Do our schools adequately prepare us for the future?

888 556 Sampreeti Raya

As I prepare to graduate and arguably enter the ‘real’ world, I can’t help asking myself, “Am I prepared to enter the hyper competitive world with the skills I currently have?” I know after 12 years studying at an English medium school, four years at a public university, and passing all levels of academic certification successfully, I am expected to say ‘yes’. I should technically feel confident about my preparedness, yet I feel unsure. Completing an internship at Bangladesh Youth Leadership Center recently helped me realise that I lacked a few significant skills and abilities required in the workplace which never got the deserved focus while at school and university.


Throughout our time at school, we are taught how to acquire good grades and ace our exams. But, I feel we are not encouraged to learn in order to expand our horizons. Our society, education system, and parents have pushed us to run after things that give us instant rewards such as high grades and discouraged us from investing in areas that help us grow as curious human beings. A pervasive culture of rote memorisation has resulted in generations who are not critical or creative thinkers. The lack of passion to learn has broader implications in our society and the country. For example, according to a new study by the World Bank, unemployment in Bangladesh is more than 10%. In 2017, there were 260,000 jobless youth, however, employers have indicated they can’t find suitable candidates with right skills. Despite graduating with the right academic degrees employees are not equipped with the right creative thinking, problem solving, and communication skills, that are necessary for graduates to succeed in the job market. Unless we encourage our students to love learning and develop the ability to learn new things, instead of running after grades, it is very possible that we wouldn’t be able to move forward towards a better society.


The social norm we have come to accept is that we are rewarded when we succeed and penalised when we fail. In most educational institutions students’ achievements are celebrated and failures condemned. As a result, failure is associated with embarrassment, shame, and guilt and dealing with it becomes an added challenge that students don’t know handle. With rising expectations from society to compete and be better than others, most students are incapable of dealing with failure and rejection, resorting to antisocial behavior such as cheating, or in extreme cases taking their own lives. Rejection and failure are the most important learning tools as they reveal various truths about us that assist in handling future situations. Incidents of failures throughout our academic careers should be revered and examined as learning moments so that students are not scared of failing but use them as lessons to grow and develop.


The importance of physical health is often emphasised throughout our lives, but our mental wellbeing is often overlooked. According to WHO-AIMS in 2006, mental health expenditure from the government’s health ministry of Bangladesh is less than 0.5% of the total healthcare expenditure. This statistic clearly indicates what a low priority mental health is in Bangladesh. In schools, things like depression, stress, anxiety, and emotions are almost never discussed with students even though many young people suffer from these. A social stigma regarding these issues persist in our society which discourages a lot of individuals from seeking help. From my own experiences many in my generation face these problems yet do not seek help because of the fear or shame of being laughed at. Educational institutions have the potential to change that by creating safe environments where students are encouraged to openly talk about issues of mental health.

Our education system, despite teaching us immensely throughout the course of our lives, ignores a few important aspects of our development. If our education system does not reform, it runs the risk of being outdated in the face of the changing dynamics of the modern world. I hope the our government and education institutions start to bring focus on the above mentioned issues so that we, the country’s youth, can have the opportunity to learn, grow and build a better Bangladesh.

This article was first published in “The Daily Star” on July 12, 2018

কম সিজিপিএ নিয়ে যে ৭ টি উপায়ে ভাল ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব

1280 836 Sherazoom Monira Hasib

প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় অনেক স্বপ্ন ও সে স্বপ্ন পূরণের প্রত্যাশা নিয়ে। সবার মনেই থাকে ভাল কিছু করে পরিবার তথা দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা। দুঃখজনকভাবে আমরা দেখতে পাই সবার পক্ষে খুব ভালো ফলাফল করা সম্ভব হয় না। চার থেকে পাঁচ বছর পড়াশোনা করার পরে যখন কারো ফলাফল খারাপ থাকে, সেটা আসলেই হতাশাজনক।

কিন্তু আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, জীবন এখানেই থেমে থাকবে না। এক ই ব্যাচে কারো ফলাফল খুব ভালো হবে আর কারো একটু খারাপ হবে এমন টা খুব ই স্বাভাবিক। তাই ফলাফল যা আছে, সেটা নিয়ে কিভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায় আমাদেরকে সেটা ভাবতে হবে। তাই চলুন আজকে জানার চেষ্টা করি কিভাবে প্রত্যাশিত ফলাফল না থাকলেও ভাল ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা যায়।

নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করুন

আপনি যখন ফাইনাল ইয়ার বা শেষের দিকের সেমিস্টারে আছেন, তখন ই আপনি ধারণা করতে পারবেন আপনার সিজিপিএ আসলে কেমন হতে পারে। তাই আপনার উচিত হবে তখন থেকেই অন্যান্য দক্ষতা নিয়ে কাজ শুরু করা। সেটা হতে পারে আপনার ইংরেজী দক্ষতা, কথা বলার দক্ষতা, বিভিন্ন সফটওয়্যারে কাজ করতে পারার দক্ষতা ইত্যাদি।

ধরা যাক, আপনি ইংরেজীতে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন, সে ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে প্রতিদিন কিছু সময় লার্নিং এর জন্য বরাদ্দ করা। অবশ্যই ভাল একটা প্রস্তুতির পর আপনার উচিত হবে দক্ষতা কতটুকু বৃদ্ধি পেল সেটা জানার জন্য সে সম্পর্কিত কোন একটি পরীক্ষা দেয়া। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, আপনি IELTS পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আর সেখানে যদি আপনার ভালো একটা স্কোর থাকে, নিশ্চিত থাকেন তা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যথেষ্ঠ গুরুত্ব পাবে। এমন কি আপনি খুব ভালো ভালো কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন।

প্রতিষ্ঠিত কোন কোম্পানি তে ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দিন

একটি ভালো জব পাওয়ার জন্য এটি হচ্ছে সব চেয়ে কার্যকরী পন্থা। এমন কি, আপনার যদি খুব ভাল সিজিপিএ থাকে, তবুও আপনার উচিত হবে ইন্টার্ন হিসেবে কোথাও কাজ শুরু করা। এ ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে, আপনি সহজে ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পাবেন। তারা আপনাকে কাজ করার সুযোগ এই জন্য দিবে কারন এন্ট্রি লেভেলের কাজের জন্য খুব বেশি স্কিলস দরকার হয় না। হয়তো আপনি সেখান থেকে টাকা আয় করতে পারবেন না, তবে এর চেয়েও বেশি কিছু পাবেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সুবিধা টি পাবেন সেটি হচ্ছে কাজ সম্পর্কে জানার সুযোগ। আর যখন আপনি কোন কাজে দক্ষ, যে কোন প্রতিষ্ঠানে এক ই ধরণের কাজে আপনাকেই তারা প্রাধান্য দিবে। এমন কি এক ই জব পজিশনে, যার ফলাফল ভালো তার চেয়েও আপনার গুরুত্ব বেশি থাকবে কারন আপনি সে কাজ টা কিভাবে করতে হয় তা আগে থেকেই জানেন।

যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করুন

বর্তমান সময়ে যখন ই আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে এ জব এ এপ্লাই করছেন, সবার প্রথমেই তারা যে দক্ষতা আপনার কাছ থেকে প্রত্যাশা করবে তা হচ্ছে যোগাযোগ দক্ষতা। প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাভেদে যোগাযোগ দক্ষতা মানে এমন টা নয় যে শুধুমাত্র কথা বলতে পারার দক্ষতা। এখানে অনেক গুলো বিষয় জড়িত। আপনাকে এক ই সাথে একজন মনোযোগী শ্রোতা, একজন ভাল বক্তা ও কাউকে কনভিন্স করার মত দক্ষতা থাকতে হবে। সর্বোপরি, কারো সাথে যোগাযোগের জন্য যা যা প্রয়োজন সব ই জানতে হবে। আর এ জন্য আপনার উচিত হবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই সে সব ব্যাপারে চর্চা করা।

নতুন প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করুন

বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাতে তাদের বিভিন্ন রকমের কাজের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়। আর তাই প্রতিষ্ঠানগুলো এমন কাউকে নিয়োগ দিতে চায় যার নতুন প্রযুক্তিগুলো সম্পর্কে অনেক ভালো ধারণা আছে। এর জন্য প্রথমেই আপনাকে যেটা করতে হবে তা হচ্ছে, আপনি যে ধরণের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চান তাদের সম্পর্কে ভাল করে খোঁজ নিন। তাদের কি ধরণের প্রযুক্তিগত সহায়তা দরকার তার উপরে ভিত্তি করে আপনার নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করুন। সেটা যে কোন নতুন প্রযুক্তি ই হতে পারে। চেষ্টা করুন যেন আপনার দক্ষতা গতানুগতিক ধারার চেয়ে বাইরে কিছু হয়। সেটার সাথে নতুন যে কোন প্রযুক্তির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়ার মত যোগ্যতা থাকতে হবে।

সুন্দর কভার লেটার তৈরি করুন

জব এপ্লাই এর ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে শুধু রিজিউমে দিয়েই আপনি জব টা পেয়ে যাবেন এই ধারণা সত্যি নয়। ভাল একটি রিজিউমে শুধু আপনার এতদিনের অর্জন গুলো ই নিয়োগদাতার সামনে তুলে ধরবে। কিত্নু জবটার জন্য আপনি ই কেন সব চেয়ে যোগ্য ব্যাক্তি তা বুঝানোর জন্য খুব ই ভালো মানের একটি কভার লেটার প্রয়োজন।

সেখানে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করুন আপনার দক্ষতা কিভাবে উক্ত জবের জন্য সহায়তা করবে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, প্রতিটি জবের জন্য আপনাকে আলাদা করে কভাল লেটার লিখতে হবে। কখনও এক ই কভার লেটার একাধিক জায়গায় পাঠাবেন না। কেননা তাতে করে ইন্টারভিউ বোর্ড এ আপনার ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে। চেষ্টা করবেন আপনি যে জবটাতে এপ্লাই করছেন তার সাথে মিল রেখে আপনার কভার লেটার টা তৈরি করতে।

গতানুগতিক ধারণার বাইরে কিছু করুন

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা প্রায় সবাই এক ই ধরণের জবের জন্য এপ্লাই করছি। আর তাতে করে একটি জব পোষ্টের বিপরীতে অনেক বেশি পরিমান প্রতিযোগী থাকে। কিন্তু আপনি খুব সহজেই একটি জব পেতে পারেন যদি একটু ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করেন। এমন কিছু কাজ আছে যেখান আপনার ফলাফল এর চেয়ে দক্ষতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, আপনি যদি সেলস এ কাজ করতে চান, সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান টি গুরুত্ব দিবে আপনার বিক্রি করার মত কেমন দক্ষতা আছে সেটার উপরে। তারা জানতে চাইবে আপনি মানুষ কে কনভিন্স করতে পারেন কিনা। অর্থাৎ কোন পণ্য ক্রয় করার জন্য ক্রেতাকে উৎসাহিত করা। তারা মূলত জানতে চায় তাদের জন্য কি পরিমাণ বিক্রি করতে পারবেন বা কি পরিমাণ লভ্যাংশ এনে দিতে পারবেন তারা সেটা জানতে চাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে আপনার ফলাফল তেমন একটু ভূমিকা রাখবে না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে যারা বিক্রয় কর্মী নিয়োগ করে থাকে এবং তারা ফলাফলের চেয়ে দক্ষতার ব্যাপারে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। উল্লেখযোগ্য এমন কিছু প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিভিন্ন রিয়েলএস্টেট কোম্পানি, বিভিন্ন ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং এই রকম আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এই সকল ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই আপনার দক্ষতা দিয়ে ভালো করার সুযোগ পাবেন যা অন্য কোথাও সম্ভব নয়।

নিজেকে ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুত রাখুন

আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখতে পাই, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা জবে এপ্লাই করার পরে সেটা সম্পর্কে ভুলে যাই বা সেটার জন্য কোন রকমের প্রস্তুতি রাখি না। এতে করে দেখা যায় আমরা হয়তো কোন জব ইন্টারভিউ এর জন্য ডাক পেয়ে গেলাম যেটার জন্য আমাদের আসলে কোন প্রস্তুতি নাই। আর আপনি যদি আগে থেকেই ভালো করে প্রস্তুতি রাখেন, খুব সহজেই ইন্টারভিউ তে ভালো করতে পারবেন যা আপনাকে কম সিজিপিএ নিয়েও ভালো একটি জবে ঢুকার সুযোগ করে দিবে।

হয়তো আপনি ভাবছেন যে কিভাবে ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুতি নিবেন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি বিওয়াইএলসি এর OPD বা অফিস অব প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট তে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে আপনি একটি ইন্টারভিউ এর জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সহ সেখানে কিভাবে নেগোসিয়েশন করতে হয় সেটাও জানতে পারবেন।

আরেকটা উল্লেখযোগ্য ব্যাপার যা আপনাকে মনে রাখতে হবে তা হচ্ছে, আপনার ফলাফল কেন খারাপ সেটা অবধারিতভাবেই আপনার নিয়োগকর্তারা জানতে চাইবে। আর আপনার উচিত হবে সেটার জন্য খুব ভালো একটি উত্তর প্রস্তুত করে রাখা। এ ক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো হয় যদি আপনি সত্যিকারের কারন টা ই সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে বলেন।
এটা সত্যি যে কম সিজিপিএ নিয়ে জব পাওয়া যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু যখন আপনি উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন ও তা পর্যালোচনা করে নিজেকে প্রস্তুত করবেন, ভালো একটি জব পাওয়া আপনার জন্য অনেকটা ই সহজ হয়ে যাবে।

যে ৫ টি কারনে ভালো চাকরি পেতে সিজিপিএ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ

1280 850 Sherazoom Monira Hasib

বর্তমানে বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের বড় একটি অংশের মধ্যে প্রচলিত ধারণা হচ্ছে, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সিজিপিএ খুব বেশি গুরুত্ব বহন করে না। এই ধারনার কারনে, অনেকেই পড়াশোনায় খুব বেশি মনোযোগ দিতে আগ্রহী হয় না। ফলাফল স্বরূপ অনেকেই প্রত্যাশিত সিজিপিএ বা ফলাফল অর্জন করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় তারা ক্রমাগত বিভিন্ন চাকরিতে এপ্লাই করে যাচ্ছে কিন্তু কোথাও তাকে ডাকা হচ্ছে না। এতে করে অনেক বেশি হতাশা কাজ করে এবং অনেকেই নিজের উপরে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। কখনও কখনও হয়তো আর প্রত্যাশিত চাকরি পাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না।

আপনি যদি সিজিপি এর ব্যাপারে এক ই রকম ধারণা পোষণ করে থাকেন, বলা যায় যে আপনি ই রকম বিপদে পড়তে পারেন। আজকে আমরা আলোচনা করব প্রত্যাশিত ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সিজিপিএ কেন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চলুন দেখি আসি ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ কারন যা থেকে আপনি ধারণা পাবেন কেন একাডেমিক লাইফের শুরু থেকেই সিজিপিএ এর ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী।

১. শুরুর ধারণা
যখন আপনি কেবল পাশ করে বেরিয়েছেন, কোন বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা আপনার না থাকার ই বেশি সম্ভাবনা। তাই আপনার রিজিউমে তে কোন অভিজ্ঞতা যোগ করার সুযোগ থাকে না। আপনি হয়তো অনেক কাজেই পারদর্শী, কিন্তু একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট হিসেবে আপনার রিজিউমে তে শুধু সিজিপিএ টা ই অনেক বেশি প্রাধান্য পাবে। আপনি হয়তো অন্যান্য দক্ষতা আপনার চাকরির আবেদনে যোগ করতে পারেন কিন্তু আপনার চাকরিদাতা প্রথমেই যে জিনিস টি লক্ষ্য করবে তা হচ্ছে আপনার ফলাফল। আর সেখানে যদি খুব ভাল কিছু না থাকে, ইন্টারভিউ বোর্ড এ আপনার ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

২. দায়িত্বশীলতা
যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা চাকরির জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে, তারা কোন দায়িত্বশীল লোককেই নির্বাচন করতে চায়। কিন্তু চাকরিদাতার আলাদা করে সুযোগ থাকে না এই ব্যাপারে পরীক্ষা নেয়ার। সেক্ষেত্রে তাদের কাছে একটি পথ ই খোলা আছে আর তা হলো আপনার রিজিউমে পরীক্ষা করা।

তাঁরা দেখবে আপনি শিক্ষাজীবনে কতটুকু দায়িত্বশীল ছিলেন। আর এ জন্য সবার প্রথমে তারা দেখবে আপনার ফলাফল কেমন। যখন আপনার ফলাফল অন্যদের চেয়ে ভাল, তখন ধরে নেয়া হয় যে আপনি শিক্ষা জীবনে আপনার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন বলেই আপনার ফলাফল ভাল। অর্থাৎ আপনি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে জানেন ও আপনার উপরে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। তাই আপনার উচিত এখন থেকেই আপনার সিজিপিএ এর ব্যাপারে সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়া।

৩. মেধা যাচাই
হতে পারে আপনার মেধা অন্য সব চাকরি প্রত্যাশীদের চেয়ে বেশি। কিন্তু আপনাকে সেটা প্রমাণ করে দেখাতে হবে। সেটা তখন ই সম্ভব যখন আপনি ইন্টারভিউ বোর্ড এ ডাক পেয়েছেন। খারাপ ফলাফল নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ড এ ডাক পাওয়া বেশ কঠিন। চাকরিদাতা মেধা যাচাইয়ের জন্য অবশ্যই আপনার ফলাফল কে গুরুত্ব দিবে। তাই আপানার অন্যান্য মেধা থাকা সত্ত্বেও আপনি সেটা দেখানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। আর ভালো সিজিপিএ এটাও প্রমাণ করে যে আপনি পড়াশোনায় ভাল ছিলেন অর্থাৎ মেধাবী ছিলেন। যদিও আপাতদৃষ্টিতে এটা অন্যায় মনে হয়, কিন্তু চাকরিদাতার কাছে এ ছাড়া আর তেমন কোন পথ খোলা নেই আপনার মেধা যাচাই করার।

৪. বিষয়ভিত্তিক পারদর্শিতা
যদি আপনি নির্দিষ্ট কোন দক্ষতা নির্ভর চাকরিতে আবেদন করেন, তখন সেই বিষয়ে আপনার ফলাফল অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। ধরা যাক, আপনি একটি বিপণন প্রতিষ্ঠানে বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে তাতে আবেদন করেছেন। এখন উক্ত প্রতিষ্ঠান খুঁজে দেখবে বিপণন সম্পর্কিত বিষয়ে কার ফলাফল সব চেয়ে ভাল। তারা ধরে নিবে যার ফলাফল ভাল, সে সেই বিষয় নিয়ে ভাল করে পড়াশোনা করেছে। অর্থাৎ সে বিষয়ে তার জ্ঞান অন্যদের চেয়ে গভীর।

তাই আপনি যদি প্রত্যাশা করেন যে ভবিষ্যতে আপনার বিষয় সম্পর্কিত কোন চাকরি করবেন, তাহলে এখন থেকেই সে সকল বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া শুরু করেন। আর তাতে করে আপনার সিজিপিএ ও অনেক ভাল হবে এটা নিশ্চিত।

৫. চাপ সহনশীলতা
আপনার ফলাফল অনেক ভাল মানে এটা বুঝায় যে আপনি অনেক বেশি চাপ নিয়ে কাজ করতে জানেন। যখন আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন, আপনাকে অনেক ধরনের কাজ দেয়া হবে। কখনও কখনও আপনার অ্যাসাইনমেন্ট থাকবে। বিভিন্ন সময়ে মিড বা সেমিস্টার ফাইনাল কিংবা ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা থাকবে এবং এই রকম আরও অনেক । যদি আপনার সিজিপিএ খুব ভালো রাখতে চান, এই সবগুলো কাজ আপনাকে সঠিক সময়ে করতে হবে।

আর তাই আপনার চাকরিদাতা খুঁজার চেষ্টা করেন এমন কাউকে, যে এই রকম অসংখ্য দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করে এসেছে। কারন একটি অফিসেও আপনাকে এক ই রকম ভাবে অনেক ধরণের কাজ করতে দেয়া হবে বা আপনি চাপে থাকতে পারেন। আর তাই আপনার চাকরিদাতা আপনার সিজিপিএ টা কে ব্যাবহার করবে চাপ সহ্য করার মানদণ্ড হিসেবে।

উপরের আলোচনা থেকে এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে আমরা ফলাফল নিয়ে যেভাবে ভাবি, ব্যাপার টা অনেক ক্ষেত্রেই সে রকম নয়। খারাপ ফলাফল নিয়ে কেউ কেউ হয়তো অনেক কিছু করে ফেলতে পারে, তাই বলে সব ক্ষেত্রে তা সম্ভব না ও হতে পারে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় সিজিপিএ ক্যারিয়ারের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা আপনাকে আর সবার চাইতে এগিয়ে রাখবে।

‘নিউ ইয়ার রেজোল্যুশন’ এ যোগ হোক নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস

940 627 Jamia Rahman Khan Tisa

অবসরে আপনি কি করতে পছন্দ করেন? এই প্রশ্নটি করা হলে বেশিরভাগ লোকই যে উত্তরটা দেন তা হলো ‘বই পড়তে ভালোবাসি’। কিন্তু আদৌ আমরা কতজন সত্যি সত্যি বই পড়ি? চাইলে এই ছোট্ট কুইজটির মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন আপনি কতটা বইপাগল?

বই পড়াটা আসলে অনেকটা অভ্যাসের মতন। একবার যদি বইয়ের প্রতি ভালোবাসা খুঁজে পান তবেই বুঝবেন বইয়ের নেশা যে কতটা প্রকট হতে পারে।
সত্যি বলতে কি আমাদের সবারই নিয়মিত বই পড়া উচিত। এখনতো মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে ‘কেন’? আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু কারণ যার জন্য আপনার নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

১. বই পড়া বাড়ায় লেখার দক্ষতা
ভালো লেখক হওয়ার প্রথম শর্তই হলো বেশি বেশি পড়া। আপনি যত ভালো পাঠক হতে পারবেন, ততই ভালো লেখক হবেন। নিয়মিত বই পড়লে বাক্যের গঠন, শব্দের নিয়ে খেলা করার ব্যাপারগুলো আয়ত্ত্বে চলে আসবে। তখন নিজের লেখায়ও সেটা প্রয়োগ করতে পারবেন। সুতরাং লেখার হাত ভালো করতে চাইলে অবশ্যই পড়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আইইএলটিএস পরীক্ষায় রিডিং ও রাইটিং সেকশনে ভালো করতে চাইলে সপ্তাহে অন্তত একটি ইংরেজি বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

২. মানসিক চাপ কমায়

এটা গবেষণার দ্বারা প্রমাণিত যে বইপড়া মানসিক চাপ কমায়। ইউনিভার্সিটি অফ সাসেক্সের এক গবেষণায় দেখা যায় যে মানসিক চাপ সামলে ওঠার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হলো বই পড়া। টেলিগ্রাফ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয় যে, কোনো ব্যক্তি  বইয়ের পাতা উল্টানো শুরুর করার  ছয় মিনিটের মধ্যেই মানসিক চাপ কমতে শুরু করে।

৩.স্মরণশক্তি বাড়ায়
নিয়মিত বই পড়লে স্মরণ শক্তি তো বাড়বেই পাশাপাশি কমবে আলঝেইমার কিংবা ডিমেনশিয়ার মত রোগের ঝুঁকিও। নিউরোলজি’ সাময়িকীতে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। ওখানে বলা হয়, দীর্ঘ সময়ের বই পড়ার অভিজ্ঞতা বৃদ্ধ বয়সে মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। ‘নিউরোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখানো হয় যে যারা অনেক সময় ধরে বই পড়েন তাদের স্মৃতিশক্তি দীর্ঘদিন শক্তিশালী থাকে।   ২৯৪ জন ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছিলো।  মৃত্যুকালে তাদের গড় বয়স ছিল ৮৯। গবেষণায় দেখা গেছে , তাদের মধ্যে যারা অনেক বছর ধরে বই পড়া ধরে রেখেছিলেন, তাদের স্মৃতিশক্তি হারানোর হার যারা বই কম পড়েছেন তাদের থেকে কম।

৪.মনোযোগ বাড়ায়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে আজ পৃথিবী অনেকটাই আমাদের হাতের মুঠোয়। সহজেই। আমরা এখন একসাথে অনেক ধরণের কাজ করে থাকি যেমন ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ,  ইনস্টাগ্রাম, ইমেইল সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা একইসময়ে সক্রিয় থাকি। এতে করে একজায়গায়  আমাদের জন্য মনোযোগ ধরে রাখাটা কঠিন হয়ে যায়।

আপনি যখন বই পড়েন তখন আপনার মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট গল্পে বা আবহের মাঝে আবদ্ধ থাকে।

আপনি যখন বই পড়েন তখন আপনার মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট গল্পে বা আবহের মাঝে আবদ্ধ থাকে। এতে করে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে। সময় করে বই পড়তে না পারলে যে সময়টুকু কোথাও আসা যাওয়ার পথে ব্যয় করছেন সেই সময়টাতেই বই পড়তে পারেন। অফিসে যাওয়ার আগের সময়টাতে ১৫/২০ মিনিটের বই পড়া অফিসের কাজে আপনার মনোযোগ বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।  বিশ্বাস না হলে শুরু করেই দেখুন না!

৫. শব্দ ভাণ্ডার বৃদ্ধি
শব্দ ভাণ্ডার বাড়াতে বই পড়ার বিকল্প আর কিছুই নেই। আপনি যে ভাষায় শব্দ ভাণ্ডার বাড়াতে চান, বেশি বেশি সেই ভাষার বই পড়ুন। পরিবর্তনটা নিজেই টের পাবেন।

৬. ভালো ঘুম
ঘুমাতে যাওয়ার আগে সোশ্যাল মিডিয়া সহ সমস্ত প্রযুক্তি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে কিছু ক্ষণের জন্য বইয়ের জগতে হারিয়ে যান, দেখবেন কি প্রশান্তির একটা ঘুম আপনি পাচ্ছেন। তবে হ্যাঁ, বইটয় যেন থ্রিলার কিংবা ক্রাইম ফিকশন না হয়।

৭. বই বাড়ায় সৃজনশীলতা
সৃজনশীলতা বাড়াতে বইয়ের জুড়ি নেই। একটি বই পড়ার সময় বহু দৃশ্য আমরা মনে মনে কল্পনা করি,  বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ আমাদের বিশ্লেষণ করতে হয়। এতে করে  আমাদের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পায়, বাড়ে সৃজনী ক্ষমতা।

তবে আর দেরি কেন? বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন আজ থেকেই। ‘নিউ ইয়ার রেজোল্যুশন’ এ যোগ হোক নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। জানেনই তো। মনের জানালাগুলো খুলে দিতে বইয়ের কোনো জুড়ি নেই !

তথ্যসূত্র: হাফপোস্ট এবং লাইফহ্যাক

ফিচার ইমেজ সোর্সঃ pelex.com

Artificial Intelligence is REAL!

1920 1280 Monirul Haque

I assume that you’ve heard of Sophia, the humanoid robot. Some of you might have seen social media memes about it, particularly following the mega ICT event, Digital World 2017, or watched video coverages on YouTube and online news channels. I came to know about this extraordinary creation by David Hanson from the ‘Tonight Show with Jimmy Fallon’ on YouTube. Sophia was the guest in one of his episodes and, even though I am a regular viewer of this entertaining talk show, I was left amazed by this particular show having realized that the much discussed topic, Artificial Intelligence (AI), has advanced to create a functioning smart humanoid robot.

Sophia uses a computer program that is similar to ELIZA. The computer program ‘ELIZA’ was created at Massachusetts Institute of Technology (MIT) in 1964. It is similar to ChatBot that was introduced by Facebook. Eliza simulated conversation by using a ‘pattern matching’ and substitution methodology that gave users an illusion of understanding on the part of the program.

As you now know about the mechanism behind the “Celebrity Humanoid robot Sophia”, what do you think about the attention it is getting? In my perspective, some group of people overstated its ability. According to the scientific community, Sophia is often presented in a way that theatrically overstates its level of general intelligence. Whereas Hanson, the creator, designed Sophia to be a suitable companion for the elderly at nursing homes, or to help crowds at large events or parks. But her most impressive feature is in her ability to express feelings topped with the witty sense of humor. Once in an interview, Sophia, primarily a machine, said, “My AI is designed around human values like wisdom, kindness, and compassion.”

So what makes Sophia marketable? The right answer would be the social skill generated by its core program. It must be noted that science and technology are taking longer strides to development than they had before. However, in the process of keeping pace with the technological advancements, we must be sure to integrate our morals and values with the aim to make the world a better place.

The core concept behind Sophia is AI. From SIRI of iPhone to self-driving cars, from Smart TV to Google map, AI is in full action! To be clear, AI is the big umbrella that encompasses terms like machine learning and deep learning. The benefits of AI surpasses the unimaginable risk. AI can have a huge contribution in the field of education, healthcare, security and development of a country. For instance, the modern education system needs to ensure an active learning environment that is both enjoyable and interactive. AI execution can help to create a personalized learning environment to match the varying capacities of students. By analyzing learner information, AI can generate groups particularly suited to a certain task, or groups that balance one learner’s weaknesses with another learner’s strengths. Moreover, Virtual Reality (VR)-assisted learning allows for educational support in authentic environments and extends the boundaries of the classroom. Realistic immersion in virtual environments can provide learners with a richer understanding of the material. Using gamification in learning system can motivate learners and help improve retention while making the learning experience fun.

When it comes to business and economy, leaders, CEO, and managers can make smarter decisions with the results and statistics generated using AI. Tracking growth, problem, and market research data with the power of AI technology.

Even though AI has significant threats, they are near to nil if used for the betterment of the human race.  In the context of Bangladesh, AI can bring concrete growth and prosperity. It is going to dictate the quality of life in the near future. From changing our lifestyle to better advanced healthcare system, AI will contribute to every major part of our life. According to the local newspaper, The Daily Star, ‘Some 47.6 million or 30 percent of the total 158.5 million people in Bangladesh are young (10-24 years), and it will be between 10 and 19 percent by 2050’. This means that Bangladesh needs to invest urgently in the human capital of its young people if it wants to reap the benefits of a large demographic dividend. Hence, for this majority to be competent in the future, young people should update their skills in technology so that they can adapt to the rapid transformations made by AI.

As a part of the young population of my country and an avid reader of science fiction, the prospects of AI in Digital Bangladesh excites me. It further rejuvenates my interest to think that I will be able to experience such a revolution.

Until then, like Spock (from Star Trek) would say, may the world “Live long and prosper”.

Reasons why you can’t…

4000 2667 Aryan Kabir

This writing will not be uplifting, nor will it teach you to be the greatest leader the world has seen. However, I can assure you that it will be frank, uncomplicated and notably relatable to our lives.

As millennials, we have always been taught that each and every person is special; that you can achieve greatness if you believe it. This very sentiment is why most people grow up under the false impression that everything will go as they imagine it to be. Society has a strange way of sugar coating things in its attempt to inspire and encourage the youth and that is where it goes wrong.

The consequences of such practices can be seen in many education sectors of the world. A 2015 study shows that a staggering one in four adult students have mental illnesses, ranging from anxiety disorders to depression. This is primarily due to the superficial image we have painted over the years, the over use of censorship and the urge to make everything look simple resulting in low effort put into studies, extra-curricular activities and all other work. That is why when exiting the safe boundaries of their schools and stepping into the real world, these individuals experience a whole new level of competition, that they are unprepared for. The real blow: the realization that they are not the best, that there is and will always be someone better than them. Based on a 2009 survey conducted by the American College Health Association-National College Health Assessment (ACHA-NCHA II), 39 percent of college students will feel hopeless during the school year, 25 percent will feel so depressed they’ll find it hard to function, 47 percent will experience overwhelming anxiety, and 84 percent will feel overwhelmed by all they have to do. These numbers are concerningly high and are reflected in Bangladeshi high school students. As such, we have to realize the models of leadership we have engineered to cater to everyone, will fail. We need to construct models that are not over simplistic and pliable to different people’s different skills, and paces.

A wise man once said being a leader does not mean being the best; it is about remaining consistent, adapting to changes and delivering the best one can provide, while assisting others. This is something these young adults fail at mastering. Those who may have done well in school become discouraged and never truly return to their previous pace while others fail to reach their potential, altogether.

This does not mean that everyone faces these same hardships, as every person is truly different. The message of this dilemma only serves as an advice not to be taken lightly – as leadership in any field of work will test the limits of oneself. The ones who do adapt and learn to accept failure are the ones who truly reach the top. Colonel Sanders, Jack Ma, Steve jobs -they have all failed at one point in their lives but have all been resilient, which ultimately led to their success.

The problem of creating false models for children persists. It is happening now more than ever. Therefore, it is up to us to make the change and be the change; to introduce models which will encourage the youth to strive for betterment and make them aware of the fact that there is always a chance things may not go as planned.

Remembering Rupa

496 330 Inshirah Azhar

Dear Rupa Khatun Pramanik, read more

১১টি ইতিবাচক অভ্যাস ভালো রাখবে মানসিক স্বাস্থ্য

1000 669 Jamia Rahman Khan Tisa

সুস্থ জীবন কে না চায়? কিভাবে শরীরটাকে একটু ভালো রাখা যায় তা নিয়ে তো আমরা সবাই ভাবি। কিন্তু মনটাকে সুস্থ রাখার কথা কি ভেবেছি কোনদিন? সুস্থ সুন্দর জীবনের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকাটা অপরিহার্য। কেননা মানসিক অবস্থা খারাপ থাকলে এর প্রভাব পড়বে শরীরেও। কিছু ইতিবাচক অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। আসুন জেনে নিই তেমনই ১০টি ইতিবাচক অভ্যাসের কথা।

১.নিজেকে ভালবাসুন

আপনি যদি নিজেকে ভালবাসতে না পারেন তবে অন্য কারো ভালোবাসা আশা করাটা নিঃসন্দেহে বোকামি। নিজেকে শ্রদ্ধা করুন, এতে মনের জোর বাড়ে। নিজেকে ভালবাসতে পারলে হীনমন্যতায় ভুগবেন না। বাড়বে আত্মবিশ্বাস। বদলে যাবে আপনার পৃথিবী। নিজেকে সময় দিন।‘আমার আমি’কে জানার চেষ্টা করুন। জানুন কি আপনার হৃদয়ের খুব কাছের আর কি আপনি এড়িয়ে চলতে ভালোবাসেন।

২.স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন  

সুস্থ দেহ আর সুস্থ মন একে অপরের পরিপূরক। আমরা বেশিরভাগ সময়েই রোগ বাসা বাঁধার আগ পর্যন্ত শরীর নিয়ে সচেতন হইনা।কিন্তু প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। তাই সচেতন হোন আগে থেকেই। শরীর ভালো রাখতে গড়ে তুলতে পারেন সহজ কিছু অভ্যাস।

  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন
  • মাদক দ্রব্য, কোমল পানীয়, শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন
  • দৈনিক কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন
  • নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। না পারলে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন।
  • হাসুন প্রাণখুলে

৩.ব্রেইনকে বিশ্রাম দিন   

মাঝে কাজ থেকে অবসর নেওয়ার পাশাপাশি ব্রেইনকেও বিশ্রাম দিন। অতিরিক্ত চিন্তা বাদ দিন। ব্রেইনের খানিকটা বিশ্রাম আপনাকে নতুন করে কাজ করার অনুপ্রেরণা দেবে।

৪.রুটিনটাকে ঢেলে সাজান

প্রতিদিন একই ধরণের কাজ করতে করতে আমাদের মাঝে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই মাঝে মাঝে রুটিনটাকে ঢেলে সাজাতে পারেন। একই কাজ করতে পারেন ভিন্ন আঙ্গিকে।এতে করে কাজে যেমন উৎসাহ পাবেন তেমনি ভালো থাকবে মানসিক স্বাস্থ্য।

৫.দিতে শিখুন এবং সাহায্য নিন  

কিছু দিতে পারার আনন্দ সবসময়ই অসাধারণ। এমনটা নয় যে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে আপনাকে অনেক বেশি দান খয়রাত খয়রাত করতে হবে। অন্যের মুখে হাসি ফোটায় এমন কিছু ছোটো ছোটো কাজ তো আপনি করতেই পারেন। আপনি দিতে পারেন একটু সময়, কিংবা আপনার কোন পরামর্শ এমনকি সেটা হতে পারে একটুখানি হাসিও। আর হ্যাঁ, প্রয়োজনে আপনজনের সাহায্য নিন।

৬.নিয়মিত ডায়েরি লেখার অভ্যাস

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো লিখে রাখতে পারেন ডায়েরিতে। ডায়েরি লিখতে পারেন অনেকভাবেই। প্রতিদিনের অর্জন এবং ভুলগুলো টুকে রাখতে পারেন। অনেকে আবার ডায়েরিতে নিজের লক্ষ্যগুলো লিখে রাখেন। চিঠি লিখতে পারেন নিজেকেও! কি একটু অদ্ভুত লাগছে? একবার লিখেই দেখুন না।

৭. ভ্রমণ  

শারীরিক কিংবা মানসিক, যেকোনো ক্লান্তি দূর করতে ভ্রমণের জুড়ি নেই। সপ্তাহে না পারলে মাসে অন্তত একদিন হলেও কোথাও ঘুরে আসার চেষ্টা করুন। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো সময় আপনাকে দেবে নতুন করে বাঁচার প্রেরণা।

৮.তুলনা করুন নিজের সাথে

অন্যের সাথে নয় বরং তুলনা করুন নিজের সাথে নিজের। অন্যের সাফল্যে নিজের জন্য আফসোস করার কিছু নেই। প্রতিটি মানুষই আলাদা। বরং নিজের সাথে নিজের তুলনা করুন। নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করুন।  

৯.সময় দিন প্রিয়জনদের

পরিবার, বন্ধু সহ কাছের মানুষদের সময় দিন। সময় পেলে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে কোন গেটটুগেদার কিংবা আড্ডায় যোগ দিতে পারেন। এতে হৃদ্যতা বাড়ে। এই সুসম্পর্ক আপনাকে মানসিক শক্তি জোগাবে।

১০.নতুন কিছু শেখা

নতুন নতুন বিষয় শেখার চেষ্টা করুন। সেটা হতে পারে নতুন কোন ভাষা, কোন মিউজিক ইনস্ট্রুমেন্ট কিংবা হতে পারে কোডিং বা ফটোগ্রাফি।  কারো শখের কোন বিষয় থাকলে সেটি শিখে নিতে পারেন। একটু ভিন্ন আঙ্গিকে দারুণ কিছু মূহুর্ত পাবেন।

১১. বই পড়া

আর হ্যাঁ, অবশ্যই বই পড়ুন। সপ্তাহে অন্তত একটি বই পড়ার অভ্যাস আপনাকে যেমন সমৃদ্ধ করবে তেমনি ভালো রাখবে মানসিক স্বাস্থ্যকেও।

Cover photo credit: http://blog.fulfillinghappiness.com/

6 myths about depression that we must stop believing

700 370 Saadman Rahman Chowdhury

Up until July 20, 2017, I didn’t realize who Chester Bennington was. Although I have listened to many of his songs, I never put a name to his face. I used to sing his songs all day without actually understanding too much of the lyrics. It was the hype that made me look up his name. When I saw the words ‘Linkin Park vocalist’ beside his name, I knew what I had lost. Up until then, I did not know how it felt to lose a part of your childhood. People were talking a lot about depression then, posting statuses about how depression has also affected their lives and what should be done. And just after, like all the other social media trends, depression faded away from our purview and we focused on the latest spectacle. Discussion about depressed and the need to address them took the back seat. read more

ডিপ্রেশন; নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান

1000 611 Jamia Rahman Khan Tisa

ডিপ্রেশন আর স্যাডনেস এক নয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO)-র মতে পৃথিবীতে প্রায় ৩০০ মিলিয়নেরও বেশী মানুষ ডিপ্রেশনে ভোগে। এই ডিপ্রেশন ক্যান্সার বা হৃদরোগের মতই একটি রোগের নাম। কিন্তু একে আমরা রোগ বলে স্বীকার করতে নারাজ। ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা বলতে খুব সহজেই আমরা যা বুঝি তা হলো মন খারাপ থাকা বা দুঃখে থাকা। কিন্তু আসলেই কি বিষণ্ণতা মানে শুধুই মন খারাপ? শুধুই দুঃখে থাকা? read more

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.