হবে যে এই ধরনের আন্দোলন আসলে তাদের বিপক্ষে নয়। তাই তরুণদের কথা বলার সুযোগ দিয়ে তাদের মনের কথা বুঝার চেষ্টা করতে হবে।” এটা সত্যি যে কর্তৃপক্ষের সব দাবি মেনে নেয়া সম্ভব হবে না। তাদের অনেক কিছু বিশ্লেষন করে দেখতে হবে আর এর জন্য সময় দরকার। তাই দুই পক্ষের ধৈর্য এখানে খুবই জরুরি।

এর পাশাপাশি আহমেদ সাব্বির যোগ করেন, “সরকারি চাকরির উপরে তরুণদের নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। কেননা শুধু সরকারি চাকরিতে এই বিশাল অংশের তরুণদের চাইলেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়।”

তরুণদের উন্নতিতে একবিংশ শতাব্দীর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের কোনও বিকল্প নেই। পাশাপাশি তরুণদের উচিত হবে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসা। এতে করে তারা আরও নতুন নতুন তরুণদের কাজের ব্যবস্থা করতে পারবে। কর্তৃপক্ষকেও ভাবে দেখতে হবে কিভাবে তরুণদের সুন্দর সুন্দর আইডিয়া গুলোকে বাস্তবিক রূপ দেয়া যায়।

বিভিন্ন পর্যায়ের তরুণদের কাছ থেকে মতামত নেয়ার পরে যেটা বোঝা যায় তা হচ্ছে, কেউই আসলে চাচ্ছে না যে কোটা বাতিল হয়ে যাক। সবার একটাই কথা, কোটা ব্যবস্থা দেশের সব পর্যায়ের মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন। বিশেষ করে, নারীদের ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী কে দেশের মূল ধারায় অবশ্যই নিয়ে আসতে  হবে আর সেটার মাধ্যমেই সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

যোগ্য শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন

1944 1296 Sherazoom Monira Hasib

সামগ্রিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা অভাবনীয় উন্নতি করেছি। আর এর সাথে সাথে আমাদের দরকার আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা যাতে করে দেশের উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের অবদান নিশ্চিত করা যায়। আর এ সকল বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্যই বিওয়াইএলসি স্যোশাল এর মাসিক আলোচনা অনুষ্ঠানের এবারের বিষয় ছিল “শিক্ষা ব্যবস্থায় সমস্যা ও তা থেকে উত্তোরনের উপায়”। এটি অনুষ্ঠিত হয় বিওয়াইএলসি হেডকোয়ার্টারে আর সঞ্চালনা করেন বিওয়াইএলসি মার্কেটিং এন্ড আউটরিচ বিভাগের নির্বাহী, আহমেদ সাব্বির।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সফল ৫ জন বিওয়াইএলসি গ্র্যাজুয়েট। আলোচনা থেকে উঠে আসে, সবার আগে যে ব্যাপার টা নিশ্চিত করতে হবে তা হচ্ছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমান সুযোগ সুবিধা। অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা যেন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমান সুযোগ সুবিধা পায়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভেদে এক ই লেভেলের শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সুবিধা পেয়ে থাকে, অর্থাৎ কেউ ভালো সুযোগ পায় তো কেউ অনেক সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হয় যা কখনও কাম্য নয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ধরা যাক, সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাবের সুযোগ সুবিধা অপ্রতুল। যে কারনে তাদের ব্যবহারিক শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। চাইলেও তারা হয়তো বিভিন্ন গবেষণা করতে পারছে না। অন্যান্য বিভাগের ক্ষেত্রেও এই ধরনের সমস্যা দেখা যায়। অথচ এই সময়টা হচ্ছে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সব চেয়ে মূল্যবান সময়। এখানে শিক্ষার্থীরা যে ধরনের জ্ঞান লাভ করবে তার মাধ্যমেই তারা ভবিষ্যৎ গড়বে।
এ ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মঞ্জুরুল হাসান বলেন, “দক্ষতার অভাবে চাকরির সুযোগ না পাওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মাঝে একটা হতাশা কাজ করে।” যে ধরনের গবেষণা বা কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের জ্ঞানের প্রয়োগ ঘটাবে সে জায়গাতেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রিসোর্স এর অভাব রয়েছে। অর্থাৎ এক ই ডিগ্রিধারীদের মধ্যে কেউ ভালো দক্ষতা নিয়ে বের হচ্ছে এবং কারো কারো দক্ষতার ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। ফলে চাকরি পেতে বা নিজের জ্ঞানের প্রয়োগের ক্ষেত্রে তারা পিছিয়ে যাচ্ছে। অনেকেই নিজের প্রচেষ্টায় অন্যান্য বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে তাদের একাডেমিক বিষয়ের বাইরে গিয়ে ক্যারিয়ার গড়ছে যদিও তার সংখ্যা খুব ই নগণ্য। কিন্তু এতে করে শিক্ষার সামগ্রিক উদ্দ্যেশ্য বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
এক ই ভাবে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য সমান সুবিধা নিশ্চিত করা যায় নি। যে কারনে এক ই কারিকুলামে পড়াশোনা করার পরেও তাদের মাঝে একটা “গ্যাপ” থেকে যায়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সব শিক্ষা উপকরন নিশ্চিত করা সম্ভব হয় নি। তারা পর্যাপ্ত শিক্ষক পাচ্ছে না বা অনেক সময় সব বিষয়ের শিক্ষক পাচ্ছে না। অর্থাৎ শিক্ষার মূল ভিত প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। সবার আগে তাই সব পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তাছাড়া বর্তমানে চাকরির যোগ্যতা হিসেবে বিভিন্ন দক্ষতা চাওয়া হয় যা শিক্ষার্থীরা গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থায় লাভ করতে পারে না। বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের বাইরেও আরও অনেক দক্ষতা প্রয়োজন যেগুলো সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খুব বেশি সচেতনতা লক্ষ্য করা যায় না। কিন্তু পরবর্তীতে ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে তারা বাঁধার সম্মুখীন হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে কমিউনিকেশন স্কিল এর কথা। অনেক শিক্ষার্থী জানে না কিভাবে সঠিক পন্থায় কারো সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী তার কমফোর্ট জোনের বাইরে গিয়ে সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে না। এক ই রকম আরও কিছু সফট স্কিলস এর দরকার যা সব ধরনের জব বা উদ্যোক্তা হতে গেলে প্রয়োজন যা শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা যায় না।
আরেকটি ব্যাপার পরিলক্ষনীয় আর তা হচ্ছে, বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীলতা চর্চার অভাব। যদিও বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি চালু আছে, শিক্ষার্থীরা এখনও মুখস্থ বিদ্যার আবর্ত থেকে বের হতে পারছে না। এর পিছনে প্রধান কারন হচ্ছে শুধুমাত্র ফলাফল কেন্দ্রিক চিন্তা ভাবনা। এ ব্যাপারে বিওয়াইএলসি কারিকুলাম বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার ও ইনস্ট্রাক্টর আলমীর আহসান আসীফ বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীদের কে সৃজনশীলতার ব্যাপারে আরও আগ্রহী করে তুলতে হবে। তাদের মাঝে কৌতূহল তৈরি করতে হবে যেন তাদের মাঝে নতুন নতুন বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ে”। এছাড়াও তিনি পরামর্শ দেন অভিভাবকগণ যেন শিক্ষার্থীদের সামনে কোন আইডল সেট করে না দেয়। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে লক্ষ্য করা যায়, তারা শুধুই ফলাফলের ব্যাপারে গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে করে শিক্ষার মূল উদ্দ্যেশ্য নষ্ট হচ্ছে অর্থাৎ জ্ঞান অর্জনের চেয়ে একটি ভালো ফলাফল ই মুখ্য হয়ে উঠছে। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি দক্ষতার ব্যাপারেও সমান গুরুত্ব দেয়া উচিত। আর তা সম্ভব হয় যখন ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতার চর্চা করানো হয়। এ ব্যাপারে জামিয়া রহমান তিসা বলেন, “আমি এমন একটি স্কুলে পড়াশোনা করেছি যেখানে অনেক বেশি সৃজনশীল কাজ করতে হয়েছে। আমার মনে হয় আমাদের কারিকুলাম টা এমন ই হওয়া উচিত”।
দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, শুধু ফলাফলের ব্যাপারে বেশি গুরুত্ব দেয়ার কারনে, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মনে ধীরে ধীরে ধারণা জন্মায় তাদের শুধু একটা ভালো ফলাফল হলেই চলবে। আর এ কারনে তাদের মধ্য থেকে বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ কমে যাচ্ছে।
উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠান থেকে একটা ব্যাপার পরিষ্কার আর তা হচ্ছে, সবার সমন্বিত উদ্যোগ ই শিক্ষার্থীদের কে বর্তমান বিশ্বের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারে। তাছাড়া বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষানীতির সঠিক বাস্তবায়ন ও জরুরি। আলোচনায় বক্তারা এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দেন। অভিভাকদের কে উপলব্ধি করতে হবে কেন শিক্ষার্থীদের উপরে কড়াকড়ি আরোপ না করে তাদের কে সঠিক শিক্ষা ও সৃজনশীল কাজের জন্য আগ্রহী করে তুলতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের কাছ থেকে ভালবাসা ও স্নেহ পেলেই বরং শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হয়ে উঠবে।

ক্যাম্পেইন রেড; কুসংস্কারের বিরুদ্ধে অভিনব প্রচারণা

5184 3456 Jamia Rahman Khan Tisa

পিরিয়ড বা মাসিক শব্দটি নিয়ে খুব একটা খোলামেলাভাবে কথা বলতে আমরা অস্বস্তিবোধ করি। অথচ আর দশটা শারীরবৃত্তীয় ব্যাপারের মতই এটা ঘটে প্রাকৃতিক নিয়মে। একজন নারীর প্রজনন স্বাস্থ্যের সুস্থতা জড়িয়ে আছে মাসিক (ঋতুস্রাব)সময়কালীন যত্নের সাথে। এই সময়টুকুর অবহেলা ডেকে আনতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকি। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাসিক একটি উপেক্ষিত বিষয় এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ‘গোপন’ বা ‘লজ্জাজনক’। এ নিয়ে মানুষের বিশেষ করে নারীদের মাঝে রয়েছে অসংখ্য কুসংস্কার আর ভুল ধারণা।  এই ভুল ধারণা আর না বলা কথাগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরতে এবং সর্বস্তরে বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া  কিশোর-কিশোরীদেরদের মাঝে  সচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে কাজ করছে ক্যাম্পেইন রেড। কথা বলেছিলাম ক্যাম্পেইন রেড টিম এর একজন সদস্য সৈয়দা ফারজানা আহমেদের সাথে। read more

Talking to children about sexual abuse

6000 4000 Shaveena Anam

Tariq* was repeatedly molested by an uncle over three years since he was five. The uncle used to bribe him with chocolate and ask him nicely to not tell anyone about their “playtime”. As a child not understanding what happened to him, Tariq never spoke about it to anyone, but became a very distant and antisocial child, prone to sudden tantrums and angry outbursts. When he was 16, in midst of an argument, he finally broke down and told his mother about it. Mortified about such allegations against her cousin, his mother told him he must have misunderstood and asked him not to mention this to anyone. Now in his 20s, Tariq still sees his uncle at family functions who jokes around with him, as if nothing ever happened.

I learned of Tariq’s story not from him but from his tearful older sister who learned about the incident by chance. She is worried about how Tariq has extremely low self-esteem and has isolated himself from his family. She said the matter was never brought up again and their parents never acknowledged it happened. She is full of resentment against her parents but doesn’t have the courage to confront them or talk to her brother about it.

Tariq’s story illustrates three things about us as a society:

One, we don’t respect the agency and experiences of children. When they challenge us with something distressing, we try to convince them, and ourselves, that they either imagined it or are lying. And whatever the case may be, they will forget about it over time.

Two, we are so uncomfortable about talking about issues related to sex and abuse that we are willing to push them under the rug and ignore them out of fear—fear of dealing with the truth and fear of what other people might say. In this case, it was particularly difficult for their mother to deal with the idea that her son had been molested, and by a man no less.

Three, we are so in denial of the idea that those close to us can also engage in abusive behaviour, that we are completely unwilling to confront the crime so as to not create rifts in the family or attract undue attention.

But we need to get over ourselves. Enough newspapers reports and anecdotal evidence has shown us that sexual abuse of children is rampant across all strata of society, but our silence around the issue is deafening.

Children who experience sexual abuse tend to keep silent about their experiences because of feelings of guilt, shame, and confusion. Stigma around the issue and examples of muzzling conversations set by adults also discourage children from expressing their feelings out of fear of not being believed. It is this shroud of secrecy and denial that we need to shake ourselves out of, and one way of doing that is by openly communicating with children about it.

The positive impact of this open communication is demonstrated by the work of a student-led project called Nishu (Nirapod Shoishober Uddeshe) initiated by a group called Ground Zero. In December 2016, Ground Zero won the BYLC Youth Leadership Prize, a grant of BDT 750,000 from Bangladesh Youth Leadership Center (BYLC) with support from UKAID. With help from other child rights groups, including Breaking the Silence, they created a child-friendly module for students reading between classes three and five, that disseminated accessible information on the threat of sexual abuse.

A baseline survey with 480 students from five different schools found that around 70 percent of the children were not aware that they had private parts, which were not supposed to be touched by anyone else. They held sessions with 1,200 students from various schools and, through the use of cartoons, poems and posters, were able to make them aware of their personal space and private parts, which are forbidden to others, understand how to differentiate between appropriate and inappropriate touching, and what to do if someone did anything that made them uncomfortable.

Ground Zero’s main intention was to reach children with the right information before they experienced sexual abuse. Through their intervention, they found that many children had experienced abuse at home by people they trust, but hadn’t spoken about it either because they couldn’t comprehend what was happening to them, or couldn’t articulate their feelings of discomfort. Having someone speak openly to them about it helped them to understand their experience and speak to their parents. Several parents called the group afterwards, admitting shock that this had happened to their children right under their noses. In one instance, where a girl was being molested by her father, the child spoke to her mother after attending one of these workshops. Upon learning this, the mother moved away with the child and filed a police report. Ground Zero’s initiative demonstrates that an act as simple as speaking to children on their level can have a far-reaching impact on their lives.

A lot needs to be done to address child sexual abuse. We need to find out the root causes of why it happens, we need to establish better processes for legal recourse and punishing perpetrators, and we need better counselling services for those who experience abuse and trauma. But these sorts of initiatives are often left for government services, hospitals, or NGOs to manage. A small but effective measure that each of us can take at home is to create channels for open communication and talk to the children in our lives about it. It doesn’t have to be an uncomfortable, detailed, explicit discussion, but enough so that they are aware, able to protect themselves, and seek help if something happens. Hopefully then, we will have all played an active part in creating a society where no child has to suffer in silence as Tariq did.

*Names have been changed to protect identity

Shaveena Anam is Deputy Manager, Communication at Bangladesh Youth Leadership Centre.

 

This article was originally published in the local newspaper, The Daily Star, on December 8, 2017.

এভরিডে লিডারশীপঃ সাগরের ক্রিয়েটিভ সোসাইটি

1999 1330 bylc_blog_admin

ক্রিয়েটিভ সোসাইটি। নামটার মাঝেই কেমন একটা সৃজনশীলতার আঁচ পাওয়া যায়। তরুণ প্রজন্মকে যোগাযোগ দক্ষতা, উপস্থাপনা  দক্ষতা, নতুন নতুন আইডিয়া উদ্ভাবন ও উদ্বুদ্ধকরণ এবং মানসিক দক্ষতায় দক্ষ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ২০১৪ সালের ০১ লা নভেম্বর  “ক্রিয়েটিভ সোসাইটি”র প্রতিষ্ঠা হয়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে পড়ুয়া তিন বন্ধু আবু সাঈদ আল সাগর, আল-আমিন ইসলাম ও কাজী সানজিদুল ইসলাম শুভর প্রচেষ্টাতেই গড়ে উঠেছিলো এই প্ল্যাটফর্মটি। read more

স্বপ্নের প্রতি যাত্রা

4000 2667 Afreen Zaman Khan

নেতৃত্ব শব্দটি জানা থাকলেও, অজানা ছিল এর গভীর অর্থ। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখেছি সাফল্যের, সাফল্যের জন্য নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তাও বুঝেছি; হয়তো এটাও বলেছি যে একদিন লিডার হব। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো নিজের অজান্তেই দেখিয়েছি লিডারশীপ দক্ষতা কিন্ত বিওয়াইএলসি আমাকে দিয়েছে নেতৃত্বের গভীর উপলব্ধি। নেতৃত্বের কাজ হয়তো কিছুটা কঠিন, আসতে পারে আঘাত কিন্তু এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা। এই দক্ষতা অর্জনের আকাঙ্খা ও চেষ্টা ধরে রাখা আমি শিখেছি বিওয়াইএলসির কাছ থেকে।

ছোট থাকতে ইচ্ছা ছিল একদিন শিক্ষক হব। তখন ভেবেছি স্কুলে পড়াবো কিন্তু বয়সের সাথে, স্বপ্নটাও বড় হয়েছে। এখন আমার স্বপ্ন শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া গোটা দেশের মানুষের মাঝে, সেই শিক্ষা হবে স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষা, পুষ্টি নিয়ে শিক্ষা। উন্নত করে তুলতে চাই এদেশের স্বাস্থ্য সুবিধা। এই প্রত্যাশায় আমি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে বায়োকেমিস্ট্রি এবং বায়োটেকনোলজি বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন করেছি। অর্জন করেছি যথাযোগ্য জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা। পড়াশোনার জগতে শীর্ষ স্থানেও অবস্থান করেছি। তবে এটাই তো শেষ নয়, এত বড় স্বপ্ন পূরণ করার জন্য দরকার পড়াশোনার বাইরের জগতেরও অভিজ্ঞতা। কাজেই বলা জেতে পারে যে আমার স্বপ্নটা স্বচ্ছ হলেও, সেই লক্ষ্যের প্রতি যাত্রাটা ছিল অস্পষ্ট।

২০০৯ সালে এ লেভেল শেষ করে বেশি দিন বসে থাকতে পারিনি। যোগ দিলাম নিজের স্কুলেই। ৬ মাস কাজ করলাম ও এন্ড এ লেভেল এক্সাম কোঅরডিনেটর হিসেবে। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় কাজ করলাম টিচিং অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবে। এই ছোট খাটো কাজ গুলো আমাকে ভবিষ্যতের জন্য অনেক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দিয়েছে। চতুর্থ বর্ষে এসে খোজ পেলাম বিওয়াইএলসির এ পি এল নামের ওয়ার্কশপটির। ফেসবুক এর মাধ্যমেই জানলাম এটার ব্যাপারে এবং একই সাথে জানলাম বিওয়াইএলসির ব্যাপারে। ব্যাপক নেটওয়ার্কিং ও অভিজ্ঞতা লাভ করার সুযোগ ছিল এই তিন দিনের ওয়ার্কশপের।

এপিএল এর তিন দিনের সেশনে অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজের স্বপ্নের একটু কাছে পৌছালাম। লিডারশীপ শিখানোর পাশাপাশি এপিএল আমাকে দিয়েছে কর্মজীবন পরিকল্পনা করার ধারণা। এই অভিজ্ঞতা লাভ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষটাই সবচেয়ে আদর্শ সময়। আমি মনে করি আমার মত আর অনেক শিক্ষার্থীরাই এই তিন দিনের ওয়ার্কশপ থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছে এবং জীবনে অগ্রগতি করার রাস্তাও পরিকল্পনা করতে পেরেছে।

মজার বিষয় হল যে এপিএল ওয়ার্কশপের এর পর বিওয়াইএলসির সাথে আমার সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়নি। বিভিন্ন সময়ে তাদের থেকে সাড়া পেয়েছি অন্যান্য ওয়ার্কশপএর অরগানাইজিং কমিটিতে তে কাজ করার। পড়াশোনার কারনে এসব সুযোগ প্রায়ই হাতছাড়া হয়েছে তবে গ্র্যাজুয়েশন শেষ হবার পর একটুও অপেক্ষা করিনি। খবর পেলাম যে বিওয়াইএলসি আয়োজন করছে বিশাল এক সামিটের। দেশ বিদেশ থেকে ৫০০ জন ডেলিগেট ও ৫০ জন স্পিকার দের নিয়ে বিশাল এক আয়োজন। এই সামিটের অরগানাইজিং কমিটিতে তে কাজ করার সুযোগ পেলাম। লিডারশীপ, কমিউনিকেশন, মার্কেটিং, অ্যাডমিনিসট্রেশন দক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা দেখেছি এই কাজের মাধ্যমে।

শুরুতেই বলেছিলাম স্বপ্নটা অনেক বড়ো, কাজেই দক্ষতাও হতে হবে অসীম। প্রতিদিন একটু একটু করে অর্জন করছি দক্ষতা এবং এগিয়ে যাচ্ছি স্বপ্নের নিকট। এই যাত্রায় বিওয়াইএলসির অবদান হয়ে থাকবে সর্বদা অমূল্য।

 

২০১৪ সালে এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে।

আফরিন জামান খান ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের স্কুল অফ লাইফ সাইন্সে লেকচারার হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি জন হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেল্থ থেকে বায়োকেমিস্ট্রি এবং মলিকিউলার বায়োলজি বিষয়ে মাস্টার্স করেছেন।    

Leadership Inward; tale of a girl who has always been the outcast

3643 2667 Halima Akter Liza

Have you ever felt that you belong nowhere? Do you feel alone amidst a crowd that is full of familiar faces? If you are accustomed to this solitude, I dedicate this article to you. read more

Empowering Ideas for an Inclusive World

3969 1388 Shaveena Anam

It has been a year since I have been working at BYLC, and it has been a remarkable experience watching and learning how leadership can be taught. I have had the opportunity to meet young people from different backgrounds and observe interesting dynamics between people who normally would not have met each other. I have watched as common assumptions were challenged in class, stereotypes were broken during group activities, and fears were conquered during public speaking workshops. read more

Being a Leader

1920 1255 Zehra Nawreen Khan

This article was originally published in Star Weekend, The Daily Star.

”What makes a leader?”

This question was asked by the lead instructor, Khaled Saifullah, to my class, on the first day of the Building Bridges through Leadership Training (BBLT) program at BYLC. Each of us produced different answers. One participant said, “A leader is someone who mobilizes people”. Another said, “A leader is one who takes initiatives”, “A leader is someone everyone looks up to”, “A leader motivates, inspires and represents people,” the comments poured in. Khaled Bhai neither refuted any idea nor did he rule one as accurate. Geared up with pens and notebooks, we all waited intently for him to give us the answer. A moment of silence ensued, accompanied by confusion. We looked at one another, some of us shifting in our seats, others trying to hide their growing anxiety. As the restlessness became palpable, we waited for him to relieve our tension. There came no answer and on that momentous first day we never ended up learning what qualities define a leader. But this was only the beginning.

The BBLT journey, for me, was a rewarding experience, one that tore at my convictions but exposed me to a world of opportunities. Thrusting myself into new territory, I was able to transcend the limits of thought, and gained the confidence to initiate action addressing social issues that are important to me.

Once we were equipped with the rights tools, the second phase of the program required us to implement what we learned in the real world and catalyze social change. This was the hard part; no matter how many books you read on leadership, nothing can prepare you for practical situations, if you lack the knowledge acquired by experience. My teammates and I chose a makeshift school for the street children in the vicinity of Panthokunja Public Park, as we were familiar with the area. After brainstorming different ideas and assessing the site, we came up with a plan to help the school.

We felt that, in addition to poverty alleviation, lack of access to essential services such as primary education, basic healthcare, water sanitation, nutrition, etc. are the most pressing issues and overarching challenges facing Bangladesh. Due to lack of access to essential services in underprivileged communities, our group, Project Lighthouse, decided to work on raising awareness about education, health and hygiene among the underprivileged children attending the school, as well as delivering modest support services to improve their standard of living. However, since we only had modest resources to aid our project, we decided to focus on education and sanitation. We planned to donate an electronic projector so that they could learn from different visual mediums, and to install a portable toilet to ensure better sanitation.

The challenges we faced to achieve our mission were formidable. One such instance was when we realized that it is easier said than done to install the toilet. We needed prior permission from City Corporation before we could put it in place. The City Corporation recognized the importance of the matter for provision of sanitation facilities to the community .It was fortunate for the community and us that they agreed to donate a toilet from their own resources. We then had to revise our plans, but it could not overshadow the joy and satisfaction of making a small difference in the lives of those students.

So, back to the question at hand, ‘what makes a leader?’ Without having the answer laid out in front of us, we learned what we needed to through experiential sessions. It is this heuristic approach to learning that enabled us to discover our potential and develop qualities attributed to leaders. Going into the program, we all had our individual concepts about what ‘leadership’ meant and we realized that none of them can be ruled out as either accurate or otherwise. But one thing that we learned on Day 1 is that when there is a crisis, a leader is one who does not look up to authority for answers.

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.