কেমন হওয়া চাই ‘কথা’, যে ‘কথা’ দিয়ে আসে পরিবর্তন

কেমন হওয়া চাই ‘কথা’, যে ‘কথা’ দিয়ে আসে পরিবর্তন

5184 3456 Mutasim Billah

মানুষের সাথে কথা বলতে পারার বিষয়টিকে অনেকটা মহান নায়কোচিত মনে করা হয় কেননা এই কথার মাধ্যমেই মানুষ বিপ্লব ঘটাতে পারে তা হোক নিজের জীবনে কিংবা অন্যের। তা ব্যক্তিগত পর্যায়েও হতে পারে আবার একটি দেশ বদলে দেয়ার জন্যও হতে পারে। মহানবীর (দঃ)’র এর বিদায় হজ্বের ভাষণ আজও মুসলিম জাতির জন্য পথ প্রদর্শক হয়ে আছে। তেমনি ভাবেই সকল বিশ্বাসের মানুষের মূল ভিত্তিতেই আছে অনেক কথা। ৪০ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো যখন বঙ্গবন্ধুর দরাজ কণ্ঠের সেই ৭ই মার্চের ভাষণ শুনি শরীরের রক্ত টগবগিয়ে উঠে। আলোড়িত হয় মন। মনে হয় সব বাধা ভেঙ্গে এগিয়ে যাই অসম্ভবের দিকে। মনের কথা গুলোকে নিজের মনের ভাষায় বলার অধিকার আদায়ের জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে এক মাত্র বাঙ্গালী জাতিই নিজের তাজা রক্ত দিয়ে রাজপথ লাল করেছে।

কি আছে এই কথার মাঝে? কথা দিয়ে আসলেই কি কিছু করা সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ, কথা দিয়েই সম্ভব অনেক অসাধ্যকেও সাধন করা। এই কথাই পারে একজন মানুষকে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাওয়ার সাহস যোগাতে। কথার মাঝে তেমনই এক যাদু আছে।

এরপর যে বিষয়টি আমাদের সামনে আসে তা অনেক পরিচিত, যা আমরা সবসময়ই বলি নাহয় অন্যকে বলতে শুনি। আমরা সহজেই ঘাবড়ে যাই মানুষের সামনে কথা বলতেক্লাসের অনেক জানা ছাত্রটিও প্রেজেন্টেশন দিতে যায় তার হাত পা কেঁপে উঠে,  আমি কি পারবো এত ভাল করে বলতে? আমার দ্বারা কি সম্ভব?

হ্যাঁ, সম্ভব। কিছু টা কৌশল আর অনেকটা চর্চা যেকোনো মানুষকেই একজন ভাল বক্তা হতে সাহায্য করতে পারে। তেমনই কিছু কৌশল নিয়েই এই লেখা। আশা করছি এগুলো আমাদেরকে ভাল বক্তা হওয়ার জন্য কিছুটা সাহায্য করতে পারবে।

নিজের অপারগতা নিয়ে সাবলীল হওয়া
পৃথিবীতে কোন মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তাই নিজের ভুলের ব্যাপারে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। ভাল বক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হলে অবশ্যই কথা বার্তায় সাবলীল হতে হবে। ‘ভুল হলে মানুষ কি ভাববে’ এই একটি চিন্তা যদি মন থেকে বের করে ফেলা যায় তাহলে বক্তৃতা দেয়া আরও অনেক সহজ হয়ে যায়। পৃথিবীতে যারা খুব ভাল বক্তা তাদেরও মাঝে মাঝেই ভুল হয়। যেটা খুবই স্বাভাবিক। আপনি কি বলতে চান তা শুধুমাত্র আপনিই জানেন। তাই আপনার ভুল ধরার সুযোগ আপনার শ্রোতাদের নেই। তাই আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলে যান। কোন ছোটখাটো ভুল হলেই সরি বলবেন না অথবা ঘাবড়ে যাবেন না। সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হচ্ছে ভুল হলেও বক্তব্য চালিয়ে যাওয়া। তবে হ্যাঁ, বড় ধরনের কোন ভুল যা কিনা মানুষকে আপনার বক্তব্যের ব্যাপারে ভিন্ন ধারনা দিতে পারে অথবা কেউ যদি আপনার ভুলটি ধরিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে খুবই স্বাভাবিক ভাবে তা মেনে নিতে পারেন। তথ্যের ব্যপারে হলে বলতে পারেন, আপনি অবশ্যই খোঁজ করে দেখবেন অথবা আপনি কোন জায়গা থেকে এই তথ্য পেয়েছেন তা বলতে পারেন। কখনোই মিথ্যা বলবেন না কিংবা ভুলকে অস্বীকার করবেন না। এতে  শ্রোতাদের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দিবে তা আপনি যত ভাল বক্তব্যই দেন না কেন।

বিষয়বস্তু  সম্পর্কে গভীর জ্ঞান 
যদি আগে থেকে বক্তব্যের বিষয় বস্তু ঠিক করে দেয়া না থাকে তবে অবশ্যই এমন কিছু নিয়ে কথা বলবেন না যা নিয়ে আপনার কোন অনুভূতি নেই। অনুভূতিহীন বিষয়ে বলতে গেলে তা শুনতে শ্রুতিমধুর হয় না।
আর যদি বিষয়বস্তু ঠিক করে দেয়া থাকে তবে তা নিয়ে একটু জানার চেষ্টা করুন। এবং অবশ্যই আপনার বক্তব্য মুখস্ত করবেন না। যারা বক্তব্য দিতে কিছুটা ভয় পান তাদের জন্য বক্তব্য মুখস্ত করা খুবই ক্ষতিকর। এতে মানসিক চাপে কিছু একটা ভুলে গেলে আপনি আর বাকি অংশ মনে করতে পারবেন না তাই এই বিষয়টি মনে রাখা খুব জরুরী। তবে আপনার বক্তব্যের বিষয়বস্তুটি অবশ্যই মনে রাখবেন।

শ্রোতা এবং বক্তব্য কোথায় দিবেন সে ব্যাপারে ধারনা নেয়া
যাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিবেন তারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদেরকে কোন কিছু বুঝাতে হলে আপনাকেই তাদেরকেই সবার প্রথমে বুঝতে হবে। যদি আপনার শ্রোতারা খুব মজাপ্রিয় মানুষ হয়ে থাকে আর আপনি খুব কঠিন করে কথা বলেন তাহলে আপনার শ্রোতাদের ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তখন আপনার কথার মাঝেও মজার কিছু জিনিস থাকতে হবে। এই ধারণা গুলো থাকা খুব জরুরী। আপনার শ্রোতার ব্যাপারে ধারণা নেয়া আর খুব সাবলীল ভাবে বক্তব্য প্রদানের জন্য আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে কথা বলবেন তা জানা অত্যাবশ্যক। যেখানে বক্তব্য দিবেন চেষ্টা করতে হবে সে জায়গায় আপনার নির্ধারিত সময়েরও আগে উপস্থিত হতে। আমি খুব বড় এবং ভাল বক্তাকেও দেখেছি যে তারা সবার শেষে বক্তব্য দিবে তবুও অনুষ্ঠানের একদম শুরু থেকে উপস্থিত থাকে। এতে করে সে জায়গা এবং আর শ্রোতাদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে খুব ভাল ধারনা পাওয়া যায়। আপনি চাইলে বিরতির মাঝে আপনার শ্রোতাদের সাথে কথাও বলতে পারেন।

নিজেকে মহান বক্তা হিসেবে প্রমাণ করতে যাবেন না
একজন বক্তা তখনি ভাল বক্তা হন যখন তার শ্রোতা তার বক্তব্যের মাধ্যমে প্রভাবিত হন। তাই নিজেকে প্রমাণ করার মত অতিরিক্ত চাপ নেবেন না। কারণ মানুষ যখন নিজেকে প্রমাণ করার চাপে পড়ে যায় তখন সে খুব উত্তেজিত হয়ে যায়। এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আপনার বক্তব্য ভাল হলে আপনি এমনিতেই মহান বক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন। তাই আপনার বক্তব্য টিকে শ্রোতার সাথে একটি আলোচনার মত করে চিন্তা করুন। আপনি যদি ১-২ জন মানুষের সাথে কথা বলতে পারেন তাহলে কেন আরও বেশি মানুষের সাথে নয়। ভাল বক্তা হতে হলে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকাটাও জরুরী। 

হাসি, দৃষ্টি, অঙ্গভজ্ঞি, বিরতি, এবং আওয়াজের ব্যবহার
একটি বক্তব্যকে সাফল্য এনে দিতে এই বিষয় গুলো খুবই জরুরী। বক্তব্য দেয়ার সময় প্রয়োজনমত হাসি আপনার বক্তব্যটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে। এতে করে মানুষ আপনাকে দেখে প্রশস্তি পাবে। আপনাকে যান্ত্রিক মনে হবে না। তবে হাসি যেন আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় সেদিকেও খেয়াল রাখবেন।

আপনার শ্রোতার দিকে আপনার দৃষ্টি রাখতে হবে। আপনি যদি কথা বলার সময় অন্য দিকে তাকিয়ে থাকেন তবে কেউ আপনার কথা শুনবে না। সবার দিকে তাকাতে হবে যেন সবাই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ বিষয়টি খুব কঠিন। কখনো কখনো মানুষের চোখ কিংবা চেহারার দিকে তাকালে মানুষ কথা ভুলে যায়, ভয় পেয়ে যায়। এ থেকে মুক্তি পেতে দুটি সহজ উপায় হল,

  • শ্রোতার চোখে না তাকিয়ে তার কপালের দিকে তাকান। এতে মনে হবে আপনি তার চোখের দিকেই তাকিয়ে আছেন এবং আপনার ভয়ও কম লাগবে।
  • যখন ঘাবড়ে যাবেন তখন শ্রোতাদের মাঝে আপনার যদি কেউ পরিচিত থাকে তাদের দিকে তাকাবেন। এতে আপনার মন শান্ত হবে। কাউকে আগে থেকে বলে রাখতে পারেন যেন শ্রোতার মাঝে থাকে এবং খুব স্বাভাবিক ভাবে আপনার দিকে তাকায়।

দৃষ্টির ব্যাপারে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা কথা যার বা যেদিকে তাকিয়ে শুরু করেছেন সেদিকে তাকিয়েই শেষ করুন। আপনাকে দেখে যেন মনে না হয় যে আপনি হন্য হয়ে কাউকে খুজছেন।  

কথা বলার সময় আপনার হাতের ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ । অনেকেই দ্বিধায় পরে যায় যে হাত দুটি কোথায় রাখবে। কথা বলার সময় আপনি আপনার হাত নাড়িয়ে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেন। তবে তা যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয়। তাহলে সব মনোযোগ আপনার কথায় না থেকে হাতের নাড়াচাড়ায় পরে থাকবে। বড় মঞ্চ হলে আপনি প্রয়োজনবোধে হাঁটতেও পারেন। তবে ডায়াস থাকলে তাতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেয়াই শ্রেয়।
কথার মাঝে মাঝে প্রয়োজনীয় বিরতি দিন। এক নাগাড়ে কথা বলে গেলে মানুষ আপনার কথা বুঝবে না। ধীরস্হিরভাবে সুন্দর করে কথা বলুন। মানুষকে আপনার কথার গভীরতা বুঝার সুযোগ দিন।
আপনার কথায় আওয়াজের ব্যবহার ঠিক মত করতে পারলে মানুষ অনেকদিন আপনার কথা মনে রাখবে। যখন কোন আবেগঘন কথা বলছেন তখন আওয়াজ একটু কমিয়ে আনা তেমনি ভাবে যখন কোন স্বপ্ন, সম্ভাবনার কথা বলছেন তখন আওয়াজ একটি বাড়িয়ে দেয়া খুব আকর্ষণীয় হতে পারে। এগুলো চর্চার সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে। তাই বিষয় গুলো মাথায় রাখলেও হবে।

মনোযোগ আকর্ষণ
বক্তব্যের একদম শুরুতে আপনার স্রোতার মনোযোগ আকর্ষণ করাটা খুব জরুরী। একটা বক্তব্যের প্রথম ১-২ মিনিটেই এই কাজটি আপনার করতে হবে। নিজের কোন গল্প দিয়ে, একটি প্রশ্ন, কোন আকর্ষণী তথ্য দিয়েও বক্তব্য শুরু করতে পারেন। বক্তব্যের শুরুতেই গতানুগতিক ভাবে ‘ধন্যবাদ’, ‘কারা উপস্থিত আছেন’, ‘আমি জানি না কি বলব’ অথবা ‘আমি আসলে আপনাদের সামনে কথা বলার জন্য যোগ্য নই’ ধরনের কিছু বলবেন না। এতে হয় আপনার স্রোতারা আপনার উপর বিরক্ত হবে নয়ত তাদের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা কমবে।

মূল বক্তব্যকে ভাগ করে নেয়া
শুরু করার পর আপনার মূল বক্তব্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিতে পারেন। একেকটি ভাগে কিছু আলাদা আলাদা গল্প কিংবা আলোচনা থাকতে পারে। তবে যাই থাকুক তা যেন বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তুর সাথে সম্পৃক্ত হয়।
খুব গ্রহণযোগ্য একটি উপায় হচ্ছে আপনি বক্তব্যের মূল আলোচনাকে দুটি ভাগে ভাগ করুন।

  • প্রথম ভাগে আপনি নিজের গল্প বলুন। যে বিষয় নিয়ে আপনি কথা বলছেন তা কিভাবে আপনার সাথে জড়িত তা বলুন। কেন আপনি এই বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন, কেন এবং কিভাবে এটি আপনাকে প্রভাবিত করছে তা বলুন।
  • দ্বিতীয় ভাগে আপনি আপনার স্রোতাদের সাথে সম্পৃক্ত করে বলুন কিভাবে তারাও এই বিষয়টির দ্বারা প্রভাবিত, হয়ত তারা বুঝতেও পারছে না যে তারাও এর সাথে জড়িত। এতে করে আপনার স্রোতারাও আপনার সাথে একই পথে চলা শুরু করবে।

আকর্ষণীয় সমাপ্তি
শুরু করার মত শেষটাও যেন আকর্ষণীয় হয় তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কোন কিছু প্রতি আহবান করে আপনার বক্তব্য শেষ করতে পারেন। হতাশা দিয়ে বক্তব্য শেষ করবেন না। বিষয়টি যদি হতাশাজনকও হয় তবু তা থেকে বেরিয়ে আসার যে সম্ভাবনা আছে তা দিয়ে বক্তব্য শেষ করুন। বক্তব্য শেষ করেই সাথে সাথেই সরে যাবেন না। কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে মানুষকে সময় দিন আপনার পুরো বক্তব্যটির সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়ার। বক্তব্যে শুরুর মতই তা শেষ করার ১ মিনিট খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঐ সময়টায় আপনার শ্রোতারা যেন আপনাকে দেখতে পায়। সব শেষে খুব ধীরস্থিরে মঞ্চ থেকে নামুন। বক্তব্য শেষ সুযোগ থাকলে  শ্রোতাদের কিছুটা সময় দিতে পারেনএতে ভবিষ্যতের জন্য আপনার প্রতি বিশ্বাস বাড়বে।

আপনি যা দেখতে পান, তা আপনি বলতে পারেন
আপনার বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথা চিন্তা করুন। আপনি সে বিষয়ে যা কল্পনা করতে পারেন তাই বলুন। নিজের কল্পনা ও চিন্তার জগতটাকে অনেক বড় করতে পারলে আপনি খুবই ভাল বক্তা হতে পারবেন।

চর্চা, চর্চা, চর্চা 
সবশেষে, একজন বক্তা হওয়ার সকল চেষ্টাই ব্যর্থ হবে যদি আপনি চর্চা না করেন। যাদের স্বপ্ন আছে ভাল বক্তা হওয়ার তাদের জন্য এই একটাই ওষুধ। যত বেশি চর্চা করবেন আপনার কথা বলার যোগ্যতা ততবেশি বৃদ্ধি পাবে। বক্তৃতা চর্চার কয়েকটি সহজ উপায় হতে পারে,

  • যখন যেখানে আছেন কিছু বলার চেষ্টা করুন। চুপ থাকবেন না। অনর্থক কথাও বলবেন না।
  • নিজে নিজে কথা বলতে পারেন।
  • কিছু বন্ধুকে চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়ে তাদের সামনে কথা বলার চর্চা করুন।
  • সন্ধ্যায় হাঁটতে বের হয়েছেন, হাঁটতে হাঁটতে নিজের মনের কাছের কিছু নিয়ে কথা বলুন।
  • আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারেন।
  • নিজের কথা রেকর্ড করে শুনতে পারেন। এতে নিজের আওয়াজের উপর একটা নিয়ন্ত্রণ আসবে।
  • বেশি বেশি বই, পত্রিকা, লেখা পড়বেন। এতে বিভিন্ন বিষয়ে আপনার ধারনা বাড়বে।

আপনি যদি বিশ্বাস রাখেন তবে অবশ্যই আপনি পারবেন। তাই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস রেখে চেষ্টা করে যান। কারণ, যদি আপনি বলতে পারেন তবেই আপনি মানুষকে উৎসাহিত করতে পারেন, আর যদি আপনি মানুষকে উৎসাহিত করতে পারেন, তবে আপনিই পারবেন অসংখ্য মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।  

2 comments

Leave a Reply

Seo wordpress plugin by www.seowizard.org.