Reasons why you can’t…

4000 2667 Aryan Kabir

This writing will not be uplifting, nor will it teach you to be the greatest leader the world has seen. However, I can assure you that it will be frank, uncomplicated and notably relatable to our lives.

As millennials, we have always been taught that each and every person is special; that you can achieve greatness if you believe it. This very sentiment is why most people grow up under the false impression that everything will go as they imagine it to be. Society has a strange way of sugar coating things in its attempt to inspire and encourage the youth and that is where it goes wrong.

The consequences of such practices can be seen in many education sectors of the world. A 2015 study shows that a staggering one in four adult students have mental illnesses, ranging from anxiety disorders to depression. This is primarily due to the superficial image we have painted over the years, the over use of censorship and the urge to make everything look simple resulting in low effort put into studies, extra-curricular activities and all other work. That is why when exiting the safe boundaries of their schools and stepping into the real world, these individuals experience a whole new level of competition, that they are unprepared for. The real blow: the realization that they are not the best, that there is and will always be someone better than them. Based on a 2009 survey conducted by the American College Health Association-National College Health Assessment (ACHA-NCHA II), 39 percent of college students will feel hopeless during the school year, 25 percent will feel so depressed they’ll find it hard to function, 47 percent will experience overwhelming anxiety, and 84 percent will feel overwhelmed by all they have to do. These numbers are concerningly high and are reflected in Bangladeshi high school students. As such, we have to realize the models of leadership we have engineered to cater to everyone, will fail. We need to construct models that are not over simplistic and pliable to different people’s different skills, and paces.

A wise man once said being a leader does not mean being the best; it is about remaining consistent, adapting to changes and delivering the best one can provide, while assisting others. This is something these young adults fail at mastering. Those who may have done well in school become discouraged and never truly return to their previous pace while others fail to reach their potential, altogether.

This does not mean that everyone faces these same hardships, as every person is truly different. The message of this dilemma only serves as an advice not to be taken lightly – as leadership in any field of work will test the limits of oneself. The ones who do adapt and learn to accept failure are the ones who truly reach the top. Colonel Sanders, Jack Ma, Steve jobs -they have all failed at one point in their lives but have all been resilient, which ultimately led to their success.

The problem of creating false models for children persists. It is happening now more than ever. Therefore, it is up to us to make the change and be the change; to introduce models which will encourage the youth to strive for betterment and make them aware of the fact that there is always a chance things may not go as planned.

Remembering Rupa

496 330 Inshirah Azhar

Dear Rupa Khatun Pramanik, read more

১১টি ইতিবাচক অভ্যাস ভালো রাখবে মানসিক স্বাস্থ্য

1000 669 Jamia Rahman Khan Tisa

সুস্থ জীবন কে না চায়? কিভাবে শরীরটাকে একটু ভালো রাখা যায় তা নিয়ে তো আমরা সবাই ভাবি। কিন্তু মনটাকে সুস্থ রাখার কথা কি ভেবেছি কোনদিন? সুস্থ সুন্দর জীবনের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকাটা অপরিহার্য। কেননা মানসিক অবস্থা খারাপ থাকলে এর প্রভাব পড়বে শরীরেও। কিছু ইতিবাচক অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। আসুন জেনে নিই তেমনই ১০টি ইতিবাচক অভ্যাসের কথা।

১.নিজেকে ভালবাসুন

আপনি যদি নিজেকে ভালবাসতে না পারেন তবে অন্য কারো ভালোবাসা আশা করাটা নিঃসন্দেহে বোকামি। নিজেকে শ্রদ্ধা করুন, এতে মনের জোর বাড়ে। নিজেকে ভালবাসতে পারলে হীনমন্যতায় ভুগবেন না। বাড়বে আত্মবিশ্বাস। বদলে যাবে আপনার পৃথিবী। নিজেকে সময় দিন।‘আমার আমি’কে জানার চেষ্টা করুন। জানুন কি আপনার হৃদয়ের খুব কাছের আর কি আপনি এড়িয়ে চলতে ভালোবাসেন।

২.স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন  

সুস্থ দেহ আর সুস্থ মন একে অপরের পরিপূরক। আমরা বেশিরভাগ সময়েই রোগ বাসা বাঁধার আগ পর্যন্ত শরীর নিয়ে সচেতন হইনা।কিন্তু প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। তাই সচেতন হোন আগে থেকেই। শরীর ভালো রাখতে গড়ে তুলতে পারেন সহজ কিছু অভ্যাস।

  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন
  • মাদক দ্রব্য, কোমল পানীয়, শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন
  • দৈনিক কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন
  • নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। না পারলে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন।
  • হাসুন প্রাণখুলে

৩.ব্রেইনকে বিশ্রাম দিন   

মাঝে কাজ থেকে অবসর নেওয়ার পাশাপাশি ব্রেইনকেও বিশ্রাম দিন। অতিরিক্ত চিন্তা বাদ দিন। ব্রেইনের খানিকটা বিশ্রাম আপনাকে নতুন করে কাজ করার অনুপ্রেরণা দেবে।

৪.রুটিনটাকে ঢেলে সাজান

প্রতিদিন একই ধরণের কাজ করতে করতে আমাদের মাঝে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই মাঝে মাঝে রুটিনটাকে ঢেলে সাজাতে পারেন। একই কাজ করতে পারেন ভিন্ন আঙ্গিকে।এতে করে কাজে যেমন উৎসাহ পাবেন তেমনি ভালো থাকবে মানসিক স্বাস্থ্য।

৫.দিতে শিখুন এবং সাহায্য নিন  

কিছু দিতে পারার আনন্দ সবসময়ই অসাধারণ। এমনটা নয় যে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে আপনাকে অনেক বেশি দান খয়রাত খয়রাত করতে হবে। অন্যের মুখে হাসি ফোটায় এমন কিছু ছোটো ছোটো কাজ তো আপনি করতেই পারেন। আপনি দিতে পারেন একটু সময়, কিংবা আপনার কোন পরামর্শ এমনকি সেটা হতে পারে একটুখানি হাসিও। আর হ্যাঁ, প্রয়োজনে আপনজনের সাহায্য নিন।

৬.নিয়মিত ডায়েরি লেখার অভ্যাস

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো লিখে রাখতে পারেন ডায়েরিতে। ডায়েরি লিখতে পারেন অনেকভাবেই। প্রতিদিনের অর্জন এবং ভুলগুলো টুকে রাখতে পারেন। অনেকে আবার ডায়েরিতে নিজের লক্ষ্যগুলো লিখে রাখেন। চিঠি লিখতে পারেন নিজেকেও! কি একটু অদ্ভুত লাগছে? একবার লিখেই দেখুন না।

৭. ভ্রমণ  

শারীরিক কিংবা মানসিক, যেকোনো ক্লান্তি দূর করতে ভ্রমণের জুড়ি নেই। সপ্তাহে না পারলে মাসে অন্তত একদিন হলেও কোথাও ঘুরে আসার চেষ্টা করুন। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো সময় আপনাকে দেবে নতুন করে বাঁচার প্রেরণা।

৮.তুলনা করুন নিজের সাথে

অন্যের সাথে নয় বরং তুলনা করুন নিজের সাথে নিজের। অন্যের সাফল্যে নিজের জন্য আফসোস করার কিছু নেই। প্রতিটি মানুষই আলাদা। বরং নিজের সাথে নিজের তুলনা করুন। নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করুন।  

৯.সময় দিন প্রিয়জনদের

পরিবার, বন্ধু সহ কাছের মানুষদের সময় দিন। সময় পেলে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে কোন গেটটুগেদার কিংবা আড্ডায় যোগ দিতে পারেন। এতে হৃদ্যতা বাড়ে। এই সুসম্পর্ক আপনাকে মানসিক শক্তি জোগাবে।

১০.নতুন কিছু শেখা

নতুন নতুন বিষয় শেখার চেষ্টা করুন। সেটা হতে পারে নতুন কোন ভাষা, কোন মিউজিক ইনস্ট্রুমেন্ট কিংবা হতে পারে কোডিং বা ফটোগ্রাফি।  কারো শখের কোন বিষয় থাকলে সেটি শিখে নিতে পারেন। একটু ভিন্ন আঙ্গিকে দারুণ কিছু মূহুর্ত পাবেন।

১১. বই পড়া

আর হ্যাঁ, অবশ্যই বই পড়ুন। সপ্তাহে অন্তত একটি বই পড়ার অভ্যাস আপনাকে যেমন সমৃদ্ধ করবে তেমনি ভালো রাখবে মানসিক স্বাস্থ্যকেও।

Cover photo credit: http://blog.fulfillinghappiness.com/

6 myths about depression that we must stop believing

700 370 Saadman Rahman Chowdhury

Up until July 20, 2017, I didn’t realize who Chester Bennington was. Although I have listened to many of his songs, I never put a name to his face. I used to sing his songs all day without actually understanding too much of the lyrics. It was the hype that made me look up his name. When I saw the words ‘Linkin Park vocalist’ beside his name, I knew what I had lost. Up until then, I did not know how it felt to lose a part of your childhood. People were talking a lot about depression then, posting statuses about how depression has also affected their lives and what should be done. And just after, like all the other social media trends, depression faded away from our purview and we focused on the latest spectacle. Discussion about depressed and the need to address them took the back seat. read more

ডিপ্রেশন; নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান

1000 611 Jamia Rahman Khan Tisa

ডিপ্রেশন আর স্যাডনেস এক নয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO)-র মতে পৃথিবীতে প্রায় ৩০০ মিলিয়নেরও বেশী মানুষ ডিপ্রেশনে ভোগে। এই ডিপ্রেশন ক্যান্সার বা হৃদরোগের মতই একটি রোগের নাম। কিন্তু একে আমরা রোগ বলে স্বীকার করতে নারাজ। ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা বলতে খুব সহজেই আমরা যা বুঝি তা হলো মন খারাপ থাকা বা দুঃখে থাকা। কিন্তু আসলেই কি বিষণ্ণতা মানে শুধুই মন খারাপ? শুধুই দুঃখে থাকা? read more

We need classrooms that unite, not divide

1299 427 Shaveena Anam

“Apnar ki kono savings acche?” I asked a slum dwelling beneficiary of a poverty alleviation project, to gather information for case studies that showcased the success of the intervention. One of the field officers who was accompanying me quietly whispered to me that the Bangla word for savings was shonchoy and then turned to his colleague to explain, “Apa toh English medium”. “Ah” he said, and everyone around me in the tin-shed home nodded in unison—my accent, clothes, my entire being making sudden sense to them. Embarrassingly, I had never come across the word shonchoy before. I had attended an English-medium school and had the opportunity to go abroad to study. My education had made it easier for me to keep up with the indie film watching, Derrida quoting, vegan burger eating hipsters at my liberal arts college, but when I had returned in 2011 and started working at an NGO, I was suddenly rendered unintelligent and unintelligible because I couldn’t hold intellectual conversations in Bangla with my colleagues. I hadn’t read the same books, watched the same films, or listened to the same music. During school, Bangla lessons had been confined to hourly classes, three days a week. We might have shared space in the same city, but we certainly didn’t share the same experience of Bangladesh. read more

কিছু অভ্যাস বদলে দেবে পরিবেশ

1600 1329 Jamia Rahman Khan Tisa

আমরা প্রায়ই আফসোস করে বলি-“পরিবেশটা ধ্বংস হয়ে গেলো।” পরিবেশ দূষণ কমানো কি আদৌ খুব কঠিন কাজ? এর দায় কি শুধুই সমাজের হর্তাকর্তাদের? আমিও তো এই পরিবেশেরই একটা অংশ। দায় তো আমারও আছে। কোনোদিনও কি ভেবেছি আমার একটু খানি বদলে যাওয়া এই পরিবেশটাকে বাঁচাতে পারে। আসুন জেনে নিই এমন কিছু সহজ অভ্যাসের কথা যা আমাদের পরিবেশটাকে করে তুলতে পারে আরও সুন্দর।

১.বেছে নিন বাইসাইকেল

বাইসাইকেল ব্যবহারে ভালো থাকবে পরিবেশ
ছবিসূত্রঃ Inhabitat

অল্প দূরত্বের পথ পাড়ি দিন বাইসাইকেলেই। পরিবেশ তো ভালো থাকবেই, শরীরটাও ভালো থাকবে, যানজটের ঝামেলা পোহাতে হবেনা। উপরন্তু বেঁচে যাবে খরচটাও। এই অভ্যাসটি গড়ে তুলতে পারলে পরিবেশ দূষণ কমানোর পাশাপাশি লাভবান হবেন আপনি নিজেও।

২.যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করুন

ময়লা ফেলুন নির্দিষ্ট জায়গায়
ছবিসূত্রঃThe Indian Express

এটি বহুল প্রচলিত কথা হলেও বহুল অমান্য ও বটে। আমরা যেখানে সেখানে ময়লা ফেলাটাকে খুব একটা গুরুত্বের সাথে দেখিনা। ধরণ অনুযায়ী ময়লা ফেলুন নির্দিষ্ট জায়গায়। নেহাতই আশেপাশে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা না থাকলে সেটি সংরক্ষণ করুন। আরেকটা বদভ্যাস হলো রাস্তাঘাটে কফ বা থুতু ফেলা। এটি একদিকে যেমন রাস্তাঘাট নোংরা করে তেমনি ছড়ায় রোগজীবাণু।

৩.রিসাইক্লিং পণ্যকে প্রাধান্য দিন

রিসাইক্লিং পণ্য ব্যবহার করুন

রিসাইক্লিং পণ্য সবসময়ই পরিবেশবান্ধব। যতদূর সম্ভব রিসাইক্লিং পণ্য নিজে ব্যাবহার করুন এবং অন্যকে উৎসাহিত করুন।এতে খরচও কমবে আর পরিবেশ ও ভালো থাকবে। ব্যবহার্য জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেলে সেটা ফেলে না দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করতে পারেন।

৪.পানির অপচয় ও দূষণ রোধে সচেতন হোন

পানি দূষণ রোধে সচেষ্ট হোন
ছবিসূত্রঃCPCB ENVIS

পানির যথেচ্ছ ব্যবহারকে না বলুন। গোসল কিংবা হাতমুখ ধুতে গেলে আমরা অকারণেই কলের পানি ছেড়ে রাখি। এতে করে অপ্রয়োজনে নষ্ট হচ্ছে প্রচুর পানি। একদিকে আমরা পানি নষ্ট করছি, অন্যদিকে পৃথিবীর আরেক প্রান্তে মানুষ সুপেয় পানির অভাবে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। অচিরেই হয়তো এই দুর্দিন আমাদের ও দেখতে হবে যদি না আমরা পানি অপচয় বন্ধ করি। পানিদূষণের জন্য প্রত্যক্ষ ভাবে যে কারণগুলোর জন্য আপনি দায়ী সেগুলো বন্ধ করুন। বর্জ্য পানিতে ফেলবেন না।

৫.পাল্টে ফেলুন খাদ্যাভাস

অরগানিক খাবার স্বাস্থ্য ও পরিবেশ দুই ই ভালো রাখবে
ছবিসূত্রঃKerala Breaking News

ভেজাল এবং রাসায়নিক উপাদানমুক্ত অর্গানিক খাবার গ্রহণ করুন। তাহলে রাসায়নিক উপাদানযুক্ত খাবারের বাজার কমবে আর পরিবেশও ভালো থাকবে। বারান্দায়, ছাদে কিংবা বাড়ির সামনের ফাঁকা জায়গাটিতে কিছু শাকসব্জির চাষ করা যেতে পারে। এতে যেমন খরচ কমবে, পরিবেশ ভালো থাকবে তেমনি সুস্থ থাকবেন আপনি নিজেও।

৬.বদলে ফেলুন বাতি

পরিবেশ বান্ধব এলইডি বাতি
ছবিসূত্রঃ Latest Cool Gadgets from China

এলইডি বাতি ব্যবহার করুন। এলইডি বাতির ব্যবহারে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় প্রায় ৯০ ভাগ।আর এটি পরিবেশবান্ধব ও বটে।

৭.বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যাবহারে সাশ্রয়ী হোন

শক্তির সঠিক ব্যবহার করুন
ছবিসূত্রঃ133RF. com

প্রয়োজন শেষে লাইট ও ফ্যানের সুইচ বন্ধ করুন। অকারণে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখবেন না। মনে রাখবেন জ্বালানি সাশ্রয়ের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ কমানো যেতে পারে অনেকাংশে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করুন।

৮.গাছ লাগান

পরিবেশ বাঁচাতে গাছ লাগান
ছবিসূত্রঃSave trees Save Earth

সুযোগ পেলেই গাছ লাগান। যারা শহরাঞ্চলে থাকেন তারাও গাছ লাগান।বারান্দায় কিংবা ছাদে বাগান করতে পারেন। সবুজে বাঁচুন। মন যেমন স্নিগ্ধ থাকবে, তেমনি পাবেন অক্সিজেনের যোগান।

৯.নিজে জানুন, অন্যকে জানান

পরিবেশ দূষণরোধে চারপাশের মানুষকে জানাতে পারেন
ছবিসূত্রঃGym Junkies

পরিবেশ রক্ষায় আগে নিজে সচেতন হোন। আপনার কাজে কর্মে, অভ্যাসে, আচরণে প্রকাশ পাক পরিবেশের প্রতি আপনার ভালোবাসা। এতে করে আপনাকে দেখে অন্যরাও উৎসাহিত হবে। কোন আড্ডা বা গল্পছলে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। আর লেখালেখির মাধ্যমেও মানুষকে জানানো যেতে পারে এবং করে তোলা যেতে পারে সচেতন।

পরিবেশ না বাঁচলে আমাদের অস্তিত্ব টিকে থাকার কোনো প্রশ্নই আসেনা। পরিবেশকে ভালোবাসুন, এতে আপনারই লাভ। আমাদের ছোটো ছোটো এই অভ্যাসগুলোই সুন্দর করবে আমাদের পরিবেশ। আসুন পরিবর্তন আনি নিজের মাঝে, বাঁচাই পরিবেশ।

ফিচার ছবিসূত্রঃ bambegin smile

What Is Your Heart Trying to Say?

3872 2592 Zainab Syed Ahmed

In this busy, dusty city of Dhaka, one is consumed by so many occurrences in a day that they hardly get time to take a step back and contemplate what is happening around and how one is getting influenced by their environment.

read more

স্বাধীনতা: দুর্বার তারুণ্যের উচ্ছ্বাস

960 699 Zannatul Ferdous Miftah

শত আশার শততম টেস্ট ম্যাচ। টিভি পর্দার সামনে উদ্বেগ, উৎকন্ঠা আর টানটান উত্তেজনায় কোটি তরুণ। আর ওদিকে লংকান মাটিতে লড়ছে ওরা ক’জন – সাকিব, তামিম আর মুশফিক বাহিনী। অবশেষে এল বহুল প্রত্যাশিত সেই বিজয়। সিংহের ডেরায় গ্ল্যাডিয়েটরদের হারিয়ে লাল-সবুজের পতাকা ওড়ালো বাংলার বাঘ। বিজয় উল্লাস ছড়িয়ে পরলো এ দেশের কোটি তরুণের চোখে-মুখে ফেইসবুকের নীল-সাদা পর্দায়, অলি-গলি পেরিয়ে রাজপথে টিএসসিতে। কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আর কে রাস্তার পাশে রিকশা থামিয়ে বিজয় মিছিলে সামিল হওয়া ঘর্মাক্ত রিকশাওয়ালা কিংবা টং দোকানের চা বিক্রেতা – সে হিসেব নেবার কেউ নাই, এটাই তারুণ্যের শক্তি, এটাই তারুণ্যের স্বকীয়তা, এটাই তারুণ্যের সৌন্দর্য। read more

লেখালেখি এবং নেতৃত্বচর্চা

683 683 Sabbir Jubaer

“Beneath the rule of men entirely great

The pen is mightier than the sword. Behold!

Take away the sword

States can be saved without it.”

১৮৩৯ সালে প্রখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার Edward Bulwer Lytton লিখে গিয়েছিলেন কেন তলোয়ারের চাইতে কলম বেশি শক্তিশালী

একসময় পৃথিবীর মানচিত্র পাল্টে যেতো তলোয়ারের জোরে। যার তলোয়ার যত বেশি ধারালো, তার ক্ষমতাও তত বেশি। তলোয়ারের জোরে এক রাজার পতন ঘটতো, অন্য রাজার ঘটতো উত্থান। তারপর একটা সময় আসলো যখন ধীরে ধীরে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিকাশ ঘটলো। দেখা গেল তরবারির জায়গা দখল করে নিয়েছে কলম। সারা বিশ্ব অবাক বিস্ময়ে দেখলো লেখনীশক্তি কেমন করে পুরো বিশ্বকে পাল্টে দেয়। কয়েকজন দার্শনিকের লেখালেখির ফলস্বরূপ ঘটেছিল ফরাসি বিপ্লব। সেই ফরাসি বিপ্লবের ঢেউয়ে আন্দোলিত হয়েছে সারা বিশ্ব

read more

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.