Online education: the new norm

7681 4320 Nafisa Naomi

In today’s fast paced world where everyone is constantly striving to improve themselves in one way or another, online education has opened up a plethora of opportunities. It has become even more relevant at present, when most of us are quarantined within the four walls of our homes and the only access we have to the rest of the world is through the internet. Apart from offering an inclusive learning path, online education has broken all the rules of conventional classroom learning. The wide array of courses available online provides useful benefits for students on a global scale:

Whether you are a professional looking to brush up on a skill you already have, a college graduate on your way to a masters degree, or a job-holder looking to resume your education, the world of virtual learning has something for everyone. While conventional classroom learning can often feel like a rat race, online learning allows you to progress at your own pace, making it exceedingly inclusive and accessible. You have constant access to go through all learning materials, review lectures easily, and go back to them as many times as you need.

Multiple modes of communication
The flexibility that comes with online learning as opposed to traditional learning, allows you to communicate with your instructor or professor a lot more vigorously, thereby enhancing your overall learning experience. It may not always be possible to ask your teacher to stay back after every class so that you may ask your questions or schedule an appointment during office hours in a traditional setting. However, between emails, phone calls, text messages, and discussion forums, your teacher can be more involved in guiding you through the course and efficiently addressing your questions.

This applies for both parties. While you are saving on transport and other incidental expenses, your instructor and the institutions at large are saving on overhead expenses, such as classroom space, supplies, and maintenance. Seemingly, this appears to be a small fraction of capital saved, but in the bigger picture it accumulates to a large amount of money and resources that is being saved.

Customized learning environment
Learners who are introverts or of similar nature might find it difficult and therefore take time to adapt to a new learning environment in the traditional setting of a classroom. Online learning allows them-and generally most learners at large-the opportunity to learn in an environment of their own choice and comfort, be it one’s study room or a cafe. You do not have to feel pressured to cope with a new environment or mingle with a new group of people every semester. Even if the need for such an endeavor arises, one can do so at his or her own pace.

A more global experience
Studying in a college in your city or your neighborhood may restrict you to meet people who only live in your city or country. While the similarity in social and cultural backgrounds may be comforting, it does take away from the possibility of meeting people from different countries and cultures. This is made possible through online learning, which allows you to closely and regularly interact with people from all over the world, widening your professional network while opening up your mind to efficient cross-cultural communication.

Instant feedback
In a traditional setting, receiving feedback on an assignment that was turned in before the first midterm, right before the finals, may not be surprising. Having been a teacher myself, I can safely say that amidst preparing lesson plans, quizzes, assignments, while finishing numerous other house-keeping chores, it becomes increasingly difficult to meet deadlines. However, in an online learning setting, it is possible to provide instant feedback on both objective and subjective questions. The advantage of such a facility is two-fold: it saves time and it helps the learner be motivated to stay on track.

The persisting uncertainty about when life will go back to normal again has not been able to take away the ambition and spirit of many indomitable, young individuals who are consistently focused on achieving their self development goals through virtual education. For now, online learning is here to stay.

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্যের ব্যবহারে আরও দায়িত্বশীল হতে করনীয় এবং বর্জনীয়

1920 1080 আব্দুল্লাহ আল মাদানি

মানব সভ্যতার ইতিহাসে যুগান্তকারী উদ্ভাবন সমূহ গোটা সভ্যতার গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছে। আধুনিক তথা বর্তমান এই যুগের গতিপথ নির্ধারণকারি একটি উদ্ভাবন হচ্ছে ইন্টারনেট এবং তথ্য প্রযুক্তি। একটু দেরিতে হলেও ইন্টারনেট এবং তথ্য প্রযুক্তির গুরুত্ব এখন আমরা সবাই উপলব্ধি করতে পারছি। সমাজে ইন্টারনেটের প্রচুর অপব্যবহার সত্ত্বেও এর কার্যকারিতা অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমান সময়ে পারস্পরিক যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের সকল খবরের উৎস হিসেবেও আমরা ইন্টারনেটের সাহায্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো (ফেইসবুক, ইউটিউব, টুইটার ইত্যাদি) ব্যাবহার করে থাকি। পাশাপাশি পৃথিবীর প্রায় সকল জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেল তাদের নিজ নিজ অনলাইন সংস্করণ চালু করেছে মানুষকে সহজে খবর পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে।


ইন্টারনেট পূর্ব যুগে সমাজের সচেতন শিক্ষিত মানুষ মাত্রই সাম্প্রতিক তথ্য ও খবরাখবরের বিষয়ে জাতীয় দৈনিক অথবা জাতীয় টেলিভিশনের উপর নির্ভরশীল থাকতেন। জাতীয় টেলিভিশন বা পত্রিকাগুলো বছরের পর বছর ধরে তাদের বিশ্বস্ততা ধরে রাখত। দায়বদ্ধতার পরিধি ছিল প্রশস্ত। কোন ভুল খবর ছাপা হলে তারা তার সম্পূর্ণ দায়ভার স্বীকার করতো এবং প্রয়োজনে ভুক্তভোগীরা আদালতেও যেতে পারতেন। বিবেকবান মানুষরা কখনই বেনামি লিফলেট, নাম না জানা বিবিধ দৈনিক কিংবা সাপ্তাহিক পত্রিকা বা বাজারের প্রচলিত গুজবে কান দিতেন না। তখনকার পুরো সমাজ এভাবেই অভ্যস্ত ছিল।


আধুনিক বর্তমান সভ্যতার প্রধান নিয়ামক ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ। এই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ সমাজের সকল স্তরেই প্রকাশমান। এমনকি সংবাদের প্রকাশেও। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো একটি অভাবনীয় সুযোগ হাযির করেছে মানুষের সামনে। একটি অ্যাকাউন্ট খুলে খুব সহজেই সবাই যার যার নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং বিশ্বের নানান প্রান্তের মানুষ তা নিমেষেই দেখতেও পারে। এর ফলে দেখা যাচ্ছে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক বা ইউটিউব অ্যাকাউন্ট আছে আবার আমারও আছে, আপনারও আছে আর আমাদের গ্রামের চায়ের দোকানদার মকবুলেরও আছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এখানে মন গড়া যা ইচ্ছা তা চাইলেই যেমন লেখা বা বলা যায় তেমনি কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই যে কোন ধরনের স্থিরচিত্র কিংবা ভিডিও-চিত্র তৈরি বা সম্পাদনা করে তা প্রচার করা সম্ভব হয়। আর এতে করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর বড় একটা জায়গা তৈরি হয়।   


আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, চিত্তাকর্ষক লেখা, ছবি বা ভিডিও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে অর্থ উপার্জন করা। এই পদ্ধতিটিকে “মনিটাইজিং” বলা হয়। আর এরই সুযোগ নিয়ে অসাধু লোকজন সত্যকে আড়াল করে মানহীন বানোয়াট তথ্য, ছবি ও ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে। এইসব মানহীন কন্টেন্টের দর্শক স্রোতা বৃদ্ধির জন্য তারা চটকদার শিরোনাম ব্যবহার করে। এমনকি দর্শকদের আকৃষ্ট করতে অশ্লীল শিরোনাম ও চিত্র ব্যবহার করতেও দ্বিধাবোধ করে না তারা। ‘না দেখলে মিস’, ‘লাইক না দিয়ে যাবেন না’, ‘এ কি করলেন অমুক ব্যক্তি’ ইত্যাদি কৌতূহল উদ্দীপক শিরোনাম ব্যবহার করা হয়। সমসাময়িক ঘটনার সাথে মিল রেখে মিথ্যা ছবি বা ভিডিও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যেমন: অতীতে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনার কিংবা কোন সিনেমার স্থিরচিত্র বা ভিডিও ব্যবহার করে উসকানি মূলক সংবাদ উপস্থাপন করা। আবার ধর্মকাতর দর্শককে তার অনুভূতির ফাঁদে (ইমোশনাল ব্লাকমেইল) ফেলতে আবেগ-ঘন ধর্ম বাণী ব্যাকগ্রাউন্ডে দিয়ে অলৌকিক ঘটনা বা জীনের কারসাজী দাবি করে মনগড়া ধারাভাষ্য সহকারে ছবি বা ভিডিও বানানো হয়। এই ধরনের চটকদার ও কৌতূহল উদ্দীপক শিরোনাম কে বলা হয় ‘ক্লিকবেইট’। ইংরেজি বেইট শব্দের শাব্দিক অর্থ হল ‘টোপ’। এভাবে দর্শক স্রোতাদের টোপে ফেলে বোকা বানিয়ে সমাজে গুজব ছড়িয়ে বিভেদ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অর্থ বাগিয়ে নিচ্ছে একদল অসাধু মানুষ।    


অথচ পবিত্র ইসলাম ধর্মেও তথ্য যাচাই বাছাই এর ক্ষেত্রে প্রচণ্ড গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সুরা হুজরাতের ছয় নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে: “ওহে যারা ঈমান এনেছো! যদি কোনো সত্য-ত্যাগী কোনো খবর নিয়ে তোমাদের কাছে আসে তখন তোমরা যাচাই করে দেখবে, পাছে অজান্তে তোমরা কোন লোকদলকে আঘাত করে বস, আর পরক্ষণেই দুঃখ কর তোমরা যা করেছ সেজন্য। “এ ছাড়াও মুসলিম শরীফের হাদিসে এসেছে: হাফস বিন আসিম (রা: ) থেকে বৰ্নিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা:) এরশাদ করেন: “কোন মানুষ মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে সে যা কিছু শোনে (যাচাই ছাড়া হুবহু ) তাই বর্ণনা করে”।   


উপরোল্লিখিত বিষয়গুলো আমরা কমবেশি জানা স্বত্তেও প্রায়শই বিভ্রান্তিতে পরে যাই এবং আমাদের নৈমিত্তিক আলাপ আলোচনার পাশাপাশি দাপ্তরিক সভা এমনকি জনসমক্ষে বক্তব্য দেয়ার ক্ষেত্রেও, ফেইসবুক ইউটিউবের বেনামি সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্তকে রেফারেন্স দিয়ে ফেলি। যা আপাতদৃষ্টিতে দোষের কিছু মনে না হলেও এ থেকে বিভিন্ন সময় প্রাণ হরণকারী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অতীতে এধরণের গুজবের কারণে ধর্মীয় দাঙ্গা পর্যন্ত সৃষ্টি হয়েছে। যার উদাহরণস্বরূপ ২০১৯ সালের শুরুতে বাংলাদেশে ‘সেতু নির্মাণে মানব শিশু বলী’ সংক্রান্ত গুজবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৮ জন মানুষ মারা যায়। এই ঘটনার জের ধরে এক বিধবা নারী বিনা দোষে গণপিটুনিতে নিহত হলে এই গুজবের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। একটি দেশের ৭৩ শতাংশ মানুষ শিক্ষিত দাবি করার পরেও এই ধরনের গুজব সারা দেশে প্রকট ভাবে ছড়িয়ে পড়া অত্যন্ত আশংকাজনক। এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেজন্য সকল ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সনাক্ত করতে এবং তা পরিহার করতে একটি সামাজিক সচেতনতা আন্দোলন তৈরি করা এখন অপরিহার্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।


জীবন যাপনের ক্ষেত্রে যেমন স্বাস্থ্যবিধি রয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে আপনার পারিপার্শ্বিকতা থেকে আপনি তথ্য কিভাবে আহরণ করবেন এরও একটি বিধি রয়েছে। একে বলা হয় ‘ইনফরমেশন হাইজিন’। সম্প্রতি করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রচুর ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিশেষজ্ঞরা ইনফরমেশন হাইজিন সংক্রান্ত কিছু পরামর্শ দেন, যেগুলো মেনে চললে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পরা রোধ করা যেতে পারে: 


আপনি আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ সর্বদা বজায় রাখতে চান এবং নিঃসন্দেহে তাদের ভাল চান, তাই নতুন কোন তথ্য যখন আপনি পান – সেটা ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক বা টুইটার যেখানেই হোক না কেন – আপনি তাদের কাছে সেই তথ্য পৌঁছে দিতে চান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন ভুল তথ্য ছড়ানো বন্ধ করতে সর্বপ্রথম এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন কিছু আপনার বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আগে অবশ্যই আরেকবার চিন্তা করুন। আপনার যদি কোন সন্দেহ থাকে, তাহলে ওই বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন।  


কোন ছবি, ভিডিও বা তথ্য আরেকজনের কাছে পাঠানোর আগে তথ্যগুলোর উৎস যাচাই করার চেষ্টা করুন। উৎস যদি হয়ে থাকে ‘বন্ধু’, ‘আত্মীয়’, ‘সহকর্মী’ বা ‘সহকর্মীর আত্মীয়’-র মত কেউ, তাহলে অবশ্যই সেই তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। ফেসবুক, ইউটিউব কিংবা টুইটারে প্রায় সকল জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক দৈনিক পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যে কোন খবরের উৎস হিসেবে তারা অধিক নির্ভরযোগ্য। এমন নয় যে এই সকল প্রতিষ্ঠানই সবসময় শতভাগ সঠিক তথ্য দিতে পারে, তবে অন্তত সমাজের অন্যান্য সকল উৎস থেকে, বাছ-বিচারহীন ইউটিউব ভিডিও, ফেসবুক পেইজ বা হোয়াটসঅ্যাপের চেয়ে নির্ভরযোগ্য। যেহেতু এই সময়ে যে কোন তথ্য লাভ করা খুবই সহজ, এর বিনিময়ে ন্যূনতম উৎস যাচাই করার প্রচেষ্টা করাটা দায়িত্বের মাঝে পরে।


শুধুই একটা স্থিরচিত্র অথবা খুচরা ভিডিও ক্লিপ কখনই কোন তথ্য যাচাই এর জন্য প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট নয়। বাইরে থেকে দেখে বিভ্রান্ত হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ কর্তৃপক্ষের কারো হ্যাক করা অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট বা যেকোনো প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে পোস্ট দেয়া খুবই সম্ভব। সেই সব পোস্ট দেখে মনে হতে পারে যে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকেই এসেছে তথ্যগুলো। স্ক্রিনশট নিয়ে তা পরিবর্তন (এডিট) করে অথবা ভিডিও সম্পাদনা করে এমনভাবে প্রকাশ করা যায় যা দেখে মনে হয় যে তথ্য বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকেই এসেছে। এ রকম ক্ষেত্রে পরিচিত এবং ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট ও ওয়েবসাইটের তথ্যের সাথে মিলিয়ে দেখুন। সেসব জায়গায় যদি সহজে তথ্যগুলো খুঁজে না পান, তাহলে সম্ভবত এগুলো ভুল। আর পোস্ট, ভিডিও বা লিঙ্ক দেখেই যদি আপনার ভরসা না হয়, তাহলে ভরসা না করাই নিরাপদ। অনেক সময় এমন কিছু তথ্যাবলি দেখা যায় যেখানে তথ্যগুলো ভুল এবং সঠিকের মিশ্রণ। এমন উপদেশের তালিকা আপনাকে পাঠানো হলে, তখন অনেক সময় আপনি সবগুলো তথ্যই বিশ্বাস করতে চাইবেন কারণ তালিকার কয়েকটি তথ্য যে সঠিক, সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত। কিন্তু অনেক সময়ই কয়েকটি সঠিক তথ্যের সাথে ভুল তথ্য যোগ করে ছড়িয়ে দেয়া হয়। 

কোন তথ্য ‘ঠিক হতেও তো পারে’ মনে করে সেগুলো আরেকজনকে পাঠাবেন না। এ রকম ক্ষেত্রে আপনি কারো ভালো করার মানসিকতা নিয়ে তথ্য দিয়ে হয়তো আপনি গুঁজব রটনায় ভূমিকা রাখছেন এবং তাকে ক্ষতির সম্মুখীন করছেন। 


যেসব পোস্ট আমাদের আবেগ প্রবণ, উত্তেজিত, আতঙ্কিত, চিন্তিত অথবা উৎফুল্ল করে তোলে, সে রকম পোস্ট ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অনলাইনে ভুল তথ্য আলাদা করতে সাংবাদিকদের সাহায্য করা প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ড্রাফটের ক্লেয়ার ওয়ার্ডল বলেন, “বিভ্রান্তিকর তথ্যকে টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় ভিত্তি মানুষের মধ্যকার ভয়। “তিনি বলেন, “নিজেদের কাছের মানুষকে সব সময় সাহায্য করতে চায় মানুষ, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। তাই ‘ভাইরাস প্রতিরোধ করার টিপস’ বা ‘এই ওষুধগুলো খান’ জাতীয় পোস্ট সহজে ভাইরাল হয়। কারণ মানুষ যেভাবে পারে কাছের মানুষকে সাহায্য করতে চায়। “অনলাইনে ভুল তথ্য আলাদা করতে দেশের বেশ কিছু প্ল্যাটফরম নিরলস কাজ করে চলেছে। এদের মধ্যে যাচাই ডট অর্গ (jachai.org) অন্যতম। 


আপনি যখন একটি পোস্ট শেয়ার করেন, তখন সেটি শেয়ার করার পেছনে যুক্তিটি কী থাকে? পোস্টের তথ্যগুলোর সত্যতার ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত বলে শেয়ার করছেন, নাকি আপনি শুধুমাত্র তথ্যগুলোকে সমর্থন করছেন? অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা গোত্রীয় পক্ষপাতিত্বের কারণে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হয়ে থাকে। ডেমোসের সেন্টার ফর দ্য অ্যানালিসিস অব সোশ্যাল মিডিয়ার গবেষণা পরিচালক কার্ল মিলার মনে করেন, আমাদের মধ্যে বিদ্যমান ধ্যান-ধারণার প্রতিফলন যেসব পোস্টে আসে, সেসব পোস্টই আমরা সাধারণত পরিচিত জনদের মাঝে শেয়ার করে থাকি। 

ফেইসবুক, ইউটিউব হোক আর বাস্তব জীবনেই হোক, তথ্য গ্রহণ এবং প্রদান উভয় ক্ষেত্রেই সচেতন না হলে ব্যক্তি থেকে সমাজ, রাষ্ট্র থেকে বিশ্ব, সর্বত্রই বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পরতে পারে। তাই আসুন সচেতন হই, তথ্য আদান প্রদানে সতর্ক থাকি।   


সংকলনেঃ আব্দুল্লাহ আল মাদানি

বিবিএলটি ৫ম ব্যাচের একজন গ্র্যাজুয়েট,

সৌদি আরব এর উনাইজাহ, আল ক্বাসিম থেকে।

কোভিড-১৯: পরবর্তী অর্থনৈতিক ভাবনা ও তরুণদের করণীয়

1920 1080 Fatimatuj Johora Siddiqua

কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ তথা বিস্তার এ মুহূর্তে পুরো বিশ্বকে থামিয়ে দিয়েছে। কোয়ারেন্টিনের কারণে সাধারণ জীবনযাপনে চলমান অচলাবস্থা শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রভাবিত করছে শিশু থেকে বৃদ্ধ বয়সের সকলকে। বিশেষভাবে তরুণসমাজের মধ্যে বিরাজ করছে বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠা এবং অস্থিরতা। এমন অবস্থায় সহিঞ্চু হয়ে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করা এবং আগামীর জন্যে নিজেদের প্রস্তুত করা সম্পর্কে আলোচনার মাধ্যমে যুব সমাজকে যুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার (বিওয়াইএলসি) সম্প্রতি অনলাইনে বিওয়াইএলসি সাউথ এশিয়া রেসিলিয়েন্স সামিট ২০২০ এর আয়োজন করে। উক্ত সামিটের সমাপনী দিনে মুলবক্তা হিসেবে যোগদান করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত, বিশ্বের মেডিকেল সরঞ্জামাদি প্রস্তুতকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠান মেডট্রনিক এর চেয়ারম্যান ও সিইও এবং বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট ইন্টেল এর বোর্ড চেয়ারম্যান ওমর ইশরাক। এই অনলাইন সামিটের সমাপনি সেশনে তিনি কথা বলেন তার ক্যারিয়ার, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থাসহ তরুন সমাজের জানতে চাওয়া আরো অনেক বিষয় নিয়ে। সেশনের সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন বিওয়াইএলসির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ইজাজ আহমেদ। সেশনে জনাব ওমর ইশরাকের প্রতি সঞ্চালক ইজাজ আহমেদ এবং উৎসুক অংশগ্রহণকারীদের করা প্রশ্নগুলোকে নিচে সামান্য পরিমার্জিত রূপে উপস্থাপন করা হলোঃ
প্রশ্নঃ উন্নত বিশ্বের তুলনায় স্বাস্থ্যক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অনেকটা পিছিয়ে আছে। অধিক জনসংখ্যার বিপরীতে যেখানে কোভিড-১৯ কে মোকাবেলা করার জন্যে ভেন্টিলেটর ব্যবস্থারও অভাব রয়েছে, সেখানে এসব দেশের সরকারের মহামারী মোকাবেলায় কি কৌশল অবলম্বন করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?
উত্তরঃ কোভিড-১৯ কে মোকাবেলা করার জন্য ভেন্টিলেটর ব্যবস্থাই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি যথেষ্ট সংখ্যক আইসিউ, ডাক্তার, নার্স এবং সর্বপোরি স্বাস্থ্যক্ষেত্রের সব অংশকেই দরকার। তবে, আমি মনে করি, বাংলাদেশ, ভারতের মত বহুল জনগোষ্ঠীসম্পন্ন দেশে সরকারের পক্ষ হতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এসবই অধিক কার্যকর। জনগণকে ভালোভাবে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং এর নিয়ম সম্পর্কে জানানো এবং তা মানতে বাধ্য করা, পরিষ্কারভাবে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা ইত্যাদি এসব দেশের জন্য সর্বোত্তম পন্থা। তবেই, কোভিড-১৯ এর ফলে সৃষ্ট খাদ্যাভাব, অর্থনৈতিক মন্দা এসব সমস্যা নিয়ে সরকারের পক্ষে বেশি কাজ করা সম্ভব হবে।
প্রশ্নঃ সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে আপনি জানিয়েছেন যে, আপনার প্রতিষ্ঠান মেডট্রনিক, ভেন্টিলেটর প্রস্তুতের কাজকে আরো বেশি ত্বরান্বিত করছে এবং শীঘ্রই আয়ারল্যান্ডের কারখানা হতে সপ্তাহে ১,০০০টি করে ভেন্টিলেটর ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে। এছাড়াও, মানুষের কল্যাণে আপনি একটি ভেন্টিলেটর মডেলও বিনামূল্যে উন্মুক্ত করেছেন যা ইতোমধ্যে প্রায় ৭০,০০০ এর মতন মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। এ অবস্থায় এখন পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের প্রতিক্রিয়া কেমন?
উত্তরঃ হ্যাঁ, আমাদের এই মডেল এখন প্রায় ১ লক্ষের বেশি মানুষের কাছে পৌঁছেছে কিন্তু এক্ষেত্রে সমস্যা হলো ভেন্টিলেটর উৎপাদনের উপকরণ সবার কাছে নেই এবং এসবের উৎস খুবই সীমিত। ভেন্টিলেটর তৈরির ব্যাপারে সর্বপ্রথম এশিয়ান দেশসমূহই আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে। আমরা তাই এখন এমন সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছি যারা বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদন করে আসছে এবং উপকরণ পেলে ভেন্টিলেটর নিজেরাই প্রস্তুতে সম্ভবপর হবে। যেমনঃ তাইওয়ানের ফক্সকন, ভিয়েতনামের ভিন গ্রুপ, বাংলাদেশের ওয়াল্টন, এবং ভারতের টাটা কোম্পানীর মতন কোম্পানী, যারা নিজেদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে এই সেবাকে ছড়িয়ে দিতে পারবে।
প্রশ্নঃ আপনার কি মনে হয়, ভেন্টিলেশনের মতোই চিকিৎসায় ব্যবহৃত অবকাঠামো সমূহকে স্বল্প বা বিনামূল্যে প্রদান করে ভবিষ্যতে আমরা ঘরেই সুচিকিৎসার ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবো?
উত্তরঃ প্রথমত, ওপেন সোর্স ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা অনেক স্বল্পমূল্যের একটা ব্যবস্থা। কিন্তু যখন মহামারী কিংবা খুব জটিল অবস্থা সৃষ্টি হয় তখনই ভেন্টিলেশন প্রদান করা হয় রোগীদের, যখন কিনা তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। শুধু স্বল্পমূল্যের ভেন্টিলেটর ব্যবহারের মাধ্যমেই এমন রোগীদের সেবা দেওয়া সম্ভব নয় বরং ভবিষ্যত মোকাবেলার জন্য তিনটি বিষয়ে আমাদের নজর দেওয়া জরুরী; সচেতনতা বৃদ্ধি, সঠিক প্রশিক্ষন এবং কারিগরী ব্যবস্থার উন্নয়ন। সামগ্রিক বিষয় সমূহের উপরই নির্ভর করে আসলে কে কতো ভালোভাবে এসব মহামারীকে মোকাবেলা করতে পারছে তা।
প্রশ্নঃ উন্নত দেশসমূহের সাথে দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের অর্থনৈতিক ব্যবধানকে বিবেচনায় রেখে এসব দেশসমূহে বর্তমানে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা নিয়ে আপনার মতামত কি এবং এই অবস্থাকে কিভাবে মোকাবেলা করা উচিত বলে মনে করেন?
উত্তরঃ যদিও আমি এব্যাপারে বিশেষজ্ঞ নই, তবে দক্ষিণ এশিয়ার মতন জনবহুল এলাকায় লকডাউনের ফলে অর্থনৈতিক মন্দা আসলেও এর মাধ্যমেই ভাইরাসকে প্রশমন করা জরুরী। এখন আমাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক-ব্যবসায়ীদের নিজেদের লাভের চিন্তা কম করে অর্থনৈতিক তারল্যের উপর নজর দিয়ে একে অপরকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসার মাধ্যমেই এই সমস্যাকে সামাজিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে বলে আমি মনে করি।
প্রশ্নঃ এই স্থবির এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে বিশেষভাবে দক্ষিণ এশিয়ার মতন প্রতিযোগিতাপূর্ণ অঞ্চলের তরুণ যারা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত, তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কি?
উত্তরঃ আমি মনে করি, তরুণদের বিষণ্ণতায় না ভুগে ইতিবাচকভাবে বর্তমান অবস্থাকে দেখা উচিত। আমি মনে করি, বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে নিজের অবস্থানকে দেখা উচিত। নিজের উদ্যোগে স্বল্প-সুবিধাপ্রাপ্ত কিংবা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করা উচিত। এর মাধ্যমে মানবিক গুনাবলীর চর্চার পাশাপাশি তরুণরা সমন্বয়, সংযোগ এবং দুর্যোগ মোকাবেলার মতন গুনাবলীসমূহ অর্জন করতে সক্ষম হবে যা এই বয়সে টাকা আয়ের থেকেও ভবিষ্যতের জন্য বেশি দরকারী।
প্রশ্নঃ আপনার সাফল্যের পেছনে আপনার এই অঞ্চলে বেড়ে ওঠার কোন প্রভাব কি রয়েছে এবং এই অঞ্চলের একজন ২২ বছরের তরুণ যদি ভবিষ্যতে আপনার মতন সফল হবার স্বপ্ন দেখে তবে তার কি কি বিষয়ের দিকে নজর দেয়া দরকার বলে আপনি মনে করেন?
উত্তরঃ যেহেতু আমি টেকনোলজির সাথে জড়িত, তাই আমি সবসময় ভেবেছি কোন কাজের মাধ্যমে অন্যের কাজে কিংবা জীবনে আমার কাজটি মান সংযোজন করতে পারে। সেটা স্বাস্থ্যক্ষেত্র হোক কিংবা যেকোন ক্ষেত্রেই, যে কাজ অন্যের কাজে কিংবা জীবনযাপনে মান সংযোজন বা ভ্যালু এডিশন করতে পারবে তখন ব্যবসায়িক ভাবেও সে সফল হবে। উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি, ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি থেকেও বড় একটি বিষয়, এটি কাঠামোগতভাবে চিন্তা থেকে শুরু করে সঠিকভাবে পূর্ব এবং পরবর্তী পরিকল্পনাও করতে শেখায়, তাই এসব বিষয়কে ব্যবসায়িক জীবনেও কাজে লাগাতে হবে। তাই নিজের প্রতি কঠোর না হয়ে নিজের গুণাবলীর উপর গুরুত্ব দিয়ে, সেসবকে কাজে লাগিয়ে অন্যের কাজেও মান সংযোজন করার মাধ্যমেই নিজের সফলতা অর্জন করা যায় বলে আমি মনে করি।
প্রশ্নঃ দক্ষিণ এশিয়ার তরূণদের বর্তমান ও ভবিষ্যত উন্নয়নের জন্য কোন তিনটি বিষয়কে আপনি প্রাধান্য দিবেন?
উত্তরঃ পরামর্শ হিসেবে এ অঞ্চলের তরুণদের জন্য আমি তিনটি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করবো। সঠিক ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, উচ্চারণ ও ব্যবহার, কেননা এটি বৈশ্বিক একটি ভাষা। আর কমিউনিকেশন বর্তমান যুগে সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি। দ্বিতীয়ত, মত এবং দৃষ্টিভঙ্গির বৈচিত্র সম্পর্কে দক্ষিণ এশিয়ার তরূণদের এখনই শেখা এবং তা নিজেদের মধ্যে ধারণ করা উচিত বলে আমি মনে করি। আর সর্বশেষে, তাদের জন্য আমার পরামর্শ থাকবে, ভিন্ন ভিন্ন গুনাবলীর ইতিবাচক মানুষের সাথে নিজেকে জড়িত রাখার, তোমরা তাদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানো এবং শিখতে থাকো, অপমানিতবোধ হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। ক্ষমাশীল হয়ে, ইতিবাচকভাবে অন্যদের দেখতে শিখো। পরবর্তীতে এসবই নিজের সাফল্যের পেছনে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ দিবে।

The transition of aspirations

1920 1080 Zarin Khushnud

I was the first one to wake up that morning. I lay for a moment, watching dust swirl in the ray of sunlight penetrating through the gap between my cotton curtains. As I was almost on the verge of savouring the thought that it was a Friday, I felt as if reality hit my head hard. 

Friday? Really? What difference does it even make? It’s been Friday everyday since we’ve been caged, or in other words, ‘quarantined’.

I guess my spirits fell before it even began to rise. In addition, to make thoughts even more critical, my brain tricked me into casting my mind through the thoughts of my best friend’s wedding mischief to me tossing my graduation hat high up the air to the distant shrieks and giggles resulting from adrenaline rushes during a nagor-dola ride at Boishakhi melas. Well, all of which is, of course – CANCELLED.  

I know for a fact; alike me, many have suffered through the same melancholic emotions of distress and misery as our long awaited plans have come to a halt. As strongly as we feel for the welfare of our dear ones, we certainly do also, wholeheartedly wish that life hadn’t given us such bitter lemons with no clear recipe of making lemonade. 

Ronald A. Heifetz, in his book- ‘The Practice of Adaptive Leadership’ quotes, 

“What people resist is not change per se, but loss.” I believe we can, to a great extent, relate to his words given the present scenario. We are transitioning. We are transforming. Perhaps as a person, as family, as employees, as a friend or as a foe; however, the bothersome bit isn’t the change but the loss we’re incurring as a result of the change. Our hopes and dreams have left us bamboozled, our hearts feel feeble and at some point, we might even come to question our sanity. The vivid sense of loss is actually unprecedented and unacceptable. But what’s next? What can be a valid escape out of this turmoil? Is there a way to process such an uncommon change and eventually emerge from it? 

I believe there is. 

Focusing on my reflection, I’ve come across merely three moves on keeping my heart and brain elated and exuberant while tackling such a low-key world war. 


  • Make best use of your available resources 


My best take from studying Economics has always been this one. In times of scarcity where unlimited wants over power limited resources, it might be a great idea for you to put at hand resources to use to minimize the sense of loss. For example, you need a haircut? You can reach out to your parents to trim your edges. Have you been longing to see your friends? Have a scheduled zoom meeting every week. Do you miss going to the gym? Help your family into doing chores such as sweeping, washing dishes and clothes to make it up for the shortage of exercises along with free hand ones . I never knew washing dishes could turn out to be such an effective hand exercise until yesterday!


  • Prepare exceptionally for the new world 


To refrain from feeling useless, you might even want to distract yourselves from participating in instagram trends and sharing quarantine memes to enhance your skills and capabilities at your valuable vacant hours. BYLCx, Coursera and Udemy along with numerous other websites offer a variety of courses which ought to help you fully brace yourselves for the new reality of education and job sectors. Since our pockets might already be somewhat loaded with funds saved from eating outside, why not devote ourselves to spending it on something productive? 


  • Don’t let your expectations deflate


You might consider revising your thought processes a little. 

Believe the world is on pause. This is not permanent. Your messy, doleful schedule will end. You will be able to go out, you’ll see your friends and cousins again. All your awaited plans will rekindle. The day you step out, you’ll realize the worth of your favourite people better. You will laugh like there’s no tomorrow, you will take pictures, you will fight over the last slice of pizza, you will soon complain about deadlock traffic and cramped Dhaka like a daily chore. The misplaced puzzle pieces will find its way back to it’s right place. Overall, the sun will shine brighter and the burden in your heart will feel lighter. 

With that note, I’d try to generate the summation of my thoughts into a bubble and end with a quote of my preference which we can follow and bring into effect, “Happiness can be found in the darkest of times, only if one remembers to turn on the light.”- Albus Dumbledore 


Stuck at home OR Safe at home

1024 768 Nafisa Mehrab

This is a difficult time in all of our lives. Many of us are yearning to go back to the days we could hug a friend, attend classes, or travel the world again. Yet, there are also those making the best out of the situation. By the end of this self-quarantine period, many of us will have achieved great personal milestones! In such a crucial time, our mindset is everything. Hope can sustain our abilities to accept the current situation and make the best out of it.

A few simple changes into your current lifestyle can enrich our mindset, boost positivity and provide freshness in this bleak state of things. Provided below is a simple yet effective list of things we can do, which hold a strong impact on promoting peace and stability at home.

  1. Diet 

An easy way to stay on track with our health is by maintaining a healthy and invigorating diet. These include:

  • Including more fruits and vegetables in our diet.
  • Ensuring to take regular meals.
  • Consuming less sugar.

2. Exercise

Exercise is a great way to stay in shape as well as stay motivated. Due to home confinement restrictions, there are some simples ways to incorporate exercise in our lives:

  • Stretching at timed intervals throughout the day.
  • Taking walks inside the house.
  • Making a game out of our workout routine to make it more interesting.

3. Social

Connectivity has become a vital source of self-care amidst this time of crisis. By reaching out to our near and dear ones, we can help ourselves in staying happy and minimizing our frustration:

  • Connecting with people through social forums, podcasts or online classes.
  • Keeping in touch with family and friends through mobile apps.
  • Taking this time out to surf our educational interests online.

4. Sleep

Sleep is an underrated factor that plays a vital role in keeping our bodies and mind replenished with the right kind of energy. It is essential to have enough sleep in a day and therefore keep our mind at a peaceful rest:

  • Having a proper sleep routine can work well in bringing discipline in our lives.
  • It is important to try sleeping for an ideal timeline between 6-8 hours.
  • Drinking water before going to sleep and after waking up can become a good habit to staying hydrated.



Self-Quarantine Hacks

1080 1080 Roshni Shamim

For anyone who is self quarantining, a minute can feel like an hour. To avoid falling into an abyss of nothingness, brighten up your week with some quick invigorating hacks.


Follow your regular routine like before.


Build your own private home-office.


Relax your mind by practicing your favorite hobbies and interests.


Keep your mental health at ease by connecting into conversations with loved ones online.


Adding greenery into the interior of your home can promote positivity and stability for everyone in the house.


Making good use of phone apps that teach meditation can provide some inner peace to our internal worries with the current situation.


While this list is by no means exhaustive, it addresses some key methods that can help in lessening the burden of staying confined at home. By following very simple and easy-to-do tips, we can feel uplifted, as well as encouraged in learning more about ourselves during this time, and experimenting with various tools of education and entertainment.

আপনি বিষণ্ণতায় ভুগছেন নাতো?

1920 1280 Ahmed Sabbir

ডেবিড ক্যাস্লার মানসিক বিষণ্ণতা বিষয়ে বর্তমান পৃথিবীর অন্যতম সেরা একজন এক্সপার্ট। তিনি তার বই “অন গ্রিফ এন্ড গ্রিভিংঃ ফাইন্ডিং দ্যা মিনিং অফ গ্রিফ থ্রু দ্যা ফাইভ স্টেজ অফ লস” এ বিষণ্ণতা কি, কিভাবে বিষন্নতা নিয়ে আমাদের চিন্তা করা উচিত এবং কি করলে আমরা বিষণ্ণতা থেকে বের হয়ে আসতে পারবো সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন। সম্প্রতি তার একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছে হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ। নিচে সাক্ষাৎকারটির চুম্বকাংশ কিঞ্চিৎ পরিমার্জিত করে তুলে ধরেছেন বিওয়াইএলসির  বিবিএলটি প্রোগ্রামের চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী, মার্কেটিং ও কমিউনিকেশন টিমের ডেপুটি ম্যানেজার আহমেদ সাব্বির। 


প্রশ্নঃ করোনার সময়টিতে অনেকদিন বাসায় বন্দী থাকার ফলে মানুষের মাথায় নানা রকমের চিন্তা ও নানা অনুভূতি কাজ করছে। এই অনুভূতি গুলোকে কি আপনি বিষন্নতা বলবেন?


হ্যাঁ, আপনি হয়তো বিভিন্ন রকমের বিষন্নতায় ভুগছেন। পৃথিবী পরিবর্তিত হচ্ছে এবং আমরা জানি এটা সাময়িক, কিন্তু আমরা তা বিশ্বাস করতে চাই না। আমরা জানি অনেক কিছুই বদলে যাবে। যেমন, ৯/১১ এর পরে বিমানবন্দরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা মানুষের বদলে গেছে। পৃথিবী বদলাতে থাকবে, সাথে সাথে আমাদেরও বদলাতে হবে। হয়তোবা ভবিষ্যৎ পৃথিবী এখনকার মতো থাকবে না। বেকারত্ব, অর্থনৈতিক মন্দা, একে অন্যজনের সাথে দূরত্ব বৃদ্ধির মত বিষয় আমাদেরকে দেখতে হচ্ছে এবং আমরা বিষন্নতায় ভুগছি। এক কথায় বলতে গেলে বর্তমান সময়ের সাথে আমরা পরিচিত না, যা আমাদের মাঝে নানা ধরনের খারাপ লাগার অনুভুতি তৈরি করছে। 


প্রশ্নঃ তাহলে কি আপনি বলছেন আমরা নানা ধরনের বিষন্নতায় ভুগছি?


হ্যাঁ, আমরা অনেকেই আগাম বিষন্নতায় ভুগছি।  আগাম বিষণ্ণতা বলতে আসলে এমন বিষণ্ণতাকে বুঝায় যখন আমরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতে কি হবে সেটা নিয়ে খুব চিন্তা করি বা ভয় পাই। যেমন, মৃত্যু নিয়ে চিন্তা করা। আমাদের পরিচিত কারো যদি কোন রোগ ধরা পরে বা আমরা যখন আমাদের বাবা-মা একদিন মারা যাবে সে ধরনের চিন্তা করি, তখন এটি আগাম বিষণ্ণতা হতে পারে। এই মুহূর্তে আমরা অনেকেই চিন্তা করছি “আমার যদি করোনা রোগটি ধরা পড়ে? তখন আমার কি হবে?” ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভোগা আমাদের চিন্তা শক্তিতে খুব খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এসব ব্যাপার চিন্তা করে আমরা অস্থিরতায় ভুগছি কিন্তু এসব ব্যাপারে আমরা কেউ নিশ্চিত না। ফলে আমরা নিজেরা অনিরাপদ বোধ করি। বর্তমানে আমরা যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি বা আমরা যে ধরনের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করছি, তার সম্পর্কে আমাদের কারো পরিষ্কার ধারণা নেই। ফলে আমাদের মধ্যে এক ধরনের অনুভুতি হচ্ছে, যা আমাদের বিষন্নতাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। 


প্রশ্নঃ বিষন্নতা ব্যাপারটিতো আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। আমরা কিভাবে বিষন্নতা থেকে মুক্তি পেতে পারি?


বিষন্নতা নিয়ে কাজ করার প্রথম ধাপ হচ্ছে ব্যাপারটাকে বুঝার চেষ্টা করা। যেকোন সময়, যে কোন ব্যক্তি বিষন্নতায় ভুগতে পারেন, সে ব্যাপারটা মেনে নেওয়া। আমরা অনেকেই ব্যাপারটাকে নাকচ করে দেই। যেমন আমরা অনেকেই নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছি, “আমার এই রোগ হবে না”। অনেকে রেগে যাচ্ছি, “আরে তুমি আমাকে ঘরে থাকতে বলছো কেন? তুমি তো আমার দৈনিক কাজ গুলো আমাকে করতে দিচ্ছ না, যা অনেক গুরুত্ব পূর্ণ’’। অনেকে নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছি, “আমি যদি বাসায় থাকি, তাহলে তো আমার ক্ষতি হবে না”। অনেকে হয়তোবা একটু দুঃখ পাচ্ছি এবং চিন্তা করছি, “ ইস! কখন যে ব্যাপারটা শেষ হবে! কখন আমি আমার স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যেতে পারবো”। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে ব্যাপারটি মেনে নেওয়া এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হওয়া। বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিতে ডাক্তার ও সরকার কর্তৃক ঘোষিত বিধি নিষেধ মেনে চলা। যেমন, বাসায় থাকা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। যা আপনাকে মানসিকভাবে শান্তি দিতে পারে, হয়তোবা আপনি একটু নিরাপদ বোধ করবেন। 


প্রশ্নঃ এমন কোন কৌশল আছে কি যা অনুসরণ করলে আমরা তুলনামূলক ভাবে কম বিষন্নতায় ভুগবো?


আগাম বিষন্নতার ক্ষেত্রে আমরা অনেক সময়ই আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করি, যেমন আমার বাবা-মা অসুস্থ হতে পারে, আমি নিজেও অসুস্থ হতে পারি, আমার ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে পারে, যদি পরীক্ষায় পাস না করি, যদি চাকরি না পায়। আপনি চাইলেও অনেক সময় এসব চিন্তা বাদ দিতে পারবেন না। আপনি যদি জোর করে এসব চিন্তা বাদ দিতে চান, তা আপনার বিষন্নতাকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে আপনি কি চিন্তা করছেন তার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা। আপনি যখন অনেকগুলো খারাপ জিনিস ভবিষ্যতে হতে পারে তা চিন্তা করছেন সঙ্গে সঙ্গে আপনি এটাও চিন্তা করতে পারেন কিনা, কিছু ভালো জিনিস যা ভবিষ্যতে হতে পারে, যেমন আপনি যদি বন্ধের সময়টাতে ভালো করে পড়াশুনা করেন তাহলে হয়তোবা আপনার পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো হবে, হতে পারে সেটি আপনাকে খুব ভালো একটি চাকরি পেতে সাহায্য করবে, যা আপনার সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করবে, ভালো একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আপনি আপনার পরিবারের সাথে একটু বেশি সময় কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন। যেহেতু আগাম বিভিন্নতার ক্ষেত্রে আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি চিন্তা করি, সেক্ষেত্রে একটি উপায় হতে পারে বর্তমান নিয়ে চিন্তা করা। যেমন আপনাকে যদি এখন চোখ বন্ধ করে চিন্তা করতে বলি যে আপনার আশেপাশে কি কি আছে সেটা হয়তোবা আপনি ভাল করে বলতে পারবেন না। কারণ আমরা অনেক সময় খুব মনোযোগ দিয়ে তা লক্ষ্য করি না। হয়তোবা আপনার সামনে একটি কম্পিউটার আছে, একটা মোবাইল ফোন, আপনার মাথার উপর ফ্যান ঘুরছে, একটি পড়ার টেবিল, অনেক গুলো বই, কয়টি জিনিসের নাম বলতে পারবেন আপনি? আপনি যদি একটু চিন্তা করেন, আপনি আজকে ভালো আছেন, সকালবেলা হয়তো খুব ভালো নাস্তা করেছেন, রাতে ভাল ঘুম হয়েছে, আপনার বাবা-মা সুস্থ আছেন। বর্তমানের ছোট ছোট ভাল ব্যাপার গুলোকে যদি আপনি মনে করতে পারেন তা ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার যে দুশ্চিন্তা তা কমাতে আপনাকে সাহায্য করবে। পাশাপাশি আপনার এটিও বুঝতে হবে সবকিছু আপনার হাতে নেই। আপনি চাইলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। আপনার প্রতিবেশীরা কি করছে সেটি আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। আপনি হয়তোবা তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে পারেন, অংশ হতে পারেন যেটা আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে। আপনার নিরাপত্তা জোরদার করবে এমন কাজে যোগ দিন। এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছি আমরা। একটু সহানুভূতিশীল হওয়ার চেষ্টা করুন। প্রত্যেকেই ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। একটু চিন্তা করুন আপনি কোনভাবে অন্যকে সাহায্য করতে পারেন কিনা। আপনার চিন্তা শুধু যাতে আত্মকেন্দ্রিক না হয়। 


প্রশ্নঃ বর্তমান পরিস্থিতি বা এই মহামারী কখন শেষ হবে তা আমরা কেউ জানিনা। ব্যাপারটা নিয়ে আমাদের কিভাবে চিন্তা করা উচিত?


এটি সাময়িক ব্যাপার। আমি দশ বছর হাসপাতালে কাজ করেছি। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কী করা উচিত সেটা নিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। এছাড়াও আমি ১৯১৮ সালের মহামারী নিয়ে পড়াশোনা করেছি। আমার তো মনে হচ্ছে আমরা এখন যে ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছি তা যদি চালিয়ে নিতে পারি তাহলে আমরা অতি শীঘ্রই পরিস্থিতির উন্নতি দেখতে পাব। ইতিহাস আমাদের তাই বলে। এখন আমাদের সবার উচিৎ মাথা ঠান্ডা রেখে বিধি নিষেধ বা নিয়মকানুনগুলো মেনে চলা।


আমি বিশ্বাস করি যেকোন পরিস্থিতি আমাদের নতুন কিছু শেখায়। যেমন, এখনকার পরিস্থিতি আমাদেরকে শেখাচ্ছে যে আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরে থেকেও কিভাবে একে অপরের কাছে থাকতে পারি, আমরা বুঝতে পারছি মুক্ত বাতাসে হাঁটাহাঁটি করতে পারার ব্যাপারটা কত মূল্যবান বা একে অপরের সাথে দেখা করা, গল্প করা, যা হয়তোবা আমরা কখনোই অনুভব করিনি। আমরা হয়তোবা মনে করতাম ঘরে শুয়ে বসে থাকতে পারাটাই আনন্দ, কিন্তু এখন বুঝতে পারছি ব্যাপারটা আসলে আমরা যা মনে করেছিলাম পুরোপুরি সেরকম না। যা আমাদেরকে জীবন নিয়ে, সমাজ নিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখাচ্ছে।


প্রশ্নঃ আপনার এই অভিজ্ঞতা বা পরামর্শ গুলো শোনার পরেও যারা অনেক বিষন্নতায় ভুগছেন তাদেরকে আপনি কি বলবেন?


চেষ্টা করতে থাকুন। বিষন্নতা অনেক সময় আমাদের নিজেদের নতুন করে চিনতে শেখায়। গত সপ্তাহে অনেকেই আমাকে বলেছেন, “আমি আমার সহকর্মীদের বলেছি আমার খারাপ সময় যাচ্ছে” “আমি গতকাল রাতে কেঁদেছি”। আপনি যখন একবার ব্যাপারটা অন্য জনের সাথে শেয়ার করতে পারবেন, যখন ব্যাপারটাকে মেনে নিবেন, তখনই আপনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন। আপনি যে খারাপ সময় দিয়ে যাচ্ছেন সেটা মেনে নেওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রথম প্রজন্ম যারা নিজেরা নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নের ব্যাপারে নিজেরা চিন্তা করছি। অনেকেরই মনে হতে পারে “আমার কিছু ভালো লাগছে না”, কিন্তু এমনটি হওয়া উচিত না। আমার চেয়ে তো অনেক মানুষ আরও বেশি কষ্টে আছে সে তুলনায় আমার কষ্ট কোন কষ্টই না” ব্যাপারগুলোকে আমাদের এভাবে চিন্তা করা উচিত নয়। যেহেতু আমরা মানুষ আমাদের খারাপ লাগতেই পারে। সেটা নিয়ে কাজ করতে হবে। অন্যজন কি মনে করছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। আপনাকে আপনার নিজেকে নিয়ে কাজ করতে হবে। যদি ব্যাপারটা নিয়ে কাজ করেন, তখনই এরই ধারাবাহিকতায় আপনি ভালো অনুভব করবেন।


প্রশ্নঃ এরই ধারাবাহিকতায় বলতে কি বুঝাতে চেয়েছেন? 


অনেক সময় আমরা যা অনুভব করছি তা অনুভব না করার চেষ্টা করি। আপনার যদি খারাপ লাগে তবে খারাপ লাগতে দিন। লুকিয়ে রাখলে বা স্বীকার না করলে খারাপ লাগাটা চলে যাবে না। বরং, বিষয়টিকে মেনে নিলেই আপনি ভালো বোধ করবেন। আপনি সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন। আমাদের মস্তিষ্ক এভাবেই কাজ করে। সময়ের সাথে সাথে আমাদের অনুভূতি ও চিন্তা বদলাতে থাকে। ব্যাপারটা খুব আজব! যদি আমরা মনে করি বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের খারাপ লাগা বা বিষন্নতায় ভোগা উচিত না। এমনটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক, সময়টা এমনই। চলুন বিষন্নতা বা খারাপ লাগাটাকে মেনে নিই এবং সামনে এগিয়ে যায়।  


Are changing skills the new future for the youth?

1280 720 Roshni Shamim

There are certain things you only experience when you step into the corporate world for the first time; daunting interviews, unexpected questions and a reality check on your actual qualifications are just a few that sit at the top of my mind. While most of these one can prepare for, thanks to the world of the internet, many remain hidden, waiting to spring on you just as you’re trying to recall if Einstein’s law was actually E quals MC2 or not.

A similar situation struck out with me, minus the recall on fundamental physics. It began with my supervisor asking me if I was aware of what is known as the 21st century skills. Completely unaware of the term, I admitted it was the first time I was hearing of it. He then proceeded to enlighten me on the subject of what we can better identify as a more modern set of skills which are desired by companies today.

Similar to the new era of digitalization we are experiencing today, the outlook on what defines a competitive skill set on the market has also changed to thus welcome a fresh new era. Today, companies identify individuals that hold what is known as the 21st century skills. Previously, the expectation behind skills was more generic, foundational, and segmented. The traditional skill set therefore included competencies which included holding a robust grip on technical knowledge integrated with an aspect of acute emotional intelligence. Fresh into the corporate world, I also clung naively to this mindset until it was very recently given an updated makeover.

I mentioned earlier the importance of data and the role it plays today for companies worldwide. Essentially, 21st century skills emerge from the same pivotal outlook linked to increasing data. Globalization today has instigated a workforce that should aptly acquire skills which are applicable for practical usage anywhere in the world. 21st century skills encompass the same spectrum.

While technical skills were the priority before, creativity in various streams of written, verbal, and logical skills are now emphasized much more by firms. Innovation thinking therefore requires an individual holding 21st century skills to excel in five key aspects.

  • CREATIVITY: Individuals are required to perceive beyond what is visible to the eye. Therefore, one has to immerse into a creative cognition that enables a more well-rounded approach for every situation.    
  • COMMUNICATION: Today, communication is morphed to expression, process sharing, and interpretation of the goals exchanged within a company’s departments.
  • TEAMWORK: 21st century skills require less individualistic traits in the company and encouragement for a more collective outlook on co working together.
  • CRITICAL THINKING: The ability of an individual to assess a problem, analyze all aspects of it, and to then provide the best solution to tackle it.
  • PROBLEM SOLVING: Inter-linked to critical thinking, problem solving skills should essentially prepare the individual for not only recognizing the problem, but also providing comprehensive solutions to work toward it.

I am glad to state that I thankfully passed that interview, despite my expired subscription on the updated version on the youth’s skill set. As I am nearing toward the end of this post, I am beginning to comprehend the changing stream of expectations from the industry for the youth today. Innovation thinking is becoming an ingrained part of skill cultivation, and accessible tools for tapping into this field can benefit the likes of us greatly. By understanding the concept behind 21st century skills as well as learning it, it thus becomes impossible to ignore the significance that this qualification potentially holds for us. The world is changing, and the only way to keep up with the pace is to stay a step ahead of it.


ভালো থাকুন!

1920 1280 মুতাসিম বিল্লাহ

আপনার প্রিয় কোন জিনিষ যদি আপনার অজান্তেই হারিয়ে যায় কেমন লাগে আপনার? হারিয়ে যাওয়া যদি বেশি হয়ে যায় তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন প্রিয় সেই জিনিষটি যদি ভালো না থাকে তবেই বয়া কেমন লাগে আপনার?

আচ্ছা মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় কিছু কি আমাদের আছে? সম্পর্কের সীমারেখা যদি মুছেও ফেলি তবুও এই মানুষের অস্তিত্ব ছাড়া আর কিইবা আছে আমাদের?

গত কয়েক বছর ধরেই হতাশা এবং তার জের ধরে আত্মহত্যা আমাদের তরুণদের জন্য এক বিশাল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় জীবনের কাছে আত্মসমর্পণ করা অনেকগুলো খবর আমাদের কপালে চিন্তার ভাজ ফেলেছে।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি বেশ কিছু আত্মহত্যার কথা জানি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আলোড়িত হয়েছি কয়েক বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের আফরা আনিকা মৈত্রীর আত্মহত্যার খবরে। মৈত্রী আমার খুবই পছন্দের, কাছের ছোট বোন। বিওয়াইএলসিতেই পড়ানোর সুবাদে ওর সাথে পরিচয় হয়েছিল, পরে একসাথে কাজও করেছিলাম। এই ঘটনার কিছু আগে পরেই আমার পরিচিত আরেকজনের ছোটভাই কে সকালে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। এই ঘটনা দুটি আমার ভিতর থেকে এমন ভাবেই নাড়া দিয়েছিল আমি অনেকটা সময় বাকরুদ্ধ অবস্থায় ছিলাম। অনেক হিসাব মিলছিল না।

আচ্ছা মানুষ আত্মহত্যা কেন করে? শুধু কি মানসিক ভাবে দুর্বল মানুষজনই আত্মহত্যা করে? কিভাবে এই প্রাণগুলোকে বাঁচানো জায়? এই প্রশ্নগুলো আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আমার আসে পাশের মানুষ মাত্রই কিছুটা জানে আমি কখনোই এই মরে যেতে ইচ্ছা হয়, মাঝে মধ্যে ভাবি মরে যাবো ধরণের কথা শুনতে কতটা বিব্রত বোধ করি।

মানুষের আত্মহত্যার অনেক ধরণের কারণ থাকতে পারে। সে কারণগুলো কে মোটা দাগে ২টি ভাগে ভাগ করা যায়।

১। কারো কাছ থেকে অবহেলা পাওয়া ও অনুসুচনায় ভোগা

২। নিজের অস্তিত্বের সংকটে পড়ে যাওয়া

অনেকটা কাছাকাছি হলেও আত্মহত্যার সবগুলো ঘটনাকে এই দুই ভাগে মোটামোটি ফেলা যায়। এই দুটি গণ্ডীর মধ্যে থেকেই আত্মহত্যার ব্যাপারে চিন্তা করা মানুষ ও আমাদের করনীয় কিছু বলার প্রয়াস করছি।

অধিকাংশ আত্মহত্যার ঘটনাগুলো দেখলে জানা যায় যে আত্মহত্যাকারী মানুষটি তার কাছের কোন মানুষ থেকে বেশ ভালো ধরণের অবহেলার শিকার। এ ক্ষেত্রে হতে পারে তাদের চাওয়া পাওয়ার মিল হয় নি। অথবা এমনও অনেক সময় হয় কেউ কাউকে নিদারুণ কষ্ট দিয়ে ফেলেছে, অপরাধবোধ থেকে অনেকেই আত্মহত্যার পথে পা বাড়ায়। যে কষ্ট পাওয়া বা অপরাধ বোধ হয়ত সামান্য কিছু আলোচনার মাধ্যমেই মীমাংসা করা যেত।

হতাশ মানুষের সাথে কথা বলার অভিজ্ঞতা আমার দীর্ঘদিনের। সব ক্ষেত্রেই যে কথাটি আমাকে সবচেয়ে বেশি শুনতে হয় তা হল, আপনার কি মনে হয় আমি ইচ্ছা করে এমন করছি কিংবা আপনার বেলায় হলে বুঝতেন কি কষ্ট এমন অনুভূতির জায়গায়। তাদের আমি যেটা সব সময়ই বলি তা হল কেউ কখনোই সজ্ঞানে নিজেকে কষ্ট দেয় না। উল্টা মানুষ যখন যুক্তি থেকে আবেগের দিকে অনেক বেশি ভারি হয়ে যায় তখন আসলে মানুষ সজ্ঞানে থাকেই না। তাই নিজেকে কষ্ট দেয়। এবং দ্বিতীয় কথাটির সাথে মিল রেখে যেটা বলি তা হল আমি ঐ জায়গা তে নেই দেখেই আমি আসলে বের হওয়ার পথটা দেখতে পাচ্ছি। যেমন কেউ যদি একটা গোলক ধাঁধার মধ্যে থাকে সে তখন সেখান থেকে বের হতে পারে না, কারণ সে সামনের রাস্তাটা দেখতে পায় না। কিন্তু বাইরে যারা থাকে তারা একটু উপর থেকে দেখতে পারে বলেই তারা জানে যে বের হওয়ার রাস্তা আসলে কোনদিকে। এতে যে ধাঁধায় হারিয়ে গেছে তাকে অবহেলার করার অথবা বাইরে দাঁড়িয়ে পথ বলে দেয়া লোকটাকে অবজ্ঞা করার কিছু নেই।

মনে রাখা দরকার যে কেউ যদি আত্মহত্যার কোন কারণ হিসেবে যুক্তি দেখায় তখন তাকে আবেগ দিয়ে বুঝাতে হয় অপরদিকে যদি কারণ হিসেবে আবেগ দেখায় তাহলে তাকে যুক্তি দেখাতে হয়। এটাই এই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার এক মাত্র উপায়। তাতে মাঝে মাঝে অন্যকে নির্দয় কিংবা উপদেশ দেয়া সহজ ধরণের মানুষ মনে হতে পারে, কিন্তু উপায় এটাই।

এবার আপনারা যারা আপনাদের হতাশা থেকে বের হওয়ার জন্য সম্ভাব্য উপায় হিসেবে আত্মহত্যাকে দেখতে পাচ্ছেন তারা একটু মন দিয়ে পড়তে পারেন।

এমন যদি হয় আপনি অপরাধবোধে ভুগছেন, কিংবা কেউ আপনাকে অবহেলা কষ্ট দিয়েছে তাহলে আপনার জন্য একটা সহজ উপায় আছে যা অন্তত মরে যাওয়া থেকে সব দিক থেকেই উত্তম।

Adaptive Leadershipর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে কনভারসেশন বা আলোচনা করা। এই আলোচনা করাকে আমরা ৪টি ভাগে ভাগ করতে পারি, তার মধ্যে একটি হল Courageous Conversation. এ ধরণের আলোচনাকে Courageous বলা হয় কারণ এই ধরণের আলোচনার জন্য অনেক সাহস প্রয়োজন হয়। দরকার পড়ে নিজের আমিত্বকে একটু ছেড়ে দেয়ার। কিন্তু এটা অনেকটাই জাদুকরী একটা ব্যপার। এ ধরণের আলোচনা অনেক ধরণের সমস্যা সমাধান করে দিতে পারে দেখেই হয়ত আমাদের সমাজে এ ধরণের আলোচনার সংখ্যা খুব কম।

এ ধরণের আলোচনার জন্য দুই পক্ষকেই এক সাথে দাঁড়াতে হয়। যেখানে আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করার পাশাপাশি আমাদের অবস্থানের কারণে আরেকজনের যে ক্ষতি হচ্ছে সেটা মেনে নেই। ব্যাস, এটুকুই। এখানে আমরা ওপর পক্ষ কে বলতে শিখি যে দেখে আমি জানি আমি যা করছি তাতে তোমার এই ক্ষতি টা হচ্ছে কিন্তু আসলে আমি কাজ টা করছি এই কারণে, এখানে যে লাভটা আছে টা হল এই। এতে যা হয় তা হল ওপরপক্ষের প্রতি এক ধরণের সহমর্মিতা প্রকাশ পায়। পৃথিবীতে আপনি এগিয়ে যেতে চাইলে আপনাকে অনেক সময়ই আরেকজনকে পিছনে ফেলে আসতে হবে। খুব কম সুযোগই আপনি পাবেন যেখানে সবাই এক সাথেই এগিয়ে যাওয়া যায়। তো অন্যের এই ক্ষতিটুকু স্বীকার করতে সমস্যাটা কোথায়? অনেক সময় আপনার হয়ত কিছু করার নেই, তাহলে দোষ কোথায় এটা মেনে নিতে, বলতে যে আপনি সহমর্মি এই ক্ষতির জন্য।

যার সাথে অন্যায় করেছেন, যাকে কষ্ট দিয়েছেন তার সাথে একবার বসুন, বলুন কেন আপনি বাধ্য কিংবা অনেক সময় সাময়িক ক্ষতি উপেক্ষা করলে যে সুন্দর ভবিষ্য পাওয়া যায়। এ ধরণের আলোচনা মূলত হয় হৃদয়ের সাথে। যেখানে দুই পক্ষই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকেন আলোচনায় জেতার জন্য নয় বরং আলোচনায় সফল হতে যেন ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়। চেষ্টা করে দেখুন নিজে এধরনের আলোচনা করতে এবং অপরদিকে কেউ যদি আপনার সাথে কথা বলতে চায় তাকেও একটু সুযোগ করে দিন। নিজের মনের ভেতর থেকেই অনেক সাহস পাবেন, হালকা লাগবে। কষ্ট কতটা কমবে আমার জানা নেই তবে আর মরে যেতে ইচ্ছা করবে না এতটুকু নিশ্চিন্তেই বলা যায়।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে নিজের অস্তিত্বের সংকটে ভুগতে থাকা কে দায়ী করা যায়। সত্যি বলতে আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা এ সংকট তৈরিতে বেশ তপর। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে অন্য মানুষের কথিত সাফল্য অপরদিকে নিজের আকাঙ্ক্ষিত পর্যায় পৌঁছাতে না পারা এই সংকটের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি করা, চাকরীর বাজারে গুণের চেয়ে রূপের, অনেক সময় প্রতিভার চেয়ে ফলাফলের কদর বেশি হওয়া এই সংকটের আগুনে জ্বালানির মত কাজ করে। সহজ ভাষায় নিজের সঠিক মূল্যায়ন না হলেই আমরা ভাবতে থাকি আমাদের সব শেষ।

মানুষের জীবন অনেকটা পর্দায় অভিনয় করা একজন শিল্পীর মত। একজন শিল্পী যেমন তার জীবনে অনেক ধরণের চরিত্রে অভিনয় করে বাস্তবেও কিন্তু তাই হয়। কিন্তু যত ভালো শিল্পীই হোক না কেন কেউ কিন্তু সবগুলো চরিত্রে একদম শতভাগ সেরা অভিনয় করতে পারে না। আমাদের পছন্দের নায়ক নায়িকাদের দিকে তাকালেই কিন্তু এর খুব ভালো উদাহরণ পাওয়া যায়। একজন নেতিবাচক চরিত্রের অভিনেতা যদি ভালবাসায় পরিপূর্ণ একজন প্রেমিকের ভূমিকায় অভিনয় করে তখন সেটি তার জন্য ঝুঁকির বিষয়, এবং সে যদি সেই ভূমিকাটি যথার্থভাবে চিত্রায়ন করতে না পারে তা কিন্তু তাকে তার নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করার জন্য অযোগ্য করে তুলে না।

এই যদি হয় অবস্থা তবে কেন সাধারণ জীবনে হাজারো চরিত্রে অভিনয় করা আমরা আমাদের কোন একটি ভূমিকা ঠিক ভাবে চিত্রায়ন না হলেই জীবন শেষ ভেবে বসে থাকি? ছাত্র হিসেবে আপনি বাজে হতে পারেন, তবে তা কেন একজন দায়িত্ববান সন্তান হিসেবে আপনাকে অযোগ্য করে তুলবে? একজন অসফল প্রেমিক অথবা একজন স্থূলকায় কর্মচারী হিসেবে কেন আপনি একজন আদর্শ বোন কিংবা সাহায্যকারী বন্ধু হতে পারেন না?

জীবনে কোন মানুষই নিজের সর্ব ক্ষেত্রে সমান সফল হতে পারে না, আবার একবার অথবা হাজার বার ব্যর্থ হওয়াটাও তেমনি ভাবে কোন সফল হতে না পারার প্রমাণ হতে পারে না। চেষ্টা এবং আগ্রহ আপনাকে যেকোনো পর্যায় থেকেই আপনার কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। সব মানুষের জন্য সফলতার মাপকাঠি সমান নয়। এর কোন জাগতিক নিয়ম নেই। আপনার কাছে সম্পদ হতে পারে সফলতা আরেকজনের কাছে খ্যাতি, আবার অন্যজনের কাছে ভালবাসা। যদি তাই হয় তবে তুলনা করারই বা প্রয়োজন কি?

যখনই কোন বিষয়ে নিজের অস্তিত্বের সংকটে ভুগতে থাকবেন, চেষ্টা করুন আপনি কোন দিক থেকে ভালো সেই দিক গুলো খুঁজে বের করতে, যদি না পান তাহলে দেখুন কোন বিষয় ভালো করাটা আপনার জন্য সহজ। নিজেকে বলতে শিখুন যে পৃথিবীর সব কিছু আপনাকে পারতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আপনি আপনার মত। আপনি যা পারেন তা চেষ্টা করেন এমন ভাবে করতে যে এর চেয়ে ভালভাবে আর সম্ভবই না। প্রতিযোগিতাটা রাখার চেষ্টা করুন নিজের সাথে। এতে জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস সবই বাড়বে।

সর্বোপরি, আপনার আসে পাশের মানুষজনকে ভালো রাখার চেষ্টা করুন, দেখবেন তারাও আপনাকে ভালো রাখার চেষ্টা করবে। নিজেকে, নিজের পরিবার প্রিয়জনকে সময় দিন, যারা আপনাকে মূল্যায়ন করে না, তাচ্ছিল্য করে তাদের থেকে কিছুটা দূরত্বও রাখতে পারেন।

মনে রাখবেন, ভালো রাখার জন্য ভালো থাকা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের তরুণরা মনে করে বর্তমান শিক্ষা কারিকুলামের সংশোধন প্রয়োজন

1000 668 Sherazoom Monira Hasib

একটি দেশ গড়ার জন্য ও এর উন্নয়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সে দেশের তরুণ সমাজ। তাদের মতামত কে অগ্রাহ্য করে দেশের সামগ্রিক উন্নতি সম্ভব নয়। ২৭, ২৮, ও ২৯ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পঞ্চম ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট কে সামনে রেখে ইয়ুথ ম্যাটার্স সার্ভে’র মাধ্যমে বিওয়াইএলসি জানতে চেষ্টা করেছিল, দেশের উন্নয়নে তরুণদের ভাবনাগুলো। তারা স্বাধীনভাবে সেখানে তাদের মতামত জানায় এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক তরুণ মতামত প্রকাশ করে উন্নত দেশ গড়তে সবার আগে প্রয়োজন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কারিকুলামের সংশোধন প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ছয়টি শিক্ষা কমিশন গঠন হয়েছে এবং মোট দুটি শিক্ষা নীতি প্রণীত হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে গঠিত ছয়টি কমিশনে মধ্যে বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন (ড. কুদরত-ই-খুদা) রিপোর্ট ১৯৭৪ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আর শিক্ষা নীতি দুটি প্রণীত হয় ২০০০ সালে ও ২০১০ সালে। সর্বশেষ প্রণীত শিক্ষা নীতি ২০১০ অনুযায়ী, সবার শিক্ষার জন্য সমান সুযোগ থাকতে হবে। সেখানে প্রতিটি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সমানভাবে সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়ার কথা বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। যে কারনে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তরুণদের মাঝে যে ধরনের প্রত্যাশা আছে তা অনেকাংশেই পূরণ হয়নি।

শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমনা পরিস্থিতি বুঝতে হলে, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। এই পর্যায় টা হচ্ছে যে কারো শিক্ষা গ্রহনের মূল ভিত্তি। অথচ প্রাথমিক পর্যায়েই অনেকগুলো ধারা রয়েছে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে। যেমন, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, ‘ইংলিশ ভার্সন’, মাদ্রাসা ইত্যাদি। যে কারনে শিশুদের মধ্যেই শিক্ষার তারতম্য হচ্ছে। আর এর ফলাফলস্বরূপ সবার মেধার বিকাশ সমানভাবে হচ্ছে না। বাংলা মাধ্যমের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই শুধুমাত্র ফলাফলমুখী। অর্থাৎ, এখানে জ্ঞান অর্জনের চেয়ে সবাই একটি ভালো ফলাফলের ব্যপারেই বেশি আগ্রহী। আর তার ফলশ্রুতিতে শিক্ষার মূল  উদ্দেশ্য অনেক ক্ষেত্রেই ব্যহত হচ্ছে। এটা বুঝানোর জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের কথা বলা যেতে পারে। প্রতি বছর অনেক বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ ফলাফল অর্জন করলেও ভর্তি পরীক্ষায় তারা ভালো করতে পারছে না। যদিও সেই একই সিলেবাস থেকে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে, কিন্তু সেখানে শিক্ষার্থীরা ভালো করতে পারছে না।

কেন তরুণরা কারিকুলাম পরিবর্তন করার কথা বলছে?

একইভাবে যে সকল তরুণ ইয়ুথ ম্যাটার্স সার্ভেতে অংশ নিয়েছে, তারা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করার পরেও তাদের চাকরি পেতে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা মৌলিক বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেছে তাদের সমস্যা বেশি হচ্ছে। তারা জানিয়েছে যথেষ্ট ভালো ফলাফল থাকার পরেও তাদেরকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ডাকা হচ্ছে না। আবার অপেক্ষাকৃত খারাপ ফলাফল নিয়েও কেউ কেউ ভালো কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। এর পিছনে তরুণরা দায়ী করছে বাংলাদেশের শিক্ষা পদ্ধতির বিভিন্ন পর্যায়ের কারিকুলাম কে। কেননা তারা স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সকল বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে তার সাথে চাকরি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার সাথে মিল থাকছে না।

এর পিছনে প্রধান কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কারিকুলাম  অনেক আগের এবং বর্তমান সময়ের সাথে সাথে তা পরিবর্তন করা হয় নি। কিন্তু একই সাথে চাকরির বাজারে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন চাকরির জন্য একাডেমিক পড়াশোনার বাইরেও অনেক কিছু জানা থাকা জরুরি যা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে না। দুঃখজনক হলেও সত্যি বেশিরভাগ শিক্ষার্থী চাকরির জন্য দরকারি বিষয়গুলোর সাথে পরিচিত থাকে না এবং অনেকটাই মুখস্থ নির্ভর পড়াশোনায় অভ্যস্থ। শুধুমাত্র চাকরির আবেদন করতে গেলেই তারা অনুধাবন করতে পারে যে তাদের একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে অনেক কিছু জানা প্রয়োজন। এছাড়াও অন্যান্য স্তরের কারিকুলাম নিয়েও তরুণরা চিন্তিত। তারা মনে করে শুধু মাত্র বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কারিকুলাম পরিবর্তন করেই সামগ্রিক ফলাফল অর্জন করা সম্ভব নয়। বরং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই সব কিছুতে গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করা উচিত।

কারিকুলামে কি ধরনের পরিবর্তন আনা যেতে পারে?

কারিকুলাম পরিবর্তনের একটি বড় অংশ হতে পারে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল করে তোলার উপযোগী করে কারিকুলাম প্রণয়ন। যদিও মাধ্যমিক পর্যায়ে এখন সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে, সেটাকে আরও বেশি উন্নত করা প্রয়োজন। একই সাথে শিক্ষকদের জন্যও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে যেন শিক্ষার্থীরা সজবোধ্যভাবে সব কিছু শিখতে পারে। পরিবর্তন টা সেখান থেকে শুরু হলে খুব সহজেই অন্যান্য পর্যায়েও শিক্ষার মানের পরিবর্তন অবশ্যাম্ভাবী।

আর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের জন্য বাংলাদেশের বর্তমান চাকরির অবস্থা ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং ভবিষ্যতে কি ধরনের চাহিদা থাকতে পারে তার উপর ভিত্তি করে কারিকুলামে পরিবর্তন আনা যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে শিক্ষার্থীদের লিডারশিপ, পাবলিক স্পিকিং, কমিউনিকেশন ইত্যাদি বিষয়ের উপরে সঠিক প্রশিক্ষন তাদেরকে চাকরি থেকে শুরু করে সব ব্যাপারেই সহযোগিতা করতে পারে। এছাড়াও যে সকল বিষয় পড়ানো হচ্ছে সেগুলোর প্রয়োগের ব্যাপারেও বাস্তব প্রশিক্ষন জরুরি।


Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.