Opinion

‘নিউ ইয়ার রেজোল্যুশন’ এ যোগ হোক নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস

940 627 Jamia Rahman Khan Tisa

অবসরে আপনি কি করতে পছন্দ করেন? এই প্রশ্নটি করা হলে বেশিরভাগ লোকই যে উত্তরটা দেন তা হলো ‘বই পড়তে ভালোবাসি’। কিন্তু আদৌ আমরা কতজন সত্যি সত্যি বই পড়ি? চাইলে এই ছোট্ট কুইজটির মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন আপনি কতটা বইপাগল?

বই পড়াটা আসলে অনেকটা অভ্যাসের মতন। একবার যদি বইয়ের প্রতি ভালোবাসা খুঁজে পান তবেই বুঝবেন বইয়ের নেশা যে কতটা প্রকট হতে পারে।
সত্যি বলতে কি আমাদের সবারই নিয়মিত বই পড়া উচিত। এখনতো মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে ‘কেন’? আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু কারণ যার জন্য আপনার নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

১. বই পড়া বাড়ায় লেখার দক্ষতা
ভালো লেখক হওয়ার প্রথম শর্তই হলো বেশি বেশি পড়া। আপনি যত ভালো পাঠক হতে পারবেন, ততই ভালো লেখক হবেন। নিয়মিত বই পড়লে বাক্যের গঠন, শব্দের নিয়ে খেলা করার ব্যাপারগুলো আয়ত্ত্বে চলে আসবে। তখন নিজের লেখায়ও সেটা প্রয়োগ করতে পারবেন। সুতরাং লেখার হাত ভালো করতে চাইলে অবশ্যই পড়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আইইএলটিএস পরীক্ষায় রিডিং ও রাইটিং সেকশনে ভালো করতে চাইলে সপ্তাহে অন্তত একটি ইংরেজি বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

২. মানসিক চাপ কমায়

এটা গবেষণার দ্বারা প্রমাণিত যে বইপড়া মানসিক চাপ কমায়। ইউনিভার্সিটি অফ সাসেক্সের এক গবেষণায় দেখা যায় যে মানসিক চাপ সামলে ওঠার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হলো বই পড়া। টেলিগ্রাফ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয় যে, কোনো ব্যক্তি  বইয়ের পাতা উল্টানো শুরুর করার  ছয় মিনিটের মধ্যেই মানসিক চাপ কমতে শুরু করে।

৩.স্মরণশক্তি বাড়ায়
নিয়মিত বই পড়লে স্মরণ শক্তি তো বাড়বেই পাশাপাশি কমবে আলঝেইমার কিংবা ডিমেনশিয়ার মত রোগের ঝুঁকিও। নিউরোলজি’ সাময়িকীতে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। ওখানে বলা হয়, দীর্ঘ সময়ের বই পড়ার অভিজ্ঞতা বৃদ্ধ বয়সে মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। ‘নিউরোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখানো হয় যে যারা অনেক সময় ধরে বই পড়েন তাদের স্মৃতিশক্তি দীর্ঘদিন শক্তিশালী থাকে।   ২৯৪ জন ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছিলো।  মৃত্যুকালে তাদের গড় বয়স ছিল ৮৯। গবেষণায় দেখা গেছে , তাদের মধ্যে যারা অনেক বছর ধরে বই পড়া ধরে রেখেছিলেন, তাদের স্মৃতিশক্তি হারানোর হার যারা বই কম পড়েছেন তাদের থেকে কম।

৪.মনোযোগ বাড়ায়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে আজ পৃথিবী অনেকটাই আমাদের হাতের মুঠোয়। সহজেই। আমরা এখন একসাথে অনেক ধরণের কাজ করে থাকি যেমন ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ,  ইনস্টাগ্রাম, ইমেইল সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা একইসময়ে সক্রিয় থাকি। এতে করে একজায়গায়  আমাদের জন্য মনোযোগ ধরে রাখাটা কঠিন হয়ে যায়।

আপনি যখন বই পড়েন তখন আপনার মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট গল্পে বা আবহের মাঝে আবদ্ধ থাকে।

আপনি যখন বই পড়েন তখন আপনার মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট গল্পে বা আবহের মাঝে আবদ্ধ থাকে। এতে করে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে। সময় করে বই পড়তে না পারলে যে সময়টুকু কোথাও আসা যাওয়ার পথে ব্যয় করছেন সেই সময়টাতেই বই পড়তে পারেন। অফিসে যাওয়ার আগের সময়টাতে ১৫/২০ মিনিটের বই পড়া অফিসের কাজে আপনার মনোযোগ বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।  বিশ্বাস না হলে শুরু করেই দেখুন না!

৫. শব্দ ভাণ্ডার বৃদ্ধি
শব্দ ভাণ্ডার বাড়াতে বই পড়ার বিকল্প আর কিছুই নেই। আপনি যে ভাষায় শব্দ ভাণ্ডার বাড়াতে চান, বেশি বেশি সেই ভাষার বই পড়ুন। পরিবর্তনটা নিজেই টের পাবেন।

৬. ভালো ঘুম
ঘুমাতে যাওয়ার আগে সোশ্যাল মিডিয়া সহ সমস্ত প্রযুক্তি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে কিছু ক্ষণের জন্য বইয়ের জগতে হারিয়ে যান, দেখবেন কি প্রশান্তির একটা ঘুম আপনি পাচ্ছেন। তবে হ্যাঁ, বইটয় যেন থ্রিলার কিংবা ক্রাইম ফিকশন না হয়।

৭. বই বাড়ায় সৃজনশীলতা
সৃজনশীলতা বাড়াতে বইয়ের জুড়ি নেই। একটি বই পড়ার সময় বহু দৃশ্য আমরা মনে মনে কল্পনা করি,  বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ আমাদের বিশ্লেষণ করতে হয়। এতে করে  আমাদের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পায়, বাড়ে সৃজনী ক্ষমতা।

তবে আর দেরি কেন? বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন আজ থেকেই। ‘নিউ ইয়ার রেজোল্যুশন’ এ যোগ হোক নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। জানেনই তো। মনের জানালাগুলো খুলে দিতে বইয়ের কোনো জুড়ি নেই !

তথ্যসূত্র: হাফপোস্ট এবং লাইফহ্যাক

ফিচার ইমেজ সোর্সঃ pelex.com

Artificial Intelligence is REAL!

1920 1280 Monirul Haque

I assume that you’ve heard of Sophia, the humanoid robot. Some of you might have seen social media memes about it, particularly following the mega ICT event, Digital World 2017, or watched video coverages on YouTube and online news channels. I came to know about this extraordinary creation by David Hanson from the ‘Tonight Show with Jimmy Fallon’ on YouTube. Sophia was the guest in one of his episodes and, even though I am a regular viewer of this entertaining talk show, I was left amazed by this particular show having realized that the much discussed topic, Artificial Intelligence (AI), has advanced to create a functioning smart humanoid robot.

Sophia uses a computer program that is similar to ELIZA. The computer program ‘ELIZA’ was created at Massachusetts Institute of Technology (MIT) in 1964. It is similar to ChatBot that was introduced by Facebook. Eliza simulated conversation by using a ‘pattern matching’ and substitution methodology that gave users an illusion of understanding on the part of the program.

As you now know about the mechanism behind the “Celebrity Humanoid robot Sophia”, what do you think about the attention it is getting? In my perspective, some group of people overstated its ability. According to the scientific community, Sophia is often presented in a way that theatrically overstates its level of general intelligence. Whereas Hanson, the creator, designed Sophia to be a suitable companion for the elderly at nursing homes, or to help crowds at large events or parks. But her most impressive feature is in her ability to express feelings topped with the witty sense of humor. Once in an interview, Sophia, primarily a machine, said, “My AI is designed around human values like wisdom, kindness, and compassion.”

So what makes Sophia marketable? The right answer would be the social skill generated by its core program. It must be noted that science and technology are taking longer strides to development than they had before. However, in the process of keeping pace with the technological advancements, we must be sure to integrate our morals and values with the aim to make the world a better place.

The core concept behind Sophia is AI. From SIRI of iPhone to self-driving cars, from Smart TV to Google map, AI is in full action! To be clear, AI is the big umbrella that encompasses terms like machine learning and deep learning. The benefits of AI surpasses the unimaginable risk. AI can have a huge contribution in the field of education, healthcare, security and development of a country. For instance, the modern education system needs to ensure an active learning environment that is both enjoyable and interactive. AI execution can help to create a personalized learning environment to match the varying capacities of students. By analyzing learner information, AI can generate groups particularly suited to a certain task, or groups that balance one learner’s weaknesses with another learner’s strengths. Moreover, Virtual Reality (VR)-assisted learning allows for educational support in authentic environments and extends the boundaries of the classroom. Realistic immersion in virtual environments can provide learners with a richer understanding of the material. Using gamification in learning system can motivate learners and help improve retention while making the learning experience fun.

When it comes to business and economy, leaders, CEO, and managers can make smarter decisions with the results and statistics generated using AI. Tracking growth, problem, and market research data with the power of AI technology.

Even though AI has significant threats, they are near to nil if used for the betterment of the human race.  In the context of Bangladesh, AI can bring concrete growth and prosperity. It is going to dictate the quality of life in the near future. From changing our lifestyle to better advanced healthcare system, AI will contribute to every major part of our life. According to the local newspaper, The Daily Star, ‘Some 47.6 million or 30 percent of the total 158.5 million people in Bangladesh are young (10-24 years), and it will be between 10 and 19 percent by 2050’. This means that Bangladesh needs to invest urgently in the human capital of its young people if it wants to reap the benefits of a large demographic dividend. Hence, for this majority to be competent in the future, young people should update their skills in technology so that they can adapt to the rapid transformations made by AI.

As a part of the young population of my country and an avid reader of science fiction, the prospects of AI in Digital Bangladesh excites me. It further rejuvenates my interest to think that I will be able to experience such a revolution.

Until then, like Spock (from Star Trek) would say, may the world “Live long and prosper”.

Reasons why you can’t…

4000 2667 Aryan Kabir

This writing will not be uplifting, nor will it teach you to be the greatest leader the world has seen. However, I can assure you that it will be frank, uncomplicated and notably relatable to our lives.

As millennials, we have always been taught that each and every person is special; that you can achieve greatness if you believe it. This very sentiment is why most people grow up under the false impression that everything will go as they imagine it to be. Society has a strange way of sugar coating things in its attempt to inspire and encourage the youth and that is where it goes wrong.

The consequences of such practices can be seen in many education sectors of the world. A 2015 study shows that a staggering one in four adult students have mental illnesses, ranging from anxiety disorders to depression. This is primarily due to the superficial image we have painted over the years, the over use of censorship and the urge to make everything look simple resulting in low effort put into studies, extra-curricular activities and all other work. That is why when exiting the safe boundaries of their schools and stepping into the real world, these individuals experience a whole new level of competition, that they are unprepared for. The real blow: the realization that they are not the best, that there is and will always be someone better than them. Based on a 2009 survey conducted by the American College Health Association-National College Health Assessment (ACHA-NCHA II), 39 percent of college students will feel hopeless during the school year, 25 percent will feel so depressed they’ll find it hard to function, 47 percent will experience overwhelming anxiety, and 84 percent will feel overwhelmed by all they have to do. These numbers are concerningly high and are reflected in Bangladeshi high school students. As such, we have to realize the models of leadership we have engineered to cater to everyone, will fail. We need to construct models that are not over simplistic and pliable to different people’s different skills, and paces.

A wise man once said being a leader does not mean being the best; it is about remaining consistent, adapting to changes and delivering the best one can provide, while assisting others. This is something these young adults fail at mastering. Those who may have done well in school become discouraged and never truly return to their previous pace while others fail to reach their potential, altogether.

This does not mean that everyone faces these same hardships, as every person is truly different. The message of this dilemma only serves as an advice not to be taken lightly – as leadership in any field of work will test the limits of oneself. The ones who do adapt and learn to accept failure are the ones who truly reach the top. Colonel Sanders, Jack Ma, Steve jobs -they have all failed at one point in their lives but have all been resilient, which ultimately led to their success.

The problem of creating false models for children persists. It is happening now more than ever. Therefore, it is up to us to make the change and be the change; to introduce models which will encourage the youth to strive for betterment and make them aware of the fact that there is always a chance things may not go as planned.

Remembering Rupa

496 330 Inshirah Azhar

Dear Rupa Khatun Pramanik, read more

১১টি ইতিবাচক অভ্যাস ভালো রাখবে মানসিক স্বাস্থ্য

1000 669 Jamia Rahman Khan Tisa

সুস্থ জীবন কে না চায়? কিভাবে শরীরটাকে একটু ভালো রাখা যায় তা নিয়ে তো আমরা সবাই ভাবি। কিন্তু মনটাকে সুস্থ রাখার কথা কি ভেবেছি কোনদিন? সুস্থ সুন্দর জীবনের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকাটা অপরিহার্য। কেননা মানসিক অবস্থা খারাপ থাকলে এর প্রভাব পড়বে শরীরেও। কিছু ইতিবাচক অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। আসুন জেনে নিই তেমনই ১০টি ইতিবাচক অভ্যাসের কথা।

১.নিজেকে ভালবাসুন

আপনি যদি নিজেকে ভালবাসতে না পারেন তবে অন্য কারো ভালোবাসা আশা করাটা নিঃসন্দেহে বোকামি। নিজেকে শ্রদ্ধা করুন, এতে মনের জোর বাড়ে। নিজেকে ভালবাসতে পারলে হীনমন্যতায় ভুগবেন না। বাড়বে আত্মবিশ্বাস। বদলে যাবে আপনার পৃথিবী। নিজেকে সময় দিন।‘আমার আমি’কে জানার চেষ্টা করুন। জানুন কি আপনার হৃদয়ের খুব কাছের আর কি আপনি এড়িয়ে চলতে ভালোবাসেন।

২.স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন  

সুস্থ দেহ আর সুস্থ মন একে অপরের পরিপূরক। আমরা বেশিরভাগ সময়েই রোগ বাসা বাঁধার আগ পর্যন্ত শরীর নিয়ে সচেতন হইনা।কিন্তু প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। তাই সচেতন হোন আগে থেকেই। শরীর ভালো রাখতে গড়ে তুলতে পারেন সহজ কিছু অভ্যাস।

  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন
  • মাদক দ্রব্য, কোমল পানীয়, শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন
  • দৈনিক কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন
  • নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। না পারলে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন।
  • হাসুন প্রাণখুলে

৩.ব্রেইনকে বিশ্রাম দিন   

মাঝে কাজ থেকে অবসর নেওয়ার পাশাপাশি ব্রেইনকেও বিশ্রাম দিন। অতিরিক্ত চিন্তা বাদ দিন। ব্রেইনের খানিকটা বিশ্রাম আপনাকে নতুন করে কাজ করার অনুপ্রেরণা দেবে।

৪.রুটিনটাকে ঢেলে সাজান

প্রতিদিন একই ধরণের কাজ করতে করতে আমাদের মাঝে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই মাঝে মাঝে রুটিনটাকে ঢেলে সাজাতে পারেন। একই কাজ করতে পারেন ভিন্ন আঙ্গিকে।এতে করে কাজে যেমন উৎসাহ পাবেন তেমনি ভালো থাকবে মানসিক স্বাস্থ্য।

৫.দিতে শিখুন এবং সাহায্য নিন  

কিছু দিতে পারার আনন্দ সবসময়ই অসাধারণ। এমনটা নয় যে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে আপনাকে অনেক বেশি দান খয়রাত খয়রাত করতে হবে। অন্যের মুখে হাসি ফোটায় এমন কিছু ছোটো ছোটো কাজ তো আপনি করতেই পারেন। আপনি দিতে পারেন একটু সময়, কিংবা আপনার কোন পরামর্শ এমনকি সেটা হতে পারে একটুখানি হাসিও। আর হ্যাঁ, প্রয়োজনে আপনজনের সাহায্য নিন।

৬.নিয়মিত ডায়েরি লেখার অভ্যাস

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো লিখে রাখতে পারেন ডায়েরিতে। ডায়েরি লিখতে পারেন অনেকভাবেই। প্রতিদিনের অর্জন এবং ভুলগুলো টুকে রাখতে পারেন। অনেকে আবার ডায়েরিতে নিজের লক্ষ্যগুলো লিখে রাখেন। চিঠি লিখতে পারেন নিজেকেও! কি একটু অদ্ভুত লাগছে? একবার লিখেই দেখুন না।

৭. ভ্রমণ  

শারীরিক কিংবা মানসিক, যেকোনো ক্লান্তি দূর করতে ভ্রমণের জুড়ি নেই। সপ্তাহে না পারলে মাসে অন্তত একদিন হলেও কোথাও ঘুরে আসার চেষ্টা করুন। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো সময় আপনাকে দেবে নতুন করে বাঁচার প্রেরণা।

৮.তুলনা করুন নিজের সাথে

অন্যের সাথে নয় বরং তুলনা করুন নিজের সাথে নিজের। অন্যের সাফল্যে নিজের জন্য আফসোস করার কিছু নেই। প্রতিটি মানুষই আলাদা। বরং নিজের সাথে নিজের তুলনা করুন। নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করুন।  

৯.সময় দিন প্রিয়জনদের

পরিবার, বন্ধু সহ কাছের মানুষদের সময় দিন। সময় পেলে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে কোন গেটটুগেদার কিংবা আড্ডায় যোগ দিতে পারেন। এতে হৃদ্যতা বাড়ে। এই সুসম্পর্ক আপনাকে মানসিক শক্তি জোগাবে।

১০.নতুন কিছু শেখা

নতুন নতুন বিষয় শেখার চেষ্টা করুন। সেটা হতে পারে নতুন কোন ভাষা, কোন মিউজিক ইনস্ট্রুমেন্ট কিংবা হতে পারে কোডিং বা ফটোগ্রাফি।  কারো শখের কোন বিষয় থাকলে সেটি শিখে নিতে পারেন। একটু ভিন্ন আঙ্গিকে দারুণ কিছু মূহুর্ত পাবেন।

১১. বই পড়া

আর হ্যাঁ, অবশ্যই বই পড়ুন। সপ্তাহে অন্তত একটি বই পড়ার অভ্যাস আপনাকে যেমন সমৃদ্ধ করবে তেমনি ভালো রাখবে মানসিক স্বাস্থ্যকেও।

Cover photo credit: http://blog.fulfillinghappiness.com/

6 myths about depression that we must stop believing

700 370 Saadman Rahman Chowdhury

Up until July 20, 2017, I didn’t realize who Chester Bennington was. Although I have listened to many of his songs, I never put a name to his face. I used to sing his songs all day without actually understanding too much of the lyrics. It was the hype that made me look up his name. When I saw the words ‘Linkin Park vocalist’ beside his name, I knew what I had lost. Up until then, I did not know how it felt to lose a part of your childhood. People were talking a lot about depression then, posting statuses about how depression has also affected their lives and what should be done. And just after, like all the other social media trends, depression faded away from our purview and we focused on the latest spectacle. Discussion about depressed and the need to address them took the back seat. read more

ডিপ্রেশন; নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান

1000 611 Jamia Rahman Khan Tisa

ডিপ্রেশন আর স্যাডনেস এক নয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO)-র মতে পৃথিবীতে প্রায় ৩০০ মিলিয়নেরও বেশী মানুষ ডিপ্রেশনে ভোগে। এই ডিপ্রেশন ক্যান্সার বা হৃদরোগের মতই একটি রোগের নাম। কিন্তু একে আমরা রোগ বলে স্বীকার করতে নারাজ। ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা বলতে খুব সহজেই আমরা যা বুঝি তা হলো মন খারাপ থাকা বা দুঃখে থাকা। কিন্তু আসলেই কি বিষণ্ণতা মানে শুধুই মন খারাপ? শুধুই দুঃখে থাকা? read more

স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ; কেন করবেন?

3872 2592 Jamia Rahman Khan Tisa

কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ার বাইরেও যে সময়টুকু আমরা পাই সেটাকে সুন্দরভাবে কাজে লাগানোর অন্যতম একটি মাধ্যম হতে পারে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ।  দেশ ও সমাজের একটি অংশ হিসেবে এর উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারা সত্যিই একটি দারুণ ব্যাপার। অনেকেরই মনে হতে পারে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ কেন করবো? কেন বিনা পয়সায় বেগার খাটবো?  আসুন জেনে নিই স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের কিছু দারুণ দিক যা আপনার এই ধারণাকে আমূল বদলে দেবে।

পরিবর্তন আসবে আপনার হাত ধরে
আপনি হয়তো অনেক বড় কোন কাজ করছেন না। কিন্তু আপনার এই কাজটুকু অনেক বড় একটা কাজেরই অংশ যা সমাজে কোন না কোনোভাবে পরিবর্তন আনছে। এই প্রাপ্তিটুকু অনেক। দেশ কিংবা সমাজ থেকে তো আমরা অনেককিছুই নিচ্ছি। এর প্রতিদান দেওয়ার খুব সুন্দর আর কার্যকর একটা মাধ্যম হতে পারে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ।

কমফোর্ট জোনের বাইরে কাজের সুযোগ
কমফোর্ট জোনের বাইরে যেয়ে কাজের সুযোগ পাবেন। অনেক সময় পরিস্থিতিই আপনাকে এই সুযোগ করে দেবে। এতে করে বাস্তব জীবনের কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে যেমন ধারণা হবে তেমনি পাবেন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার সাহস।

নেতৃত্ব চর্চার দারুণ প্লাটফর্ম
স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ হতে পারে হাতে কলমে নেতৃত্ব চর্চার দারুণ সুযোগ। নিজের ভেতরকার নেতৃত্বের দক্ষতাগুলোকে আবিস্কার করতে পারবেন নতুন করে।

স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের মাধ্যমে বিকশিত হবে নেতৃত্বের দক্ষতা

শেখার সুযোগ
কাজ করতে গিয়ে আপনি শিখতে পারেন অনেক কিছু। যে বিষয় নিয়েই কাজ করেন না কেন সে বিষয়টি সম্পর্কে হাতেকলমে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ থাকে এ ধরণের কাজে।

দক্ষতার উন্নয়ন
সময়ানুবর্তিতা, উপস্থাপন কৌশল, সাংগঠনিক দক্ষতা আর দলগত কাজের মত দক্ষতা আপনি অর্জন করতে পারেন স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের মাধ্যমে। নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বের হয়ে বাস্তব জীবনে কাজ করার অভিজ্ঞতা লাভ করবেন যা আপনাকে করে তুলবে দক্ষ। অভিজ্ঞতার ঝুলিকে করবে সমৃদ্ধ যা পরবর্তীতে আপনাকে চাকুরিবাজারে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখবে অনেকখানিই।

আত্মবিশ্বাস লাভ
আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন তা আমাদের মাঝে একধরণের পরিতৃপ্তি আসে। আত্মবিশ্বাস জন্ম নেয়। নিজেকে আরও এগিয়ে নেওয়ার স্পৃহা জাগে।

সুস্থ থাকবেন
শুনতে হয়তো একটু অবাক লাগছে। কিন্তু এটা সত্যি। গবেষণা বলে আপনি যখন মানুষের সমস্যা নিয়ে কাজ করেন তখন নিজের সম্পর্কে দুশ্চিন্তা অনেকাংশেই কমে যায়। এতে করে আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় আর জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও এ ধরণের কাজ কমায় ডিপ্রেশনের মত সমস্যা।

নিজেকে নতুনভাবে আবিস্কার করা
এ ধরণের কাজ করতে গিয়ে আমরা নিজেদের আবিস্কার করতে পারি নতুন করে। আমার কোথায় আগ্রহ,  কি ধরণের কাজ আমি ভালোবাসি সে সম্পর্কে নতুনকরে ধারণা পাই। নিজের সামর্থ্য ও দুর্বল দিকগুলো সম্পর্কেও জানা যায়।

হতে পারেন পরিবর্তনের অংশ

নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচয় ও বন্ধুত্ব
ভিন্ন মাধ্যমের মানুষজনের সাথে কাজ করা, পরিচয় ও বন্ধুত্বের চমৎকার সুযোগ থাকে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে। ভিন্ন আর্থ সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে যেমন জ্ঞান লাভ করা যায় তেমনি সহকর্মীদের কাছ থেকে শেখা যায় অনেক কিছু।

নেটওয়ার্কিং এর একটা দারুণ জায়গা হলো স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ। অনেক ধরণের মানুষের সাথে মেলামেশার মাধ্যমে আপনার চেনাজানা লোকের পরিধি বাড়বে। সেই সাথে বাড়বে সুযোগও।

 

 

We need classrooms that unite, not divide

1299 427 Shaveena Anam

“Apnar ki kono savings acche?” I asked a slum dwelling beneficiary of a poverty alleviation project, to gather information for case studies that showcased the success of the intervention. One of the field officers who was accompanying me quietly whispered to me that the Bangla word for savings was shonchoy and then turned to his colleague to explain, “Apa toh English medium”. “Ah” he said, and everyone around me in the tin-shed home nodded in unison—my accent, clothes, my entire being making sudden sense to them. Embarrassingly, I had never come across the word shonchoy before. I had attended an English-medium school and had the opportunity to go abroad to study. My education had made it easier for me to keep up with the indie film watching, Derrida quoting, vegan burger eating hipsters at my liberal arts college, but when I had returned in 2011 and started working at an NGO, I was suddenly rendered unintelligent and unintelligible because I couldn’t hold intellectual conversations in Bangla with my colleagues. I hadn’t read the same books, watched the same films, or listened to the same music. During school, Bangla lessons had been confined to hourly classes, three days a week. We might have shared space in the same city, but we certainly didn’t share the same experience of Bangladesh. read more

কিছু অভ্যাস বদলে দেবে পরিবেশ

1600 1329 Jamia Rahman Khan Tisa

আমরা প্রায়ই আফসোস করে বলি-“পরিবেশটা ধ্বংস হয়ে গেলো।” পরিবেশ দূষণ কমানো কি আদৌ খুব কঠিন কাজ? এর দায় কি শুধুই সমাজের হর্তাকর্তাদের? আমিও তো এই পরিবেশেরই একটা অংশ। দায় তো আমারও আছে। কোনোদিনও কি ভেবেছি আমার একটু খানি বদলে যাওয়া এই পরিবেশটাকে বাঁচাতে পারে। আসুন জেনে নিই এমন কিছু সহজ অভ্যাসের কথা যা আমাদের পরিবেশটাকে করে তুলতে পারে আরও সুন্দর।

১.বেছে নিন বাইসাইকেল

বাইসাইকেল ব্যবহারে ভালো থাকবে পরিবেশ
ছবিসূত্রঃ Inhabitat

অল্প দূরত্বের পথ পাড়ি দিন বাইসাইকেলেই। পরিবেশ তো ভালো থাকবেই, শরীরটাও ভালো থাকবে, যানজটের ঝামেলা পোহাতে হবেনা। উপরন্তু বেঁচে যাবে খরচটাও। এই অভ্যাসটি গড়ে তুলতে পারলে পরিবেশ দূষণ কমানোর পাশাপাশি লাভবান হবেন আপনি নিজেও।

২.যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করুন

ময়লা ফেলুন নির্দিষ্ট জায়গায়
ছবিসূত্রঃThe Indian Express

এটি বহুল প্রচলিত কথা হলেও বহুল অমান্য ও বটে। আমরা যেখানে সেখানে ময়লা ফেলাটাকে খুব একটা গুরুত্বের সাথে দেখিনা। ধরণ অনুযায়ী ময়লা ফেলুন নির্দিষ্ট জায়গায়। নেহাতই আশেপাশে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা না থাকলে সেটি সংরক্ষণ করুন। আরেকটা বদভ্যাস হলো রাস্তাঘাটে কফ বা থুতু ফেলা। এটি একদিকে যেমন রাস্তাঘাট নোংরা করে তেমনি ছড়ায় রোগজীবাণু।

৩.রিসাইক্লিং পণ্যকে প্রাধান্য দিন

রিসাইক্লিং পণ্য ব্যবহার করুন
ছবিসূত্রঃPinterest

রিসাইক্লিং পণ্য সবসময়ই পরিবেশবান্ধব। যতদূর সম্ভব রিসাইক্লিং পণ্য নিজে ব্যাবহার করুন এবং অন্যকে উৎসাহিত করুন।এতে খরচও কমবে আর পরিবেশ ও ভালো থাকবে। ব্যবহার্য জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেলে সেটা ফেলে না দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করতে পারেন।

৪.পানির অপচয় ও দূষণ রোধে সচেতন হোন

পানি দূষণ রোধে সচেষ্ট হোন
ছবিসূত্রঃCPCB ENVIS

পানির যথেচ্ছ ব্যবহারকে না বলুন। গোসল কিংবা হাতমুখ ধুতে গেলে আমরা অকারণেই কলের পানি ছেড়ে রাখি। এতে করে অপ্রয়োজনে নষ্ট হচ্ছে প্রচুর পানি। একদিকে আমরা পানি নষ্ট করছি, অন্যদিকে পৃথিবীর আরেক প্রান্তে মানুষ সুপেয় পানির অভাবে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। অচিরেই হয়তো এই দুর্দিন আমাদের ও দেখতে হবে যদি না আমরা পানি অপচয় বন্ধ করি। পানিদূষণের জন্য প্রত্যক্ষ ভাবে যে কারণগুলোর জন্য আপনি দায়ী সেগুলো বন্ধ করুন। বর্জ্য পানিতে ফেলবেন না।

৫.পাল্টে ফেলুন খাদ্যাভাস

অরগানিক খাবার স্বাস্থ্য ও পরিবেশ দুই ই ভালো রাখবে
ছবিসূত্রঃKerala Breaking News

ভেজাল এবং রাসায়নিক উপাদানমুক্ত অর্গানিক খাবার গ্রহণ করুন। তাহলে রাসায়নিক উপাদানযুক্ত খাবারের বাজার কমবে আর পরিবেশও ভালো থাকবে। বারান্দায়, ছাদে কিংবা বাড়ির সামনের ফাঁকা জায়গাটিতে কিছু শাকসব্জির চাষ করা যেতে পারে। এতে যেমন খরচ কমবে, পরিবেশ ভালো থাকবে তেমনি সুস্থ থাকবেন আপনি নিজেও।

৬.বদলে ফেলুন বাতি

পরিবেশ বান্ধব এলইডি বাতি
ছবিসূত্রঃ Latest Cool Gadgets from China

এলইডি বাতি ব্যবহার করুন। এলইডি বাতির ব্যবহারে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় প্রায় ৯০ ভাগ।আর এটি পরিবেশবান্ধব ও বটে।

৭.বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যাবহারে সাশ্রয়ী হোন

শক্তির সঠিক ব্যবহার করুন
ছবিসূত্রঃ133RF. com

প্রয়োজন শেষে লাইট ও ফ্যানের সুইচ বন্ধ করুন। অকারণে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখবেন না। মনে রাখবেন জ্বালানি সাশ্রয়ের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ কমানো যেতে পারে অনেকাংশে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করুন।

৮.গাছ লাগান

পরিবেশ বাঁচাতে গাছ লাগান
ছবিসূত্রঃSave trees Save Earth

সুযোগ পেলেই গাছ লাগান। যারা শহরাঞ্চলে থাকেন তারাও গাছ লাগান।বারান্দায় কিংবা ছাদে বাগান করতে পারেন। সবুজে বাঁচুন। মন যেমন স্নিগ্ধ থাকবে, তেমনি পাবেন অক্সিজেনের যোগান।

৯.নিজে জানুন, অন্যকে জানান

পরিবেশ দূষণরোধে চারপাশের মানুষকে জানাতে পারেন
ছবিসূত্রঃGym Junkies

পরিবেশ রক্ষায় আগে নিজে সচেতন হোন। আপনার কাজে কর্মে, অভ্যাসে, আচরণে প্রকাশ পাক পরিবেশের প্রতি আপনার ভালোবাসা। এতে করে আপনাকে দেখে অন্যরাও উৎসাহিত হবে। কোন আড্ডা বা গল্পছলে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। আর লেখালেখির মাধ্যমেও মানুষকে জানানো যেতে পারে এবং করে তোলা যেতে পারে সচেতন।

পরিবেশ না বাঁচলে আমাদের অস্তিত্ব টিকে থাকার কোনো প্রশ্নই আসেনা। পরিবেশকে ভালোবাসুন, এতে আপনারই লাভ। আমাদের ছোটো ছোটো এই অভ্যাসগুলোই সুন্দর করবে আমাদের পরিবেশ। আসুন পরিবর্তন আনি নিজের মাঝে, বাঁচাই পরিবেশ।

ফিচার ছবিসূত্রঃ bambegin smile

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.