Monthly Archives :

July 2018

Are we prepared to face a volatile job market?

643 364 Towhid Khan and Sanjida Chowdhury

The global economic outlook of Bangladesh looks positive due to its high GDP growth rate, political stability, and geopolitical support. Yet even after having a booming economy, millions of youth are struggling with unemployment. According to the World Bank’s 2017 statistics, unemployment rate in our neighbouring countries such as India and China were 3.5 percent and 4.05 percent, respectively, whereas in Bangladesh, it was 11.4 percent. This alarming percentage deserves immediate attention from the government and private sector. It is time we dig deep into this perennial problem and look for solutions to the challenges responsible for creating a jobless generation.

Before opting for solutions, one must understand that the issue is not simply that of creating jobs for young people, but to mobilise their skills in support of sustainable solutions. According to global youth chapter of the UN Sustainable Development Solutions Network, youth across the world are struggling with capacity building, communication, fund raising, and scaling of their efforts. Employers are looking for people with complex and adaptive thinking abilities who can cope with a multifaceted, volatile, and unpredictable job environment. In a modern labour market, youth are expected to recognise the interconnectedness of business communities. The breach between what is taught in class and what skills the recruiters are looking for points out the gaps to work upon. Bangladesh, having a large number of unemployed youth, is struggling with additional challenges as well. The absence of quality education and skilled labour force have been identified as the auxiliary causes of this predicament. In a roundtable discussion jointly organised by The Daily Star and Bangladesh Youth Leadership Center, a number of renowned CEOs of reputed companies had pointed out that the most common factor behind unemployment in Bangladesh is the existing skill gap between employers’ demands and employees’ capabilities. Ironically, while there are so many people looking for suitable jobs, employers lament the scarcity of skilled graduates who can foresee the future leadership trends.

Reflecting the changes in the environment, competencies that will be most valuable to the future leaders appear to be changing. The essential qualities that future leadership entails are adaptability, creativity, ability to think strategically, and openness to ambiguity. Different leadership organisations are working relentlessly to equip graduates with these qualities. A number of institutions have introduced leadership programmes to fill the analytical void by equipping our youth with critical thinking, problem solving, and communication skills. Students learn to think critically about leadership through participating in the experiential learning model of the training programmes. By practicing community services, participants translate their learning into action and complete the curriculum. To enhance the job search abilities of the youth, a number of professional organisations help graduates learn professional skills and place them in different organisations. Understanding the global perspective, prospective organisations prepare eligible workforce who are adjustable to adverse work environment and flexible to team management.

With the aim of having a better society, some Bangladeshi youth have brought solutions to different social challenges. Innovators like Osama Bin Noor, Co-founder of Youth Opportunities, Ayman Sadiq, Founder of 10 Minute School and Zaiba Tahyya, Founder and CEO of Female Empowerment Movement, have proved that leadership is a collective development process spread through networks of people. They experimented with new approaches and combined diverse ideas for implementation. Their aim for collective development not only made them competent enough to fight social odds but also rewarded them with prestigious recognitions.

Compared to the social challenges, only a small number of Bangladeshi innovators have found solutions through democratising leadership. However, it is certainly not enough. We still are limited to organising roundtables, identifying the skill gaps and discussing the discrepancies whereas by 2018 we should already have youth engagement in the policy making process. Our country having already attained the prerequisites to be a developing one, requires policy efforts to equip youth with leadership skills and create scopes for placement at different organisations.

Depending completely on some institution to curb unemployment is not an ideal option. If a student wants to secure a suitable job right after graduation, an interdisciplinary knowledge over business, economics, corporate strategy, and technology is a must. Only a bachelor’s degree in one concentrated curriculum does not make him proficient to cope with the volatile working environment. Along with regular studies, one should opt for online tutorials and professional courses to mitigate the skill gaps prevalent in the 21st Century. A graduate, efficient in data management, design thinking, scrum skills, case solving, blog writing will always remain one step ahead from his less informed contemporaries. Using technological advances, different international universities are offering free courses to students across the globe. These courses are designed to help them learn more than what the textbooks can offer. Labour market in the 21st Century highly recommends students to participate in online and offline skills development courses and be aware of the demands of the future job market.

কোটা নিয়ে ভাবনার পাশাপাশি তরুণদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট নিয়েও ভাবতে হবে

1920 1280 Sherazoom Monira Hasib

দেশের তরুণ সমাজ এ মুহূর্তে কিছু অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন দাবি আদায়ের জন্য তরুণরা কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহিংসতার পথও বেছে নিচ্ছে। যাতে করে সামগ্রিকভাবে একটা বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়েছে। এসব ব্যাপার নিয়ে তরুণরা কি ভাবছে তা নিয়েই ১২ জুলাই, ২০১৮ তে-বিওয়াইএলসি হেডকোয়ার্টারে অনুষ্ঠিত হয় নিয়মিত আয়োজন ‘বিওয়াইএলসি স্যোশাল’। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিওয়াইএলসি মার্কেটিং এন্ড আউটরিচ বিভাগের নির্বাহী সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইএলসি’র চারজন গ্র্যাজুয়েট।

প্রসঙ্গত, কোটা ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭২ সালের পর থেকে। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের তথা তাদের পরিবারের উন্নয়নের জন্য কোটা ব্যবস্থা প্রচলন করা হয়। তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে কোটার পরিমাণ কখনও হ্রাস আবার কখনও বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ কোটা ব্যবস্থাতে সংযোজন করা হয় মুক্তিযোদ্ধাদের তৃতীয় প্রজন্মের জন্যও কোটা ব্যবস্থা বহাল থাকবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তরুণদের থেকে দাবি আসে যে, কোটা ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে। তখন সরকারিভাবে এ ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু এর মধ্যেই কিছু তরুণ আবারো আন্দোলন করতে থাকে যাতে কিছু অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এসব ব্যাপার নিয়ে তরুণরা কি ভাবছে আমরা জানতে চেয়েছিলাম তাদের কাছে।

প্রথমেই তরুণরা এ ব্যপারে একমত পোষণ করে যে কোটা একেবারে বাতিল করা  উচিত হবে না। বরং যৌক্তিকভাবে কোটার পরিমাণ হ্রাস করা যেতে পারে। শুরুতেই ঢাকা ট্রিবিউন পত্রিকার সাংবাদিক, মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, “যে কোনও আন্দোলনের সময়ই আমরা একটা দ্বন্ধে থাকি যে আন্দোলনটা আসলে কে পরিচালনা করছে বা কে করবে। যেকোন আন্দোলনের দায়িত্ব এমন কারো হাতে তুলে দেয়া উচিত নয় যে নিরপেক্ষভাবে দাবি উত্থাপন করতে পারে না। যে ব্যাপারটা কোটার দাবি আদায়ের আন্দোলনে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।”

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সব সময়ই পরিলক্ষিত হয়, যে কোনও আন্দোলন থেকেই কেউ না কেউ সুবিধা আদায় করতে চায়। আর তাতে করে অনেক সময়ই মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। তাই তরুণদের উচিত, যে কোন দাবি উত্থাপনের সময় খেয়াল রাখা যেন কেউ তাদের ভুল পথে পরিচালিত করতে না পারে। একই সাথে কর্তৃপক্ষের উচিত হবে তরুণদের কথা এবং তরুণরা দেশ নিয়ে কি ভাবছে তা শোনার চেষ্টা করা।

কোটা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী তাসনিম মোস্তাকিম বলেন, আমাদের আসলে বুঝতে হবে কোটা ব্যবস্থা কি ধরনের সুবিধা দিতে পারছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদাহরণ দিয়ে বলেন, সেখানে এখনও পর্যন্ত কালোদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়। এর পিছনে কারন হচ্ছে, এক দুই জেনারেশনে আসলে কোনও একটা জাতি বা গোষ্ঠীর খুব বেশি সামাজিক পরিবর্তন হয় না। সে কারনে আমাদের ভাবতে হবে আসলে কোটা ব্যবস্থার কি ধরনের পরিবর্তন হওয়া উচিত। তবে একই সাথে তিনি এটাও বলেন যে, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট চিন্তা করেই আসলে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তাসনিমের বক্তব্য অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষকে ভেবে দেখতে হবে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী আসলে ঠিক কি ধরনের সংস্কার দরকার। সরাসরি কোটা বাতিল করে দেয়া কখনও সুষ্ঠু সমাধান নিয়ে আসবে না। কর্তৃপক্ষকে তরুণদের এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী দুই পক্ষের কথা ভেবেই একটা সুষ্ঠু সমাধান নিয়ে চিন্তা করতে হবে। বিশেষ করে সরকারী চাকরিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব অবশ্যই নিশ্চিত করা দরকার। পাশাপাশি আমাদেরকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাই এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত হবে না যাতে করে তাদের অসম্মান করা হয়। তাদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

গত দুই তিন বছরে দেখা গেছে, যে কোনও ন্যায্য দাবি আদায়ে তরুণরা আন্দোলন করছে। বিশেষ করে শাহবাগে তরুণদের গণজাগরণ আমাদেরকে ইঙ্গিত দেয় যে তরুণরা দেশ নিয়ে ভাবছে। সাম্প্রতিক সময়ে কোটা আন্দোলন করতে গিয়ে তরুণদের মধ্যে অনেক বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং সে সূত্র ধরে বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা আমরা দেখতে পাই। এ ব্যাপারে তরুণদেরকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। তরুণদের উন্নয়নের স্বার্থেই তাদেরকে একসাথে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চিন্তা না করলে সামগ্রিক  উন্নয়ন কখনও সম্ভব হবে না।

“ফাল্গুনী দেব বলেন, কর্তৃপক্ষ কে বুঝতে হবে যে এই ধরনের আন্দোলন আসলে তাদের বিপক্ষে নয়। তাই তরুণদের কথা বলার সুযোগ দিয়ে তাদের মনের কথা বুঝার চেষ্টা করতে হবে।” এটা সত্যি যে কর্তৃপক্ষের সব দাবি মেনে নেয়া সম্ভব হবে না। তাদের অনেক কিছু বিশ্লেষন করে দেখতে হবে আর এর জন্য সময় দরকার। তাই দুই পক্ষের ধৈর্য এখানে খুবই জরুরি।

এর পাশাপাশি আহমেদ সাব্বির যোগ করেন, “সরকারি চাকরির উপরে তরুণদের নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। কেননা শুধু সরকারি চাকরিতে এই বিশাল অংশের তরুণদের চাইলেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়।”

তরুণদের উন্নতিতে একবিংশ শতাব্দীর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের কোনও বিকল্প নেই। পাশাপাশি তরুণদের উচিত হবে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসা। এতে করে তারা আরও নতুন নতুন তরুণদের কাজের ব্যবস্থা করতে পারবে। কর্তৃপক্ষকেও ভাবে দেখতে হবে কিভাবে তরুণদের সুন্দর সুন্দর আইডিয়া গুলোকে বাস্তবিক রূপ দেয়া যায়।

বিভিন্ন পর্যায়ের তরুণদের কাছ থেকে মতামত নেয়ার পরে যেটা বোঝা যায় তা হচ্ছে, কেউই আসলে চাচ্ছে না যে কোটা বাতিল হয়ে যাক। সবার একটাই কথা, কোটা ব্যবস্থা দেশের সব পর্যায়ের মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন। বিশেষ করে, নারীদের ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী কে দেশের মূল ধারায় অবশ্যই নিয়ে আসতে  হবে আর সেটার মাধ্যমেই সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

Do our schools adequately prepare us for the future?

888 556 Sampreeti Raya

As I prepare to graduate and arguably enter the ‘real’ world, I can’t help asking myself, “Am I prepared to enter the hyper competitive world with the skills I currently have?” I know after 12 years studying at an English medium school, four years at a public university, and passing all levels of academic certification successfully, I am expected to say ‘yes’. I should technically feel confident about my preparedness, yet I feel unsure. Completing an internship at Bangladesh Youth Leadership Center recently helped me realise that I lacked a few significant skills and abilities required in the workplace which never got the deserved focus while at school and university.


Throughout our time at school, we are taught how to acquire good grades and ace our exams. But, I feel we are not encouraged to learn in order to expand our horizons. Our society, education system, and parents have pushed us to run after things that give us instant rewards such as high grades and discouraged us from investing in areas that help us grow as curious human beings. A pervasive culture of rote memorisation has resulted in generations who are not critical or creative thinkers. The lack of passion to learn has broader implications in our society and the country. For example, according to a new study by the World Bank, unemployment in Bangladesh is more than 10%. In 2017, there were 260,000 jobless youth, however, employers have indicated they can’t find suitable candidates with right skills. Despite graduating with the right academic degrees employees are not equipped with the right creative thinking, problem solving, and communication skills, that are necessary for graduates to succeed in the job market. Unless we encourage our students to love learning and develop the ability to learn new things, instead of running after grades, it is very possible that we wouldn’t be able to move forward towards a better society.


The social norm we have come to accept is that we are rewarded when we succeed and penalised when we fail. In most educational institutions students’ achievements are celebrated and failures condemned. As a result, failure is associated with embarrassment, shame, and guilt and dealing with it becomes an added challenge that students don’t know handle. With rising expectations from society to compete and be better than others, most students are incapable of dealing with failure and rejection, resorting to antisocial behavior such as cheating, or in extreme cases taking their own lives. Rejection and failure are the most important learning tools as they reveal various truths about us that assist in handling future situations. Incidents of failures throughout our academic careers should be revered and examined as learning moments so that students are not scared of failing but use them as lessons to grow and develop.


The importance of physical health is often emphasised throughout our lives, but our mental wellbeing is often overlooked. According to WHO-AIMS in 2006, mental health expenditure from the government’s health ministry of Bangladesh is less than 0.5% of the total healthcare expenditure. This statistic clearly indicates what a low priority mental health is in Bangladesh. In schools, things like depression, stress, anxiety, and emotions are almost never discussed with students even though many young people suffer from these. A social stigma regarding these issues persist in our society which discourages a lot of individuals from seeking help. From my own experiences many in my generation face these problems yet do not seek help because of the fear or shame of being laughed at. Educational institutions have the potential to change that by creating safe environments where students are encouraged to openly talk about issues of mental health.

Our education system, despite teaching us immensely throughout the course of our lives, ignores a few important aspects of our development. If our education system does not reform, it runs the risk of being outdated in the face of the changing dynamics of the modern world. I hope the our government and education institutions start to bring focus on the above mentioned issues so that we, the country’s youth, can have the opportunity to learn, grow and build a better Bangladesh.

This article was first published in “The Daily Star” on July 12, 2018

When Breath Becomes Air: What Death can Teach us about Leadership

640 640 Fahmida Zaman Ema

On a chilly night in late 2016, I was coming back from my university library at Illinois State University. On my way out, I picked up a book titled When Breath Becomes Air. Published posthumously in early 2016, When Breath Becomes Air was written by a neuroscientist named Paul Kalanithi, a 36-year-old resident in neurosurgery at Stanford University. Just months away from completing his training, Paul was diagnosed with stage four lung cancer. He was a gifted scientist whose research on gene therapy won him his field’s highest research award. Adding to his impressive resume, he earned two degrees in English literature from Stanford University and gave serious consideration to pursing writing as a full-time career. He also held a Master of Arts in the History and Philosophy of Science and Medicine from University of Cambridge.

Much like anything else in his short life, Paul’s writing is brilliant to say the least. As you would see in When Breath Becomes Air, Paul spent his whole brief life searching for meaning in one way or another—through books, writing, medicine, surgery, and science. This short book, therefore, has so many layers of meaning and insights on life and death, patient and doctor, son and father, work and family, faith and reason. There is no shortage of insights in When Breath Becomes Air. Each reader can extrapolate their own set of insights from this reading. Following are some insights I found captivating.

Learning to be comfortable with uncertainties: The most important lesson in Paul’s story is that our future is uncertain. For years, Paul was preparing for a life he was never to live. The decade long medical training was about to end and he was to be a professor of neurosurgery. And once the training was done, he thought he could finally become the husband he promised to be. But, out of nowhere came cancer and Paul had to start living his life instead of postponing it. No part of this journey was easy for him. Future, as we see, is very uncertain. One must learn to be uncomfortable with such uncertainties. We rarely have an exact picture of the path ahead, so we must accept what arises with determined courage.

Compassion and humility: Much of what motivated Paul to pursue neurosurgery was the opportunity to forge relationships with people who were suffering and give him the chance to explore what life offers in meaning and scope. His relentless pursuit of human connection with his patients shows what makes life meaningful: the ability to feel another’s pain (and joy). Everyone fights their own battle. But, what differentiates human beings from any other animal is our ability to feel empathy. Nothing else could remind us of the importance of compassion and humility than facing our own mortality.

There is no small act: The world now is full of so many big problems. From the world-wide refugee crisis to climate change, the problems are too big for us to unravel. As a result, we rightly think that our individual acts do not matter in the grand scheme of things. Nevertheless, that is precisely what makes our individual small acts so significant. Our small kind act can mean the world to someone without us knowing. One may not need power or money to practice this kindness. We are capable of doing it from whichever position we are in. At the end of the book, Paul leaves a message for his daughter who he is not sure will remember him: “When you come to one of the many moments in life when you must give an account of yourself, provide a ledger of what you have been and done and meant to the world, do not, I pray, discount that you filled a dying man’s days with sated joy, a joy unknown to me in all my prior years, a joy that does not hunger for more and more but rests, satisfied. In this time, right now, that is an enormous thing” (p. 199).

Faced with his own mortality just when he was on the verge of making big contributions to the world with his mind and hands, Paul reflected on what it means to lead a meaningful life. He wrote about the process of him transforming from doctor to patient, the struggles he had in his family, the power to talk about death and face it, all these and many others are contoured in such a thoughtful manner. When Breath Becomes Air is not an easy read. It is intense. It is tear-jerking. It is also a necessary read.

মেসি কি তবে নেতৃত্ব চর্চায় ব্যর্থ?

1100 513 Mutasim Billah

নেতৃত্ব শিক্ষার সময় যে প্রশ্নটির মুখোমুখি সবচেয়ে বেশি হতে হয় তা হল অথোরিটি বা ক্ষমতা ছাড়া নেতৃত্ব চর্চা করা সহজ নাকি ক্ষমতা থাকলে নেতৃত্ব চর্চা করা সহজ? এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। স্থান, কাল ও অবস্থা ভেদে এর উত্তর একেক রকম। তবে এর উত্তরের মধ্যে অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান ঠিকই রয়েছে।

বাংলাদেশে আমাদের যে সকল সমস্যা তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সমস্যা তৈরি ও সমাধানের অন্তরায় আমরা নিজেরাই। এবং এ কাজে আমাদের সবচেয়ে প্রচলিত অজুহাত আমার তো এই সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা নেই কিংবা দায়িত্ব যাদের তারা তো কিছু করে না। এই অজুহাত থেকে আমরা চাইলেও অনেক সময় সহজে বের হয়ে আসতে পারি না।

পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ খেলাধুলার আসর চলছে রাশিয়া তে। ফুটবল বিশ্বকাপ। আর কোন খেলার আসর নিয়ে বিশ্বে বিশেষত বাংলাদেশে এরচেয়ে বেশি মাতামাতি হয় কিনা আমার জানা নেই। গত রাতেই অন্যতম পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল বাদ পরেছে দ্বিতীয় পর্ব থেকে। খেলা দেখতে দেখতেই মনে হল আরে এখানেই তো আছে সেই প্রশ্নের খুব সহজ একটা উত্তর।

এবারের বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব থেকেই অনেকটাই অগোছালো দল আর্জেন্টিনা। অনেকটা ধরেই নেয়া গিয়েছিল বেশিদূর যেতে পারবে না সাম্পাওলির দল। বাদও পরেছে। কিন্তু দ্বিতীয় পর্ব থেকে যে বাদ পড়লো সেটি কি আসলেই দল আর্জেন্টিনা? নাকি ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসি?

একটু ভালোভাবে দেখলে দেখা যাবে দল হিসেবে আর্জেন্টিনা তো সেই বাছাই পর্বেই বাদ পরে গিয়েছিল। এতদিন যে টিকে ছিল তা দলের বিশাল বড় ব্যনারের নিচে সেই জাদুকর। যত না বেশি সমর্থক দলের তার থেকে বেশি সমর্থক মেসির। তার জন্যই যেন বিশ্বকাপ জিততে চায় তার সমর্থনের বিশ্ব।

অনেকটা একই অবস্থা সময়ের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। এখানেও দল যেন প্রতিযোগিতায় নাম লেখানোর একটা নিয়ম মাত্র। এই নিয়ম বাদ গেলে খেলতে হত তাদের একারই।

দুজনই আবার দলের অধিনায়ক। তাদের দিকে এমনিতেই এত আলো তার উপর অধিনায়কের ভার যেন মাঠ থেকে এক মুহূর্ত আড়াল হওয়ার সুযোগ নেই তাদের। তারা দুজন যে বর্তমান বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় তাতে কারো সন্দেহের সুযোগ নেই। কিন্তু এই বিশ্বকাপে দলকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে নেতৃত্ব চর্চা করতে হত তাতে তারা ব্যর্থ।

অনেকটাই মেসি কে কেন্দ্র করে এমন ৫টি কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি যা আমাদের নিজেদের নেতৃত্ব চর্চার ক্ষেত্রেও অনেকটাই বাধা।

১। ওয়ার্ক অ্যাট দ্যা সেন্টারঃ

আমরা জানি নেতৃত্ব চর্চা করতে হলে অংশগ্রহণকারী কিংবা জড়িত সকলের সাথে সম্পর্কিত একটি কাজ খুঁজে বের করতে হয় যাকে আমরা ‘ওয়ার্ক অ্যাট দ্যা সেন্টার’ বলি। আমাদের উদ্দেশ্য হওয়ার কথা যে সকলের প্রধান মনোযোগ যেন মাঝের এই কাজটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য হয়। তার জন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাই চেষ্টা করে যায়।

কিন্তু অধিকাংশ সময়ই আমরা যে ভুলটি করি তা হল মাঝখানে ঐ কাজটির বদলে আমরা নিজেরা চলে আসি। তখন জড়িত সকলের মনোযোগ কাজের বদলে ঐ নির্দিষ্ট ব্যক্তি উপরে পরে। তখন না ঐ কাজটি সামনের দিকে আগায়, না আমরা আমাদের সাধ্য মত ঐ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারি।

আর্জেন্টিনা দলটিকে দেখলে বিষয়টা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়। যেখানে দলের সাথে জড়িত সবার মনোযোগের কেন্দ্র বিন্দু হওয়া দরকার ছিল বিশ্বকাপ জেতা এবং সে লক্ষ্যে সবাই এক সাথে কাজ করা। কিন্তু মেসির মত তারকা থাকায় ঐ কাজের বদলে দলের কেন্দ্রবিন্দু সে নিজেই পরিণত হয়েছে। যার কারণে না মেসি তার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে খেলতে পেরেছে না দল তাদের মুল কাজের উপর মনোযোগ দিতে পেরেছে।

২। সমন্বয়হীনতাঃ

একটা দল হিসেবে কোন সমস্যার সমাধান করতে হলে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় ভালো হতে হয়। দলের মধ্যে বিশ্বস্ততা থাকতে হয়, জানতে হয় কে কখন কি ভূমিকা পালন করতে পারে। মেসি দলের কেন্দ্রবিন্দু পরিণত হওয়ায় তার সাথে সখ্যতা না থাকায় দলের মধ্যে সমন্বয়হীনতা কাজ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নাইজেরিয়ার সাথে খেলায় আর্জেন্টিনা দলের সাফল্যের পেছনে মেসি আর বানেগার যে সমন্বয় তা অন্যতম প্রধাণ ভূমিকা পালন করেছে। এমন বিশ্বস্ত সমন্বয় তাদের আগের এবং পরের খেলায় চোখে পরে নি। এখানে যদি দলের কেন্দ্র বিন্দু মেসি না হয়ে বিশ্বকাপ জেতাতেই সবার মনোযোগ থাকত তাহলে যার যার জায়গায় সবাই বিশ্বস্ত ভূমিকা পালন করতে পারতো।

৩। টিম ওয়ার্কঃ

বিশিষ্ট মনস্তত্ত্বিক ডেভিড কান্টর’র ফোর প্লেয়ার মডেলে তিনি বলেছেন দলের মধ্যে সঠিকভাবে নেতৃত্ব চর্চা করতে হলে দলের সবাইকে প্রয়োজন ও সময় সাপেক্ষে চার ধরণের ভূমিকা পালন করতে হয়। দলের মানুষজনকে কখনো বুদ্ধি দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, আবার কখনো অন্যের বুদ্ধির যৌক্তিক বিরোধিতা করতে হয়। পাশাপাশি বুদ্ধি বাস্ত্যবায়নের জন্য কাজ করতে হয় ওপর দিকে কখনো কখনো কোন কাজ না করে দাঁড়িয়ে দেখতে হয় কারণ এতে দূর থেকে দেখা যায় যে কোথায় কিসের ঘাটতি আছে। আর্জেন্টিনা দলে এই মডেলের বাস্তবায়ন ছিল না বললেই চলে। কেউই নিজের নির্ধারিত ভূমিকার বাইরে এসে অন্য কোন ভাবেই দলের কাজকে সামনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে নি।

৪। কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাঃ

একটা দলে যার হাতে ক্ষমতা থাকে তাকে আমরা অথোরিটি বলি, বাংলায় কর্তৃপক্ষ। দলের নেতৃত্ব চর্চা কিংবা সমস্যা সমাধানে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলে এই কর্তৃপক্ষের কাজ হল দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করা, দলকে দিক নির্দেশনা দেয়া এবং বিপদ থেকে রক্ষা করা। যখন সে এই তিন ধরণের কাজ করতে ব্যর্থ হয় তখন দলের কাজও সামনের দিকে আগায় না। আর্জেন্টিনা দলেও তাদের কোচ সাম্পাওলি তার জন্য নির্ধারিত এই তিন ধরণের কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই পুরো দল হিসেবে তারা উঠে দাঁড়াতে পারে নি। দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করা, সাফল্যের জন্য দিক নির্দেশনা দেয়া এবং হেরে বাদ পড়ার মত বিপদের সমাধান তার কাছে ছিল না। কোচ হিসেবে তার কাছে সমাধান না থাকায় এবং সমস্যা সমাধানে তার উপর সকলের অত্যধিক নির্ভরশীলতার কারণে দলের অন্য কেউ কোন ভালো সমাধান নিয়ে দলের জন্য এগিয়ে আসতে পারে নি। সঠিক ভাবে নেতৃত্ব চর্চার জন্য কর্তৃপক্ষের উপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা ক্ষতিকর। এক্ষেত্রে সফল হতে হলে দুটি কঠিন কাজ করতে হবে। কর্তৃপক্ষের যেমন সবাইকে বলতে হবে যে ‘এই কাজ আমাদের সবার, আমার কাছে এই সমস্যার সমাধান নেই এবং আমাদের সবাইকে মিলেই এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে’ তেমনি দলে থাকা বাকিদেরও এগিয়ে আসতে হবে যার যার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আসন্ন অজানা বিপদ থেকে দলকে উদ্ধার করতে।

আর্জেন্টিনা যেমনি ভাবে ভালো দল, তেমনই ভাবে বাংলাদেশও অপার সম্ভাবনার। আপাত দৃষ্টিতে আমরা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও জয়ের স্বপ্ন না দেখলেও এই তরুণরাই বাংলাদেশের বিশ্ব জয়ের নেতৃত্ব দিবে তা অনিবার্য। আর সেই অনিবার্য নেতৃত্বের জন্য তরুণদের কে হতে হবে প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং যোগ্য। নেতৃত্ব চর্চার জন্য তারা যেন সকল বাধা কাটিয়ে উঠে এবং অনুপ্রাণিত হয় সেদিকে দৃষ্টি প্রদান করার প্রয়োজন অত্যধিক। কারণ সফলতা কেউ প্রাপ্য না, সফলতা অর্জন করতে হয়। মেসি পারে নি বিশ্বকাপ অর্জন করতে, কিন্তু বিশ্বাস রাখলে আমাদের তরুণরা পারবে বিশ্ব জয় করতে।

Seo wordpress plugin by