Monthly Archives :

November 2017

কর্মজীবনে প্রবেশের আগে যে ১০টি বিষয় আপনার জানা উচিত

1200 800 Jamia Rahman Khan Tisa

পড়াশোনা প্রায় শেষের পথে।কিছুদিনের পরেই কর্মজীবনে প্রবেশ করবেন? আসুন জেনে নিই এমন কিছু বিষয় যা জানা থাকলে কর্মক্ষেত্রে আপনি হবেন সবার চেয়ে একটু ভিন্ন আর নিজেকেও মানিয়ে নিতে পারবেন সহজে।

দায়িত্ব নিতে শেখা
দায়িত্ব নিতে শেখাটা কর্মজীবনে প্রবেশের আগে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। দায়িত্ব নিতে জানলে এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করতে জানলে বসের নজরে তো আসবেনই অফিসেও বাড়বে সুনাম।

কমফোর্ট জোনকে না বলুন
কর্মজীবনে ঢোকার পর এমন অনেক পরিস্থিতির মুখোমুখিই হতে হবে যাতে আপনি অভ্যস্ত নন। কমফোর্ট জোন থেকে বের হওয়ার অভ্যাস তাই গড়ে তুলুন এখন থেকেই।

নিজেকে প্রকাশ করতে জানা এবং নেটওয়ার্কিং
কর্মজীবনে আসলে আপনি নিজে একধরণের পণ্য। আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতাই আপনার মান নির্ধারণ করবে। তাই নিজেকে ঠিকঠাকভাবে প্রকাশ করতে জানাটাও পারতে হবে। আর হ্যাঁ। নেটওয়ার্কিং এর দক্ষতা না থাকলে পিছিয়ে পড়বেন সবার থেকে।

সমালোচনা গ্রহণ
অনেক সময় আমরা সমালোচনাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারিনা। সমালোচনাকে ইতিবাচক ভাবে নিন। শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন।

সময়ের সঠিক ব্যবহার
সময়ের ব্যাপারে হতে হবে সচেতন। সময়ের কাজ সময়ে না করতে পারলে প্রতিযোগিতার এই যুগে চাকরি বাঁচিয়ে রাখাটা খুব কঠিন।

সমস্যা সমাধান এবং বিশ্লেষণধর্মী ভাবনা
আজকাল চাকুরিদাতারা এমন কাউকে খোঁজেন যিনি সমস্যা সমাধানের খুঁজে বের করতে পারেন এবং বিশ্লেষণধর্মী ভাবনায় দক্ষ। এই দক্ষতা বাড়াতে চাইলে বাড়াতে হবে পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতা।

টিমওয়ার্ক
টিমওয়ার্ক ছাড়া আজকাল কর্মজীবন ভাবাই যায়না। দলগত ভাবে কাজ করার মত মানসিকতা থাকতে হবে।

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সততা
কাজের জায়গায় সততা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে আপনি কখনোই সেখানকার পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারবেন না। আর এই গুণগুলো আপনাকে অনুপ্রেরণা দেবে এগিয়ে যাওয়ার।

চাপের মধ্যেও কাজ করতে জানা
সবসময় যে রিল্যাক্সিং মুডে কাজ করতে পারবেন তা তো আর নয়। কখনো কখনো কাজের চাপও থাকবে, এর সাথে যোগ হতে পারে মানসিক চাপ। এই সব কিছুর মাঝেই কাজকে এগিয়ে নেওয়া জানতে হবে।

নিজের উপর বিনিয়োগ
নিজেকে কোন বিষয়ে দক্ষ করে তোলার জন্য আপনি যে বিনিয়োগ করবেন তা একসময় বহুগুণ হয়ে ফিরে আসবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভাষা শেখা, কোডিং এর মতো দক্ষতাগুলো অর্জন করে নিন কর্মজীবনে প্রবেশের আগে আগেই।

ছবিসূত্রঃ Stanford Technology Ventures Program

টিমওয়ার্ক; কেন এবং কিভাবে

1086 724 Jamia Rahman Khan Tisa

‘তোমরা তো একটা টিম এ কাজ করছো। টিমওয়ার্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ  একটা ব্যাপার। টিমে কেউ যদি কোন ভুল করেও ফেলে সেটার জন্য তাকে হেয় করোনা, বরং তাকে শিখতে সাহায্য করো। লাভটা পুরো টিমেরই হবে।” আমাদের ডেমো প্রেজেন্টেশনের সময় একথাটাই বলেছিলেন বেসরকারি বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপীর চিফ অ্যাডভার্টাইজিং অফিসার অরূপ স্যান্যাল। কিছুদিন আগে ইউএনডিপি আয়োজিত একটা আইডিয়া ইনোভেশন কম্পিটিশনে আমি ফাইনালিস্ট হই। সেই সুবাদেই ইউএনডিপি থেকে আমাদের জন্য একটি ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা করা হয় যেখানে আমরা প্রজেক্ট প্ল্যানিং এবং তা প্রেজেন্টেশন সম্পর্কে হাতে কলমে শেখার সুযোগ পাই। read more

আমি, স্বপ্নের পথ যাত্রী

3600 2400 Mutasim Billah

যে স্বপ্নের মধ্যে সীমানা থাকে তাকে কি স্বপ্ন বলা যাবে? সে যাত্রাকে কি স্বপ্ন যাত্রা বলা যাবে যার কিনা শেষ আছে? শেষই যদি হবে তবে তা আর স্বপ্ন কেন?

ছোট বেলা থেকেই আমাদেরকে স্বপ্ন দেখানো হয়। বড় হয়ে আমাদের অর্জন কি হবে কিংবা কি হওয়া উচিত তা নিয়ে। সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদেরকে অনেক কিছুই বলা হয়, যেটি বলা হয় না তা হল নিজেকে চেনার কথা। অথচ যে স্বপ্ন দেখে যাচ্ছি তা পূরণ করতে হলে সবার প্রথম নিজেকেই যে চিনতে হবে সে উপলব্ধিটুকুই আমাদের নেই।

 আমার নিজেকে জানার যাত্রাটি শুরু হয় ২০১০ সালে যখন আমি বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার নামে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নেতৃত্ব শেখা শিখতে আসি। ওখানে গিয়ে দেখলাম একটা রুমের মধ্যে আরো ৪২ জন শিক্ষার্থী আমার মত একই রঙের টি শার্ট গায়ে বসে আছে। তাদের সাথে বসে আমার অনুভুতি হল যে এখানে দেশ সেরা স্কুল, কলেজ এবং মাদরাসা থেকে অসাধারণ সব মানুষজন বসে আছে। তাদের সাথে টিকে থাকার লড়াইটা আমার জন্য খুব কঠিন হবে। যতই দিন যাচ্ছে আমি অবাক হয়ে দেখলাম যে সবাই কত কিছু জানে আর একেক জন জীবনের দৌড়ে আমার থেকে কত এগিয়ে।
 ঐ প্রোগ্রামেই উপলব্ধি করতে পারলাম যে আমিও পারি নিজের জীবন পরিবর্তনে অবদান রাখতে, যে অবদান হয়ত বদলে দিতে পারে আরো দশ জনের জীবন। বদলে দিতে পারে বাংলাদেশ।
 তখন থেকেই চিন্তা হতে থাকে যে, সবাই যদি নিজের ভাল চায়, অন্যের ভাল চায়, সর্বোপরি দেশের ভাল চায় তাহলে সমস্যাটা কোথায়? কেন আমাদের সেই স্বপ্নের বাংলাদেশের দিকে আমরা এগিয়ে যাই না?
 ধীরে ধীরে জেনে গেলাম, যে বাংলাদেশ কে নিয়ে স্বপ্ন আমাদের এক হলেও সেই সেই স্বপ্নকে আমরা শিক্ষা মাধ্যমের নামে তিনটি ভাগে ভাগ করে রেখেছি। যে মাধ্যমে থেকে আমরা একে অপরের ব্যপারে না জেনে হয়ত লালন করছি অনেক ভুল ধারনা। যার ফলশ্রুতিতে হয়ত তাদের মূল্যবোধকে সম্মান জানাতে পারছি না। বুঝতে পারছি না তাদের অবদানকে যা তারা দেশের জন্য করে যাচ্ছে।

আমাদের অভিযোগের কোন শেষ নেই। নানা রকম সমস্যায় জর্জরিত আমরা। কিন্তু কখনো হয়ত অনুভবই করি না যে আমাদের সমস্যার জন্য অনেকাংশে আমি নিজেরাই দায়ী। সেখানে তা সমাধানের জন্য আরেকজনের দিকে তাকিয়ে থাকলে এগিয়ে যাবো না কখনই। সমস্যার জন্য দায়ী করে আমরা সবসময় বলি আমাদের দেশে সঠিক নেতৃত্ব নেই। নেতৃত্ব নিয়ে যখনই কথা হয় আমরা কিছু সুমহান গুনাবলির কথা বলি। কিন্তু বলি না যে আমাদের জায়গা থেকে আমরা কি করতে পারতাম। না বলার কারনটা, হয়তো আমাদের মাঝে সে বিশ্বাসই নেই যে আমরাও পারি।

 সেই অনুভুতি থেকেই আমার পথ চলা শুরু। এরপর থেকে যতবার থেমে গিয়েছি, বারবার নিজেকে শুনিয়েছি ‘আমি পারি’। বিওয়াইএলসির ঐ প্রোগ্রামেই আমি শিখেছিলাম কিভাবে মানুষের সামনে দাড়িয়ে কথা বলতে হয়। কিভাবে নিজের বক্তব্যটি কার্যকর ভাবে তুলে ধরা যায় মানুষের সামনে। এরপর থেকে যখনই সুযোগ পেয়েছি কথা বলেছি মানুষের সামনে। চর্চা করেছি, নিজের কথা বলার দক্ষতা কে বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। দীর্ঘ ৪ মাস পর যখন ঐ প্রশিক্ষণ শেষ হল তখন মনে হল এবার আমার পালা। যা শিখেছি তা কাজে লাগাতে হবে। আমিও এবার মানুষকে স্বপ্ন দেখাব। যারা আমার মতই আটকে আছে নিজের জীবনের গন্ডিতে তাদেরকে দেখাব কিভাবে তারাও পারে তাদের স্বপ্নকে সীমাহীন দিগন্তে ছড়িয়ে দিতে।
 এর পাশাপাশি একটা চিন্তা ছিল। আমি যে সুযোগ পেয়েছি তা সবাই পায় না, আর অনেকেই পেয়ে কাজে লাগায় না। ঐ সময়টাতে যারা সুযোগ পায় না তাদের জন্য খুব বেশি কিছু করার না থাকলেও সুযোগ ছিল যারা সুযোগ পায় তারা যেন তা কাজে লাগাতে পারে তাতে সাহায্য করা। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই শুরু করলাম নেতৃত্ব পড়ানো। বাংলাদেশের ভিন্ন আর্থ সামাজিক অবস্থান থেকে উঠে আসা তরুণপ্রাণদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক অবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি নিজের ও অন্যদের মাঝে নেতৃত্বের গুনাবলি ছড়িয়ে দেয়াই উদ্দেশ্য। শুরু করলাম বিওয়াইএলসি’রই ১ মাসের প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম দিয়ে।
সেই প্রোগ্রামে আমার অনেক অভিজ্ঞতা হয়, পরিচয় হয় অনেকগুলো সুন্দর মানুষের সাথে। যাদের সাথে এখনো আমার যোগাযোগ আছে, যাদের কাছ থেকে এখনো অনেক কিছুই শিখি। সেখানে কারো জীবনে কোন সামান্য অবদান রেখেও যে তাদের জীবন বদলে দেয়া যায় সেটা নিজের চোখেই দেখতে পেয়েছিলাম। ২০১২ সালে ওই প্রোগ্রামের শেষে বিওয়াইএলসি’র সকল গ্র্যাজুয়েটদের নিয়ে গঠিত এলামনাই বিওয়াইএলসি গ্র্যাজুয়েট নেটওয়ার্ক – বিজিএন’র পরিচালনা কমিটির নির্বাচন। মাদরাসা মাধ্যম থেকে নিজে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচনে দাঁড়ালাম। সেদিন হেরে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওই নির্বাচনটা আমাকে অনেক চিন্তার খোঁড়াক দিল। আসলেই যদি ভাল কিছু করতে চাই তবে কি একটি পদ খুব বেশি দরকার? নির্বাচনে জিততে পারি নি, তবে কি আমাকে দিয়ে হবে না?

বুঝতে পেরেছিলাম যে, যদি তীব্র ইচ্ছা থাকে তবে ঐ সব ছাড়াও এগিয়ে যাওয়া যায়, অন্যদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়াও যায়। তখন থেকেই চেষ্টা করেছি নিজেকে গড়ে তোলার। ২০১৪ সালে যখন আবার বিজিএন এর নির্বাচন হয় তখন আমি প্রতিনিধিত্ব করি বিজিএন প্রেসিডেন্ট এর পদটির জন্য। জানি না কোথা থেকে পেয়েছিলাম ঐ সাহস, তবে ঠিকই দায়িত্ব পেয়েছিলাম দেশ সেরা প্রায় ২৫০০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে গঠিত বিজিএন’র প্রধান হিসেবে কাজ করার। নিজেকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা পূরণ হল। তবে যুদ্ধ মাত্র শুরু। এত বড় দায়িত্ব পালনের কোন যোগ্যতা তখনও আমার হয়ে উঠে নি। নিজেকে গড়ে তোলার আসল কাজটা এবার যে করতেই হবে। যে কাজটা আজ অবধি করে যাচ্ছি। কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাইনি কোনদিন শুধুমাত্র নিজেকে প্রমাণ দিতে চেয়েছি যে ‘আমি পারি’। আমি জানি আমি কোন জায়গা থেকে নিজেকে কোথায় নিয়ে এসেছি এবং কোথায় নিয়ে যেতে চাই।

 প্রতিদিন নিজের জন্য নতুন নতুন লক্ষ্য ঠিক করেছি। কারো সাথে প্রতিযোগিতা ছিল না, যা ছিল তা নিজের সাথেই। আমাকে যারা জীবনে বড় হতে শিখিয়েছেন আমি সব সময় তাদের মত হতে চেয়েছি। হতে চেয়েছি নিঃস্বার্থ, হতে চেয়েছি এমন একজন মানুষ যাকে যে কেউ তার উপকারে খুঁজে পায়। একটি একটি করে ধাপ এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।
এই পথ চলার মধ্যেও আমাকে পিছন থেকে টেনে ধরার মত অনেক কিছুই ছিল। ব্যক্তিগত জীবনে হেরে যাওয়া, মানুষের অনুৎসাহিত করার মত কথা। অনেক কিছু। ২০১৫ সালে আমি দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচন করেছিলাম বিজিএন’র সভাপতি পদের জন্য। আগের ১ বছর নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করেছিলাম প্রতিষ্ঠানটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার, চেষ্টা ছিল একে যেন হাজারো তরুণের স্বপ্ন পূরণের প্লাটফর্ম হিসেবে তৈরি করতে পারি। কিন্তু নির্বাচনে আমি হেরে গিয়েছিলাম। বিশাল ব্যবধানে। তখন যতটা না কষ্ট পেয়েছিলাম তার চেয়ে বেশি শিক্ষা, উপলব্ধি হয়েছিল। আমি অনেকটাই নিশ্চিত ছিলাম আমি জিতে যাবো। এখন আমি বুঝি, ঐ ঘটনাটার কারণে আমি ভুলে গিয়েছিলাম আমাকে অনেক শিখতে হবে।
 এরপর জীবনে আরো বেশ কিছু সুযোগ আমি পেয়েছি, পেয়েছি অনেক সম্মান। কিন্তু কখনো নিজের অতীত ভুলে যাই নি, নিজের শেখার আগ্রহকে দমে যেতে দেই নি কখনো। মনে হয়নি আমার জীবনের লক্ষ্য পূরণ হয়ে গেছে। কারন আমি জানি আমার স্বপ্নের কোন সীমানা নেই। আমাকে যেতে হবে অনেক দূর।
 অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমার অর্জন কি? আমি কখনো তাদের উত্তর দেই না। হাসি। কারন আমি জানি এবং বিশ্বাস করি যে আমার কাজই তাদের সে প্রশ্নের উত্তর। তবে যখন নিজের অজান্তে নিজের মনে এমন প্রশ্নের উদ্ভব হয় তখন নিজেকে বলি, কেউ যখন বলে আমার জন্য তার জীবনে সে স্বপ্ন দেখতে শিখেছে সেটি কি অর্জন নয়? যখন শত মানুষের সামনে দাড়িয়ে কথা বলার সুযোগ হয়েছে এবং সে কথায় কারো জীবন পরিবর্তন হয়েছে, তা কি সফলতা নয়?
 আমি এখনো কাজ করে যাচ্ছি, স্বপ্নের কাজ। পরিবর্তনের পথে হেঁটে চলছি আমি, স্বপ্নের পথ যাত্রী।

Reasons why you can’t…

4000 2667 Aryan Kabir

This writing will not be uplifting, nor will it teach you to be the greatest leader the world has seen. However, I can assure you that it will be frank, uncomplicated and notably relatable to our lives.

As millennials, we have always been taught that each and every person is special; that you can achieve greatness if you believe it. This very sentiment is why most people grow up under the false impression that everything will go as they imagine it to be. Society has a strange way of sugar coating things in its attempt to inspire and encourage the youth and that is where it goes wrong.

The consequences of such practices can be seen in many education sectors of the world. A 2015 study shows that a staggering one in four adult students have mental illnesses, ranging from anxiety disorders to depression. This is primarily due to the superficial image we have painted over the years, the over use of censorship and the urge to make everything look simple resulting in low effort put into studies, extra-curricular activities and all other work. That is why when exiting the safe boundaries of their schools and stepping into the real world, these individuals experience a whole new level of competition, that they are unprepared for. The real blow: the realization that they are not the best, that there is and will always be someone better than them. Based on a 2009 survey conducted by the American College Health Association-National College Health Assessment (ACHA-NCHA II), 39 percent of college students will feel hopeless during the school year, 25 percent will feel so depressed they’ll find it hard to function, 47 percent will experience overwhelming anxiety, and 84 percent will feel overwhelmed by all they have to do. These numbers are concerningly high and are reflected in Bangladeshi high school students. As such, we have to realize the models of leadership we have engineered to cater to everyone, will fail. We need to construct models that are not over simplistic and pliable to different people’s different skills, and paces.

A wise man once said being a leader does not mean being the best; it is about remaining consistent, adapting to changes and delivering the best one can provide, while assisting others. This is something these young adults fail at mastering. Those who may have done well in school become discouraged and never truly return to their previous pace while others fail to reach their potential, altogether.

This does not mean that everyone faces these same hardships, as every person is truly different. The message of this dilemma only serves as an advice not to be taken lightly – as leadership in any field of work will test the limits of oneself. The ones who do adapt and learn to accept failure are the ones who truly reach the top. Colonel Sanders, Jack Ma, Steve jobs -they have all failed at one point in their lives but have all been resilient, which ultimately led to their success.

The problem of creating false models for children persists. It is happening now more than ever. Therefore, it is up to us to make the change and be the change; to introduce models which will encourage the youth to strive for betterment and make them aware of the fact that there is always a chance things may not go as planned.

Expert’s Insights: An Interview with Arif Ainul Suman

3791 2464 Saanjaana Rahman

Arif Ainul Suman is the Executive Director, Corporate Banking, Standard Chartered Bank. A topper in his batch from IBA, Mr. Suman passionately pursued his career with leading multi-national financial institutions past 18-years in the arena of providing financing solutions and risk management for leading local corporate clientele. Besides providing Working Capital Solutions and Trade Finance Structuring, he has substantial experience in Specialized Financing and Advisory. He is considered a pioneer in power sector having been involved in raising financing for approximately 20% of country’s private sector generation capacity.

read more

এভরিডে লিডারশীপঃ সাগরের ক্রিয়েটিভ সোসাইটি

1999 1330 bylc_blog_admin

ক্রিয়েটিভ সোসাইটি। নামটার মাঝেই কেমন একটা সৃজনশীলতার আঁচ পাওয়া যায়। তরুণ প্রজন্মকে যোগাযোগ দক্ষতা, উপস্থাপনা  দক্ষতা, নতুন নতুন আইডিয়া উদ্ভাবন ও উদ্বুদ্ধকরণ এবং মানসিক দক্ষতায় দক্ষ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ২০১৪ সালের ০১ লা নভেম্বর  “ক্রিয়েটিভ সোসাইটি”র প্রতিষ্ঠা হয়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে পড়ুয়া তিন বন্ধু আবু সাঈদ আল সাগর, আল-আমিন ইসলাম ও কাজী সানজিদুল ইসলাম শুভর প্রচেষ্টাতেই গড়ে উঠেছিলো এই প্ল্যাটফর্মটি। read more

Everyday Leadership: An Interview with Zainab Syed Ahmed

960 640 Noshin Noorjahan

Zainab Syed Ahmed is a graduate of BYLC’s Youth Leadership Bootcamp, 2015. Soon after the completion of the program, Zainab joined BYLC as an Executive in Curriculum Development team with the goal of inspiring the young generation to become leading change-makers in their fields; thereby, creating a positive change in the society. Since then, she co-instructed in four leadership training programs and facilitated in more than 15 programs including Building Bridges through Leadership Training, Building Bridges through Leadership Training Junior, Youth Leadership Bootcamp, and Art and Practice of Leadership. read more

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.