Monthly Archives :

October 2018

বিওয়াইএলসি ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট ২০১৮: আমার প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

1000 668 Sherazoom Monira Hasib

বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার (বিওয়াইএলসি)’র আয়োজনে শেষ হয়ে গেল পঞ্চম ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট। যেহুতু বিওয়াইএলসি’তে থাকা অবস্থায় আমার জন্য এটাই প্রথম সামিট, শুরু থেকেই সামিট ঘিরে ছিল অন্যরকম প্রত্যাশা। সারা দেশ থেকে বাছাই করা ৪০০ তরুণ আসবে ইয়ুথ ম্যানিফেস্টো তৈরি করতে যা ছিল এক অন্যরকম আনন্দের ব্যাপার। তাই অপেক্ষাটা ছিল বেশ উত্তেজনাপূর্ন।

২৭ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায় সামিটের আনুষ্ঠানিকতা। বিওয়াইএলসি’র সবাই পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী ৭ টার মধ্যেই উপস্থিত হয়ে যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। আর তার কিছুক্ষন পরেই আসতে শুরু করে সামিট ডেলিগেটরা। সুশৃঙ্খল ও সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তারা শুরু করে রেজিস্ট্রেশন। দীর্ঘ সারি থাকা সত্ত্বেও তাদের মধ্যে ছিল নতুন কিছু শেখার উৎসাহ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রেজিস্ট্রেশন শেষ করে সবাই প্রস্তুতি নেয় প্রথম সেশনের জন্য।

প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা

সকাল ৯ টায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠে ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট ২০১৮’র। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিওয়াইএলসি’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ইজাজ আহমেদ। এ সময় তিনি দীর্ঘ দশ বছর ধরে তরুণদের নেতৃত্ব প্রশিক্ষণের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এর পর পর ই কথা বলেন নাগরিক টিভির সিইও আব্দুন নূর তুষার। তিনি সামিট ডেলিগেটদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা যে ধরনের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতাম বাংলাদেশটা ঠিক তেমনই হয়েছে।” তিনি তরুণদের কে আরও বেশি দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। সামিট ডেলিগেটদের উদ্দেশ্যে আরও কথা বলেন, আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ড. গওহর রিজভী। তিনি তরুণদের পরামর্শ দেন পারস্পরিক মত বিনিময় করতে যার মাধ্যমে তাদের জানার পরিধি বাড়বে। এই ব্যাপারটা আমাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য। হয়তো আমরা বিভিন্ন বিষয়ে একমত নাও হতে পারি, কিন্তু পরস্পরের মতামতের ব্যাপারে সম্মান প্রদর্শন করে যুক্তির মাধ্যমে আসলে সুন্দর একটা সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব। প্রত্যকের যে একটা আলাদা মতামত থাকতে পারে সেটার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করাটাও প্রয়োজনীয়।

প্রথম সেশনের পরে ছিল চা বিরতি আর তার পরেই বহু আকাঙ্ক্ষিত প্রফেসর আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের সেশন, যেখানে তিনি কথা বলেছেন তরুণদের বক্তব্য কেন গুরুত্বপূর্ন সে বিষয়ে। সব সময়ের মতই তাঁর মনোমুগ্ধকর বক্তব্য দিয়ে তরুণদের আকৃষ্ট করে রাখেন। বিভিন্ন গল্পে গল্পে তিনি তুলে ধরেন কিভাবে প্রাত্যাহিক জীবনের নানা সমস্যা সমাধানে নেতৃত্ব দিয়ে সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করা যায়। এ সময় তিনি বলেন, “নেতা হতে হলে সবার আগে বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে। এমন একজন যার নির্দেশ শোনামাত্রই সবাই তা মেনে নেয়।” আমরা যদি বর্তমান পরিস্থিতির সাথে একটু তুলনা করি, দেখতে পাব বিশ্বাসযোগ্যতা আসলে সবাই অর্জন করতে পারে না। আর যাদের বিশ্বাসযোগ্যতা আছে আমরা কিন্তু সহজেই তাদের যে কোনও পরামর্শ মেনে নিচ্ছি। এর পিছনে কারণ হচ্ছে বিশ্বাসযোগ্য একজন ব্যক্তি কখনও না জেনে কোনও ব্যাপারে পরামর্শ বা নির্দেশ দেন না। আমাদের প্রায় সবার মধ্যে একটা ব্যপার কাজ করে, আর সেটা হলো যে কোনও সমস্যায় কর্তৃপক্ষ এগিয়ে না আসলে আমরা হয়তো সমস্যার সমাধান করতে পারব না। কিন্তু সামান্য উদ্যোগী হলে যে খুব সহজেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে সেটা আমরা ভাবি না। এ ব্যাপারে প্রফেসর আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ জোর দেন এবং সবাইকে যার যার জায়গা থেকে সঠিক কাজটি করার আহ্বান জানান।

পরবর্তীতে আইস ব্রেকিং ও নেটয়ার্কিংসহ বেশ কিছু সেশন ছিল। প্রথম দিনের শেষ সেশনটি ছিল বিওয়াইএলসি প্রেসিডেন্ট ইজাজ আহমেদের। এ সময় তিনি কঠিন পরিস্থিতে পড়লেও কিভাবে নেতৃত্ব চর্চা করা যায় সে ব্যাপারে বক্তব্য দেন।

প্রথম দিনের শিক্ষা ছিল সব সময় কেউ না কেউ এসে কাজটা করে দিবে এটা না ভেবে বরং নিজে একটু উদ্যোগী হলে খুব সহজেই সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। আর কোনও কিছুতে নিজে নেতৃত্ব দিতে চাইলে আগে বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে। অথবা আমাদের এমন কাউকেই নেতা নির্বাচন করা উচিত যাকে প্রশ্নাতীতভাবে বিশ্বাস করা যায়।

দ্বিতীয় দিনের অভিজ্ঞতা

দ্বিতীয় দিনের শুরুটা হয় প্রফেশনাল ডেভেলাপমেন্ট সেশনের মধ্য দিয়ে যেখানে বিওয়াইএলসি অফিস অফ প্রফেশনাল ডেভেলাপমেন্ট এর ডেপুটি ম্যানেজার ফারাহ চৌধুরী তরুণরা নিজের মতামত কিভাবে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারে সে ব্যাপারে পরামর্শ দেন। তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে এবং গুছিয়ে নিজের যে কোন বক্তব্য উপস্থাপনের পরামর্শ দেন। অনেকেই হয়তো নিজের মতামত কিভাবে তুলে ধরতে হবে বা কোন উপায়ে তা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিবে তা বুঝতে পারে না। আমার নিজের ক্ষেত্রেও যে ব্যাপারটি অনেকবার ঘটেছে। এই সেশনটি আসলে মনে যে ভয়গুলো ছিল সেগুলো দূর করতে সহায়তা করেছে।

দিতীয় দিনের চা বিরতির পর দুটি ভিন্ন সময়ে মোট চারটি সেশন ছিল। ডেলিগেটদের সামনে সুযোগ ছিল প্রথম ভাগের ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা’ ও ‘সার্বিক অন্তর্ভুক্তিকরন’ থেকে একটি এবং দ্বিতীয় ভাগের ‘ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান’ ও ‘তরুণদের জন্য নিরাপদ স্থান’ এ দুটি থেকে একটি করে মোট দুটি সেশন বেছে নেয়ার। প্রতিটি সেশনে আলোচনায় অংশ নেন বিষয় সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ।

এই সেশনগুলোর মধ্য থেকে আমার থাকার সুযোগ হয়েছিল ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা’ ও ‘তরুণদের জন্য নিরাপদ স্থান’ এ দুটি সেশনে। প্রথম সেশনটিতে কথা বলেন, টিচ ফর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মায়মুনা আহমেদ, ১০ মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক, ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অফ এডুকেশনাল ডেভেলাপমেন্ট (ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়) এর প্রভাষক শামনাজ আরিফিন। সেশনটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক হুমায়রা আহমেদ। বক্তারা সবাই একমত পোষণ করেন যে আমাদের গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। একই সাথে তারা গুরুত্ব দেন শিক্ষকদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার উপর। ১০ মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক বলেন, “ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের দেশের তরুণদের জন্য এক বিশাল সুযোগ তাদের নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য।” এই সুযোগটি আসলে আমাদের আরও বেশি করে কিভাবে কাজে লাগানো যায় তা ভেবে দেখা জরুরি। নিজের স্মার্টফোনটা কাজে লাগিয়েও এখন অনেক কিছু শিখে ফেলা সম্ভব। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে অনেক বেশি ফ্রি রিসোর্স রয়েছে যা আমরা দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগাতে পারি। একই সাথে নিজে থেকে দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়াটাও জরুরি। আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের কিছু সময় বাঁচিয়েই আসলে আমরা দক্ষতা বাড়াতে পারি। এমনকি সেটার জন্য নির্ধারিত কোন সময় মেনে চলা জরুরি নয়। বরং আমাদের সুবিধাজনক সময়েই অনেক কিছু শিখে ফেলা সম্ভব।

দিনের অন্য সেশন যেটিতে ছিলাম তা হচ্ছে তরুণদের জন্য নিরাপদ স্থান। এই সেশনে কথা বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠাতা চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন, দ্যা লিগ্যাল সার্কেলের প্রতিষ্ঠাতা আনীতা গাজী ইসলাম, এবং একশন এইড এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবীর। এই সেশনটি সঞ্চালনা করেন বিওয়াইএলসি গভর্নর বডির সদস্য ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস এন্ড জাস্টিস এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মানজুর হাসান ওবিই। তরুণদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরনে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি তারা সবাইকে আইন মেনে চলার পরামর্শ দেন। সামিট ডেলিগেটরাও স্বীকার করে যে সবাই ই বিভিন্ন সময়ে আইন ভঙ্গ করি। অথচ আমাদের উচিত ছিল নিজে আগে আইন মেনে চলা। উদাহরণ হিসেবে বক্তারা পাইরেটেড সফটওয়্যারসহ বেশ কিছু জিনিসের কথা বলেন। ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, “নিরাপদ সড়কের জন্য পথচারীদের আইন মানা জরুরি।” তিনি আরও বলেন, “কাউকে পরামর্শ দেয়ার আগে নিজে সেটা ঠিকভাবে পালন করতে হবে, তাহলেই প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব।” নিজেরা আইন না মেনে শুধু চালকদের দোষারোপ করে আসলেই সমস্যার সমাধান কখনও সম্ভব নয়। এমনকি বেশিরভাগ সরক দুর্ঘটনা পথচারীরা আরেকটু সাবধান থাকলে এড়ানো যেতো।

এ দিনই প্রথম তরুণরা ইয়ুথ ম্যানিফেস্টো তৈরির কাজ শুরু করে এবং এর রূপরেখা কেমন হতে পারে তা নির্ধারন করে। সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সামিটের দ্বিতীয় দিন। তবে আমার জন্য দিনটি ছিল নিজেকে শোধরানোর প্রতিজ্ঞা করার। কেননা জেনে হোক না জেনে হোক প্রায় প্রতিটি দিন বিভিন্ন আইন ভঙ্গ করে চলেছি। অথচ এই আমিই হয়তো প্রতিদিন কাউকে না কাউকে দোষারপ করে চলেছি আইন না মেনে চলার জন্য। এই উপলব্ধিটা কাজ করে যে আমার নিজের কারনেও হয়তো কারও না কারও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। আর তাই প্রতিজ্ঞা ছিল নিজেকে শোধরাতে হবে আগে।

শেষ দিনের অভিজ্ঞতা

শেষ দিনটি ছিল সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততাময়। দিনের শুরুটা হয় দেশের সেবা করার শপথের মধ্য দিয়ে। প্রায় চারশত তরুণ দৃঢ় প্রতিজ্ঞার সাথে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রতিশ্রুতি জানায়। এরপরেই তারা ব্যস্ত হয়ে উঠে ইয়ুথ ম্যানিফেস্টোর চূড়ান্ত রূপ দেয়ার কাজে এবং তা দিনের মধ্যভাগের মধ্যেই শেষ হয়। এরপর বিওয়াইএলসি এক্স এর প্রোডাক্ট ম্যানেজার খালেদ সাইফুল্লাহ কথা বলেন একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী কর্মদক্ষতা নিয়ে। যেখানে তিনি একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী করে বিওয়াইএলসি এক্স এর তৈরি করা কোর্সগুলোর সাথে সবাইকে পরিচিত করিয়ে দেয়।

মধ্যাহ্ন বিরতির পর শুরু হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেত্রীবৃন্দের অংশগ্রহনে অন্যতম উল্লেখযোগ্য সেশন। সে সেশনে প্রত্যেকেই প্রতিশ্রুতি দেয় তাঁরা তরুণদের কল্যাণে কাজ করবেন। এরপর তাঁরা ডেলিগেটদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এ সময় তাঁরা তরুণদের আরও বেশি রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তাঁরা মতামত দেন রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমেই আসলে আরও বেশি তরুণদের প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব। যে রাজনীতিকে অনেক সময় আমরা নোংরা বলে ফেলি সেটা ঠিক করতে হলেও তরুণদের আরও বেশি যুক্ত করা প্র সেশন শেষে রাজনৈতিক দলের নেত্রীবৃন্দের সামনে তরুণদের তৈরি করা চূড়ান্ত ইয়ুথ ম্যানিফেস্টো উপস্থাপন করা হয় এবং প্রত্যেকের হাতে সেটির একটি করে কপি তুলে দেয়া হয়। এ সময় তাঁরা জানান এই ম্যানিফেস্টো তাঁরা নিজেদের দলের কাছে পৌঁছে দিবেন যেন তা তরুণদের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

তিনদিনব্যাপী সামিটের সমাপনী বক্তব্য দেন দ্যা ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজ আনাম। তাঁর সাবলীল বক্তব্যের মাধ্যমে সামিট ডেলিগেটদের সামনে তিনি বেশ কিছু মূল্যবান পরামর্শ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সম্মান পাবার প্রথম শর্ত হচ্ছে অন্যকে সম্মান করা। তুমি যদি কাউকে সম্মান কর দেখবে তারচেয়ে অনেক বেশি সম্মান তুমি পাবে।”  তাঁর এই একটি উক্তিই যদি বর্তমান সময়ে মেনে চলা হয় তাতেও আসলে আমাদের সমাজে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব। কেননা পারস্পরিক সম্মান থাকলে যে কোনও কাজ সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব। উনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে তিন দিনের এই তরুণদের মিলনমেলার।

সামিট হয়তো শেষ, কিন্তু এর শিক্ষাগুলো যদি মনে রাখা যায় এবং প্রয়োগ করা হয় তবেই আসলে সমাজে পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব হবে। এই সম্মেলন তরুণদের মধ্যে এক বন্ধন তৈরি করে দেয়। তারা যখন বিদায় নিচ্ছিল তখনও চোখে মুখে ছিল প্রাপ্তির আনন্দ। কেননা তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে, তারা তাদের দাবিগুলো সঠিক জায়গায় তুলে ধরতে পেরেছে। মাত্র তিন দিনের মাঝেই তাদের মাঝে এসেছে আমূল পরিবর্তন। তারা প্রত্যকেই এক একজন বদলে যাওয়া তরুণ যারা দেশের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ।

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.